১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২৬
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশব্যাপী শুরু হওয়া মাদকবিরোধী অভিযানেও দমানো যাচ্ছে না মাদক কারবারিদের। অভিযানের ১৭ দিন পার হলেও এখনো তেমন সাড়া পড়েনি। গ্রেপ্তার হচ্ছে না শীর্ষ পর্যায়ের গডফাদাররা। শুরুতে কয়েকটি বড় চালান ধরা পড়লেও সময়ের সঙ্গে অনেকটাই ঝিমিয়ে গেছে অভিযান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিল না বললেই চলে। এ সুযোগে মাদক কারবারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। যা এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আসেনি। এ অবস্থায় অভিযানের মধ্যেই দেশের সীমান্তবর্তী ২৯ জেলার ১৬২ পয়েন্ট দিয়ে মাদকের ঢল অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পাওয়া যাচ্ছে মাদক। বিশেষ করে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন ও ফেনসিডিলের চালান বেড়েছে।
পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, বিশেষ অভিযান আরও জোরদারের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। মাদকের রেডজোন জেলাগুলোতে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) শুরু থেকেই কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গোয়েন্দা তথ্য বলছে, এসব পয়েন্টসহ দেশে অন্তত ১৬০০ গডফাদার সক্রিয় রয়েছে। সারা দেশে এ মাদক নেটওয়ার্ক তিন স্তরে সক্রিয়। যে নেটওয়ার্কে অন্তত ২১ হাজার কারবারি রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় কারবারির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
সূত্র বলছেন, বর্তমানে মাদক পাচারের নিত্যনতুন কৌশলের সঙ্গে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে কারবারিদের ছদ্মবেশ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক কর্মকর্তা বলেন, কারবারিদের কৌশল ও ছদ্মবেশ এমন পর্যায়ে গেছে, নিজেদের মধ্যে ঝামেলা না হলে তাদের খোঁজ মিলছে না সহজে। যা দেশের মাদকের বাজারকে আরও ভয়াবহ রূপ দিতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও সত্যিকারের জিরো টলারেন্স বলতে যা বোঝায় রাষ্ট্র সেই পদক্ষেপ না নিলে কখনোই মাদক নিয়ন্ত্রণে আসবে না। সীমান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে সীমান্তে দায়িত্বরত কেউ এসব কারবারে জড়িত কি না সে বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পরিচালক (অপারেশন্স) মো. বশির আহমেদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকার বিশেষ অভিযান ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা কঠোরভাবে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। ডিএনসির অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়) এ কে এম শওকত ইসলাম বলেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত বারগুলোও কোনো অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সিসা লাউঞ্জ বন্ধসহ ঢাকামুখী মাদকের ট্রানজিটগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, বিশেষ অভিযান শুরুর পর মাদকের বিক্রেতা ও বাহক পর্যায়ের অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গডফাদারদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। আশা করি অনেক গডফাদার দ্রুতই গ্রেপ্তার হবেন। এ ছাড়াও মাদকের জন্য বিশেষ এলাকাগুলোতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাড়ছে যেসব মাদকের সরবরাহ : পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে সারা দেশে ২ কোটি ২৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫১ পিস ইয়াবা উদ্ধার হলেও গত বছর এটি বেড়ে ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১ পিসে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও গত বছর ১৬৬ কেজি হেরোইন, সাড়ে ১৪ কেজি কোকেন, ৯৬ হাজার ৩৫৭ কেজি গাঁজা, ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৪০ বোতল ও ৮১ লিটার ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। ডিএনসির তথ্য বলছে, গত বছর ২ কেজি ৮৪৭ গ্রাম আইস, ৭০ কেজি সিসা, সাড়ে ৬ কেজি কেটামিন, ৫.৪৬ কেজি গাঁজার কুশ, ১ লাখ ২০ হাজার ৭৫৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। অথচ দুই-তিন বছর আগেও কেটামিন, ট্যাপেন্টাডল, কুশের মতো মাদকের প্রাদুর্ভাব সেভাবে দেখা যায়নি। এসবের সঙ্গে পশ্চিমা দেশের মাদকও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের কাছে।
কোন পয়েন্ট দিয়ে কী মাদক ঢুকছে : সীমান্ত পথ আছে এমন কোনো জেলা নেই যেখান দিয়ে মাদক প্রবেশ করছে না। পাশের দেশ ভারত ও মিয়ানমারের কারবারিরা সীমান্তের ফাঁক গলে দেশের কারবারিদের হাতে তুলে দিচ্ছেন মাদকের চালান। এ কাজে রোহিঙ্গাদের সংশ্লিষ্টতা বেশ পুরোনো। কক্সবাজারে ইয়াবার চালান ছাড়াও হেরোইনের চালান বৃদ্ধি পেয়েছে।
সূত্র বলছেন, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, কুমিল্লা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ময়মনসিংহ, ঝিনাইদহ, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে আসছে ফেনসিডিল। বিশেষ করে কোভিন ফসফেট মিশ্রিত ফেনসিডিল ভারতের চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, আসাম প্রদেশের ধুবরী ও সাউথ সালমারা মানকাচর জেলা দিয়ে প্রবেশ করছে। গাঁজা প্রবেশ করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নওগাঁ, ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা, জামালপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্ত পথ দিয়ে। ভারতের আসামের ধুবরী, করিমগঞ্জ, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, ত্রিপুরার আগরতলা সীমান্ত দিয়ে ঢুকানো হয় গাঁজা। বিদেশি মদ ঢুকছে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর সীমান্ত পথ দিয়ে।
বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিনিধিরা মাদকের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। বগুড়া থেকে প্রতিনিধি জানান, ড. ইউনূস সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন যেমন আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছিল, তেমনি তাঁর শাসনামলে ১৮ মাসে বগুড়ায় বেড়েছে মাদক কারবার ও সেবন। ওই সময় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন কারবারিরা। ফলে জেলায় মাদকের ব্যাপকতা বেড়ে যায়। বগুড়ার হাড্ডিপট্টি ও চকসূত্রাপুর এলাকায় গড়ে উঠেছিল মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে খাতায়-কলমে নিয়ন্ত্রণ ছিল মাদক, কিন্তু বাস্তবে মাদকের বন্যায় ভেসেছে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ১১ জেলা ও চট্টগ্রাম নগরী। ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশের ভেঙে পড়া চেইন অব কমান্ড, সোর্স-নেটওয়ার্কের বিপর্যয় এবং প্রশাসনিক রদবদলের সুযোগ নিয়ে কারবারিরা গড়ে তুলেছে মাদকের এক অভয়ারণ্য। পরিসংখ্যানে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সিএমপিতে মাদক মামলা ৩৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জে প্রায় ২৩ শতাংশ কমার স্বস্তিদায়ক চিত্র দেখা গেলেও বাস্তবের চিত্রটি ঠিক উল্টো ও ভয়ংকর। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে তল্লাশিহীন সড়কগুলো ব্যবহার করে নীরবে মাদকের এ চোরাচালান ও বিস্তার বেড়েছে কয়েক শ গুণ। মাদক বিষয়ে কাজ করেন মাঠপর্যায়ের এমন একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ হয়। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে পরিকল্পিতভাবে পুলিশের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী এক বছরের অধিক সময় স্বাভাবিক পুলিশিং কার্যক্রম বন্ধ ছিল। রাস্তায় চেকপোস্ট বসানো বা ‘ব্লক রেইড’ দেওয়ার মতো কার্যক্রম প্রায় বন্ধ ছিল। এ ছাড়া মাদক উদ্ধারের মূল কারিগর পুলিশের স্থানীয় ‘সোর্স’ বা ইনফরমাররা সরকার পরিবর্তনের পর এলাকাছাড়া হওয়ায় ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ধসে পড়ে। এ সুযোগে কারবারিরা রুট পরিবর্তন করে নির্বিঘ্নে মাদকের চালান পাচার করেছেন। এ সময় মাদক মামলা হার কমলেও মাদক কারবার বেড়েছে কয়েক শ গুণ।
বগুড়ার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ইউনূস সরকারের আমলে প্রশাসন ভেঙে পড়েছিল। যার কারণে জেলায় মাদক কারবারি ও মাদকসেবীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসন নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলা একটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল। এ দুই উপজেলার বেশির ভাগ অংশই ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে দিনের বেলায় যেমন তেমন সন্ধ্যা নামলেই তৎপরতা শুরু হয় মাদক কেনাবেচার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের বেশি তৎপরতা দেখা গেছে।
নড়াইল প্রতিনিধি জানান, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় নড়াইলে বেড়েছে মাদকের বেচাকেনা ও সেবন। বিগত ১৮ মাসে নড়াইল জেলায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দৃশ্যমান নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপের অভাবে জেলাজুড়ে মাদক কারবারিরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন, যা জনমনে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, কুয়াকাটা উপকূল এখন মাদকের সেফ জোন হিসেবে বিবেচ্য মাদকের গডফাদারদের কাছে। নিরাপদ এলাকা হিসেবে সমুদ্রপথে নিয়মিত কুয়াকাটাসহ উপকূলের বিভিন্ন স্পটে আসছে মাদক। যা স্থানীয় মাদকসেবী ও পর্যটকদের কাছে বিক্রির পর ফের নৌ ও সড়কপথে পাচার হয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। চোলাই মদ, গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবার সহজলভ্যতার পর মহিপুর থানার কুয়াকাটা উপকূলে এবার সন্ধান মিলেছে ভয়ংকর মাদক ক্রিস্টাল মেথের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সোর্সের মাধ্যমে মাদক সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা তোলারও অভিযোগ রয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের আগেই তথ্য চলে যাচ্ছে মাদক কারবারিদের কাছে। এ ছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে খুচরা বিক্রেতা কিংবা বহনকারীরা গ্রেপ্তার হলেও সাক্ষ্য দুর্বলতায় আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে মাদক কারবারি ও বহনকারীরা। আর গডফাদাররা বরাবরই থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানেও ধরা পড়ছে মাদকের ছোটবড় চালান। ইয়াবাসহ এসব মাদক সরবরাহ বহনের কাজে কোমলমতি শিশু ও নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, রাজবাড়ীতে এখন হাত বাড়ালেই মেলে মাদক। রাস্তার ধারে, হাট-বাজারে বিক্রি হয় মাদক। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মাদকের ভয়াবহ উত্থানের কারণে এমন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদকের প্রভাবে কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদক আসক্তি বাড়ছে। চুরি, ছিনতাইসহ অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জনবল সংকট, সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয়তা, সহজলভ্যতা, কিছু এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি কম বলে অভিযোগ রয়েছে।
রংপুর প্রতিনিধি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুয়োগে ভারতীয় সীমান্ত গলিয়ে মাদক এসেছে পানির শ্যাওলার মতো। মাঝেমধ্যে মাদক বহনকারীরা ধরা পড়লেও মূল গডফাদাররা রয়ে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। দিন দিন মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি মাদক পাচারের নিরাপদ রুটে পরিণত হয় রংপুর। এ নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহল চিন্তিত।
- ‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
- ‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
- ১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
- ইসরাইলি হামলায় লেবাননের দৈনিক ক্ষতি ৩০ মিলিয়ন ডলার
- মেসিকে ভালোবাসি : পরীমণি
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের জ্বালানি চুক্তিতে কী আছে?
- পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা : আরব আমিরাতের হুঁশিয়ারি
- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নতুন পরিকল্পনা
- ইরানকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
- সৌদি আরবে ঈদুল আজহা ২৭ মে
- বাংলাদেশ ডে প্যারেডের আয়োজকদের মিট এন্ড গ্রিট
- বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন
- উদ্যমী তোফায়েল চৌধুরীর অগ্রযাত্রা
- এস্টোরিয়ায় নতুন রিয়েল এস্টেট কোম্পানির অফিস উদ্বোধন
- সোসাইটির নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা রাব্বী সৈয়দের
- যাদের জন্য ভিসাবন্ড শিথিল হলো
- বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসী ইউএসএ’র পিকনিক উদযাপন কমিটি
- রাসেল সভাপতি ও তপন সম্পাদক পদে বিজয়ী
- একমন্ত্রী যেতেই আরও দুই মন্ত্রী নিউইয়র্কে
- যুক্তরাষ্ট যুবলীগের সভাপতি সেবুল সভাপতি ও সম্পাদক মিজান
- ‘হিন্দুদের সাথে বৈষম্যের করছেন শেখ হাসিনা’
- প্রবাসী কার্ড চালু করা হবে
- চীন-ভারতের চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ
- কমিউনিটির ভালবাসায় অভিষিক্ত শাহ নেওয়াজ
- আজকাল ৯২২
- ঢাকার সড়ক মগের মুল্লুক
- আরেক প্রমোদতরীতে ভাইরাস ছড়ানোর সন্দেহ, ফ্রান্সে অবরুদ্ধ ১৭০০
- ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন মিডিয়ার সংবাদকে ‘ভার্চুয়াল বিশ্বাসঘাতকতা’
- হামে আক্রান্ত সেই শিশুর পাশে দাঁড়ালেন জুবাইদা রহমান
- ইরান যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯৪
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- আজকাল ৮৯৭
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৯০১
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- আজকাল ৮৯৬
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
