রোববার   ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১৮ ১৪৩২   ১৩ শা'বান ১৪৪৭

সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতীয় শিক্ষার্থীর হাত-পা বাঁধার ভিডিও অস্ট্রিয়ায় স্কুলে সন্ত্রাসী হামলায় ৭ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতীয় শিক্ষার্থীর হাত-পা বাঁধার ভিডিও রুশ-যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় দফা আলোচনা শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ড কী, কখন মোতায়েন করা হয়? যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটির সবাইকে বরখাস্ত করলেন কেনেডি ফ্রান্সগামী উড়োজাহাজে চড়ে ইসরাইল ছাড়লেন গ্রেটা থুনবার্গ না ফেরার দেশে চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ সিঙ্গাপুরের ঘাম ঝরিয়েও হার বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ মার্কিন যুদ্ধবিমানের ওপর উপসাগরীয় দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উত্থাপন ইরান-ইয়েমেনের কাছাকাছি পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়েন কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা! নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধে বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে ভূমিকম্পে ১৭০ প্রিয়জন হারালেন এক ইমাম ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪২ ফিলিস্তিনি নিহত ট্রাম্প কি আসলেই তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন লিবিয়ায় অপহৃত ২৩ বাংলাদেশি উদ্ধার দুদিনে নিহত ১৩, চট্টগ্রামের জাঙ্গালিয়া যেভাবে মরণফাঁদ হয়ে উঠলো বাংলাদেশের অর্থপাচার তদন্তে ব্রিটিশ এমপিদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ভেনিজুয়েলার তেল-গ্যাস কিনলেই শুল্কারোপের হুমকি ট্রাম্পের সাভারে চলন্ত বাসে আবার ডাকাতি, চালক ও সহকারী আটক ছুটিতে এটিএম সেবা সবসময় চালু রাখার নির্দেশ উসকানিতে প্রভাবিত না হতে বললেন সেনাপ্রধান রেড ফ্ল্যাগ সতর্কতার আওতায় ২৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ এনসিপি নেতা হান্নানের পথসভায় হামলা, আহত ‘অর্ধশতাধিক’ নির্বাচনী ট্রেনে বাংলাদেশ বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্র্রঙ্কসের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাবওয়ে ট্রেনে সন্তান প্রসব নিউইয়র্কে আইস পুলিশের বিশাল অফিস উদ্বোধন মেয়রের মামলা প্রত্যাহারে প্রসিকিউটরের পদত্যাগ হাসিনা নিজেই হত্যার নির্দেশদাতা জন্ম নাগরিকত্ব বাতিল আদেশ আটকে দিল আদালতে নিউইয়র্কে ডিমের ডজন ১২ ডলার নিউইয়র্কে ভালোবাসা দিবস উৎযাপন আমেরিকান বাংলাদেশী টেক কোয়ালিশন’র আত্মপ্রকাশ জামালপুর সমিতির সভাপতি সিদ্দিক ও সম্পাদক জাস্টিস শেখ হাসিনার আমলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে বাংলাদেশিদের অস্ত্রোপচার বাতিলে কলকাতাজুড়ে হাসপাতালে হাহাকার দি‌ল্লি যাওয়া ছাড়াই পাওয়া যাবে মে‌ক্সি‌কান ভিসা বাজার থেকে উধাও বোতলজাত সয়াবিন কেউ আপনার স্ত্রীকে ‘হট’ বললে সেটা কি ভালো লাগে, প্রশ্ন সানার পাচারের ১৭ লাখ কোটি ফেরাবে কে এবাদুলের মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হংকং-দুবাইয়ে পাচারকারীরা বেপরোয়া ছিল শেখ পরিবারের প্রশ্রয়ে সোনার দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা আবু সাঈদের মৃত্যু নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য কতটুকু সত্য? দিনে মাত্র একবেলা খাচ্ছে গাজার অনেক মানুষ পছন্দের লোক নিয়োগ দিতে বদলে দেয়া হয় মেট্রোরেলের নিয়োগবিধি যানজটের কারণে নষ্ট হচ্ছে দৈনিক ১৩৯ কোটি টাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নজর চার খাতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন হাথুরুসিংহের অপকর্ম ধামাচাপা দেন পাপন ‘ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ আমেরিকার জন্য বিশাল হুমকি হবে’ নীরবে সরবে চাঁদাবাজি পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ ইন্টারনেট ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহারের উপায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বাইডেনের ভাড়া ফাঁকিবাজদের ধরতে চলছে সাঁড়াশি অভিযান সীমান্তে বাংলাদেশি কিশোরীকে গুলি করে মরদেহ নিয়ে গেল বিএসএফ ভিসা ফি ছাড়াই এবার পাকিস্তান যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা ঢাকার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাফি আটক সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ব্যয়বহুল সফরে ২৬ ব্যাংক এমডি যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ সাবেক সেনাপ্রধান ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা দিনের বেলায় মরুভূমির চেয়েও উত্তপ্ত চাঁদ ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩২৭ ৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠির সত্যতা চ্যালেঞ্জ করে ২৬৭ প্রবাসী বাংলাদেশি অক্টোবরের মধ্যেই ‘আন্দোলনের ফসল’ ঘরে তুলতে চায় বিএনপি শর্তসাপেক্ষে নিউইয়র্কে মসজিদে আজানের অনুমতি বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া গেলেন ৩১ কর্মী খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর নির্দেশ জার্মানে পাঁচ বছর বাস করলেই পাওয়া যাবে নাগরিকত্ব বিএনপি-জাপা বৈঠক সিঙ্গাপুরে বাইডেন প্রশাসনকে হাসিনার কড়া বার্তা এবার হাসিনার পাশে রাশিয়া বঙ্গ সম্মেলনের ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক ঘটনা স্টুডেন্ট লোন মওকুফ প্রস্তাব বাতিল বাংলাদেশিদের ওপর উপর্যুপরি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের উচিত আগে নিজ দেশে মানবাধিকার রক্ষা করা: শেখ হাসিনা তামিমের অবসর অভিযোগের তীর পাপনের দিকে নিউইয়র্কে এখন চোরের উপদ্রুব যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে হাতিরঝিলের ক্ষতি হবেই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি, পাঁচ দিনে নিহত ৩৫ যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটছে বাখমুত থেকে পিছু হটেছে সেনারা, স্বীকার করল রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণ ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ সুপার সাইক্লোন হবে না, দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের সুদানে যুদ্ধে সাড়ে ৪ লাখ শিশু বাস্তুচ্যুত : জাতিসংঘ পারস্য উপসাগরে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় খেলাপি ঋণে দ্বিতীয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে সারা দেশে ভোগান্তি রুশ হামলা সামলে ফের বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে যাচ্ছে ইউক্রেন রিজার্ভ সংকট, খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের দুর্বল নীতিও দায়ী পূজার ‘জিন’ একা দেখতে পারলেই মিলবে লাখ টাকা! সিরিয়ায় আর্টিলারি হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল বাইডেন না দাঁড়ালে প্রার্থী হবেন কে নাইজেরিয়ায় ৭৪ জনকে গুলি করে হত্যা ভারতে বাড়ছে করোনা, বিধিনিষেধ জারি তিন রাজ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুলা যে কোনো দিন খুলবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল দেশে করোনার নতুন ধরন, সতর্কতা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করবো: মাহিয়া মাহি মর্মান্তিক, মেয়েটিকে ১২ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেল ঘাতক গাড়ি! স্ট্যামফোর্ড-আশাসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বর্ষবরণে বায়ু-শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যে ধাক্কা কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
১০

যারা বছরের পর বছর উধাও তারা মজলুমদের বলে গুপ্ত

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  

জামায়াত আমির

  •     চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের গোড়া কেটে দিতে চাই
  •     মা-বোনেরা ১১ দলীয় জোটকে আস্থার ঠিকানা হিসেবে দেখছে
  •     ৫৪ বছর ধরে দেশে বেইনসাফি ও দুর্নীতির রাজনীতি চলছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বছরের পর বছর যারা নিজেরাই উধাও ছিল, তারাই এখন মজলুমদের ‘গুপ্ত’ ও ‘সুপ্ত’ বলে আখ্যা দিচ্ছে। তিনি বলেন, এসব অভিযোগ তোলার আগে সমালোচকদের আয়নায় নিজের চেহারা দেখা উচিত।

গতকাল শনিবার ঢাকা ও কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত একাধিক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। এসব জনসভায় তিনি চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, জুলাই আন্দোলনের তাৎপর্য, গণভোট ও নির্বাচন, মা-বোনদের নিরাপত্তা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বেইনসাফির সমালোচনা করেন।

কেরানীগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের জনসভা : শনিবার বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলির পক্ষে কাজ করতে গেলে যারা মা-বোনদের কাপড় খুলে দেওয়ার হুমকি দেয়, তারা মানুষ হতে পারে না। আল্লাহ না করুক, তারা যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের পরিবেশ কেমন হবে, তা চিন্তা করলেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমির আব্দুল জব্বার, দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মশিউল আলম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ঢাকা-২০ আসনের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাশদিদ, ঢাকা-১৯ আসনের দিলশানা পারুল, ঢাকা-২ আসনের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক, ঢাকা-৩ আসনের অধ্যক্ষ শাহীনুল ইসলাম, ঢাকা-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

জামায়াতের আমির বলেন, মা ও বোনেরা এখন আর বিভ্রান্ত নয়, তারা ঐক্যবদ্ধ।
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনের ফলই প্রমাণ করবে, কারা জনগণের আস্থার ঠিকানা। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতি কল্পনাও করেনি যে ফ্যাসিস্ট শক্তি অপদস্থ হয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি নির্বাচন হবে। তিনি অভিযোগ করেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল, তারাই ব্যাংক ডাকাতি, শেয়ারবাজার লুট, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই স্মৃতিঘরে স্বৈরাচারের ‘আয়না ঘর’-এর নানা প্রোটোটাইপ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
ভবিষ্যতে যাঁরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন, তাঁদের সেখানে গিয়ে দেখে আসা উচিত মানুষের ওপর জুলুম করলে তার পরিণতি কী হয়।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের মন্ত্রীরা নিজেদের সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে দেশের মানুষের রক্ত ও সম্পদ নিয়ে খেলা করেছে। তারা স্বার্থপর, মুনাফেক, তারা যা বলত তা করত না।

জুলাইকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা একটি দলের সমালোচনা করে আমিরে জামায়াত বলেন, ‘আমরা আশা কমরছিলাম, তারা জুলাইকে সম্মান করবে। কিন্তু শহীদ পরিবারের সদস্যদের অসম্মান করা হয়েছে।
জুলাইকে সম্মান করার মানে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, নিরীহ মানুষের জমি দখল ও মামলা বাণিজ্য, মায়ের গায়ে হাত দেওয়া হতে পারে না, এটি জুলাই চেতনার সঙ্গে যায় না।

তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদ ও সংস্কারের জন্য গণভোট বিষয়ে তারা সামনে এগোতে দেয় না। পরে জনগণের ঠেলা পেয়ে গতকাল থেকে তারা গণভোটের বিষয়ে কথা বলা শুরু করেছে। ডা. শফিক বলেন, জুলাই না হলে ২০২৬ সালে কিসের নির্বাচন, জুলাই না হলে তো ফ্যাসিবাদের অধীনে ২৯ সালে নির্বাচন হতো। ২৬ সালে নির্বাচন চাইব আবার জুলাই মানব না, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না এটি হতে পারে না।

আমিরে জামায়াত অভিযোগ করে বলেন, যারা নিজেরা বছরের পর উধাও ছিল, তারাই আবার মজলুমদের বলে গুপ্ত আর সুপ্ত। সমালোচকদের আয়নায় নিজের চেহারা দেখার পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, “গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামী। আমরা আবরার ফাহাদ ও শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চাই।”

চৌদ্দগ্রামে জনসভা : একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট হাই স্কুল মাঠে ১১ দলীয় জোটের জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন বড় পরিবর্তন চায়। ১২ তারিখের পর যে পরিবর্তন আসবে, তা আসবে যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা, মায়েদের নিরাপত্তার দাবি এবং গোটা দেশের মর্যাদার ওপর ভর করে। তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশে আর কোনো আধিপত্যবাদ, ফ্যাসিবাদ কিংবা দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার মেনে নেওয়া হবে না। জামায়াতে ইসলামী কোনো দলীয় শাসন কায়েম করতে চায় না; বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করতে চায়।

জামায়াত আমির বলেন, যারা মানুষের সম্পদ, জীবন ও সম্মানে আঘাত করেছে, যারা মায়েদের ইজ্জতে হাত দিয়েছে, তাদের হাতে কি দেশের মায়েরা নিরাপদ থাকতে পারে, এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।

যারা আজ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে জড়িত, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারাও একসময় মজলুম ছিলেন, এখন কেন জালিম হলেন? এসব অপকর্ম ছেড়ে দিয়ে জাতিকে কষ্ট দেওয়া বন্ধ করুন।

সরকারি চাকরিজীবীদের কষ্টের কথা উল্লেখ করে ডা. শফিক বলেন, বর্তমান বেতনে অনেকেরই চলতে কষ্ট হয়। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে একটি জনকল্যাণমূলক সরকার গঠন করবে এবং মানুষের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন, তাই করা হবে।

তিনি বলেন, কওমি অঙ্গনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব মামুনুল হক সাহেব আমাদের পাশে রয়েছেন। কওমি মাদরাসা বন্ধ করার প্রশ্নই আসে না, বরং এর উৎকর্ষ সাধনে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জনসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম প্রমুখ।

৫৪ বছর ধরে দেশে বেইনসাফি ও দুর্নীতির রাজনীতি চলছে : বুড়িচং উপজেলার নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, বেইনসাফি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মানুষ হত্যার মাধ্যমে গত ৫৪ বছর ধরে দেশে একটি পচা রাজনৈতিক সংস্কৃতি চালু রয়েছে। এই রাজনীতি আর দেখতে চায় না জনগণ। এই সংস্কৃতি পরিবর্তনের জন্যই জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নেমেছে। তিনি বলেন, যুবসমাজ বুকের রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তাদের সেই আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে হবে।

বাংলাদেশে পচা রাজনীতি আর চলতে দেব না : দাউদকান্দি উপজেলার বিশ্বরোড এলাকায় অনুষ্ঠিত জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে পচা রাজনীতির বন্দোবস্ত আর চলতে দেওয়া হবে না। যারা ব্যাংক ডাকাতি, শেয়ারবাজার লুট ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছে, তারা আর জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।

তিনি বলেন, মা ও বোনেরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছেন—তাঁরা অনিরাপদ বাংলাদেশ চান না। তাঁরা নিরাপদ বাংলাদেশ চান। এ কারণেই মা-বোনেরা ১১ দলীয় জোটকে আস্থার ঠিকানা হিসেবে দেখছে।

আমিরে জামায়াত বলেন, মায়েরা খোলাখুলি বলেন তাঁরা অনিরাপদ বাংলাদেশ দেখতে চান না, তাঁরা একটি নিরাপত্তার বাংলাদেশ চান। আমরা বিশ্বাস করি, দাঁড়িপাল্লা ও তার সঙ্গীরাই দেশবাসীকে নিরাপত্তা দিতে পারবে।

তিনি বলেন, যে দেশে মাঠে, ঘাটে, পথে-প্রান্তরে সর্বত্র চাঁদাবাজি হয়, সেটি সভ্য দেশ হতে পারে না। চাঁদাবাজদের খাদ্যের অভাব হলে আমাদের খাদ্য ভাগাভাগি করে খাব। চাঁদাবাজি ছেড়ে দিতে হবে।

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর