সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬
সুন্দরবনে হরিণ শিকার ও পাচারচক্রের দৌরাত্ম্য কোনোভাবেই যেন কমছে না। বর্তমানে বনে সব ধরনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও থেমে নেই বেপরোয়া চোরা শিকারিদের হরিণ নিধন।
সবশেষ চলতি বছরের ২০ জুলাই সুন্দরবনের নলিয়ান এলাকা থেকে ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ মেহেদী হাসান (৩০) নামে এক মাংস ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। তিনি খুলনার দাকোপ থানার বাসিন্দা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইদিন দুপুর ২টায় খুলনার দাকোপ থানাধীন নলিয়ান ক্লোজারপাড়া-সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড। অভিযানে ৩০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওই মাংস ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।
সুন্দরবনের অধিকাংশ অঞ্চলে কমবেশি হরিণ দেখা যায়। সাধারণত বনের কটকা, করমজল, দুবলারচর, হিরণ পয়েন্ট, কচিখালী, সুপতি ও ঢাংমারী এলাকায় হরিণের বেশি বিচরণ। সকাল-বিকেলে এসব ঘাসবনে দলবেঁধে হরিণের দেখা মেলে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বন বিভাগের নিয়মিত টহল এবং বনে জলদস্যু কমার পাশাপাশি রাসমেলা বন্ধের পরও কোনোভাবেই কমছে না হরিণ শিকার।
বন বিভাগের তথ্য বলছে, সুন্দরবন দেখভালের জন্য বন অধিদপ্তরের দুটি বিভাগ রয়েছে। একটি খুলনা ও সাতক্ষীরা নিয়ে (সুন্দরবন পশ্চিম), অন্যটি খুলনার অংশ ও বাগেরহাট নিয়ে (সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ)। গত ৩ বছরে এই দুই বিভাগ ৩৪৫৩ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে। এ কাজে জড়িত ২৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বন বিভাগ ছাড়াও কোস্ট গার্ড, র্যাব ও পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন সময় হরিণের মাংসসহ শিকারি আটক হয়েছেন।
তিন বছরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের হরিণ শিকারবিরোধী অভিযানের চিত্র তুলে ধরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে হরিণের মাংস উদ্ধার ৩৯৫ কেজি, হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার ৪ হাজার ৮৬০ ফুট, মামলা ২৭টি, আসামি ৫৫ জন, যার মধ্যে গ্রেপ্তার ৪৪ জন।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরিণের মাংস উদ্ধার ৭৯৩ কেজি, হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার ২৪ হাজার ৬৪৮ ফুট, মামলা ৩৭টি, আসামি ৭২ জন, যার মধ্যে গ্রেপ্তার ৩৫ জন।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে হরিণের মাংস উদ্ধার ২৪৯ দশমিক ৫ কেজি, হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার এক লাখ ২০ হাজার ৮৮৩ ফুট, মামলা ৩৫টি, আসামি ৮১ জন, এর মধ্যে গ্রেপ্তার ৭৪ জন।
সবচেয়ে বেশি হরিণের মাংস উদ্ধার হয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে, ৭৯৩ কেজি। সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তারও হয় একই অর্থবছরে, ৭০ জন।
তিন বছরে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের হরিণ শিকারবিরোধী অভিযানের চিত্র তুলে ধরে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে ৫১৪ কেজি, হরিণ ধরার বিবিধ ফাঁদ উদ্ধার—এক হাজার মিটার, এক হাজার ৩২৪টি, সাত বান্ডিল; মামলা ৩৮টি, আসামি ৯৫ জন, এর মধ্যে গ্রেপ্তার ২০ জন; চামড়া আটটি, মাথা চারটি, পা ১৬টি এবং মৃত হরিণ উদ্ধার একটি।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরিণের মাংস উদ্ধার ৯৩১ দশমিক ৭ কেজি, হরিণ ধরার বিবিধ ফাঁদ উদ্ধার—২০০ মিটার, ৪৬৪টি ও ১০০ হাত; মামলা ৫০টি, আসামি ১১২ জন, এর মধ্যে গ্রেপ্তার ১২ জন। এছাড়াও হরিণের চামড়া পাঁচটি, মাথা চারটি এবং মৃত তিনটি হরিণ উদ্ধার করা হয়।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে হরিণের মাংস উদ্ধার ৫৭১ কেজি, হরিণ ধরার বিবিধ ফাঁদ উদ্ধার ৫৯০ মিটার; মামলা ৩১টি, আসামি ৪১ জন, এর মধ্যে গ্রেপ্তার ২১ জন। এ ছাড়াও হরিণের চামড়া একটি, মাথা পাঁচটি, পা আটটি এবং মৃত একটি হরিণ উদ্ধার করা হয়।
সবচেয়ে বেশি হরিণের মাংস উদ্ধার হয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯৩১ দশমিক সাত কেজি। সবচেয়ে বেশি ফাঁদ উদ্ধার হয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে—১০০ মিটার, ৫৪৩টি, ১১০০ ফুট ও ১০০ হাত। সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার এই অর্থবছরে ২১ জন।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) জরিপের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে সুন্দরবনে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪টি হরিণ রয়েছে। এর আগে ২০০৪ সালে হরিণের সংখ্যা ছিল ৮৩ হাজার। সেই হিসাবে ২১ বছরের ব্যবধানে সুন্দরবনে হরিণ বেড়েছে ৫৩ হাজার ৬০৪টি।
যেভাবে ফাঁদ পেতে হরিণ ধরেন শিকারিরা
হরিণ শিকারের বিষয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বনের পাশে যাদের বাড়ি, তারাই বেশি হরিণ শিকারের সঙ্গে যুক্ত। তারা বনের মধ্যে ফাঁদ পেতে ও গুলি করে চিত্রা ও মায়া হরিণ শিকার করেন। পরে সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় মাংস, মাথা ও শিং বিক্রি করেন। এভাবে হরিণ শিকার করে বিক্রি করতে গিয়ে অনেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতেও ধরা পড়েন।
বন বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, সুন্দরবনে হরিণ শিকারের জন্য মালা ফাঁদ, ছিটকা ফাঁদ, হাঁটা ফাঁদ ও গলা ফাঁদ ব্যবহার করেন শিকারিরা।
সুন্দরবনসংলগ্ন গ্রামগুলোর একাধিক সংঘবদ্ধ চোরাশিকারি বনরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুন্দরবনে ঢুকে পড়েন। পেশাদার এসব শিকারি গোপনে নিয়মিত হরিণের যাতায়াতের পথে ফাঁদ পেতে রাখেন। চলাচলের সময় হরিণগুলো সেই ফাঁদে আটকে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় বৈধ বা অবৈধভাবে বনে ঢুকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে হরিণ শিকার করেন শিকারিরা। বন ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পেশাদার হরিণ শিকারিদের বিশেষ সিন্ডিকেট রয়েছে এবং তাদের সঙ্গে থাকে এজেন্ট ব্যবসায়ীরা। এসব এজেন্টের মাধ্যমে কখনো অগ্রিম অর্ডার, আবার কখনো মাংস এনে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়। কোস্ট গার্ডসহ বন বিভাগের অভিযানে মাঝেমধ্যে কিছু মাংস ধরা পড়লেও অধিকাংশ শিকারি থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এক শ্রেণির অসাধু বন কর্মকর্তার কারণে সুন্দরবনে হরিণ শিকার কমছে না।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সুন্দরবনসংলগ্ন দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা, শ্যামনগর, মোংলা ও শরণখোলায় হরিণ শিকারিদের বসবাস বেশি। এসব শিকারির কাছ থেকে হরিণের প্রতি কেজি মাংস ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় কিনে শহরে এক হাজার থেকে দুই হাজার টাকায় বিক্রি করে পাচারকারীরা।
হরিণ ধরার ফাঁদে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি আটকে পড়া আহত একটি বাঘ উদ্ধার করে বন বিভাগ। এর আগে ২০১২ সালে এ ধরনের ফাঁদে আটকে একটি বাঘ পা হারিয়েছিল। ২০১৪ সালে ফাঁদ ছিঁড়ে বের হয়ে আসা আরেকটি বাঘ পরে মারা যায়।
যেসব এলাকায় হরিণ শিকারে ফাঁদ পাতা হয়
জেলে, মৌয়ালি ও বাওয়ালির পাস-পারমিট নিয়ে বনের গহীনে প্রবেশ করে এক শ্রেণির মানুষ হরিণ শিকার করে আসছে। পূর্ব সুন্দরবনের দাকোপের রেখোমারী, ঢানমারী, জংরা, মরা পশুর, কোকিলমনি, কচিখালী, জয়মনির ঘোল, বৈদ্যমারী, জিউধারা, নন্দবালা ও সুন্দরবন ইউনিয়নসংলগ্ন এলাকা সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও হরিণ শিকারের সক্রিয় চোরাশিকারি চক্রের রুট বা লোকালয়সংলগ্ন পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।
এ ছাড়া সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগে সবচেয়ে বেশি ফাঁদ পাতা হয় কাঠকাটা, কাশিয়াদি, কালাবাগী, বানিয়াখালী, নীলকমল, জসিং এবং মহেশ্বরপুর এলাকায়। এসব এলাকায় হরিণের প্রিয় খাদ্য কেওড়া গাছ বেশি থাকায় শিকারিরা বেশি ফাঁদ পাতে।
বাঘ ও বন্যপ্রাণী গবেষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ আজিজ বলেন, সুন্দরবনে বাঘের প্রধান শিকার চিত্রা হরিণ। বাঘের মোট খাদ্যের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে চিত্রা হরিণ থেকে। তাই সুন্দরবনে বাঘ রক্ষা করতে হলে আগে এই চিত্রা হরিণ বাঁচাতে হবে। তবে পরিতাপের বিষয়, দেশের একশ্রেণির মানুষ সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ শিকার করে ভূরিভোজের জন্য। অনেক পর্যটক সুন্দরবনে গিয়ে হরিণের মাংস খেতে চান। দেশের একশ্রেণির ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি সুন্দরবনের হরিণের মাংসের লোভ দমন করতে পারেন না।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) খুলনার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের সবচেয়ে পরিচিত ও নিরীহ প্রাণী হলো হরিণ। সেই হরিণ বছরের পর বছর ধরে শিকার করছে এক শ্রেণির সংঘবদ্ধ শিকারি চক্র। বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত তৎপরতা সত্ত্বেও সুন্দরবনে চোরাশিকারি চক্রের হরিণ শিকার থামছে না। বনসংলগ্ন এলাকায় গোপনে বিক্রি হচ্ছে হরিণের মাংস। সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকা থেকে মাঝেমধ্যেই উদ্ধার হচ্ছে এই মাংস। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী বা বনরক্ষীও এ কাজে জড়িত আছেন বলে জোরালো অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হরিণ শিকার রোধে সুন্দরবনসংলগ্ন লোকালয়ে টহল জোরদার করতে হবে। প্রতিটি স্টেশন ও টহল ফাঁড়িতে নতুন করে হরিণ শিকারিদের নামের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। হরিণের মাংসের সম্ভাব্য ভোক্তার উৎস চিহ্নিত করতে হবে। যাদের গ্রেপ্তার করা হবে, তারা যেন সহজে জামিন না পান, সে ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে হরিণ শিকারের বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা করতে হবে। গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াতে অপরাধ উদঘাটনে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রেখে তাকে পুরস্কৃত করার ব্যবস্থা করতে হবে।
- চাঁদা না পেয়ে হামলা-ককটেল বিস্ফোরণ
- ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছ
- সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
- ইরান যুদ্ধে ‘আটকে’ গেছেন ট্রাম্প
- ‘পাকিস্তানে এক প্লেট বিরিয়ানির জন্য বিক্রি হয়ে যায় মানুষ’
- কান নষ্ট ভয়ংকর শব্দে
- বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নেই কোনও ট্রাফিক সিগন্যাল
- ফিলিস্তিনের দুটি মসজিদে ইসরায়েলিদের অগ্নিসংযোগ
- এবার কি ভারতে!
‘পোস্ট ডিলিট করো, নয়তো সমস্যা হবে’ - পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
- দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ!
- ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’ দিচ্ছে বিনামূল্যে কাপড় শুকানোর ড্রায়া
- জামালপুর সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ইয়েলো সোসাইটির বনভোজন অনুষ্ঠিত
- লং আইল্যান্ডে বৃহত্তম ইসলামিক হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
- এনসিপি ডায়াসপোারার স্মরণসভা ১ আগস্ট
- জ্যামাইকায় ‘জল খাবার’ রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন
- নিউইয়র্ক সিনিয়র ডে কেয়ারের বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ৯ আগস্ট সাউথ এশিয়ান প্যারেড জ্যাকসন হাইটসে
- মুনার বনভোজন অনুষ্ঠিত
- জামায়াতে ইসলামীতে নজীরবিহীন কান্ড!
- সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা
- মোদি সরকার বেকায়দায়
- কে হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তি রাষ্ট্রপতি
- রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বললেন: কোথায় কি, কোথায় পদত্যাগ!
- আজকাল ৯৩২
- ভারতের আন্দোলনে রসদ যোগাচ্ছে ব্যাঙ্গাত্মক মিম ও রিলস
- ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ
- কানাডায় বন্দুক সহিংসতা
- দিল্লির বিক্ষোভে ভয় পেয়েছেন কঙ্গনা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯২১
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯০৭
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯০৮
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- বিয়ে করছেন রাফসান-জেফার!
- আজকাল ৯০৯
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯১২
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
