জম্মিদশার রুদ্ধশ্বাস ৩১ দিন
ঢাকা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২৪
ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর ২৩ নাবিকের সোমালিয়ান উপকূলে কেটেছে দুর্বিষহ দিন। নানারকম মানসিক অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তারা। আর কখনো স্বজনের কাছে ফিরতে পারবেন কি-না-এ উদ্বেগে কেটেছে প্রতিটা মুহূর্ত। মাঝে মাঝে রাতে ফাঁকা গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দে ভেঙে যেত ঘুম। এমনকি মাদকের জন্য দস্যুরা নিজেদের মধ্যেই করত মারামারি-হাতাহাতি। জিম্মি অবস্থায় কাটানো রুদ্ধশ্বাস ৩১ দিনের নানা ঘটনা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে শুনিয়েছেন জাহাজটির ক্যাপ্টেন মো. আতিকুল্লাহ খান। ওইসব ঘটনার চুম্বকাংশ পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো : ভারত মহাসাগর থেকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জিম্মির ঘটনা বর্ণনা দিয়ে আতিকুল্লাহ খান বলেন, কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাওয়ার পথে ভারত সাগরে আমাদের জাহাজ থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল দূরে একটি ইরানি মাছ ধরার ট্রলার চিহ্নিত করি আমরা। ওই ট্রলারের অস্বাভাবিক গতিবিধি প্রথম নজরে আসে জাহাজের তৃতীয় অফিসার রোকন উদ্দিনের। ট্রলারটিকে জাহাজের দিকে আসতে দেখে তিনি সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অবহিত করেন। এটা শুনেই আমরা জাহাজের ব্রিজে চলে আসি। তখন ট্রলার থেকে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করি। এটা দেখে দস্যুরা হাইস্পিড বোটে করে আমাদের ধাওয়া দেয়। তারা যখন কাছাকাছি চলে আসে তখন জাহাজ ‘জিকজ্যাক কোচ’ করা হচ্ছিল, যাতে দস্যুরা জাহাজে উঠতে না পারে। আমরা ব্রিজে গিয়ে দস্যুদের ঠেকানোর চেষ্টা করি। এরই মধ্যে বিভিন্ন নেভি জাহাজকে সহায়তার জন্য বার্তা পাঠানো হয়। কোয়ালিশন ট্রান্সপোর্ট জাহাজের সহায়তার জন্যও চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কারও পক্ষ থেকে সহায়তা পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে অফিসের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়। অফিসের নির্দেশে ‘শিপ সিকিউরিটি অ্যালার্ট সিস্টেম’ চালু করা হয়। সঙ্গে ইউকে এমটিকেও ফোন দেওয়া হয়। তিনবার রিং হওয়ার পরও তারা ফোন রিসিভ করেনি। দস্যুদের স্পিডবোট জাহাজের কাছাকাছি এলে আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করেছি তাদের ঠেকাতে। কিন্তু আমাদের এক নাবিককে জিম্মি করার পর আমাদের আর কিছু করার ছিল না। জিম্মি হওয়ার পর আমরা সবাই আতঙ্কিত হয়ে যাই। কিন্তু আমরা কৌশলী আচরণ করায় তারা শারীরিকভাবে কাউকে আঘাত করেনি। আতিকুল্লাহ বলেন, জিম্মি করার পর দস্যুরা আমাদের মোবাইল কেড়ে নেয়। কিন্তু আমরা কৌশলে কয়েকটি মোবাইল লুকিয়ে রাখি। সুযোগ পেলেই ওই মোবাইল দিয়ে পরিবার-পরিজন এবং জাহাজের মালিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতাম। মালিক কর্তৃপক্ষ আমাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে মুক্ত করার আশ্বাস দেয়। ইন্টারনেট সুবিধাসহ নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে। এতে আমাদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। বিশেষ করে বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। এত দ্রুত মুক্তি পাব তা চিন্তা করেনি। মালিক পক্ষ, সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতার কারণে আমরা দ্রুত মুক্ত হয়েছি, এটাই বড় পাওয়া।
তিনি বলেন, জাহাজে মাদক নিয়ে প্রায়ই বিবাদে জড়িয়ে পড়ত দস্যুরা। এজন্য সরদার তাদের শাস্তিও দিতেন। জাহাজ জিম্মি করার সময় ভারী অস্ত্র নিয়ে ১২ জন দস্যু জাহাজে ওঠে। উপকূলে যাওয়ার পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ জনে। সর্বশেষ জাহাজে ৬৫ জন জলদস্যুর অবস্থান ছিল। উপকূলে নোঙর করার পর স্পিডবোটে করে জাহাজে আসত দস্যুরা। আসার সময় তারা খাবার, দস্যুদের জন্য নতুন কাপড় এবং ‘খাট’ নামক মাদক নিয়ে আসত। এ মাদক খেয়ে দস্যুরা টানা তিন-চার দিন না ঘুমিয়ে কাটাতে পারে। মাদক শেষ হয়ে এলে দস্যুরা নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়ত। ফাঁকা গুলি ছুড়ত। তখন সরদার এসে তাদের শান্ত করত। বিবাদে জড়িয়ে পড়া দস্যুদের শাস্তি দিত। আতিকুল্লাহ বলেন, জিম্মি হওয়ার প্রথম ১০ দিন দুর্বিষহ দিন কাটে আমাদের। এ দিনগুলোতে মানসিকভাবে নির্যাতন করত দস্যুরা। আমাদের খাবারে ভাগ বসাত। প্রচুর পানি নষ্ট করত। তখন বুদ্ধি করে আমরা দস্যুদের সঙ্গে ভালো আচরণ করি। ভালো সম্পর্ক তৈরি করি। এরপর পাল্টে যেতে থাকে তাদের আচরণ। ‘ভালো সম্পর্ক’ তৈরি হওয়ার পর তারা বাইরে থেকে খাবার এনে খেত। মাঝে-মধ্যে আমাদেরও তাদের খাবার দিত। তবে রমজান মাস হওয়ায় খাবার নিয়ে আমাদের অনেক সুবিধাই হয়েছে। রোজা রাখছি শুনে আমাদের ওপর চাপ দেওয়া অনেকটাই কমিয়ে দেয় দস্যুরা। দিনের বেলায় অবাধ ঘোরাঘুরির সুবিধা দেয়। কিন্তু রাতে থাকত কড়াকড়ি। ঈদের নামাজ সবাই মিলেই পড়ি। কিন্তু ঈদের নামাজের পর ছবি ভাইরাল হয়ে গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় ইন্টারনেট সংযোগ বেশকিছু সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আতঙ্কের রাতগুলোর বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, মাঝে মাঝে রাতে ভয়ংকর শব্দে আমাদের ঘুম ভাঙত। দস্যুরা মনে হয় তখন সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটাত। বিস্ফোরণের শব্দে পুরো জাহাজ কেঁপে উঠত। তখন খুবই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ত সব নাবিক। আমাদের জাহাজ ছাড়াও পাশে আরেকটা জাহাজ ছিল। সম্ভবত এ দস্যু গ্রুপ ওই জাহাজটিকেও জিম্মি করেছে। এ জাহাজের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারিনি।
- বাংলাদেশ ডে প্যারেডের আয়োজকদের মিট এন্ড গ্রিট
- বইমেলা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন
- উদ্যমী তোফায়েল চৌধুরীর অগ্রযাত্রা
- এস্টোরিয়ায় নতুন রিয়েল এস্টেট কোম্পানির অফিস উদ্বোধন
- সোসাইটির নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা রাব্বী সৈয়দের
- যাদের জন্য ভিসাবন্ড শিথিল হলো
- বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসী ইউএসএ’র পিকনিক উদযাপন কমিটি
- রাসেল সভাপতি ও তপন সম্পাদক পদে বিজয়ী
- একমন্ত্রী যেতেই আরও দুই মন্ত্রী নিউইয়র্কে
- যুক্তরাষ্ট যুবলীগের সভাপতি সেবুল সভাপতি ও সম্পাদক মিজান
- ‘হিন্দুদের সাথে বৈষম্যের করছেন শেখ হাসিনা’
- প্রবাসী কার্ড চালু করা হবে
- চীন-ভারতের চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ
- কমিউনিটির ভালবাসায় অভিষিক্ত শাহ নেওয়াজ
- আজকাল ৯২২
- ঢাকার সড়ক মগের মুল্লুক
- আরেক প্রমোদতরীতে ভাইরাস ছড়ানোর সন্দেহ, ফ্রান্সে অবরুদ্ধ ১৭০০
- ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন মিডিয়ার সংবাদকে ‘ভার্চুয়াল বিশ্বাসঘাতকতা’
- হামে আক্রান্ত সেই শিশুর পাশে দাঁড়ালেন জুবাইদা রহমান
- ইরান যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস
- সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান
- প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ
- ইরানে এক রাতে ৯ বার ভূমিকম্প, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা
- তোরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবি বাংলাদেশ থেকে: সারজিসকে নীলা ইসরাফিল
- এশিয়ার অর্থনীতিতে জ্বালানি সংকটের দ্বিতীয় ধাক্কা আসছে
- হান্টাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয়, সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য
- বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ সরকারের ব্যাংকঋণ
- ৪ মন্ত্রীর পদত্যাগ, গভীর সংকটে কিয়ার স্টারমার
- দম্ভ ছেড়ে শি জিনপিংয়ের দরবারে যাচ্ছেন ট্রাম্প
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯৪
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- আজকাল ৮৯৭
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৯০১
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- আজকাল ৮৯৬
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
