ভাঙলো ভাতঘুম, জিআই নিতে হঠাৎ তাড়াহুড়া
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
ভারত টাঙ্গাইল শাড়ির জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক স্বীকৃতির সনদ নেওয়ার পর টনক নড়েছে সরকারের দায়িত্বশীলদের। এর এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক বিভাগ (ডিপিডিটি) টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি জার্নাল প্রকাশ করে। এর পাঁচদিন বাদে আরও কয়েকটি পণ্যকে জিআই হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই ভারতের হাতে চলে যাওয়া নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করছেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশের পণ্য হলেও সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় পণ্যটির জিআই নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ডিপিডিটি জিআই স্বীকৃতিতে বিলম্ব করেছে। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব দেশের অভিন্ন পণ্যগুলো জিআই সনদভুক্ত করার তাগিদ অর্থনীতিবিদ ও জিআই বিশেষজ্ঞদের।
জানা যায়, ভারত টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল ২০২০ সালে। এরপর চার বছর এ নিয়ে কাজ হয়েছে। এসব তথ্য ওয়েবসাইটেই ছিল। কিন্তু এতদিন ধরে ডিপিডিটি কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কোনো তাগাদা দেয়নি। এমনকি বাংলাদেশে এ পণ্যের জিআইয়ের জন্য টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও শাড়ির জিআইয়ের আবেদন করা হয়নি। শুধু সরকার নয়, ব্যবসায়িক গোষ্ঠীরও কেউ কোনো প্রশ্ন তোলেনি। ভারত ঘোষণা দেওয়ার পর যেন সবার ঘুম ভেঙেছে।
অনেকে বলছেন, এতদিন চুপ থেকে তাড়াহুড়া করে জিআই নিতে গিয়ে ভুল করলে আমরা সমস্যায় পড়তে পারি। জিআই হাতছাড়া হওয়ারও আশঙ্কা থাকবে। কারণ, জিআইয়ের জন্য বেশ কিছু নিয়ে নিয়ম মানতে হয়, তথ্য-উপাত্ত দিতে হয়। এগুলো যদি আমরা ঠিকঠাক না দিতে পারি তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই সাবধানে এগোতে হবে।
বাংলাদেশের জি আই পন্যর তালিকা
এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টচার্য মন্তব্য করেছেন, ‘এখন জিআই নিয়ে এত তোড়জোড়। এতদিন ধরে আমাদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কী করলো? শুধু সরকার নয়, ব্যবসায়িক গোষ্ঠীরও কেউ কোনো প্রশ্ন তোলেনি। এটা আমাদের অজ্ঞতা ও ব্যর্থতা। কিন্তু এখন যেভাবে তাড়াহুড়া করে এর জিআই করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা অমূলক। এত তাড়াহুড়ায় আমরা আবার ভুল করে বসতে পারি।’
টাঙ্গাইল শাড়ি ভারতের নাকি বাংলাদেশের
টাঙ্গাইল শাড়িকে নিজেদের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি বিষয়ে জিআই বিশেষজ্ঞ, আইনজ্ঞ, অধিকারকর্মীরা বলছেন, টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য। ভারতে ‘টাঙ্গাইল’ নামে কোনো এলাকা নেই। তাই ভারতের উদ্যোগ অন্যায্য।
ভারতের জিআই আইন অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে আপত্তি থাকলে তা করতে হবে। এখন বাংলাদেশের উচিত ভারতের আদালতে গিয়ে মামলা করা। এবং সেটা তিন মাসের মধ্যে করতে হবে। ভারত যেসব যুক্তিতে টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই করেছে, সেগুলো তথ্যনির্ভর নয়। সেগুলো ধোপে টিকবে না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাল্লাই ভারী। কিন্তু সেটাকে কাজে লাগাতে হবে।- সিপিডির সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
তারা বলছেন, ভারত দাবি করছে দেশভাগের পর টাঙ্গাইলের হিন্দু তাঁতিরা ভারতে পালিয়ে গেছেন এবং পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে তারা টাঙ্গাইল শাড়ি বুনেছেন। তা ঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে টাঙ্গাইল অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও এই শাড়ি বয়ন করেন। সেক্ষেত্রে ভারত যে যুক্তিতে টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই করেছে, তা ঠিক নয়। এক দেশের তাঁতিরা অন্য দেশে চলে গেলে শাড়ির ভৌগোলিক পরিচয় মুছে যায় না।
এখন বাংলাদেশের করণীয়
পণ্যের জিআই স্বীকৃতির ক্ষেত্রে জরুরি হলো বাংলাদেশের পক্ষের যুক্তি ও তথ্য–উপাত্তগুলো তুলে ধরা। এ বিষয়ে ভারত বা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বিরোধ দেখা দিলে আলোচনার মাধ্যমে সেটি সমাধান করা। আর দ্বিপক্ষীয়ভাবে সমাধান না হলে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ফোরামে যেতে হবে।
সিপিডির সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘ভারতের জিআই আইন অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে আপত্তি থাকলে তা করতে হবে। এখন বাংলাদেশের উচিত ভারতের আদালতে গিয়ে মামলা করা। এবং সেটা তিন মাসের মধ্যে করতে হবে। ভারত যেসব যুক্তিতে টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই করেছে, সেগুলো তথ্যনির্ভর নয়। সেগুলো ধোপে টিকবে না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাল্লাই ভারী। কিন্তু সেটাকে কাজে লাগাতে হবে।’
‘খাঁটি’ খেজুরের গুড়-পাটালির খোঁজে যা জানা গেল
মেধাসম্পদ সুরক্ষা মঞ্চের (মেধাসুম) আহ্বায়ক আবু সাঈদ খান বলেন, ‘ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া ও পূর্ববর্ধমান অঞ্চলে উৎপাদিত তাঁতবস্ত্রকে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ হিসেবে নিবন্ধন দেওয়ার মধ্য দিয়ে কেবল ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ নয় বরং সেসব অঞ্চলের তাঁত-ঐতিহ্যের ভৌগোলিক নির্দেশনাকেও এ প্রক্রিয়ায় অমান্য করা হয়েছে।’
‘বাংলাদেশে টাঙ্গাইল শাড়ির উদ্ভব এবং কয়েকশ বছর ধরে টাঙ্গাইল শাড়ি বোনা হচ্ছে। দেশভাগসহ নানাবিধ কারণে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল থেকে টাঙ্গাইল শাড়ির তাঁতশিল্পীদের একাংশের দেশান্তর ঘটেছিল পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া ও পূর্ববর্ধমানের বিভিন্ন অঞ্চলে। পরবর্তীসময়ে দেশান্তরিত তাঁতিরা ভারতে তৈরি করে চলেছেন তাঁতবস্ত্র, যা সেসব অঞ্চলের ভৌগোলিক নির্দেশনাকে প্রকাশ করলেও কোনোভাবেই টাঙ্গাইল শাড়িকে নয়।’
জিআই কী এবং কেন দরকার
কোনো একটি দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া এবং ওই জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাহলে সেটিকে ওই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অর্থাৎ সেই পণ্য শুধু ওই এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও উৎপাদন করা সম্ভব নয়।
সাধারণত জিআইতে উৎপত্তিস্থলের নাম (শহর, অঞ্চল বা দেশ) অন্তর্ভুক্ত থাকে। জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক। WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান। কোনো দেশ জিআই নিবন্ধনের জন্য অবেদনের পরে ওই প্রতিষ্ঠান যাচাই-বাছাই করে পণ্যের চূড়ান্ত জিআই দেয়।
কোনো পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেলে পণ্যগুলো বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ডিং করা সহজ হয়। পণ্যগুলোর আলাদা কদর থাকে। ওই অঞ্চল বাণিজ্যিকভাবে পণ্যটি উৎপাদন করার অধিকার এবং আইনি সুরক্ষা পায়। যাচাই-বাছাইয়ের পর এগুলোর কোনোটি যদি জিআই সনদ পেয়ে যায়, তাহলে তখন সেগুলো ওই দেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি লাভ করবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ থেকে যে পণ্যের জিআই হবে, সে পণ্যের জন্য সুবিধাভোগী হবে শুধু বাংলাদেশ।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া ও পূর্ববর্ধমান অঞ্চলে উৎপাদিত তাঁতবস্ত্রকে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ হিসেবে নিবন্ধন দেওয়ার মধ্য দিয়ে কেবল ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’ নয় বরং সেসব অঞ্চলের তাঁত-ঐতিহ্যের ভৌগোলিক নির্দেশনাকেও এ প্রক্রিয়ায় অমান্য করা হয়েছে।- মেধাসম্পদ সুরক্ষা মঞ্চেরআহ্বায়ক আবু সাঈদ খান
২০১২ সালের দিকে জামদানি শাড়ি, আম ও ইলিশকে জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেয় ভারত। অথচ এসব পণ্য বাংলাদেশেও আছে। কিন্তু পণ্য জিআই করার জন্য দেশে তখন কোনো আইন ছিল না। বেশ দ্রুততার সঙ্গে ২০১৩ সালে বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন হয়। এর দুই বছর পর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বিধিমালা, ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়। ডিপিডিটি এ সংক্রান্ত সরকারি নিযুক্ত প্রতিষ্ঠান। একদম শুরুতেই ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য চিহ্নিত করে ওই জেলার প্রশাসক আবেদন করেন ডিপিডিটিতে। সেই আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে সনদ দেওয়ার আইনি ক্ষমতা ডিপিডিটিকে দেওয়া হয়েছে।
কোনো দেশ নির্ধারিত কোনো পণ্যের চূড়ান্ত জিআইয়ের জন্য WIPO-তে আবেদন করে। তবে আবেদনের অর্থ এই নয় যে সেগুলোর জিআই সনদ ওই দেশই পাবে। অথবা ওই পণ্যই পাবে। নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নির্ধারিত হয় যে কোন পণ্য বিশ্বব্যাপী জিআই-এর তালিকায় উঠবে।
বাংলাদেশের জিআই পণ্য ৩১টি
বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা এখন ৩১টি। ২০১৬ সালে জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরও ২০টি পণ্য। সেগুলো হলো- বাংলাদেশ ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারীভোগ, বাংলাদেশ কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসিমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজরের আগর, মৌলভীবাজারের আগর আতর, মুক্তগাছার মন্ডা, যশোরের খেজুরের গুড়, রাজশাহীর মিষ্টি পান এবং জামালপুরের নকশিকাঁথা।
টাঙ্গাইলের শাড়ির মতো ভারতে আটটি পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশেও আছে। এমন পণ্যগুলো হচ্ছে- জামদানি শাড়ি, ফজলি আম, লক্ষ্মণভোগ আম, খিরসাপাত আম, নকশিকাঁথা, রসগোল্লা, গরদ শাড়ি ও সুন্দরবনের মধু।
এমন আরও পণ্য আছে যেগুলোর এখনো কোনো দেশ জিআই করেনি, তবে ভৌগলিক কারণে উভয় দেশে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নানা জাতের ফুল, ফল, মাছ, সুন্দরবনের গাছ, চা, পাটের মতো পণ্য।
এসব পণ্য নিয়ে দ্রুত ভাবনার তাগিদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘসময় ধরে ভারত-বাংলাদেশের অভিবাসনের কারণে পাশাপাশি দুই দেশই একই পণ্যের জিআই দাবি করতে পারে। যৌথ মালিকানার যে পণ্যগুলো আছে যেমন আম, নকশিকাঁথা এগুলো নিয়ে সমস্যা না করে কীভাবে উভয় দেশে আমরা জিআই দিতে পারি সেটি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে পারি। যদিও আমাদের আইনে এ নিয়ে এখনো কিছু বলা নেই।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের পণ্যগুলো নিয়ে আমরা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করতে পারি ভারতের সঙ্গে। সেক্ষেত্রে যৌথ মালিকানার পণ্যগুলোকে কীভাবে জিআই দিতে পারি এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। অথবা সার্কে অন্য চুক্তির মতো এই আন্তঃসীমান্ত পণ্যগুলো নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি। যৌথ নিবন্ধনের প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করাতে পারি।’
এখন জিআই নিয়ে সতর্ক সরকার
গত রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকে টাঙ্গাইল শাড়িসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যের ভৌগোলিক নির্দেশক জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক বিভাগ (ডিপিডিটি) ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং আটটি বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারকে প্রতিটি জেলায় জিআই পণ্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে ওই বৈঠকে।
এদিকে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ভারত জিআই সনদ নিলেও টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদের ছিল, আমাদের আছে, আমাদের থাকবে। এজন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাওয়াসহ যা যা করা দরকার, তা করা হবে।
- রোনালদো কেন নায়ক থেকে ভিলেন
- অভিবাসী স্থানান্তরে যুক্তরাষ্ট্র-জামাইকার চুক্তি স্বাক্ষর
- প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধের দাবি মজুদারের
- নোয়াখালি সোসাইটির উপদেষ্টা আমানতের ইন্তেকাল
- বাংলাদেশি স্পোর্টস কাউন্সিলের ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- আওয়ামী লীগের রাজনীতির ভবিষ্যৎ কী?
- ২৬ জুন ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি: বাংলাদেশিদের পরীক্ষা
- নাটকীয়তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর
- মেয়রের পদ থেকে মামদানিকে অপসারণের ষড়যন্ত্র
- নিউইয়র্কবাসীরা পাচ্ছেন ৬০০ ডলারের ট্যাক্স রিলিফ
- পিপিএল’র বিরুদ্ধে লাখো ডলার আত্মসাতের মামলা
- বিশ্বকাপে অঘটন ঘটতেই থাকবে।
- আমার দেখা ওয়ার্ড কাপ
- আজকাল ৯২৭
- ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা
- আবারও যুদ্ধ ও অবরোধের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
- পরীমণিকাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর
- এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ
- এমপিরা ‘ঋণখেলাপি’ নন, ‘ঋণগ্রস্ত’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি
- নিউইয়র্কে ভাড়া স্থিতিশীল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ
- শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড
- পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না ইরান, পাবে বিপুল বিনিয়োগ
- বিমানভর্তি অর্থ দিয়ে ইরানকে চুক্তিতে রাজি করিয়েছিলেন ওবামা
- ভারত জোর করে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে, অভিযোগ এইচআরডব্লিউর
- মোদি শান্ত ধীরস্থির এবং একজন জাঁদরেল খেলোয়াড়, আমি তেমন নই:ট্রাম্প
- জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের
- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে
- দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
- বিশ্বকাপে কালিমার সম্মান
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- আজকাল ৯০৪
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৮৯৯
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
