যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র’ হিসেবে সৌদিকে শ্রেণিকরণ
প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২৫
সৌদি আরবকে ‘প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র’ (Major Non-NATO Ally- MNNA) হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে হোয়াট হাউসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মূলত দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের গভীরতাকে আরও শক্তিশালী করার পদক্ষেপ হিসেবে এই শ্রেণিকরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এই ঘোষণার মাধ্যমে সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার ‘প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র’ দেশগুলোর তালিকায় ২০তম রাষ্ট্র হিসেবে প্রবেশ করল। তালিকার অন্য দেশগুলো হলো- আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, মিসর, ইসরায়েল, জাপান, জর্ডান, কেনিয়া, কুয়েত, মরক্কো, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড এবং তিউনিসিয়া।
এই শ্রেণিকরণের আওতায়- ন্যাটো সদস্য নয়, তালিকাভুক্ত এমন দেশগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ স্তরের সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদান করে থাকে। মার্কিন কংগ্রেস ১৯৮৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র কোডের ২২নং অনুচ্ছেদের অধীনে এই মর্যাদা প্রদান শুরু করে।
ন্যাটো-বহির্ভূত প্রধান মিত্ররা যেসব সুবিধা পায়
ন্যাটো-বহির্ভূত প্রধান মিত্র দেশগুলো আমেরিকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ-সুবিধা লাভ করে। এর মধ্যে রয়েছে- উন্নত মার্কিন অস্ত্র এবং অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতে অগ্রাধিকার এবং কম দামে বা সহজ শর্তে অতিরিক্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় বা লিজ নেওয়ার সুবিধা। এই মর্যাদা লাভ করলে ন্যাটো-বহির্ভূত প্রধান মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যৌথ অস্ত্র উৎপাদন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং সামরিক গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য মার্কিন তহবিল থেকে ঋণ সুবিধাও পেয়ে থাকে।
এই মর্যাদা আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেও বেশ কিছু সুবিধা দেয়। ফলে আমেরিকা যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ এবং গোয়েন্দা সহযোগিতার সুযোগ-সুবিধা ছাড়াও মিত্র দেশের ভূখণ্ডে জরুরি মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণের সুযোগ লাভ করে থাকে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দীর্ঘ দিনের কৌশলগত অংশীদারত্বের কারণে সৌদি আরব কয়েক দশক ধরে এই সুযোগ-সুবিধার বেশিরভাগই কার্যতভাবে ভোগ করে আসছে। তবে বর্তমানে আনুষ্ঠানিক শ্রেণিকরণ আইনত সুবিধা প্রদান করবে, যা আর মার্কিন প্রশাসনের ইচ্ছা-অনিচ্ছার অধীন থাকে না।
‘যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র সঙ্গে এর পার্থক্য কী
‘প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র’ এবং ‘পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’-এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ‘ন্যাটো-অ-মিত্র’ উপাধির অধীনে মিত্র রাষ্ট্রকে রক্ষা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রতিশ্রুতি নেই। বিপরীতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি একটি স্পষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে, যা ন্যাটো চুক্তির ৫ অনুচ্ছেদের অনুরূপ, ফলশ্রুতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সামরিক আক্রমণের শিকার যেকোনও সদস্য রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে বাধ্যবাধকতা তৈরি করে।
‘ন্যাটো-বহির্ভূত মিত্র’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধকরণে ঘনিষ্ঠ সামরিক ও অস্ত্র সহযোগিতা করতে বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশটিকে রক্ষা করার জন্য মার্কিন বাহিনী পাঠানোর প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ করে।
অতএব, ‘প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র’ মর্যাদা অস্ত্র, প্রশিক্ষণ এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ‘অত্যন্ত উন্নত কৌশলগত অংশীদারত্ব’, কিন্তু এটি ‘প্রতিরক্ষা জোট’ নয়। ‘যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ এর অর্থ হল স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের উপর যেকোনও আক্রমণকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং আইনত আমেরিকাকে সামরিক হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিতে বাধ্য করে।
সৌদি কর্মকর্তারা বলেছেন, এই শ্রেণিকরণ ‘একটি ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্বের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর নিশ্চিত করেছে যে, এটি ‘এই অঞ্চলে দীর্ঘ মেয়াদি পাস্পারিক নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি হিসেবে প্রতিফলিত হবে।”
মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী আরবি পত্রিকা ‘আশ-শারকুল আওসাত’ থেকে অনূদিত।
- বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
- হাজার ছাড়াল লাশ নিখোঁজ অর্ধলাখ
- ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ
- বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়া নিয়ে যে উপদেশ প্রভার
- ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা
- মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, প্রতিরোধে বিজিবি
- বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম
- এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ
- জামালপুরের সাবেক সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ আটক
- তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
- সমঝোতা লঙ্ঘন করলে জবাব হবে দ্রুত ও চূড়ান্ত: ইরানের হুঁশিয়ারি
- ইরান যুদ্ধের খরচ মেটাতে ৮৮ বিলিয়ন ডলার চাইলেন ট্রাম্প
- মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠিত
- বিএনপির জিল্লু ৬ মাস পর ফিরলেন
- শত্রুর বিরুদ্ধে মিন্টুর হুংকার
- ৩০ জুনই নির্বাচনী মহড়ার প্রাথমিক দৃশ্য
- যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আইস’র গ্রেপ্তার সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ
- নতুন তারকার জন্ম হয়নি এবারের বিশ্বকাপে
- বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের পুরস্কার বিতরণ
- নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
- অভিবাসী বিতারণে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ট্রাম্পের বিজয়
- প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ভারত চাপে
- সেই রাজকুমার হারলেন
- বিশেষ একাউন্ট: প্রবাসীরা বিনিয়োগ ফেরত আনতে পারবে
- ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি
বাংলাদেশি প্রার্থীরা কে কোথায় - রাজনীতিতে কিংমেকার মামদানি!
- সিটিজেনশীপ আবেদন ফি ১৩৩০ ডলার হচ্ছে
- আমাদের ছিলেন একজন শামসুল হক
- আজকাল ৯২৮
- ‘বিশ্বকাপ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে’
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- অবৈধদের সন্তানরা নাগরিকত্ব পাবে না
- আমি আমার ৩টি টার্গেট ঠিক করে নিয়েছে : এসপি হারুন
- নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের পাশে নেই বিএনপি
- নতুন ইমিগ্র্যান্ট ঠেকাতে সিনেটে বিল পাস
- রোববার থেকে স্টুডেন্ট লোন মওকুফ কার্যক্রম শুরু
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তালিকায় ১১ বাংলাদেশির নাম
- কাল ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিন
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাতভর ফ্লাইট উড্ডয়ন বন্ধ
- ডিপোর্টেশন আতংকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
- ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত গ্যাস
- ট্রাম্প-বাইডেন দু’জনই বুড়ো, কাউকে পছন্দ না ভোটারদের
- নাগরিকত্ব পেতে ইন্টারভিউ দিতে হবে না
- অনিশ্চয়তার মুখে ২ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- ইংরেজিতে দুর্বলদের জন্য দুঃসংবাদ
নাগরিকত্ব পরীক্ষায় পরিবর্তন আসছে - যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি আমলা-পুলিশের
