মিশিগানে মুসলিম ভোটাররা ইসলামবিদ্বেষী হামলার আশঙ্কায়
আজকাল রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের সিনেট নির্বাচনঃ ইহুদি ও মুসলিমদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিক্যান মাইক রজার্স ও ডেমোক্র্যাট আব্দুল এল সায়েদের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইসরায়েল বিষয়ক মার্কিন নীতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেখানে গিয়ে প্রথমবারের মতো ইউএস সিনেট পদপ্রার্থী মুসলিম আব্দুলকে জিহাদিস্ট ও মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য বলায় জুইস ও মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। উল্লেখ্য আব্দুলের বাবা মিশর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী ও নাগরিক হয়েছেন। আব্দুলের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানেই।
মিশিগানে এবারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিনেট নির্বাচন এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে এবং তাদের উদ্বেগকেও তীব্রতর করেছে। ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী ড. আব্দুল আল-সায়েদ নির্বাচিত হলে তিনি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর। তাঁর প্রার্থীতাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণায় উসকানিমূলক ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্য করা হয়েছে। এমনকি তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সের প্রভাবশালী সমর্থকরা-যাদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও রয়েছেন-তাঁরাও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনার কারণে ড. আব্দুল আল-সায়েদের বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যারা আজীবন ডেেেমাক্র্যাটিক দলকে ভোট দিয়ে এসেছেন, তাদের কেউ কেউ এখন মাইক রজার্সকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন। অথবা ভোটদান থেকে বিরত থাকার কথা বিবেচনা করছেন।
মিশিগানের সাউথফিল্ড শহরের মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া মহাসড়কের ঠিক উত্তরেই রয়েছে ‘কনগ্রে গেশন শারি জেদেক’ একটি সুউচ্চ আধুনিক সিনাগগ, যা ১৯৬০-এর দশক থেকে ডেট্রয়েট শহরতলিতে ইহুদি সম্প্রদায়ের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে। রাস্তার অপর পাশে রয়েছে ‘উম্মা’ নামে একটি মুসলিম ধর্মীয় কেন্দ্র। ২০২৬ সালে চালু হওয়া এই কেন্দ্রটিতে প্রতি শুক্রবার বিকেলে হাজারো মানুষ নামাজ আদায় করতে আসেন।
উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই জাতীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়া বিদ্বেষ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের মধ্যে এক নীরব অথচ গভীর ভয় কাজ করছে। যেকোনো সময় তারা ঘৃণামূলক অপরাধের শিকার হতে পারেন।
আর্থিক পরিকল্পনাবিদ এবং নিকটবর্তী ওয়েস্ট ব্লুমফিল্ডের ‘টেম্পল ইসরায়েল’-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট অ্যান্ডি বকনেক বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আমাদের এমন একজন প্রার্থীর আশা করতে হচ্ছে যিনি অন্তত সবচেয়ে কম ক্ষতি করবেন। বর্তমান সময়ে আমরা গভীর যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।”
সাউথফিল্ড এবং পুরো ওকল্যান্ড কাউন্টি জুড়ে-যেখানে ইয়েমেনি কফি শপের পাশেই রয়েছে কোশার (ইহুদি রীতি অনুযায়ী অনুমোদিত) কসাইয়ের দোকান-সেখানে মুসলিম ও ইহুদি ভোটাররা মোট ভোটারের একটি বড় অংশ। এখানকার অনেক বাড়ির বিশাল সামনের আঙিনাগুলো একে অপরের সাথে মিশে গেছে, ঠিক যেমনটি মিশে আছে এখানকার শহরতলি এলাকাগুলো। অনেকে এখানে চলে আসেন উন্নত মানের পাবলিক স্কুলের আকর্ষণে। যার মধ্যে একটি হলো ব্লুমফিল্ড হিলসের সেই স্কুল, যেখানে ড. এল-সায়েদ পড়াশোনা করেছিলেন।
কয়েক দশক ধরে এই এলাকাটি ডেট্রয়েটের ইহুদি সম্প্রদায়ের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত, যেখানে রয়েছে অনেকগুলো বড় সিনাগগ (ইহুদি উপাসনালয়)। নব্বইয়ের দশকে যখন ড. এল-সায়েদ বেড়ে উঠছিলেন, তখন থেকেই এখানে মুসলিমরা বসতি গড়তে শুরু করে। আর সেই থেকে এই সম্প্রদায় দ্রুতগতিতে বড় হয়েছে। একই এলাকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ক্যালডিয়ান (ইরাকি ক্যাথলিক) সম্প্রদায়। যারা গত দুই প্রজন্মের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছেন।
এই এলাকাটিকে যেন পুরো যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ বলে মনে হতে পারে। আবার একই সঙ্গে এটি সম্পূর্ণ অনন্য। অন্য সব জায়গার মতোই, এখানকার ভোটাররাও জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য নিয়ে হতাশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অনেক এলাকার তুলনায় এখানে পররাষ্ট্রনীতি ও স্থানীয় রাজনীতি একে অপরের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে-যা অত্যন্ত জরুরি, ব্যক্তিগত এবং তীব্র অনুভূতির বিষয়।
অনেক ইহুদি ভোটার ‘টেম্পল ইসরায়েল’-এ ঘটে যাওয়া হামলার পুনরাবৃত্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন। সেই ঘটনায় এক ব্যক্তি তার ট্রাক নিয়ে সিনাগগের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল, যা অল্পের জন্য প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কক্ষগুলোকে আঘাত করা থেকে বেঁচে যায়-যেখানে তখন ১৪০টি শিশু খেলছিল। অন্যদিকে, মুসলিম ভোটাররা ইসলামবিদ্বেষী হামলার আশঙ্কায় রয়েছেন; তাদের ভয়, তারা নিজে অথবা ড. এল-সায়েদ হয়তো এমন হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন।
মিশিগান কয়েক দশক ধরেই রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত, বিশেষ করে ডেট্রয়েটের শহরতলি এলাকাগুলোতে। তবে বর্তমানে এই বিভাজনের মূলে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভয়, ক্রোধ ও ক্ষোভের এক তীব্র সংমিশ্রণ।
২০২৪ সালে, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কাছ থেকে অবহেলিত বোধ করায়-যাদের তারা ঐতিহাসিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছিলেন-কিছু আরব ও মুসলিম ভোটার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাইমারি পর্যায়ে ‘আনকমিটেড’ (কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না থাকা) প্রচারণায় অংশ নেন। ইসরায়েলি সরকারের প্রতি প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর. বাইডেন জুনিয়রের সমর্থনের বিষয়ে নিজেদের অসন্তোষ জানাতেই তারা তাকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এ বছর কিছু ইহুদি ভোটার-যারা ডেমোক্র্যাটিক জোটের অন্যতম প্রধান ভিত্তি-নিজেকে পরিত্যক্ত বলে মনে করছেন। কারণ দলটির ভেতরে ইসরায়েলের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি নাটকীয়ভাবে নেতিবাচক হয়ে উঠেছে।
সিনেট নির্বাচনী প্রচারণার পুরো সময়টা জুড়ে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। ড. এল-সায়েদ ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তার সাথে অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোর যোগসূত্র টেনেছেন। তাঁর যুক্তি হলো, যে অর্থ সেখানে পাঠানো হচ্ছে, তা দিয়ে বরং দেশের ভেতরে স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবার মতো খাতে অর্থায়ন করা যেত। এছাড়া তিনি দাবি করেছেন যে, হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান কার্যত একটি গণহত্যার শামিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ইসরায়েল-পন্থী লবি ‘আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি’ তাঁকে পরাজিত করার লক্ষ্যে লক্ষ লক্ষ ডলার ব্যয় করেছে।
মুসলিম ও ইহুদি-উভয় সম্প্রদায়ই নিজেদের অত্যন্ত অরক্ষিত বলে মনে করছে। তাদের আশঙ্কা, তাদের সন্তানরা হয়তো এমন সব রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেখবে, যেখানে ড. এল-সায়েদকে ‘অ-আমেরিকান’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে, অথবা যেখানে ডিমের মতো নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জন্য ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন সমর্থনকে দায়ী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য মিশিগান তথা ডেট্রয়েট এলাকাকে ঘিরে গাড়ি তৈরি হাব গড়ে উঠেছে কয়েক যুগ আগেই। গাড়ির কারখানাগুলোতে কাজ পাবার সুবাধে হাজার হাজার প্রবাসী বাঙলাদেশি ডেট্রয়েট ও এর পাশেপাশের এলাকায় বসবাস করেছেন। গত ৪০ বছরে হাজার হাজার বাংলাদেশি নিউইয়র্ক ছেড়ে মিশিগানে বসতি স্থাপন করেছেন। বেসরকারি হিসেবে মিশিগানে প্রায় ১ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করেন। মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে এই ভোট নিয়ে উত্তেজনায় তারা ও ব্রিবত অবস্থায় রয়েছেন।
মিশিগানে মুসলিম বসতি সংখ্যা কত?
মিশিগানে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৫ লাখের মতো।এরমধ্যে রেজিস্টার্ড ভোটার সংখ্যা ৩ লাখের কাছাকাছি। মিশিগান যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেখানে ৪ লাখেরও বেশি মুসলিম বসবাস করেন। এই জনগোষ্ঠী অঙ্গরাজ্যটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ শতাংশ। তারা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভোটার গোষ্ঠী হিসেবে গড়ে উঠেছে। যা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ক্রমবর্ধমান মনোযোগ আকর্ষণ করছে। মিশিগানের মুসলিম জনসংখ্যা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মুসলিম গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেই অন্যতম নয়, বরং এটি একটি বৈচিত্রময় সাংস্কৃতিক পটভূমিরও প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের মধ্যে আরব, দক্ষিণ এশীয় এবং ক্রমবর্ধমান সংখ্যক আফ্রিকান-আমেরিকান মুসলিম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
মিশিগানে ইহুদি বসতি সংখ্যা কত?
পুরো মিশিগান জুড়ে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার ইহুদি বসতির কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে ভোটর সংখ্যা কত তা জানা কঠিন। কেননা ধর্মীয় বিবেচনায় ভোটার সংখ্যা গননা করা হয় না। তবে ধারনা করা হয়, ১ লাখ ২৯ হাজারের মধ্যে ৮০ হাজার রয়েছেন। করে থাকে তবে এই সংখ্যাটি মূলত নির্বাচনী কৌশল ও গণমাধ্যমের বয়ানের প্রয়োজনে ব্যবহৃত একটি আনুমানিক হিসাব। মিশিগানে ঠিক কতজন ইহুদি ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত আছেন তার কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান নয়। ধর্মভিত্তিক নিবন্ধনের তথ্য কিংবা সাম্প্রতিক সময়ে পুরো অঙ্গরাজ্য জুড়ে ইহুদি ভোটারদের নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য গবেষণার অভাব রয়েছে
মিশিগানের জনসংখ্যা
মিশিগানের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে রেজিস্টার্ড ভোটর সংখ্যা ৭৯ লাখ ৯৬ হাজার ২৬০ জন। ২০২৪ সালের সাধারন নির্বাচনে শতকরা ৭৫ ভাগ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। (তথ্যসূত্র-নিউইয়র্ক টাইমস, উইকিপিডিয়া)
- দৈনিক তরুণ কণ্ঠ’র যুক্তরাষ্ট্র প্রধান প্রতিনিধি আবুল কাশেম
- যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ কমার দাবী হোয়াইট হাউসের
- ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়
- ঢাকার খোলা বাজারে হঠাৎ ডলার ১২৮ টাকা ছাড়িয়েছে
- নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় কুনু-ফিরোজ প্যানেলের সভায় প্রতিবাদ
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসং
- কানাডায় বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে বড় জালিয়াতির অভিযোগ
- ‘অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে’
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি
- প্রবাহ’র ২২তম সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশের নাগরিকদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাচার
- অবৈধ ভোটদানের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মাম
- তাসিনের দাফন সম্পন্ন
- মার্কিন নির্বাচন কেন নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়?
- ন্যাশনাল ইমিগ্রান্টস ডে উপলক্ষ্যে ৭ জনকে সম্মাননা
- মুনা’র ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন
- জেএমসি’র ফান্ড রেইজিংয়ে মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ
- নির্বাচন বানচালের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে সেলিম-আলী প্যানেলের প্রতিবাদ
- বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পেছাল তিন বছর
- যৌন নির্যাতনের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেফতার
- মামলা পরিচালনায় সব ধরনের আশ্বাস শাহ নেওয়াজের
- জাতিসংঘে বিশৃংখলাঃ কিউবান কূটনীতিককে বহিষ্কার যুক্তরাষ্ট্রের
- রুহুল ও সেলিম ভাই উভয়েই অর্থ দিতে চেয়েছিলেন ঃ ওসমান
- বাংলাদেশ সোসাইটির কোর্ট হেয়ারিং ১৭ ডিসেম্বর
- মিশিগানে মুসলিম ভোটাররা ইসলামবিদ্বেষী হামলার আশঙ্কায়
- ট্রাম্প ও ওবামার নির্বাচনী যুদ্ধ
- আজকাল ৯৪৬
- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- আজকাল ৯৩২
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- আজকাল ৯৩৮
- উৎসব মুখর পরিবেশে নিউইয়র্কে ঈদ জামাত
- হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা
- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
- আজ পবিত্র ঈদুল আজহা
- মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- দীপ্তির জন্মের ৬ বছর আগেই এসএসসি পাশ করেছেন তার স্বামী
- আজকাল ৯২৫
- হোয়াটসঅ্যাপে সাইবার হামলা
- আজকাল ৯২৩
- অবৈধদের সন্তানরা নাগরিকত্ব পাবে না
- আমি আমার ৩টি টার্গেট ঠিক করে নিয়েছে : এসপি হারুন
- নতুন ইমিগ্র্যান্ট ঠেকাতে সিনেটে বিল পাস
- নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের পাশে নেই বিএনপি
- রোববার থেকে স্টুডেন্ট লোন মওকুফ কার্যক্রম শুরু
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তালিকায় ১১ বাংলাদেশির নাম
- কাল ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিন
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাতভর ফ্লাইট উড্ডয়ন বন্ধ
- ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত গ্যাস
- ডিপোর্টেশন আতংকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
- ট্রাম্প-বাইডেন দু’জনই বুড়ো, কাউকে পছন্দ না ভোটারদের
- নাগরিকত্ব পেতে ইন্টারভিউ দিতে হবে না
- অনিশ্চয়তার মুখে ২ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- ইংরেজিতে দুর্বলদের জন্য দুঃসংবাদ
নাগরিকত্ব পরীক্ষায় পরিবর্তন আসছে - যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি আমলা-পুলিশের
