মালদ্বীপ হয়ে পোশাক রফতানিতে কেজিপ্রতি ১ ডলার সাশ্রয়
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৪
কলকাতার বিমানবন্দরের পরিবর্তে মালদ্বীপের বিমানবন্দর ব্যবহার করে পোশাক রফতানির কারণে দেশের রফতানিকারকরা প্রতি কেজি পণ্য রফতানিতে অন্তত এক ডলার সাশ্রয় করতে পারছে। দেশের রফতানি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশ বা ভারতের বিমান পরিবহন ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে মালদ্বীপকে সহজ ও সস্তা পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে রফতানি যেমন সহজ হয়েছে তেমনি সাশ্রয় হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা ডলার।
পোশাক রফতানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতের কলকাতা অনেক কাছে। কিন্তু পরিবহন খরচ বেশি। আর ঢাকা থেকে ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের দূরত্ব প্রায় দুই হাজার ৮০০ কিলোমিটার। মালদ্বীপের বিমানবন্দর ব্যবহার করে আকাশপথে পণ্য পরিবহনের ফলে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রতি কেজি পণ্য পাঠাতে প্রায় এক ডলার পর্যন্ত সাশ্রয় হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঢাকা থেকে প্রচলিত রুটের বিমানবন্দর কলকাতা, কলম্বো বা সিঙ্গাপুর দিয়ে পণ্য পাঠানোয় একদিকে খরচ যেমন বেশি হচ্ছে অপরদিকে সময়ও বেশি লাগছে। এতে খরচ এবং সময় বাঁচানোর জন্য তারা মালদ্বীপের বিমানবন্দর ব্যবহার করতে এখন বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তৈরী পোশাক শিল্প সঙ্কটে পড়ায় রফতানি শিল্পে ব্যাপকভাবে প্রভাব পড়ে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রফতানি বাণিজ্যও বাড়ে। এ সময় বায়ারের চাহিদা পূরণের জন্য বিমানপথে ঢাকা থেকে প্রতি কেজি পণ্য পাঠাতে খরচ হয় ছয় ডলার ৩০ সেন্ট থেকে সাড়ে ছয় ডলার পর্যন্ত। বর্তমানে মালদ্বীপের বিমানবন্দর ব্যবহারের কারণে ইউরোপে পণ্য পাঠাতে কেজিতে খরচ হচ্ছে তিন ডলার ৮০ সেন্ট থেকে চার ডলার ১০ সেন্ট।
বিজিএমইএর সাবেক এক সভাপতি গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, ভারতের বিমানবন্দর ও নৌবন্দর দিয়ে তৈরী পোশাক রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। এর পরিবর্তে এখন মালদ্বীপের মাধ্যমে গার্মেন্টপণ্য বিশ্বব্যাপী পৌঁছানো হচ্ছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ পোশাক রফতানিকারক দেশের এই পদক্ষেপে ভারতের বন্দরগুলো বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি বলেন, আগে বাংলাদেশের পণ্য ভারতীয় বিমানবন্দরের মাধ্যমে পরিবহন হতো। কিন্তু এখন তারা অন্যান্য রুটে পণ্য পরিবহন করছেন। এর অর্থ, আগে এসব পণ্যের কার্গো থেকে ভারত যে রাজস্ব পেত সেটি এখন পাচ্ছে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মাধ্যমে পোশাক রফতানি করায় দেশটির সরকার ট্রানজিট ফি ও বন্দরের শুল্কবাবদ বিপুল আয় করত। পণ্য পরিবহনের ব্যবসাও হতো লাভবান। সেই আয়ে এখন ভাটা পড়বে বলে তিনি মনে করেন।
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য রুটে পণ্য পাঠানোর খরচ বেশি হওয়ায় মালদ্বীপের রুটটি সামনে চলে আসে। দেশে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে। কারখানাগুলো আবার চালু হলে পণ্য জাহাজীকরণের চাহিদা বেড়ে যায়। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রাই কার্গো শিপমেন্টের চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে ৮০০-৯০০ টনে দাঁড়ায়, যা আগে ছিল ৪০০-৪৫০ টন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় বন্দরসহ দেশের অধিকাংশ এলাকায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রফতানিকারকরা চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য পাঠাতে পারেননি। পণ্য রফতানিতে বেঁধে দেয়া সময়সীমা পূরণে মরিয়া হয়ে ওঠায় জাহাজীকরণ সঙ্কট দ্রুত দূর করতে ব্যবস্থা নিতে হয়।
এদিকে পরিচালন খরচ, শুল্ক ও ঝুঁকির কারণে ঢাকার বিমানবন্দর রফতানিকারকদের জন্য ব্যয়বহুল। সেখানে স্ক্যানিং মেশিন ও বিস্ফোরক শনাক্তকরণ ব্যবস্থার (ইডিএস) মতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। এ ছাড়াও পণ্য পরিবহনে ঢাকার সাথে যোগাযোগকারী পর্যাপ্ত সংখ্যক এয়ারলাইন্স নেই। এজন্য বিকল্প হিসেবে মালদ্বীপকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- তিন আরব দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে ইরান
- বিয়ের গুঞ্জন আনুশকার, ক্ষোভ জানালেন অভিনেত্রী
- দি ইকোনমিস্টের ২৭% শেয়ার কিনলেন কানাডীয় বিলিয়নিয়ার
- পারমাণবিক হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে জরুরি সরঞ্জাম বিতরণ
- ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ইরানের
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আরও ৯৭ গুপ্তচর গ্রেপ্তার করল ইরান
- ইরানি তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
- শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে খুন, নেপথ্যে পরকীয়া
- দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, শনিবার ঈদ
- বগুড়ায় মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
- সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত গফরগাঁওয়ের যুবকের মৃত্যু
- ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খাতিবকেও হত্যার দাবি ইসরাইলের
- বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ
- মার্কিন সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান ত্যাগের আলটিমেটাম আইআরজিসির
- লাইলাতুল কদরের রাতে মিজানুর রহমান আজহারির ফেসবুক স্ট্যাটাস
- উত্তরায় রিকশাচালককে হত্যার গুজবে বিপণিবিতানে ভাঙচুর,গ্রেপ্তার ১২
- ‘আমি বেঁচে আছি’, তাসনিম জারার বার্তা
- নেতানিয়াহুর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে ‘ডিপফেইক’ রহস্য!
- মুসলিম দেশগুলোর প্রতি ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার বার্তা
- ৬০ লাখ প্রবাসী পরিবারে ঈদ কাটবে উৎকণ্ঠায়
- এখন যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে!
- ট্রাম্পের সহায়তার আহ্বানে ব্রিটেন-জার্মানি-গ্রিসের না
- একাধিক তরুণীর সঙ্গে প্রেম নিয়ে বিরোধে হত্যা
- স্বস্তি ও অস্বস্তির ঈদযাত্রা
- ইরাকে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ৬ সেনার নাম প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
- যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা
- ‘যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার কোনো প্রস্তাব আমরা দিইনি’: আরাঘচি
- ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে আরও হামলা চালানোর
- ইরানের খার্গ দ্বীপে আরও হামলার হুমকি ট্রাম্পের
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- আজকাল ৮৯৪
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকাল ৮৯৫
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
