মার্কিন দূরবীনের সামনে আগামী নির্বাচন
মাসুদ করিম, ঢাকা থেকে
প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০২৬
টার্গেট কিলিং আইনশৃঙ্খলার বড় চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূরবীনের সামনেই থাকছে। সিনেটের অনুমোদনের পর নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন ক্রিস্টেনসেন আগামী ১১ জানুয়ারি, রোববার ঢাকায় পৌঁছুবেন। এর আগেই ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের প্রভাবশালী নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন-এর সঙ্গে একান্তে সাক্ষাৎ করেন। সূত্র জানিয়েছে, এই সাক্ষাৎ পর্বটি ছিল বেশ কয়েকদিনের প্রস্তুতির ফল। তাঁরা নিজেদের মধ্যে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন। কে এই ব্রেন ক্রিস্টেনটেন? যিনি বাংলাদেশের বহুল আলোচিত নির্বাচনের আগে দায়িত্ব নিচ্ছেন। ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সিলর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী ব্রেন ক্রিস্টেনসেনকে এবার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। পেশাদার কূটনীতিক হিসেবে তাঁর খ্যাতি রয়েছে। তিনি ঢাকায় পৌঁছেই বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা যায়। তবে নির্বাচনের আগে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক সহিংসতা ও টার্গেট কিলিং আইনশৃঙ্খলার জন্য খুব বড় চ্যালেঞ্জ বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঢাকা ৮ নির্বাচনি এলাকায় সম্ভাব্য জনপ্রিয় প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিসহ গত এক মাসে ৫জনকে ঘাতকরা হত্যা করেছে। ঢাকার তেজতুরি বাজার এলাকার সর্বশেষ খুন হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোসাব্বির। এছাড়া চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির স্থানীয় নেতা আলম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, ময়মনসিংহে রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের পর সারাদেশে টার্গেট কিলিং এখন বড় আতঙ্কের বিষয়।
সিনেটের শুনানির আগে এক বিবৃতিতে ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত উত্তরসূরি উভয়ের সাথেই মার্কিন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে দূতাবাসের ঢাকার টিমকে নেতৃত্ব দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি’।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল মোতাবেক, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংস্কার বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই বিষয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম অর্থাৎ মনোনয়নপত্র জমাদানসহ ভোটের প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারপরও কারও কারও মনে সন্দেহ, নির্ধারিত তফসিল মোতাবেক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়ে বিশেষ করে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর সংশয়ের কথা কারও কারও মুখে মুখে। এই সংশয়ের যৌক্তিক কোনও ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারেননি। যদিও কেউ কেউ বলেন যে, ভোটের দিনক্ষণ এগিয়ে এলেও দেশের ভেতরে নির্বাচনী আমেজ নেই। বাংলাদেশে বিগত সময়ে যেসব নির্বাচন অনেক অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে; ওই সকল নির্বাচনের মতো ভোটের আমেজ এবার লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তবুও ভোটের প্রস্তুতিতে কোনও ঘাটতি নেই। তবে নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বড় শঙ্কার জায়গা হলো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।
বাংলাদেশে অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এবার পরিস্থিতি আরও নাজুক। ২০২৪ সালের গণঅভ্যূত্থানের পর অনেক স্থানে পুলিশের অস্ত্র লুট হয়েছে। ওই সকল অস্ত্র এখনও জমা হয়নি। অনেক দাগী আসামী ও সন্ত্রাসী কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে। তাদের ধরা সম্ভব হয়নি। সীমান্ত দিয়েও অবৈধ অস্ত্র প্রবেশের আশঙ্কার কথা শোনা যায়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময়ে সহিংসতার আশঙ্কা অনেক বেশি। বিশেষ করে এবার পুলিশের অবস্থা খুবই নাজুক। বাংলাদেশে বিভিন্ন মব সন্ত্রাস এবং মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে হামলার সময়ে পুলিশ যথাযথ ভূমিকা পালন করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের মনোবল এখনও ফিরেনি। তবে নির্বাচনে একমাত্র ভরসা এখন সেনাবাহিনী। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে। ফলে সেনাবাহিনী ইচ্ছা করলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে বলে সাধারন মানুষের বিশ্বাস রয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা সত্ত্বেও সার্বিক পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে নির্বাচন ঘোষিত তফসিল মোতাবেকই অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ শক্তিশালী পক্ষসমূহ নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন চায়। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দীর্ঘদিন যাবত বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্যে মাঠে রয়েছে। এতে করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছুটি পাচ্ছেন না। সেনাবাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত প্রশিক্ষণ। মাঠে মোতায়েন থাকায় ট্রেনিং থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সেনাবাহিনী যত দ্রুত সম্ভব ব্যারাকে ফিরে যেতে চায়। এই লক্ষ্যে তারা নির্বাচন শেষ হওয়ার অপেক্ষায় আছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই সেনাবাহিনীর ব্যারাকে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে সেনাবাহিনী এই তফসিলেই নির্বাচন চাইছে।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন এবং নির্বাচিত সরকার চায়। তাদের দৃঢ় বিশ্ব নির্বাচিত সরকার দেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সক্ষম হবে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের জন্য ক্ষতিকর। দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীরা দেশের দীর্ঘমেয়াদি পলিসি চান। অর্ন্তবর্তি সরকারের পক্ষে দীর্ঘমেয়াদী পলিসি দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ব্যবসায়ী সম্প্রদায় দ্রুত নির্বাচন চাইছে। দ্রুত নির্বাচিত সরকার চাইছে।
বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি) নির্বাচন হলে ক্ষমতায় যাবে বলে আশা করছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন। এই সময়ে নির্বাচন তাই বিএনপি’রও প্রত্যাশা। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি’র জোটের কেউ কেউ নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর কোনও কোনও নেতার মুখেও একই সুর। জামায়াত - এনসিপি চায় ভোটের পরে জাতীয় সরকার। ফলে তারা বাধ্য হয়ে ভোটের লড়াইকে উপেক্ষা করতে পারবে না। আওয়ামী লীগ সমর্থিত কেউ কেউ ভোট নিয়ে সংশয়ের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করছেন। এসব প্রচার টিকবে না বলেই মনে হচ্ছে।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশে নির্বাচন এবং গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন চাইছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ এবং জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথ মহাসচিবের শোকবার্তা বিএনপি নেতা তারেক রহমানের প্রতি আস্থার প্রকাশ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এরিমধ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠিয়ে দিয়েছে।
- হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু
- ওয়াশিংটনে প্রকাশ্যে দেখানো হচ্ছে ট্রাম্প-এপস্টেইনের ভিডিও
- আম্মারকে নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট ছাত্রদল নেত্রীর
- গাজায় গণবিয়ে: যুদ্ধের ছায়ায় ১৫০ দম্পতির নতুন জীবনের স্বপ্ন
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
- দূরপাল্লার বাসের নতুন ভাড়া প্রকাশ, কোন রুটে কত খরচ?
- হাসপাতালে দৌরাত্ম্য ওষুধ কোম্পানির
- ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষে রায় দিল নিউইয়র্ক আদাল
- গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ
- পূরণ হলো না লিমন বৃষ্টির স্বপ্ন
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ নিয়ে উদ্বেগ
- শামসুল হককে বিজয়ী করার আহবান
- ধনীদের বাড়ীতে অতিরিক্ত ট্যাক্স
- লায়ন্স ক্লাবের নির্বাচন ৫ মে সভাপতি পদে রাসেল, জিলানী ও আলম সম্ভা
- বাংলাদেশ প্যারেডের ওপর নিষেধাজ্ঞায় মামলা করলেন শাহ শহিদুল হক
- বিএনপির সভায় হট্রগোল ও চেয়ার নিক্ষেপ
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- কে হচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব?
- `গুপ্ত` ইস্যুতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
- আলোচিত মুখগুলো বাদ
- শাহ নেওয়াজ লায়ন্সের ফার্স্ট ভাইস গর্ভনর নির্বাচিত
- দুই মাসেই সরকার চ্যালেঞ্জের মুখে
- আজকাল ৯১৯
- জার্মানিতে তেল সরবরাহে বড় ধাক্কা
- তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
- ইরানের জন্য কোনো যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বেঁধে দেননি ট্রাম্প
- লোডশেডিং চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল
- পাম্পে আসা তরুণের গায়ে হাত তুললেন ইউএনও
- ট্রাম্পের খামখেয়ালি মন্তব্যই শান্তির পথে প্রধান বাধা
- জ্বালানি তেলের জন্য প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- আজকাল ৮৯৫
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- বড় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
- ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ডলারের মালিক হলেন ইলন মাস্ক
- আজকাল ৯০২
- নোয়াখালী ও কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে মানববন্ধন
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- যুক্তরাষ্ট্রে এনআইডি কার্ড বিতরণ শুরু
- আজকাল ৯০০
- আজকাল ৮৯৭
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
