১৬
রাজনীতি থেকে অবসর নয়, ‘দুঃসময়ে’ মানুষের পাশে থাকতে চাই:শেখ হাসিনা
প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২৬
ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পরে রাজনীতি থেকে অবসরের কথাই একসময় ভেবেছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এখন সেই ভাবনা থেকে সরে এসেছেন। দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে’ সেই চিন্তা সরিয়ে রেখে ‘নিজের দেশের মানুষের পাশে থাকা’র সিদ্ধান্তই নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ এই সাক্ষাৎকারটি পর্ব আকারে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম পর্বে গণভবন ছেড়ে আসা, ইস্তফা না দেওয়ার কারণ থেকে বর্তমান সরকারের মূল্যায়ন, নিজের ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা—সব বিষয়েই খোলামেলা ও সবিস্তার কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা।
তিনি বলেন, ‘আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাকে মানুষের দুঃসময়ে তাঁদের পাশে থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। ১৯৮১ সালে আমি যখন সব হারিয়ে দেশে ফিরেছিলাম, তখন আওয়ামী লীগের কর্মীরাই ছিলেন আমার পরিবার। আজ সেই নেতা-কর্মীরা নির্যাতিত, আমার দেশের জনগণের জীবন আজ বিপর্যস্ত। আমি কীভাবে তাদের ছেড়ে বিশ্রামে যাই?’
হাসিনার এই ‘বিশ্রামে’ যাওয়ার জল্পনা জোরালো হয়েছিল তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি বক্তব্যের ভিত্তিতে। সেই সূত্রেই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আপনি দিল্লি আসার পরে আপনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় জানিয়েছিলেন, আপনি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চান। আপনি কি এখনও সেই সিদ্ধান্তে অনড়? সে ক্ষেত্রে দল ও দেশের নেতৃত্ব আপনি কার বা কাদের হাতে ছেড়ে যেতে চান?’
বিস্তারিত লিখিত উত্তরে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেন, ‘জয়ের বক্তব্য আমার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত। মানুষ সারাজীবন একই দায়িত্বে থাকে না। আমিও বহুবার বলেছি, নতুন নেতৃত্ব আসুক, তরুণেরা দায়িত্ব নিক। আওয়ামী লীগের বিগত দুই কাউন্সিলেও আমি নতুন নেতৃত্বের কথা বলেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমার আর কিছুই চাওয়ার নেই।’
তা হলে এই ভাবনার বদল কেন?
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। গণতন্ত্র আক্রান্ত। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ করার আইন করা হয়েছে। আমার নেতা-কর্মীরা কারাগারে। অনেকে ঘরছাড়া। সংখ্যালঘুরা আতঙ্কে রয়েছেন। নিরীহ শিশুরা টিকার অভাবে মারা যাচ্ছে, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত হচ্ছে। রাষ্ট্রকে ১৯৭১ সালের পথ থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এমন একটা সময়ে আমি কীভাবে বলি, আমি বিশ্রামে যাচ্ছি?’ মুজিব-কন্যার সংযোজন, ‘আমি ক্ষমতা চাই না। কিন্তু জনগণের প্রতি আমার দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারি না।’
হাসিনার ঘোষণা, ‘বাংলাদেশের জনগণের নিরাপত্তা, তাঁদের উন্নত জীবনমান ও অর্থনৈতিক মুক্তি, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন, সকলের সমান অধিকার এবং আওয়ামী লীগের তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আগামী দিনের সাফল্য নিশ্চিত করে, তার পরেই আমি অবসর নেব।’
পরবর্তী নেতৃত্ব সেক্ষেত্রে কার হাতে যাবে? হাসিনার জবাব, ‘নেতৃত্ব কার হাতে যাবে, সেটি কোনো ব্যক্তিগত উত্তরাধিকার নয়। আওয়ামী লীগ কারও পারিবারিক সম্পত্তি নয়, একটি গণতান্ত্রিক দল। কাউন্সিল (সম্মেলন)-এর মাধ্যমে, কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে, যোগ্যতা, ত্যাগ, সাহস ও আদর্শিক দৃঢ়তার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে।’
আওয়ামী লীগের সভানেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের পদাধিকারীদের পরিবর্তন করে নতুনদের দায়িত্ব বণ্টনের কথা দলের অনেকে বলছেন। অসুস্থ ও অশক্ত নেতাদের সরিয়ে তরুণদের নেতৃত্বে দলকে সংগঠিত করার কোনো পরিকল্পনা কি আপনি রূপায়ণ করতে চলেছেন? সেটা কেমন হতে পারে?’
শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দলীয় পুনর্গঠন ও নেতৃত্বের পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক ও অপরিহার্য প্রক্রিয়া। আমরা এই মুহূর্তে একটি প্রাকৃতিক শুদ্ধকরণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। যাঁরা আদর্শের জন্য এই দলে ছিলেন, তাঁরা আজকের দুর্দিনে আরও দৃঢ়ভাবে দলের পাশে আছেন। আর যাঁরা ব্যক্তিগত সুবিধা ও ক্ষমতার আশায় ছিলেন, তাঁরা ইতোমধ্যে ভোল পাল্টে ফেলেছেন বা চুপ করে গিয়েছেন। এটা দলকে দুর্বল করেনি, বরং খাঁটি করেছে।’
তাঁর ব্যাখ্যা, ‘নেতৃত্ব কোনো অলঙ্কার নয়। নেতৃত্ব একটি পবিত্র দায়িত্ব। যাঁরা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, যাঁরা কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে পারবেন না, যাঁরা কঠিন সময়ে সংগঠনকে ধরে রাখতে পারবেন না, তাঁদের বিষয়ে দলীয় কাঠামোর মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আবার এটাও মনে রাখতে হবে, আমাদের অনেক প্রবীণ নেতা সারা জীবন দলকে দিয়েছেন, জেল খেটেছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাঁদের অবদান কখনও অস্বীকার করা যাবে না। তাঁদের অভিজ্ঞতা আমাদের সম্পদ।’
আপাতত নেতৃত্বে বড়সড় বদলের সম্ভাবনা নেই—এমন ইঙ্গিত দিয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে এনে নতুন কাউন্সিল (সম্মেলন)-এর মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করা হবে। নতুন প্রজন্মের মেধাবী, দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী তরুণদের নেতৃত্বে নিয়ে আসা হবে। সেই পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই করা হয়েছে।’
তাঁর কথায়, ‘তরুণ নেতৃত্বের বিষয়ে আমি সর্বদাই উৎসাহী। আমাদের অনেক তরুণ নেতা আজ নিজ নিজ অবস্থান থেকে, রাষ্ট্রযন্ত্রের সব জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন মোকাবিলা করে দৃঢ়তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের পতাকা ধরে রেখেছেন। এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।’
শেখ হাসিনাকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, মাথা উঁচু করে খুব দ্রুত আপনি বাংলাদেশের মাটিতে ফিরবেন। বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে আপনার ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতা-কর্মীদের প্রত্যাবর্তন ও রাজনীতি শুরু করাটা কতটা বাস্তবসম্মত?’
জবাবে হাসিনা বলেছেন, ‘পাকিস্তানি শাসকেরা পারেনি, সামরিক শাসকেরা পারেনি, খুনিরা পারেনি, ষড়যন্ত্রকারীরা পারেনি, আজকের বিএনপি সরকারও আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলতে পারবে না। আমার প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত বিষয় তো নয়। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের সঙ্গে যুক্ত।’
তাঁর সংযোজন, ‘জনগণ বুঝতে পেরেছেন, আওয়ামী লীগই তাঁদের একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়। এই জনগণের শক্তিতে বলীয়ান হয়েই আমি ফিরব। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার গর্ব নিয়ে ফিরব, দেশ পুনর্গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ফিরব।’
- এইচ-ওয়ান-বি ভিসায় এক লাখ ডলারের আবেদন ফি বাতিল
- যুক্তরাষ্ট্র লাল কার্ড দেখলেই মিলবে লাখ টাকার ফ্রি পিৎজা
- জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে
- ভোরে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, খেলা দেখবেন যেভাবে
- দীপ্তির জন্মের ৬ বছর আগেই এসএসসি পাশ করেছেন তার স্বামী
- প্রথমবারের মতো উদ্ধার অভিযানে স্পিডবোট ড্রোন ব্যবহার
- রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল মল্লিক?
- বিশ্বকাপে বিলি করা হবে ৭০ লাখ কনডম!
- হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
- রাজনীতি থেকে অবসর নয়, ‘দুঃসময়ে’ মানুষের পাশে থাকতে চাই:শেখ হাসিনা
- সম্পদ-দলীয় প্রতীক সবই হারাচ্ছেন মমতা!
- ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
- ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
- ২১ বছর পর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ
- বিশ্বকাপ ঘিরে সরগরম কোটি ডলারের এস্কর্ট বাণিজ্য
- ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের
- ঢাকার আতঙ্ক ১৩৮৭ ছিনতাইকারী
- পর্যটন ভিসা ফি মওকুফ করল শ্রীলঙ্কা, সুবিধা পেল না বাংলাদেশ
- ১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ
- ট্রাম্প সত্যিই কি পারবেন নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে: বিশ্লেষণ
- রাজধানীতে ‘সালিসে’ ছুরিকাঘাতে খুন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা
- যুক্তরাস্ট্রে ইংল্যান্ড দলের ক্যাম্পের কাছেই বন্দুক হামলা
- তনু হত্যা মামলা: সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
- পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিতের ঘোষণা ইরান-ইসরায়েলের: রিপোর্ট
- তিন বছরে সরকারকে সুদ দিতে হবে ৪ লাখ ৩০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা
- নিউইয়র্কে বাড়ি ভাড়া নিয়ে উত্তেজনা
- ট্রাম্পে নাখোশ ৫৭ শতাংশ মার্কিনি
- রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা-স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড
- আদ্-দ্বীনে মারা যাওয়া প্রতিটি শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা
- বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- আজকাল ৮৯৭
- আজকাল ৯০৪
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৮৯৯
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
এই বিভাগের আরো খবর
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
