তারেক নিয়ে প্রবাসীরা কি ভাবছেন
আজকাল প্রতিবেদন
প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০২৬
- বাস্তবতা অনুধাবন করবেন: মোহাম্মদ উল্লাহ
- ওরা তো রাজাকারের বাচ্চাঃ ড.সিদ্দিক
- তারেক রহমান আলোকিত বাংলাদেশ গড়বেনঃ জিল্লুর
- চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্সঃ মঞ্জু
- তারেকের প্রত্যাবর্তন আশার জন্ম দিয়েছেঃ ফেরদৌস
১৭টি বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলেন। হাজার হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারিতে এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন দেখার জন্য অর্ধকোটি মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেছে। দেখতে চেয়েছে একনজর। বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রক্ত তার দেহে প্রবাহিত। অবর্ণনীয় নির্যাতন ও মৃত্যুর দরজা থেকে ফিরে এসেছিলেন ২০০৮ সালে। চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গেলেও তার ফিরে আসার পথ করা হয়েছিল রুদ্ধ। রাজনৈতিক নির্বাসনে কাটাতে হয়েছে ১৭টি বছর। এরমধ্যে হারিয়েছেন একমাত্র ছোট ভাই কোকোকে। তার লাশটিও দেখতে আসতে পারেন নি। দেশে ফেরার এক সপ্তাহের মাথায় মা খালেদা জিয়াকে হারিয়েছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজ দলের ভেতর চরম বিশৃংখলা। অথচ এই দলটির জন্য ১৭টি বছর বিদেশে বসে দিনরাত কাজ করেছেন। প্রতিটি দিন, প্রতিটি রাত কাটিয়েছেন দেশের মাটি ও মানুষের জন্য। দেশের গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রবাসে বসে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেছেন। বিদেশি মিডিয়াগুলো তাকে ‘আগামীর প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে বলার চেষ্টা করছে। ১২ ফেব্রয়ারি দেশে সাধারন নির্বাচন। এতে অন্যতম বৃহত্তম দল বিএনপি জিতলে তিনিই হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তার বাংলাদেশের ফেরা ও নবগঠিত দল এনসিপি নিয়ে রাজনীতির মাঠ এখন সরগরম। এই দুটি ইস্যু নিয়ে প্রবাসের রাজনীতিক, সাংবাদিক ও সচেতন মানুষের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল সাপ্তাহিক আজকাল। তাদেরই প্রতিক্রিয়া এখানে তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।
প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ উল্লাহ। তারেকের প্রত্যাবর্তন ও দেশের রাজনীতি নিয়ে কথা বলছিলেন সাপ্তাহিক আজকাল পত্রিকার সাথে। প্রতিবেদককে তিনি বলেন, তারেক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অতীতে অনেক নেতিবাচক কথা বলেছেন। গত ১ বছর থেকে সে অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। অনেক গঠনমূলক কথা বলছেন। আশাকরি, দেশ, জাতি ও মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা বাস্তবতায় অনুধাবন করবেন। তার উচিৎ হবে বঙ্গবন্ধুর দলকে অপাংক্তেয় করা থেকে দূরে থাকা। সহনশীল ও উদার গনতান্ত্রিক দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা। তার দলের ভেতর অবশ্য গণতান্ত্রিক চর্চাটির বড়ই অভাব। দলকে পরিবারতন্ত্রের বলয় থেকে বের করে নিশ্চয়ই যোগ্যদের সন্মান দেবেন।
বাংলাদেশের নির্বাচন ও রাজনীতি প্রশ্নে মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, জামায়াত ও এনসিপির নির্বাচনী জোট নানা আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা জামায়াতে ভীরে আসল চেহারাটা খোলাশা করলেন। অবশ্য তাদের অনেকেই জামায়াত শিবির না। তারা ভুল বুঝতে পেরে পদ ও দল ত্যাগ করছেন। এনসিপির বাণী আদর্শহীনতার পরিচয় দিয়েছে। জনমত জরিপে বিএনপি এগিয়ে আছে। কিন্তু জামায়াত তারেক সাহেবের দলের চেয়ে অনেক সুসংগঠিত। নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নে কিন্তু তারা তা দেখাচ্ছে। পক্ষান্তরে বিএনপিতে দেখছি বিশৃংখলা। সর্বত্র বিদ্রোহী প্রার্থী। এটা নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে বিএনপিকে মাশুল দিতে হবে। আর জামায়াত কোন না কোনভাবে ক্ষমতায় গেলে প্রিয় দেশটি পিছিয়ে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমান সাপ্তাহিক আজকালকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন। তাকে নিয়ে মিডিয়া অতি হাইপার ছিল। একটা ইতিহাস সৃষ্টি হলো তার প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে। সরকারি কোন পদে না থেকেও ১ জন সাধারন নাগরিককে এমন নিরাপত্তা দেয়া নজীরবিহীন। বিশ্বে এটি একটি রেকর্ড। বাংলাদেশের মানুষ তাকে অর্ভথনা দিয়েছে। দেখি তিনি এখন কি করেন। ২৫ ডিসেম্বরের পর তারেক রহমান অঘোষিতভাবে দেশের শাসনভার গ্রহন করেছেন। বুলেট প্রফ গাড়ি ও গ্যানম্যানের পাহাড়ায় একটি একতরফা নির্বাচন হতে যাচ্ছে। যেখানে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা হচ্ছে। এ নির্বাচনে কখনও জনগনের আকাংখার প্রতিফলন ঘটবে না। আর এনসিপি ও জামায়াত একই বৃন্তে দুটি ফুল। দেড় বছর পরে হলেও এনসিপির আসল চেহারা প্রকাশ্যে এসেছে। তাদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন সঠিকই বলেছিলেন। ওরা তো রাজাকারের বাচ্চা।
যুক্তরাষ্ট্র বিএেনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু আজকালকে বলেন, তারেক রহমান দেশে ফেরার জন্য ১৭টি বছর অপেক্ষা করেছেন। তার দেশে ফেরা ও ঐতিহাসিক বক্তব্য জাতির আশা আকাংখার প্রতীক হয়ে আর্বিভূত হয়েছে। ২০টি বছর তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ভুল প্রমানিত হয়েছে। তিনি একজন সাচ্চা দেশ প্রেমিক। জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনিই সঠিক নেতা। আগামীতে তার প্রমান হবে। তোষামোদির রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমান আলোকিত বাংলাদেশ ও দল গড়ে তুলবেন। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
প্রবীণ সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, তারেক রহমান চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স দেখালে দেশের চেহারাই পাল্টে যাবে। সেটা তার দল থেকে শুরু সর্বত্র হতে হবে। ২৫ ডিসেম্বরে তার দেওয়া বক্তব্য জাতির সামনে আশার আলো দেখিয়েছে।আমরা অপেক্ষায় থাকলাম। এনসিপি প্রশ্নে তিনি বলেন, এনসিপির নেতাদের সাথে তারেক রহমানের আগেই বসা উচিৎ ছিল। তা’হলে গতিপথ পাল্টাতে পারতো। এনসিপি সঠিক পথে গেল কিনা তা এখনই বলা যাবে না। তবে তাদের নিয়ে একটা ধোঁয়াসার সৃষ্টি হয়েছে।
সাংবাদিক ও লেখক হাসান ফেরদৌস আজকালকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বাংলাদেশে ২টি জিনিষের এখন অভাব ( লিডারশীপ এন্ড হোপ ডেফিসিট)। এক. নেতৃত্বের। দুই.আশার। স্বৈরাচারি শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতা বিরাজ করছে। সরকারের ভেতরে কিংবা বাইরে এমন কোন নেতৃত্ব নেই যার ওপর আস্থা রাখা যায়। এমন পরিপ্রেক্ষিতে তারেক জিয়ার প্রত্যাবর্তন মানুষের আশার জন্ম দিয়েছে। তার কথা ও কাজে দেশের মানুষ মনে করছে এই লোকটি ১৭টি বছরের ব্যবধানে বহুলাংশে একজন পরিপূর্ণ মানুষ। এখন পর্যন্ত তিনি যা বলেছেন তার মূল বক্তব্য এ রকম-দলমত নির্বিশেষে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে এক হতে হবে। নিরাপত্তা, শান্তি ও সামগ্রিক সমৃদ্ধি আমাদের অগ্রাধিকার। তারেক কথা ও কাজে এখ নপর্যন্ত কোন বিদ্বেষমূলক বক্তব্য রাখেন নি। তা দেশের মানুষের ভালো লেগেছে।
পাশাপাশি খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দেশব্যাপী যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে তা তারেকের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছে। এটাকে তার প্রতি আমরা সহানুভূতি ভোট ভাবতে পারি। পরোলোকগত বেগম খালেদা জিয়া এ মুহুর্তে সকল দলমতের কাছে গ্রহনযোগ্য নেতা হয়ে উঠেছেন। তারেক তারই উত্তরাধিকার। বুদ্ধিমত্তার সাথে সবকিছু হ্যান্ডেল করতে পারলে তারেক দেশের জটিল রাজনৈতিক বৈতরণী পার হতে পারবেন বলে মনে হয়।
- ইরানে `সবচেয়ে তীব্রতম` দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি কিমের বোনের
- বিবিসি বাংলার কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইলেন ‘সমন্বয়ক’ মাহদী
- হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান তবে
- হাইপারসনিক ছাড়াও ৩ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান
- দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ
- আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান: ট্রাম্প
- যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক চাপে ফেলে পিছু হটতে বাধ্য করব: ইরান
- ধ্বংসস্তুপের চিত্র প্রকাশ করলেই ধরে নিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা
- টাইমস স্কোয়ারে ‘সম্প্রীতির নববর্ষ’ উদযাপন ১১ এপ্রিল
- ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
- মামদানির বাসার সামনে বোমা হামলা, গ্রেফতার ২
- যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
- ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় ফয়সাল-আলমগীর রিমান্ডে
- মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
- পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব
- ইকরার নেশা ও গোপন বাসর ফাঁস, আলভীর বিস্ফোরক অভিযোগ
- সংঘাতের আগেই হরমুজ পার হয়ে ১৫ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কমিউনিটির সেবায় বাংলা ট্রাভেলস
- ইরানে আজ ‘কঠোর আঘাত হানার’ হুমকি দিলেন ট্রাম্প
- স্ক্যামার বাংলাদেশি নিয়াত গ্রেফতার:কমিউনিটিতে আতংক
- তবে কি ইরানের কাছে হেরে যাবে যুক্তরাষ্ট্র
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের ইফতার অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে ট্যাক্সি চালিয়ে ৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়লেন
- সোসাইটি পেল স্টেটের ২০ হাজার ডলার অনুদান
- ইরানের হামলায় আমিরাতে বাংলাদেশি নিহত
- প্রভাবশালি ক্রিস্টি নোয়েমকে ট্রাম্পের বরখাস্ত
- সংসদ ভবন পরিদর্শনে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল
- নিউইয়র্কে এসএসসি ২০০৩ ব্যাচের ইফতার
- পাম্পে ঝুলছে ‘তেল নেই’ ঢাকায় ঝাপিয়ে পড়েছে ক্রেতারা
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
