ছুটি শেষে বাসার গেটেই আক্রান্ত দুই নারী
প্রকাশিত: ২ জুন ২০২৬
মোহাম্মদপুরের ১০৮ স্পটে সক্রিয় ২০৫ ছিনতাইকারী
ঈদুল আজহার ছুটি শেষে ঠাকুরগাঁও থেকে বাসে করে রাজধানীর শ্যামলীতে নামেন দুই নারী। পরে রিকশায় করে মোহাম্মদপুরের নুরজাহান রোড এলাকায় নিজ বাসার সামনে পৌঁছান। হঠাৎ করেই দুই ছিনতাইকারী তাদের সামনে দাঁড়ায়। হাতে চাপাতি। পরনে ছিল লুঙ্গি। চাপাতির কোপ দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই দুই নারীর সঙ্গে থাকা লাগেজ, ব্যাগসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকের ঘটনা। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মোহাম্মদপুরের অপরাধ জগতের কালো অধ্যায় ফের সামনে আসে।
এর আগে গত ৭ মার্চ রাতে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে হাঁটাহাঁটি করছিলেন দুদকের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন। এ সময় তিন ছিনতাইকারী চাপাতি ও সামুরাইয়ের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে দুটি আইফোন, ২০ হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ, দুটি ভিসা কার্ড ও হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয়। আইফোনের পাসওয়ার্ডের জন্য ছিনতাইকারীরা তাকে আঘাত করলে তিনি মারাত্মক আহত হন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে মোহাম্মদপুরে ছিনতাই, ডাকাতি, লুট, খুনসহ সব ধরনের অপরাধ অন্য সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে গুরুতর জখম ও খুনের ঘটনাও ঘটছে। ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে গিয়ে খোদ পুলিশও হামলার শিকার হচ্ছেন। যৌথবাহিনী নিয়মিত ব্লক রেইড ও বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করলেও অবস্থার কোনো উন্নতি নেই।
গোয়েন্দা তথ্যে দেখা গেছে, রাজধানী ও আশপাশে ৪৩২টি ছিনতাই স্পটের মধ্যে সব থেকে বেশি ১০৮টিই মোহাম্মদপুরে। এসব স্পটে ছিনতাইয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ২০৫ জনের নাম উঠে এসেছে গোয়েন্তা রিপোর্টে। যদিও এ সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বেশির ভাগ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা হয়রানির ভয়ে মামলা করতে চান না। যারা মামলা করেন তারাও যথাযথ প্রতিকার পান না। ছিনতাইয়ের ঘটনা ভাইরাল না হলে থানাও গুরুত্ব দেয় না বলে অভিযোগ অনেক ভুক্তভোগীর।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানের নবীনগর হাউজিং, চাঁদ উদ্যান, চন্দ্রিমা হাউজিং, তিন রাস্তার মোড়, জেনেভা ক্যাম্প ও এর আশপাশ, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড ও টাউন হল, বছিলা বেড়িবাঁধ ও বছিলা ব্রিজ এলাকায় বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। চাপাতি বা সামুরাই দিয়ে ভয় দেখিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে কিংবা অন্ধকারে সাধারণ মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে তারা। অনেক সময় অটোরিকশা কিংবা মোটরবাইকে এসে চোখের সামনে সব ছিনিয়ে নিচ্ছে। হামলার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করারও সাহস পান না।
ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে অনেকে হামলার শিকার হয়েছেন। এমনকি বাড়িওয়ালাদের বাসার সিসিটিভি খুলে ফেলতেও হুমকি দিয়েছে অপরাধীরা। তাদের ভয়ে অনেক বাড়িওয়ালা সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলেছেন। কাঁটাসুর এলাকায় বিভিন্ন বাসা-বাড়ির গেটের সিসিটিভি ভাঙতে দেখা গেছে ছিনতাই চক্রের সদস্যদের।
নবী উল্লাহ নামে চাঁদ উদ্যান এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী যুগান্তরকে জানান, ছিনতাইকারীরা তাদের বাসার সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলতে বলেন। ক্যামেরা না খুললে তাকে এবং তার ছেলের রক্ত দিয়ে গোসল করবে-এমন হুমকি দেয়। চাকরি রক্ষায় নিজের কিংবা ছেলের জীবন শেষ করতে পারবেন না বলে তিনি বাড়িওয়ালাকে জানান। পরে সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলা হয়।
শুধু বাসিন্দারাই নন, পুলিশও ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হচ্ছেন। গত ১১ মে ভোরে মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকায় অভিযানের সময় পুলিশের ওপর হামলা চালায় ছিনতাইকারীরা। এ সময় পুলিশ পালটা গুলি ছুড়লে এক ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয় এবং চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে, ঈদের ছুটি শেষে বাসায় পৌঁছার আগেই ছিনতাইয়ের শিকার দুই নারীর বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাকিবুজ্জামান রাকিব সোমবার যুগান্তরকে বলেন, ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত তিনজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এরমধ্যে একজনকে শনাক্ত করা গেছে। চক্রের সবাইকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে অর্ধশতাধিক অপরাধী দল বা গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি বড় এবং প্রধান গ্যাং রয়েছে, যাদের প্রত্যেকটিতে ১৫ থেকে ২০ জন করে সদস্য কাজ করে। ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত গ্রুপগুলোর মধ্যে, পাটালি, লেভেল হাই, ডাইল্লা, অ্যালেক্স, গাংচিল, লও ঠেলা, কবজি কাটা আনোয়ার গ্রুপ, ফরহাদ গ্রুপ, আর্মি আলমগীর গ্রুপ ও আকবর গ্রুপের নাম শীর্ষে রয়েছে। নিয়মিত অভিযানে এসব চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর থানার একতা হাউজিং এলাকায় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা রুবেল ওরফে মাওরা রুবেলকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে র্যাব। আদাবর এলাকায় এক ডেলিভারিম্যানকে মারধর করে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেন তিনিসহ চক্রের সদস্যরা।
গোয়েন্দা সংস্থার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় ৪৩২টি ছিনতাইয়ের স্পটে কমপক্ষে ৯৭৯ জন ছিনতাইকারী সক্রিয়। যাদের বেশির ভাগই ফৌজদারি মামলার আসামি। ছিনতাইয়ের হট স্পট হিসাবে তালিকায় রয়েছে মোহাম্মদপুর এলাকা। এ এলাকায় সবচেয়ে বেশি ১০৮টি ছিনতাইয়ের স্পট রয়েছে। এ এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ২০৫ জনের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) এনএম নাসিরুদ্দিন যুগান্তরকে জানান, মোহাম্মদপুরে পুলিশসহ যৌথবাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতার করছে। তবে এলাকাটি নদী এবং বেড়িবাঁধের কাছাকাছি হওয়ায় অপরাধীরা সহজেই আশপাশে পালিয়ে যেতে পারে। সব ধরনের অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
- বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে অভিবাসী সংগঠনগুলোর সতর্কতা
- ভূমি অফিসে দুর্নীতির দৌরাত্ম্য
- ইসরাইলের আয়রন ডোম ধ্বংস করল হিজবুল্লাহ
- ৩০ হাজার কোটি ডলার পেতে পারে ইরান
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করছে ইরান
- খান জাহান আলীর মাজারের দীঘিতে শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে কুমির
- তেলের পর এবার বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম, চাপে ভোক্তারা
- ছুটি শেষে বাসার গেটেই আক্রান্ত দুই নারী
- সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি
- দিনভর বিক্ষোভ-সংঘর্ষের পর ভার্চ্যুয়াল পর্ষদ সভা
- মশা মারা শিখতে ডোবার পাশে বসতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
- দিনভর বিক্ষোভ-সংঘর্ষের পর ভার্চ্যুয়াল পর্ষদ সভা
- তাপপ্রবাহে পুড়ছে ঢাকাসহ ১১ জেলা, গরমের দাপট বাড়ার শঙ্কা
- ইরান যুদ্ধে হতাহতের তথ্য গোপন করছে যুক্তরাষ্ট্র?
- ওয়াশিংটনে রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ১১
- যুগের জিন্নাহ নাহিদ ইসলাম : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- ২ কর্মদিবসে মিলবে মার্কিন অভিবাসী ভিসা
- গ্রিনকার্ডের কঠোর নিয়ম বদলাল যুক্তরাষ্ট্র, স্বস্তিতে প্রবাসীরা
- লেবাননের আরো অঞ্চল দখলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর
- ৬ নবজাতকের মৃত্যু
আদ-দ্বীন হাসপাতালকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা - নিউইয়র্কে বিদ্যুৎ বিলের চাপ কমাতে ২০০ ডলারের রিবেট চেক
- কোহলির হাত ধরে ফের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু
- ইরান পারমাণবিক অস্ত্র না বানাতে সম্মত হয়েছে: ট্রাম্প
- আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
- বিক্রি না হওয়ায় পুঁতে ফেলা হলো দেড় শতাধিক চামড়া
- উত্তর কোরিয়ার পরমাণু শক্তি নিয়ে চার দেশের আপত্তিতে ক্ষুব্ধ কিম!
- কওমি শিক্ষার্থীদের হুমকিতে স্থগিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনী
- বার্ধক্য এড়াতে পুতিনের ২৬ বিলিয়নের প্রকল্প, যা থাকছে
- হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫৮৩
- মাইন আতংকে যুক্তরাষ্ট্র!
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- আজকাল ৮৯৭
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- আজকাল ৮৯৬
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৮৯৯
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
