গুলশানে হলি আর্টিজান হামলার ৭ বছর আজ: যা ঘটেছিল সেদিন
প্রকাশিত: ১ জুলাই ২০২৩
দেশি-বিদেশি নাগরিকের পদচারণায় সবসময় মুখর থাকতো রাজধানীর কূটনৈতিক পাড়াখ্যাত গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি। ২০১৬ সালের ০১ জুলাই আর দশদিনের মতোই ব্যস্ত হয়ে পড়ে লেকের পাড়ের মনোরম পরিবেশের বেকারিটি।
তবে সন্ধ্যা গড়াতেই হলি আর্টিজানের আড্ডাস্থল পরিণত হয় মৃত্যুপুরীতে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেখানে চালানো হয় ইতিহাসের জঘন্যতম জঙ্গি হামলা। ভয়াবহ এ হামলায় নৃশংস হত্যাযজ্ঞ এবং প্রায় ১২ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস জিম্মি সংকটের ঘটনায় স্তম্ভিত করেছিল পুরো জাতিকে।
ওইদিন রাত ৮টার পর এ জঙ্গি হামলায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা ও ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ নিহত হন ২২ জন। কয়েকবার প্রস্তুতি নেওয়া সত্ত্বেও স্পর্শকাতর বিবেচনায় রাতে হলি আর্টিজানে অভিযান চালানো থেকে বিরত থাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন সকালে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো সদস্যদের পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ অবসান হয় জিম্মিদশার, নিকেশ হয় হামলাকারী পাঁচ জঙ্গি।
বাংলাদেশ সংঘাত চায় না প্রধানমন্ত্রী (13)
হলি আর্টিজানে হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফোর্সসহ প্রথমে পৌঁছান গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিপন কুমার দাস। মামলার এজাহারে ঘটনার বিবরণীতে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন গুলশান থানার রোড নম্বর-৭১ থেকে ৯২ এবং এর আশপাশ এলাকায় পেট্রোল ডিউটির দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে ওয়্যারলেসে ভেসে আসে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বেকারিতে গুলির খবর। খবর পেয়েই ফোর্সসহ রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান এসআই রিপন। হলি আর্টিজানের কাছে উপস্থিত হয়ে তারা দেখতে পান, রেস্টুরেন্টের ভেতরে কতিপয় সন্ত্রাসীরা ‘আল্লাহ্ আকবর’ ধ্বনি দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ ও বোমা নিক্ষেপ করছে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ ও এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। আত্মরক্ষার্থে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীদের নিক্ষিপ্ত গুলি ও গ্রেনেডের আঘাতে এসআই ফারুক হোসেন ও কনস্টেবল প্রদীপ চন্দ্র দাস ও আলমগীর হোসেন গুরুতর আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং এসআই রিপন কুমার দাস বিষয়টি তাৎক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
যার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়াসহ ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের অফিসার ও ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়। এরপর পুলিশসহ অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হলি আর্টিজানের বেকারির চারপাশে কর্ডন করে ফেলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সন্ত্রাসীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে অনবরত গ্রেনেড ও গুলি করতে থাকে।
এ অবস্থায় রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সন্ত্রাসীরা হলি আর্টিজানের বেকারির পশ্চিম দিকের বাড়ির সামনে অবস্থানরত পুলিশ অফিসার ও ফোর্সদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে অন্তত ৩০-৩৫ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য আহত হন, কেউ কেউ মারাত্মক জখমপ্রাপ্ত হয়। সে সময় চারদিকে ঘিরে থাকা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-পুলিশসহ অন্য বাহিনীর সদস্যরা দৌড়ে নিরাপদ দূরত্বে যান। আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ২০ মিনিটে বনানী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহউদ্দিন খান মৃত্যুবরণ করেন। এর কিছুক্ষণ পরই ডিবির সহকারী কমিশনার (এসি) মো. রবিউল করিমের মৃত্যু হয়।
এর মধ্যে পুলিশের আইজিপি ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, হলি আর্টিজানের ভেতরে অন্তত ২০ জন বিদেশিসহ কয়েকজন বাংলাদেশিও আটকা পড়েছেন। ভেতরে যারা আছেন, তাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য তারা বিপথগামীদের সঙ্গে কথা বলতে চান।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে রাতেই পুলিশ, র্যাব ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর কমান্ডোরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সম্মিলিতভাবে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থলের পাশ থেকে গণমাধ্যমকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে দেওয়া হয়।
রাত দেড়টার দিকে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারী উল্লেখ করে পাঁচ তরুণের ছবি প্রকাশ করে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। জঙ্গিগোষ্ঠীর ইন্টারনেটভিত্তিক তৎপরতা নজরদারিতে যুক্ত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ এ তথ্য জানায়।
পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তক্রমে ০২ জুলাই সকাল আনুমানিক ৭টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন জিম্মিদের উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করার লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করে। ১২-১৩ মিনিটের মধ্যেই সব সন্ত্রাসীকে নির্মূল করে ওই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
অভিযানে নিহত জঙ্গিরা হলেন- মীর সামিহ মোবাশ্বের (১৯), রোহান ইমতিয়াজ (২০), নিরবাস ইসলাম (২০), খায়রুল ইসলাম পায়েল (২২), শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ওরফে বিকাশ (২৬)।
পরে জিম্মি থাকাবস্থায় সন্ত্রাসী কর্তৃক নৃশংসভাবে নিহত হওয়া ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে নয়জন ইতালির নাগরিক, সাতজন জাপানের, একজন ভারতের ও তিনজন বাংলাদেশি। সিআইডি ক্রাইম সিন বিভাগের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্যাদিসহ ভিকটিমদের ব্যক্তিগত মালামাল সাক্ষীদের মোকাবিলায় জব্দ করে নিজ হেফাজতে নেয় পুলিশ।
উদ্ধার জিম্মিদের বয়ান অনুযায়ী তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, জঙ্গিরা হামলার প্রথম ২০ মিনিটেই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায়। তারা দেশি-বিদেশিদের গুলি করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে/গলা কেটে করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। হত্যার পর ছবি তুলে অ্যাপের মাধ্যমে বাইরে অবস্থানরত নব্য জেএমবির নেতা তামিম চৌধুরী ও মারজানের কাছে পাঠায় তারা। তারা এতটাই নিষ্ঠুর ছিল যে, লাশের সারি মেঝেতে রেখেই খাবার খায়।
দুই বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তের পর ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই এ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। বিচারিক কার্যক্রম শুরুর এক বছরের মধ্যেই ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
রায়ে মামলার আট আসামির সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র্যাশ, আব্দুস সবুর খান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাদিসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ এবং মামুনুর রশিদ রিপন।
এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
সিটিটিসির অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, প্রায় দেড় বছর আগে পরিকল্পনা এবং দীর্ঘ প্রস্তুতি শেষে নৃশংস এ হামলা সরাসরি বাস্তবায়নে দায়িত্ব দেওয়া হয় আত্মঘাতী পাঁচ জঙ্গিকে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস’র ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে জেএমবির একটি গ্রুপ বিদেশিদের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নেয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। পরবর্তীতে ‘নব্য জেএমবি’ নামে পরিচিতি পাওয়া এ গ্রুপটির কথিত শুরাকমিটি গাইবান্ধার সাঘাটায় বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নেয়।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, বাংলাদেশে তথাকথিত জিহাদ কায়েমের লক্ষ্যে জননিরাপত্তা বিপন্ন করার এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য জেএমবির একাংশ নিয়ে গঠিত নব্য জেএমবির সদস্যরা গুলশান হলি আর্টিজান বেকারিতে নারকীয় ও দানবীয় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। হলি আর্টিজান হামলার মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদের উন্মত্ততা, নিষ্ঠুরতা ও নৃশংসতার জঘন্য বহির্প্রকাশ ঘটেছে। নিরপরাধ দেশি-বিদেশি মানুষ যখন রাতের খাবার খেতে হলি আর্টিজান বেকারিতে যান, তখনই আকস্মিকভাবে তাদের ওপর নেমে আসে জঙ্গিবাদের ভয়াল রূপ। জঙ্গি সন্ত্রাসীরা শিশুদের সামনে এ হত্যাকাণ্ড চালায়। মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য জঙ্গিরা নিথর দেহগুলোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। মুহূর্তের মধ্যে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় হলি আর্টিজান বেকারি।
এখনও শেষ হয়নি বিচার কাজ
২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির ডেথরেফারেন্স ও মামলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টে আসে। এর পরেই প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলার পেপারবুক প্রস্তু তের নির্দেশ দেন। এরপর আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে, আর রায়ে খালাস পাওয়া একজনের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এখনও মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন।
৭ বছর পর আলোচনায় নতুন জঙ্গি সংগঠন
হলি আর্টিজানে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় প্রায় কোণঠাসা হয়ে পড়ে দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলো। সরকারি নানা উদ্যোগের পাশাপাশি জনসাধারণের নানামুখী অংশগ্রহণে স্বল্প সময়েই জঙ্গি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গিদের সক্ষমতা নস্যাৎ করে দিয়ে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার কথাও বলছিলেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যেই গত বছরের শেষভাগে আলোচনায় আসে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’।
সংগঠনটির বিরুদ্ধে অভিযানে নেমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানতে পারে, দেশের পার্বত্য অঞ্চলে কুকি-চিন নামে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ছত্রছায়ায় নতুন এই জঙ্গি সংগঠনটির সদস্যরা সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানসহ আশে-পাশের এলাকার গহীন পাহাড়ে তারা সংগঠিত হচ্ছিল।
এই জঙ্গি সংগঠনটির ডাকে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে অর্ধশতাধিক তরুণ ঘর ছেড়েছেন, যারা বিভিন্ন সময় তথাকথিত হিজরতের নামে পার্বত্য অঞ্চলে প্রশিক্ষণে যোগ দেন। পার্বত্য অঞ্চলসহ দেশজুড়ে ধারাবাহিক অভিযানে সংগঠনটির নেতৃত্ব পর্যায়ে বেশ কয়েকজনকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুমিল্লা থেকে বেশ কয়েকজন তরুণের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাড়ি ছাড়ার ঘটনার পর গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে র্যাব ও সিটিটিসি ইউনিট।
এদিকে, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ২৩ জুন রাতে মোস্ট ওয়ান্টেড দুর্ধর্ষ জঙ্গি শামিন মাহফুজকে' গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি।
সিটিটিসির দাবি, সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও মূল ব্যক্তি শামিন মাহফুজকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, নতুন এই জঙ্গি সংগঠনের উদ্দেশ্য সশস্ত্র জিহাদ করা। তাদের মতে, যারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য যারা কাজ করে, তারা মুরতাদ। তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল। তবে তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিশ্চিত হতে আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।
নতুন জঙ্গি সংগঠনের আশ্রয় ও প্রশিক্ষণদাতা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিনের প্রধান নাথান বমের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা নাথান বমের সঙ্গে শামিনের সর্বশেষ যোগাযোগটা এখনও উদঘাটন করতে পারিনি। নতুন জঙ্গি সংগঠনের ডাকে হিজরতে যাওয়া অধিকাংশকেই আমরা গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। আশা করছি, শামিন মাহফুজকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি হবে।
- দৈনিক তরুণ কণ্ঠ’র যুক্তরাষ্ট্র প্রধান প্রতিনিধি আবুল কাশেম
- যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ কমার দাবী হোয়াইট হাউসের
- ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়
- ঢাকার খোলা বাজারে হঠাৎ ডলার ১২৮ টাকা ছাড়িয়েছে
- নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় কুনু-ফিরোজ প্যানেলের সভায় প্রতিবাদ
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসং
- কানাডায় বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে বড় জালিয়াতির অভিযোগ
- ‘অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে’
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি
- প্রবাহ’র ২২তম সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশের নাগরিকদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাচার
- অবৈধ ভোটদানের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মাম
- তাসিনের দাফন সম্পন্ন
- মার্কিন নির্বাচন কেন নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়?
- ন্যাশনাল ইমিগ্রান্টস ডে উপলক্ষ্যে ৭ জনকে সম্মাননা
- মুনা’র ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন
- জেএমসি’র ফান্ড রেইজিংয়ে মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ
- নির্বাচন বানচালের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে সেলিম-আলী প্যানেলের প্রতিবাদ
- বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পেছাল তিন বছর
- যৌন নির্যাতনের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেফতার
- মামলা পরিচালনায় সব ধরনের আশ্বাস শাহ নেওয়াজের
- জাতিসংঘে বিশৃংখলাঃ কিউবান কূটনীতিককে বহিষ্কার যুক্তরাষ্ট্রের
- রুহুল ও সেলিম ভাই উভয়েই অর্থ দিতে চেয়েছিলেন ঃ ওসমান
- বাংলাদেশ সোসাইটির কোর্ট হেয়ারিং ১৭ ডিসেম্বর
- মিশিগানে মুসলিম ভোটাররা ইসলামবিদ্বেষী হামলার আশঙ্কায়
- ট্রাম্প ও ওবামার নির্বাচনী যুদ্ধ
- আজকাল ৯৪৬
- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- আজকাল ৯৩২
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- আজকাল ৯৩৮
- উৎসব মুখর পরিবেশে নিউইয়র্কে ঈদ জামাত
- হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা
- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
- আজ পবিত্র ঈদুল আজহা
- মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- দীপ্তির জন্মের ৬ বছর আগেই এসএসসি পাশ করেছেন তার স্বামী
- আজকাল ৯২৫
- হোয়াটসঅ্যাপে সাইবার হামলা
- আজকাল ৯২৩
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
