মহানবীর (সা.) ক্ষমার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
প্রকাশিত: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
একটি গল্প দিয়ে শুরু করি। গল্পটা আমাদের নবীজির (সা.)। আসলে তা গল্প না, গল্পের মতো। তবে ঘটনা বাস্তব।
একবার এক ইহুদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেহমান হলো; রাতে থাকলোও। হুজুর (সা.) তাকে সমাদর করলেন। সুন্দর রাত্রিযাপনের ব্যবস্থাও করলেন। কিন্তু ওই ইহুদির মনে ছিল বিশাল শয়তানি। শেষ রাতের দিকে দুষ্ট ইহুদি রাসূল (সা.) এর বিছানায় ইচ্ছাকৃত পায়খানা পেশাব করলো। এর দ্বারা তার উদ্দেশ্য ছিল রাসূল (সা.)-কে কষ্ট দেয়া। অতপরঃ ভোর হওয়ার আগেই সে গোপনে চলে গেল। আর মনে মনে ভাবতে লাগল- আচ্ছা যাক, মুহাম্মাদকে (সা.) কষ্ট দিতে পারলাম।
কিন্তু সে ভুলে তার তরবারিটি ফেলে গেছে। তরবারির কথা মনে হতেই সে আবার ফিরে আসলো। এসে দেখে রাসূল (সা.) নিজে ময়লা পরিষ্কার করছেন। সে ভাবলো রাসূল (সা.) হয়তো তাকে এর শাস্তি দিবেন বা পাকড়াও করবেন, তাকে ক্ষমা করবে না। সে খুব অনুনয় বিনয়ের সঙ্গে রাসূলকে বললো আমার ভুল হয়ে গেছে’ আমাকে মাফ করে দিন। এর জবাবে রাসূল কী বললো? ওটাই আমার লেখার আলোচ্য বিষয়।
দয়ার আধার উদারতার আকাশ রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘ক্ষমার কী আছে। আমারই তো আপনার খেদমতের কমতি হয়েছে। আমি আপনার ঠিকঠাক খোঁজ নিতে পারি নাই, তাই আপনার এমন অবস্থার জন্য আমি দায়ী। আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ এই যে রাসূল (সা.) তার সবকিছু বুঝেও তাকে ক্ষমা করে দিলেন, এটার কারণেই তিনি উত্তম পুরুষ মহামানব ও একজন রাসূল। ক্ষমার এমন হাজারো উদারতা একমাত্র রাসূল (সা.) এর জীবনীতেই পাওয়া সম্ভব।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী অধ্যয়নে দেখা যায় তার চাক্ষুষ জাত শত্রুকে তিনি হাসিমুখে ক্ষমা করে দিলেন। নবুওয়াতির শুরু জামানায় তিনি যখন তায়েফে উপস্থিত হলেন। সেখানে তায়েফ কর্তৃক আক্রান্তও হয়েছিলেন। তখন পাশের খাদেম বলেছিল আপনি তাদের জন্য বদদোয়া করুন; তারা যেন ধ্বংস হয়ে যায়। হজরত জিবরাইল (আ.) এসে বললেন, আপনি হুকুম দিন! তায়েফের দুপাশের পাহাড় এক করে দিয়ে তায়েফবাসীকে ধ্বংস করে দিই। কিন্তু রাসূল (সা.) কী বললেন? না! আমি বদদোয়ার জন্য প্রেরিত হয়নি। আমি রহমত হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। অবলীলায় ক্ষমা করে দিলেন ওই জঘন্য অমানুষগুলোকে। একারণেই তাকে বলা হয়েছে আদর্শের মূর্তপ্রতীক। মানবসভ্যতার ইতিহাসের তাঁর মতো এমন উদার ও ক্ষমাশীল মানুষ ছিল না, এখনো নেই কিয়ামত অবদি আসবেও না।
বলছিলাম আদর্শ ও মহৎ চরিত্রের অন্যতম উপাদান ‘ক্ষমা’ নামক গুণের কথা। একটি আদর্শ ও মহৎ চরিত্রভাবনা কল্পনা করলে সবচে প্রথম যে বিষয়গুলো আসে তার অন্যতম হলো ক্ষমা। মহান আল্লাহর বিভিন্ন গুণাবলির অন্যতম একটি গুণ হলো ক্ষমাশীলতা। আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন আয়াতে বিভিন্ন ভঙ্গিতে তার ‘ক্ষমা’ গুণটির কথা বর্ণনা করেছেন। সূরা বাকারার ৭৩ নম্বর আয়াতে إِنَّ اللّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা ক্ষমাশীল ও দয়ালু। শুধু এক স্থানে এই ক্ষমার আলোচনা করেননি বা ‘ক্ষমা’ নামক মহৎ গুণের কথা বলেননি। আল্লাহ তায়ালা নিজের গুণ ক্ষমার উল্লেখের সঙ্গে সঙ্গে নবীজি (সা.)-কে এই গুণের আদেশ দিয়েছেন এবং জোর তাকিদের সঙ্গে দিয়েছেন। আল্লাহ ঘোষণা দিচ্ছেন,
خُذِ الْعَفْوَ وَأْمُرْ بِالْعُرْفِ وَأَعْرِضْ عَنِ الْجَاهِلِينَ
অনুবাদ : আপনি ক্ষমা করতে থাকুন আর ভালো ভালো কাজের আদেশ দিতে থাকুন। আর মূর্খদের (সঙ্গে অর্থহীন তর্ক-বিতর্ক) এড়িয়ে চলুন’ (সূরা আরাফ : আয়াত নং ১৯৯) এই আয়াত প্রসঙ্গ একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এক প্রশ্নে জবাবে হজরত জিবরাইল (আ.) বলেন, যে কেউ আপনাকে অত্যাচার করলে তাকে আপনি ক্ষমা করে দিন। যে লোক আপনাকে কিছু দেয়া থেকে বিরত করে তাকে আপনি দান করুন। আর যে লোক আপনার সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, আপনি তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করুর।
এখানে যে বিষয়টি ফুটে ওঠেছে তা হলো আপনি মূর্খদের মতো আচরণ করবেন না। যে যাই বলুক আপনি আপনার কাজ করুন আর তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
فَاعْفُوا وَاصْفَحُوا
তরজমা : তোমরা ক্ষমা করো এবং এড়িয়ে চলো’ (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১০৯)
সমাজে ওই ব্যক্তিকেই মহৎগুণের অধিকারী বলা হয়, যার মধ্যে ‘ক্ষমা’ করার সৌজন্যতা আছে। ক্ষমা না করে প্রতিশোধ নিয়ে নেয়ার দ্বারা অধিকাংশ সময় বিষয় ফায়সালা হয় না। একটি নষ্ট আচরণ বা অন্যায় দূর করতে রাগ ক্রোধ কঠোর আচরণ কড়ামেজাজ ও প্রতিশোধ পরায়ণতা যতটুকু কাজে আসে, তার থেকে শতগুণ বেশি কাজে আসে ক্ষমা করার দ্বারা। ইতিহাস থেকেই উদারহণ দিই। মক্কাবিজয়ের কথা আমরা সকলেই জানি। কী ঘটেছিল ওইদিন? মক্কার কাফেরদের ভেতরে শুরু হয়ে গেছে ভয়ানক ঝড়-ঝঞ্ঝা যে, আজকে কারো ক্ষমা নেই, মুহাম্মাদের হাতেই আজ আমাদের মরতে হবে। কিন্তু তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন! শুধু মক্কার কাফের বেঈমানগোষ্ঠী নয়, পুরো পৃথিবী অবাক হয়ে গেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ক্ষমার ঘোষণায়। তিনি ঘোষণা করলেন আজ আমি তোমাদের থেকে প্রতিশোধ নিতে আসি নাই, তোমাদের সকলকে ক্ষমা করে দেয়া হলো। আজ কারো পাপ নেই, অপরাধ নেই। ক্ষমার আওয়াজ যখন মক্কার আকাশে আলোড়ন তুললো খোদ কাফের বেঈমানগোষ্ঠীই হতবাক। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে এইভাবে- তিনি তাদেরকে বললেন,
يا معشر قريش: ما تظنون أني فاعل بكم ؟ قالوا أخ كريم، ابن أخ كريم، قال: فاذهبوا فأنتم الطلقاء،
হে কুরাইশগণ! তোমাদের সঙ্গে এখন আমার আচরণের ধরন সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী ? তারা বলল, আপনি উদার ও ক্ষমাশীলের ভাই ও উদার ও ক্ষমাশীল ভাইয়ের ছেলে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন ‘যাও, তোমরা মুক্ত।’
তিনি তাঁর ও সাহাবায়ে কেরামের বিরুদ্ধে করা সমস্ত অপরাধ ক্ষমা করে দিলেন। এইও কী মানুষের দ্বারা সম্ভব? যাদেরকে ঘর-বাড়ি ছাড়া করেছি, যাদের রক্তে হাত রাঙ্গিয়েছি, যাদের সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করেছি জনমের জনম; তারা আমাদের হাতে নাগালে পেয়েও ক্ষমার করে দিল? না, এটা মানুষের কাজ হতে পারে না। আসমানের মালিকের পক্ষ থেকে নেমে আসার অবতার। এই অনুভুতির ঢেউ তরঙ্গে তাদের হৃদয়ের গহীনে ঈমানী জাগরণ তুললো। দলে দলে এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে হাত রেখে ঈমান গ্রহণ করলো। কষ্টকর একটি ক্ষমার ঘটনা হাজারো লাখো মানুষ সুপথে এসেছে। ইতিহাসের পাতায় আপন মর্যাদায় স্বমহিমায় সেই ক্ষমার ঘটনা বিরাজমান।
ক্ষমার বিপরীত গুণ হলো অন্যের ভুলত্রুটিগুলো নিজের মনের ভেতর জিইয়ে রাখা। তাকে দেখলেই ভেতরে ভেতরে জ্বালা-পোড়া শুরু হওয়া। যে ভুল করল বা অন্যায় করল সে যদি সমাজের দাপুটে লোক হয়, তার থেকে প্রতিশোধ নেয়া অসম্ভব হলে তাকে ক্ষমা করে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, ক্ষমা না’ করা অবস্থায় ওই লোকটি তার সামনে পড়লেই তার ভেতরে জ্বালা-পোড়া শুরু হয়ে যায়। সুতরাং হৃদয়ের আগুনে না জ্বলে তাকে ক্ষমা করে দেয়াই উত্তম। আর যার প্রতিশোধ নেয়ার ক্ষমতা আছে; তবুও সে ক্ষমা করে দেয়’ সেই আসল পুরুষ ও ক্ষমাশীল। আল্লাহ তায়ালা এক স্থানে আদেশ দিচ্ছেন
وَإِنْ عَاقَبْتُمْ فَعَاقِبُوا بِمِثْلِ مَا عُوقِبْتُمْ بِهِ وَلَئِنْ صَبَرْتُمْ لَهُوَ خَيْرٌ لِلصَّابِرِينَ () وَاصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَلَا تَكُ فِي ضَيْقٍ مِمَّا يَمْكُرُونَ () إِنَّ اللَّهَ مَعَ الَّذِينَ اتَّقَوْا وَالَّذِينَ هُمْ مُحْسِنُونَ ()
তরজমা : তোমরা যদি (কোনো জুলুমের) প্রতিশোধ নাও, তবে ঠিক ততটুকুই নেবে, যতটুকু জুলুম করেছে আর যদি ধৈর্য ধারণ করো, তাহলে জেনে নাও ধৈর্যধারণকারীরাও শ্রেয়। এবং (হে নবী! আপনি ধৈর্যধারণ করুন। কারণ আপনার ধৈর্য তো শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই। আপনি কাফের সম্প্রদায়ের জন্য দুঃখ করবেন না এবং তারা যে ষড়যন্ত্র করে তার কারণে সংকীর্ণ হয়েন না। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে যারা তাকওয়া অবলম্বন করে ও ইহসানের অধিকারী হয়’ (সূরা: নাহল, আয়াত: ১২৬/১২৭)
- ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর
- চাঁদা না পেয়ে হামলা-ককটেল বিস্ফোরণ
- ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছ
- সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
- ইরান যুদ্ধে ‘আটকে’ গেছেন ট্রাম্প
- ‘পাকিস্তানে এক প্লেট বিরিয়ানির জন্য বিক্রি হয়ে যায় মানুষ’
- কান নষ্ট ভয়ংকর শব্দে
- বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নেই কোনও ট্রাফিক সিগন্যাল
- ফিলিস্তিনের দুটি মসজিদে ইসরায়েলিদের অগ্নিসংযোগ
- এবার কি ভারতে!
‘পোস্ট ডিলিট করো, নয়তো সমস্যা হবে’ - পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
- দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ!
- ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’ দিচ্ছে বিনামূল্যে কাপড় শুকানোর ড্রায়া
- জামালপুর সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ইয়েলো সোসাইটির বনভোজন অনুষ্ঠিত
- লং আইল্যান্ডে বৃহত্তম ইসলামিক হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
- এনসিপি ডায়াসপোারার স্মরণসভা ১ আগস্ট
- জ্যামাইকায় ‘জল খাবার’ রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন
- নিউইয়র্ক সিনিয়র ডে কেয়ারের বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ৯ আগস্ট সাউথ এশিয়ান প্যারেড জ্যাকসন হাইটসে
- মুনার বনভোজন অনুষ্ঠিত
- জামায়াতে ইসলামীতে নজীরবিহীন কান্ড!
- সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা
- মোদি সরকার বেকায়দায়
- কে হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তি রাষ্ট্রপতি
- রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বললেন: কোথায় কি, কোথায় পদত্যাগ!
- আজকাল ৯৩২
- ভারতের আন্দোলনে রসদ যোগাচ্ছে ব্যাঙ্গাত্মক মিম ও রিলস
- ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ
- কানাডায় বন্দুক সহিংসতা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯২১
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯০৭
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯০৮
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- বিয়ে করছেন রাফসান-জেফার!
- আজকাল ৯০৯
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯১২
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- স্বামী-স্ত্রী সর্বোচ্চ কতদিন কথা না বলে থাকা জায়েয?
- শিয়া সুন্নী দ্বন্দ্বের আদ্যোপান্ত
- পাঁচ অবস্থার আগে পাঁচ অবস্থার মূল্যায়ন করুন
- দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী
- মৃতের আত্মা কখনও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসে না
- কবরে কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্নোত্তর করা হবে?
- কেমন হবে হাশরের ময়দান
- হিজামার স্বাস্থ্য উপকারিতা
- পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য সম্পর্কে নবীজির ১০ বাণী
- ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসার কুফল
- জীবনে সুখী হওয়ার পাঁচ পরামর্শ
- মুসলিম হিসেবে মৃত্যু লাভের দোয়া
- পথ চলার আদব!
- কোরআন-হাদিসের আলোকে কবর জিয়ারতের দোয়া
- সন্তানের প্রতি লোকমান হাকীমের ১১ উপদেশ (প্রথম পর্ব)
