দুর্নীতি রুখে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে:কৃষিমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার যে কোনো মূল্যে সর্বস্তরে শতভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে বলে বিশ্বাস করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, কোনোভাবেই অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতি মেনে নেওয়া হবে না। দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের সব অর্জন ধরে রাখতে সর্বস্তরে শতভাগ স্বচ্ছতার পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। দেশজুড়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতার পাশাপাশি জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে। সরকারের অর্জনকে সামগ্রিকতা দিতে কৃষি মন্ত্রণালয়কেও শতভাগ জবাবদিহির আওতায় আনার চেষ্টা করবেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি জনস্বার্থে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি স্তরে দক্ষতা, সততা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেবেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী থাকবেন। দুর্নীতিমুক্ত কৃষি প্রশাসন গড়ে তুলবেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক তার মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি কর্মীকে সততা এবং দক্ষতার পরীক্ষায় সবার শীর্ষে নিয়ে যেতে চাইছেন। এরই মধ্যে তিনি কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণের ঘোষণা দিয়েছেন। রফতানি খাতকে বহুমুখী করার ক্ষেত্রে কৃষির অবস্থান শতভাগ নিশ্চিত করতে চাইছেন। কৃষি খাতে এর উজ্জ্বল সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন ড. রাজ্জাক। সেই সঙ্গে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত করতে চাইছেন ২০০৯-২০১৩ মেয়াদে খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা বর্তমান কৃষিমন্ত্রী।
ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (বাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস), চারবারের সংসদ সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের (বাকশাল) যুব ফ্রন্টেরও সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম পুনর্গঠনেও তার ভূমিকা ঈর্ষণীয়।
ড. আবদুর রাজ্জাক সমকালকে বলেন, বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। কৃষিকে কেন্দ্র করে এ দেশের সমাজ-সংস্কৃতিরও বিকাশ ঘটছে। এ কারণে অর্থনীতিতে কৃষির অবদান কিছুটা কমলেও গুরুত্ব কমেনি। অবশ্য জমি উর্বর হলেও জনসংখ্যার কারণে কৃষি খাতে আশানুরূপ উন্নয়ন না হওয়ায় কিছুটা হতাশ কৃষিমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ ২০০ বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক এবং ২৩ বছরের পাকিস্তানি প্রায়-ঔপনিবেশিক শাসনে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কৃষি খুব একটা গুরুত্ব পায়নি। আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার জন্য যে ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন ছিল, তাও হয়নি। '৭০-এর দশকের প্রথম দিকে নানা দেশে সবুজ বিপ্লব হলেও বাংলাদেশ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারকে ব্যতিক্রম হিসেবে দেখছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিতে ভর্তুকি দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় গিয়ে দেশকে খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন। পরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসনে খাদ্য উৎপাদন কমে আসে। প্রবৃদ্ধির হারও খুব কম ছিল তখন। প্রতি বছরের আর্শ্বিন-কার্তিকে উত্তরাঞ্চলের রংপুরের নদীভাঙা চরাঞ্চলে 'মঙ্গা' দেখা দিত। খাদ্য সংকট থাকায় মানুষ দিনের পর দিন না খেয়ে থাকত। অর্ধাহারে থাকত। তীব্র অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মানুষ কাজও পেত না। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই দুঃসহ পরিস্থিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।
কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক জানান, খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০০৮ সালে জনগণের ভোটে আবারও ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই প্রতি কেজি টিএসপি সার ৭২ টাকা থেকে কমিয়ে ২২ টাকা এবং পটাশিয়াম সার ৬০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫ টাকায় নির্ধারণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি কৃষি ঋণ বাড়িয়েছিলেন; তাই কৃষি উৎপাদনও বেড়েছিল। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দানাজাতীয় খাদ্যে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। কোনো মানুষ না খেয়ে মরেনি। সবাই কাজ পেয়েছে। অর্থনীতিতে সুবাতাস বইছে।
কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংখ্যায় হাতেগোনা হলেও এখনও কম আয়ের মানুষজন প্রয়োজনমতো আমিষজাতীয় খাবার কিনতে পারছেন না। সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, সবার জন্য পুষ্টিজাতীয় নিরাপদ খাবারের নিশ্চয়তা দেওয়া। কৃষিমন্ত্রী এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে তার দুশ্চিন্তা, খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও তৃণমূল পর্যায়ের কৃষক ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। তিনি এই বিরূপ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটাতে চাইছেন। এ জন্য তিনি কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাত করার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন এবং বিশেষ করে ডিম, দুধ, মাছ ও মাংসের ব্যবসায়ীদের কর কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছেন। তাদের ব্যাংক ঋণ সহজ করার পথ খুঁজছেন। খাদ্য রফতানি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সব সমস্যা সমাধানের কথা ভাবছেন।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসা মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুর রাজ্জাক তিন দফায় আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার দৃষ্টিতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উন্নয়নের পক্ষে গণজোয়ার বয়েছে বলেই আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। মানুষ শান্তি-শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি-উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতার প্রতীক নৌকায় ভোট দিয়েছে। সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর আস্থা ও ভরসা রেখেছে।
একটি বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি একাদশ জাতীয় সংসদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, বিএনপির জনসমর্থন আছে। দেশ পরিচালনায় তাদেরও নতুন চিন্তা থাকতে পারে। তাই তাদের উচিত হবে, বর্তমান সরকারকে পরামর্শ দেওয়া। তারা জাতীয় সংসদে এসেও দেশ পরিচালনায় ভূমিকা রাখতে পারে। সংখ্যায় কম হলেও বিএনপির পরামর্শ যৌক্তিক হলে অবশ্যই তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।
দশম জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দক্ষতা দেখিয়েছেন ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, গত অর্থবছরে জাতীয় প্রবৃদ্ধি সাত দশমিক ৮৬ ভাগে উন্নীত হয়েছিল। আগামী পাঁচ বছরে এ প্রবৃদ্ধি ১০ ভাগে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকার মূল্যস্ম্ফীতি পাঁচ দশমিক চার ভাগে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। অর্থাৎ উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মূল্যস্ম্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে বলেই জনগণ অর্থনীতির সুফল ভোগ করছে। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনীতির এ সাফল্য আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন ড. আবদুর রাজ্জাক।
- ভারতের আন্দোলনে রসদ যোগাচ্ছে ব্যাঙ্গাত্মক মিম ও রিলস
- ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ
- কানাডায় বন্দুক সহিংসতা
- দিল্লির বিক্ষোভে ভয় পেয়েছেন কঙ্গনা
- নিউইয়র্কে লাফিয়ে বাড়ছে ডিপোর্টেশন
- সৌদির ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চুক্তিতে ট্রাম্পের অনুমোদন
- ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীকে ২০ টাকা ধরিয়ে দেন প্রধান শিক্ষক
- আমেরিকানরা ইরান যুদ্ধের বিরোধী নয়: ট্রাম্প
- গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৪৫ কোটি ঘনফুট চরম ভোগান্তি
- সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর
- আন্দোলন নিয়ে আতঙ্কিত মোদি
- জামায়াত থেকে বহিষ্কারের পর গাজী নজরুল ইসলামের এমপি পদ কি থাকবে?
- এক দশক পর নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বেতন বাড়ছে
- নিউইয়র্কে গুলিতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুলের নামে সড়কের নাম
- গৃহকর্মীদের ইকামা নিয়ে বড় সুখবর দিলো সৌদি আরব
- ফের বিয়ের পিঁড়িতে জেনিফার
- ৪ বছরে যুক্তরাজ্য পেল ৫ প্রধানমন্ত্রী
- সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করল হুতি
- সাবমেরিন কেবল নিয়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্র ‘লড়াই’
- টানা দশম রাতেও ইরানে মার্কিন হামলা, কুয়েতে পালটা আঘাত তেহরানের
- স্বৈরাচার পতনের পর গুপ্ত বাহিনীর আত্মপ্রকাশ: প্রধানমন্ত্রী
- ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ সতর্কতা জারি
- সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
- নেতানিয়াহুকে গ্রেফতার করাতে পারেন মামদানি
- ট্রাম্প দেখবেন খেলা, প্রস্তুত থাকবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান
- যুক্তরাষ্ট্রে লেবাননের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মার্কো
- ফাইনালে দুই পরিবর্তনসহ আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
- মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় মুখ খুললেন ট্রাম্প
- নির্জনা হত্যা: আদালতে বাবার স্বীকারোক্তি
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯২১
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- বিয়ে করছেন রাফসান-জেফার!
- আজকাল ৯০৯
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯১২
- হিমালয়ান সল্টের স্বাস্থ্য উপকারিতা
- শয়তান মানুষকে বশ করে যেভাবে
- প্রাকৃতিক খাদ্যে, লাইফস্টাইল পরিবর্তনে সুস্থ-সবল জীবনের হাতছানি
- ওয়াসার অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কারণেই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচ
- ডেঙ্গুর তীব্রতা ৯০ ভাগ কমে পর্যাপ্ত তরল খাবারে
- আমার নাম ছিল হারানো দিনের পার্বতী: দিলারা জামান
- খোস-পাঁচড়া হলে যা করণীয়
- হয়রানি করতেই আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
- দুর্নীতি রুখে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে:কৃষিমন্ত্রী
- শ্রমঘন শিল্প খাত বিকাশের সুযোগ দিতে হবে
- গ্রামের মানুষও এখন নাটক-সিনেমা মোবাইলে দেখেন: টয়া
- মার্কিন নাগরিকত্ব স্যারেন্ডার করেছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- অভাবের সংসারেও পাঠশালা চালাচ্ছেন সুব্রত
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে লালন করতে হবে
- আমার সঙ্গে আছে মোনালিসা: হৃদয় খান
