সমাবেশে বাধার শঙ্কায় ‘কৌশলী’ বিএনপি
প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০২২
নেতাকর্মীদের নয়াপল্টনে আসার নির্দেশ
বিভাগীয় জেলার নেতাকর্মীরা বেশিরভাগই রাজধানীতে
বাধা আসবে এমনটা ধরে নিয়েই ঢাকার গণসমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। ১০ ডিসেম্বর এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নানা কৌশলে এগোচ্ছে দলটি।
এই মুহূর্তে কোনো সংঘাতে জড়াতে চায় না তারা। তাই সরকারের কোনো ফাঁদে পা না দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে সমাবেশ সফল করতে চায় হাইকমান্ড।
এদিকে সমাবেশের স্থান চূড়ান্ত না হলেও নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি হবে-এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে বিভাগের ১১টি সাংগঠনিক জেলার নেতাকর্মীদের।
কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী পহেলা ডিসেম্বর থেকেই রাজধানীতে আসতে শুরু করেছেন তারা। শুক্রবারের মধ্যেই টার্গেট অনুযায়ী নেতাকর্মী ঢাকায় চলে আসবে বলে জানান সমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির একাধিক নেতা। তারা বলেন, সমাবেশের দিন ক্ষসতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। তাই বিশৃঙ্খলা এড়াতে ওইদিন কমসংখ্যক নেতাকর্মীকে রাজধানীতে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে।
সমাবেশের স্থান ও নতুন কর্মসূচি নিয়ে সোমবার স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় আলোচনা হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সভায় ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশের স্থান নিয়ে নেতারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। প্রায় সব নেতা একই সুরে বলেন, নয়াপল্টনের বিকল্প হিসাবে আরামবাগে সমাবেশের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সরকার যদি আরামবাগে অনুমতি না দেয় তাহলে নতুন করে আর কোনো স্থান চাওয়া হবে না। অনুমতি না দিলেও নয়াপল্টনেই সমাবেশ করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ১০ দফার ভিত্তিতে হবে এ কর্মসূচি। এ সময় এক সদস্য বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে ৯ দফা চূড়ান্ত করা হয়েছিল। মিত্র দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর তা ১০ দফা হলেও সেগুলো আমাদের সবার জানা উচিত। এ সময় দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, দফা ও কর্মসূচি নিয়ে বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।
বিএনপি নেতারা জানান, আপাতত তারা কোনো সংঘাতে যেতে চায় না। ১০ ডিসেম্বর একই সঙ্গে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসও। তাই এদিন সরকারের কাছ থেকে কোনো বাধা এলেও পালটা কোনো প্রতিরোধের নির্দেশনা নেই। সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচি পালন রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার। অন্য ৯ বিভাগীয় গণসমাবেশের মতোই শান্তিপূর্ণ হবে ঢাকার কর্মসূচি। ওইসব বিভাগীয় কর্মসূচির অভিজ্ঞার আলোকেই পরিকল্পনা করা হয়েছে ঢাকার গণসমাবেশের। যে কারণে দু-একদিন আগেই নেতাকর্মীদের রাজধানীতে অবস্থান নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর। তারা কার্যালয়ের সামনে গণসমাবেশ সফলে মিছিলও করছেন। অনেককে আবার সেখানে দুপুরের খাবারও খেতে দেখা গেছে। নরসিংদী থেকে আসা রমজান আলী নামের এক কর্মী জানান, সোমবার বিকালে জেলার এক নেতার সঙ্গে তারা ২০০ নেতাকর্মী এসেছেন। হোটেলে না থেকে আত্মীয়, বন্ধুদের বাসায় উঠেছেন। টাঙ্গাইল থেকে আসা আতিকুর রহমান জানান, জেলার অধিকাংশ নেতাকর্মী এখন রাজধানীতে। বাধা দেওয়া হবে-এমন শঙ্কা থেকে জেলার নেতারা তাদের নিয়ে এসেছেন বলেও জানান তিনি।
সোমবার বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায়ও ঢাকার গণসমাবেশে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রস্তুতির বিষয়ে সমাবেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় ১০ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণভাবে ঢাকায় গণসমাবেশ সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হয়। মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর এবং সারা দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫শ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার, বাড়ি-বাড়ি তল্লাশি, নির্যাতনে দেশে একটা ভয়াবহ ভীতি ও ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি হয়েছে। সভায় অবিলম্বে এ ধরনের বেআইনি গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা, পুলিশি তল্লাশি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সভা মনে করে বিএনপির সংবিধানসম্মত ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ নস্যাৎ করার হীন উদ্দেশ্যে এ ধরনের নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বেআইনিভাবে ব্যবহার করে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ও ভীতিকর করে তুলতে চাইছে সরকার। এই ধরনের গণতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আওয়ামী লীগের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সভা আরও মনে করে, শত বাধা উপেক্ষা করে স্বতঃফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণ ঢাকায় শান্তিপূর্ণ গণসমাবেশ সফল করবে।
প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা হচ্ছে-সরকার যতই সংঘাতে যাওয়ার ব্যাপারে উসকানি দিক, সেই ফাঁদে পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নয়াপল্টনে যেতে হবে। সরকার ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য বিএনপি ও জনগণকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকারের পাতা ফাঁদে আমরা পা দেব না। শত বাধা সত্ত্বেও গণসমাবেশে যেতে নায়ায়ণগঞ্জের বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রস্তুত। ইতোমধ্যেই অনেকে ঢাকা চলেও গেছেন। আশা করছি আগামি দু-এক দিনের মধ্যেই সবাই ঢাকায় থাকবেন।
ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ঢাকা জেলার যারা সচেতন নাগরিক অধিকাংশই রাজধানীতেই থাকেন। আমাদের প্রস্তুতি অনেক ভালো। অন্যান্য গণসমাবেশেও অনেক বাধা দেওয়া হয়েছে। তারপরও নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণকে থামাতে পারেনি। ঢাকার গণসমাবেশে তার চেয়েও কয়েকগুণ উৎফুল্ল নিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক যুগান্তরকে বলেন, নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ সবাই প্রস্তুত। বিএনপির দাবি হচ্ছে জনগণের দাবি। শতভাগ শান্তিপূর্ণভাবেই গণসমাবেশ করতে চাই। কোনো বাধা এলে দৃঢ়ভাবে তা আমরা প্রতিরোধ করব।
মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএ জিন্নাহ কবির বলেন, জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ঢাকার গণসমাবেশে অংশ নেবেন। যদিও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, মামলা, অভিযান-গ্রেফতার তো চলছেই। এতকিছু সত্ত্বেও ঢাকার সমাবেশে অংশ নিতে নেতাকর্মীদের যে উদ্দীপনা ও আগ্রহ তা একটুও কমেনি। বরং মামলা-হয়রানির কারণে অনেকেই ইতোমধ্যে ঢাকায় চলে গেছেন। যারা দুদিন পর যেতেন, তারা এখন দুদিন আগেই যাচ্ছেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা
- বিএনপি নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ
- ‘খুব দ্রুত একটা সুখবর পাবেন’, সাকিবের ফেরা প্রসঙ্গে ফারুক
- চাঁদাবাজির প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও
- বাজার-মূল্যস্ফীতি ভোগাচ্ছে মানুষকে
- প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের
- বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংস্কার পরিষদের কী হবে
- মন্ত্রীদের শপথ বর্জন জামায়াতের ভুল সংস্কৃতি
- শিবলী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব
- এসেমব্লিতে লড়ছেন জাকির, সানী ও শামসুল
- হাসিনার ৩ আত্মীয় তারেকের আস্থায়
- মন্তব্য প্রতিবেদন
‘গুড স্টার্টার’ তারেক রহমান! - আজকাল ৯১০
- দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি
- ‘নতুন শুরুর’ বার্তা: প্রটোকল কমালেন প্রধানমন্ত্রী
- ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, বিধিমালা জারি
- ইসলামের পবিত্রতম স্থানের নিদর্শন এপস্টিনকে পাঠানো নিয়ে কী আছে ?
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নতুন নিয়ম করল যুক্তরাজ্য
- সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমান: জামায়াত আমির
- মার্কিন রণতরি ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি খামেনির
- মন্ত্রিসভায় ফুটবলের মাঠ কাঁপানো ২ অধিনায়ক
- শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ ইইউর
- চাঁদা তুলতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখবেন: হাসনাত আবদুল্লাহ
- রোজায় স্কুলের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল মন্ত্রণালয়
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- কোন মন্ত্রণালয় কে পেলেন
- ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার
- মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের, বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮২ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- ট্রাম্পের চাপে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা অ্যাপলের
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- বাচ্চাগুলোর ড্রপ আউট : দায় কার
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইউটিউব ভিডিও নির্মাতাদের জন্য দারুণ খবর!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৮৩
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
