পণ্য আমদানি থেকে বিক্রি - কীভাবে সব নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ডিকেট
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৩
চট্টগ্রামের কয়েকজন ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের আমদানিকারকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের জন্য জরুরি নিত্যপণ্যের আমদানি এখন প্রায় পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করছে হাতেগোনা কয়েকটি গোষ্ঠী। সূত্র: বিবিসি বাংলা।
তবে বাজারের নিয়ম অনুযায়ী পণ্য আমদানি ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতার বদলে তারা একে অন্যের সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে পণ্য আমদানির প্রতিটি পর্যায়ে তাদের কর্তৃত্ব তৈরি করেছে।
এর ফলে বাজারের ওপর একক ‘কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা’ হয়েছে তাদের, যার জের ধরে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে ভোক্তারা।
আবার ডলারের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ার কারণে বিপদে পড়েছেন ছোট আমদানিকারকদের অনেকে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের এসব আমদানিকারকদের অনেকেই এখন ডলার সংকট আর কথিত সিন্ডিকেট চক্রের সম্মিলিত ‘আগ্রাসনে’ টিকতে না পেরে সরে দাঁড়াচ্ছেন দীর্ঘদিনের আমদানি বাণিজ্য থেকে ।
ঢাকায় গবেষক ও অর্থনীতিবিদ ডঃ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমও বলছেন গত কয়েক বছর ধরেই আমদানির ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং কয়েকটি জরুরি পণ্যের মার্কেট শেয়ার এখন কয়েকটি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে।
বাজারে প্রতারণা বা ম্যানিপুলেশন বন্ধ করে ভোক্তাদের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রতিযোগিতা কমিশন বলছে এ চিত্র তাদেরও জানা। তবে কারা কীভাবে এসব করছে - এর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি সমীক্ষা করছে এই সংস্থাগুলো।
“এছাড়া আমরা কয়েকটি স্যুয়োমটো মামলাও করেছি কথিত বড় কয়েকটি গোষ্ঠীর কার্যক্রমের বিষয়ে। এগুলো শুনানি পর্যায়ে আছে,” - বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী।
পণ্য আমদানির জন্য সুপরিচিত কয়েকটি বড় গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল - কিন্তু তাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বাংলাদেশে চিনি, ডাল, তেলসহ সতেরটি পণ্যকে নিত্যপণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চট্টগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে কীভাবে একটি চক্র জরুরি নিত্যপণ্য আমদানি করা থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে তার একটি ‘ভয়াবহ চিত্র’ পাওয়া গেছে।
“বড় ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে ব্যবসা ভাগাভাগি করছে বলেই আমরা ছোটোরা রেস থেকে ছিটকে গেছি। তাদের অবাধ্য হয়ে কোনো ব্যবসাই আমরা এখানে করতে পারবো না।" বিবিসিকে বলছিলেন একজন ব্যবসায়ী। "এখানে সিন্ডিকেটের বাইরে কিছু কল্পনাও করা যায় না,” - বলেন তিনি।
এমন কয়েকজন ব্যবসায়ী যে ধারণা দিয়েছেন তা হলো - বড় ভলিউমে পণ্য আমদানি করা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান একজোট হয়েছে। এখন মাঝারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা ওই বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে নিজের ইচ্ছে মতো পণ্য কিনতে পারেন না।
আবার বড় চক্রের বাইরে থেকে কেউ আমদানি করতে এলসি খুলতে চাইলেও ব্যাংক রাজী হবেনা। এমনকি বাধা আসবে কাস্টমস-ভ্যাটসহ নানা দফতর থেকে।
আর ভয়ংকর ব্যাপার হলো, সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে বা তাদের সিগন্যাল ছাড়া কোনো পণ্য আনলে সেগুলো বন্দরে আনার জন্য লাইটার ভেসেল পর্যন্ত পাওয়া যায় না। এমনকি শ্রমিক গোষ্ঠীও এসব পণ্য খালাসে কাজ করতে আগ্রহী হয়না। ফলে অন্যদের আমদানি করা পণ্য কতদিন সাগরে বা জাহাজে পড়ে থাকবে তার নিশ্চয়তা নেই। আবার খালাস হলেও কাস্টমস ও কর বিভাগ ছাড়পত্র দেবে কিনা - তা নিয়েও সংশয় থাকে।
“এভাবে প্রতিটি পদে পদে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে সিন্ডিকেট। টাকা থাকলেও এদের সাথে কেউ পেরে উঠবে না। এমনকি সরকার একটু দাম নির্ধারণ করে দিলে তারা পণ্য হয়তো জাহাজেই রেখে দেবে কিছুদিন - যাতে সংকটে পড়ে সরকারই চাপ দেয় যে দাম যাই হোক, পণ্য আনুন,” বলছিলেন একজন ব্যবসায়ী।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন অনেক ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা যে দামে অন্যদের কাছে পণ্য বিক্রি করেন - তারা মানি রিসিট দিতে চান না, যা রীতিমত অপরাধ। “ধীরে ধীরে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বড়রা ধীরে ধীরে পুরো সাপ্লাই চেনটা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। আমদানি থেকে খুচরা পর্যন্ত তারা নিজেদের বলয় তৈরি করেছে। তাদের শর্ত মতোই সব হচ্ছে। তাদের কথা মতো না হলে অন্যরা ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। যে কোনো পরিবেশেই হোক ব্যবসা বাণিজ্যে এমন পরিস্থিতি আশঙ্কা জনক,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মি. মোয়াজ্জেম। তিনি বলছেন বড় গোষ্ঠীগুলো শুধু পণ্য আনাটাই নয়, জাহাজ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ শুরু করেছে।
[সরকারের সঙ্গে দাম নিয়ে আলোচনা হলে, বাজেটে শুল্ক হ্রাস বৃদ্ধির বিষয় থাকলে, অথবা সরকার দাম কমানোর বা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে, সে সময় হয়তো তারা জাহাজ সাগরেই রেখে দেবেন। “এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভোক্তারা ও ঝুঁকিতে থাকবে বাজার ব্যবস্থাপনা। বাজারের মূল্যবোধ, ভ্যালুজ, সংস্কৃতি সবই নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে”, - বলছিলেন খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
ডমিন্যান্ট মার্কেট প্লেয়ারদের তালিকা প্রকাশ করা উচিত। “তারা কোন পণ্য কি দামে কতটুকু আনছে, কত দামে বিক্রি করছে, কতটা কোথায় মজুদ আছে, - এগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য থাকা দরকার। এসব পণ্যের ব্যবসায়ীদের রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালু করে ব্যাংক লেনদেনের আওতায় এনে প্রতিটি লেনদেনের অনলাইন আপডেট হওয়া উচিত,” বলছিলেন তিনি।
তার মতে - দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতা তৈরি করা না গেলে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা না থাকলে ভোক্তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আবার দেশে যারা উৎপাদন করেন তারাও বিপদে পরবেন।
ঢাকায় প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বিবিসি বাংলাকে বলছেন তাদের টাস্কফোর্স আছে এবং বাজারের এই অস্থির চিত্র সম্পর্কে তারা অবগত আছেন। “এ নিয়ে কাজ চলছে। বিভিন্ন দপ্তরকে সাথে নিয়ে আমরা একটি সমীক্ষা করছি। এর ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে আমরা সুপারিশ করবো। পাশাপাশি ৬০/৭০ টি মামলা করেছি আমরা এই কথিত সিন্ডিকেটের লোকজনের বিরুদ্ধে - যেগুলো শুনানি পর্যায়ে আছে,” - বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন. প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী।
- দৈনিক তরুণ কণ্ঠ’র যুক্তরাষ্ট্র প্রধান প্রতিনিধি আবুল কাশেম
- যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ কমার দাবী হোয়াইট হাউসের
- ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়
- ঢাকার খোলা বাজারে হঠাৎ ডলার ১২৮ টাকা ছাড়িয়েছে
- নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় কুনু-ফিরোজ প্যানেলের সভায় প্রতিবাদ
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসং
- কানাডায় বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে বড় জালিয়াতির অভিযোগ
- ‘অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে’
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি
- প্রবাহ’র ২২তম সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশের নাগরিকদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাচার
- অবৈধ ভোটদানের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মাম
- তাসিনের দাফন সম্পন্ন
- মার্কিন নির্বাচন কেন নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়?
- ন্যাশনাল ইমিগ্রান্টস ডে উপলক্ষ্যে ৭ জনকে সম্মাননা
- মুনা’র ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন
- জেএমসি’র ফান্ড রেইজিংয়ে মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ
- নির্বাচন বানচালের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে সেলিম-আলী প্যানেলের প্রতিবাদ
- বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পেছাল তিন বছর
- যৌন নির্যাতনের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেফতার
- মামলা পরিচালনায় সব ধরনের আশ্বাস শাহ নেওয়াজের
- জাতিসংঘে বিশৃংখলাঃ কিউবান কূটনীতিককে বহিষ্কার যুক্তরাষ্ট্রের
- রুহুল ও সেলিম ভাই উভয়েই অর্থ দিতে চেয়েছিলেন ঃ ওসমান
- বাংলাদেশ সোসাইটির কোর্ট হেয়ারিং ১৭ ডিসেম্বর
- মিশিগানে মুসলিম ভোটাররা ইসলামবিদ্বেষী হামলার আশঙ্কায়
- ট্রাম্প ও ওবামার নির্বাচনী যুদ্ধ
- আজকাল ৯৪৬
- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- আজকাল ৯৩২
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- আজকাল ৯৩৮
- উৎসব মুখর পরিবেশে নিউইয়র্কে ঈদ জামাত
- হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা
- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
- আজ পবিত্র ঈদুল আজহা
- মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- দীপ্তির জন্মের ৬ বছর আগেই এসএসসি পাশ করেছেন তার স্বামী
- আজকাল ৯২৫
- হোয়াটসঅ্যাপে সাইবার হামলা
- আজকাল ৯২৩
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
