‘নম্রতা যে জিনিসেই হোকনা কেন তা তার মাঝে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে’
প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০১৯
মুমিনের কাজ নয় কাউকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ বা তিরস্কার করা। এর দ্বারা অন্য মানুষের মনে আঘাত পায়।
একজন মুমিন ব্যক্তির পক্ষে কিছুতেই তা করা উচিত নয়। কারো দিলে আঘাত করা এমন কবিরা গুনাহ যা আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তি থেকে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালা আঘাতকারী ব্যক্তিকে মাফ করবেন না।
কাজেই আমাদের সকলের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হিসাব করা উচত যে, জীবনে চলার পথে পরস্পর কথোপকথনে কত মানুষের দিলে আমরা আঘাত করে থাকি। কতজনের গিবত শেকায়াত করে থাকি। এর দ্বারা মানুষের দিলে আঘাত দিয়ে থাকি। কাজেই চলা-ফেরায় যদি কারো কোনো দোষ-ত্রুটি দেখা যায় তখন তাকে একান্তে ডেকে নরম ভাষায় সংশোধন হওয়ার জন্য বলতে হবে। যেন তার অন্তরে ব্যথা না লাগে।
মুমিন ব্যক্তি কারো ওপরে লা’নত করে না:
হাদিসে উল্লিখিত মুমিনের গুণাবলীর মাঝে দ্বিতীয় শব্দটি ছিল-(ولا باللعان) : অর্থাৎ মুমিন অভিসাপকারী হতে পারে না। লা’নতের কোনো শব্দ মুমিনের মুখে আসতে পারে না। এটা মুমিনের কাজ নয়। একদা হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রাদি.) তার গোলামের বিশেষ কোনো আচরণের কারণে অত্যন্ত রাগান্বিত হন। সাধারণত এটা তার অভ্যাস ছিল না। তথাপি অত্যন্ত রাগবশতঃ গোলামের প্রতি অভিশাপের শব্দ মুখ থেকে বেরিয়ে আসে। ইতোমধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেছন থেকে তা শুনে ফেলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- لعانين وصديقين كلا ورب الكعبة
‘সিদ্দিকও হবে, লা’নতও করবে, কাবার কসম এটা কখনো হতে পারে না’। অর্থাৎ লা’নত আর সিদ্দীক দুটি বিষয় এক সঙ্গে কখনো হতে পারে না। এজন্য যিনি সিদ্দীক তিনি কখনো লা’নত করতে পারেন না। যখন হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রাদি.) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জবান থেকে এমন শব্দ শোনার পর তৎক্ষণাৎ তিনি তার ওই গোলামকে আযাদ করে দিলেন। বর্ণিত আছে এরপর তিনি সকল গোলামদেরকে আযাদ করে দিয়েছেন। যেন অভিশাপ এবং লা’নত থেকে বাঁচতে পারেন।
বদ দোয়ার শব্দসমূহ:
সকল ধরনের বদ দোয়া লা’নতের অন্তর্ভুক্ত। যা আমাদের সামাজিক জীবনে প্রচলিত। বিশেষ করে মহিলাদের মুখ থেকে এগুলো বেশি বের হয়ে থাকে। উদাহরণ স্বরূপ কাউকে কমবখত ইত্যাদি শব্দ বলা। বিনা কারণে মুখে লা’নতের শব্দ বের করাটা নিজের আমলনামায় গুনাহের বোঝা ভারি করার শামিল। যদি কারো ওপর গোস্বাও আসে তথাপি লা’নতের কোনো শব্দ মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা অনুচিত।
এমন লা’নত জায়েয:
কোনো ব্যক্তির ওপর এমনিতে লা’নত করা হারাম। তবে নির্দিষ্ট কোনো অন্যায়কারীর ওপর লা’নত জায়েয। যেমন এমন খারাপ কাজ করলে তার ওপর লা’নত যেমনিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ ধরনের ভাষ্য পাওয়া যায় لعن الله اكل الربا ومؤكله : সুদ প্রদানকারী এবং সুদ গ্রহণকারী উভয়ের ওপর আল্লাহর লা’নত।
অনুরূপ আরেক স্থানে বর্ণিত আছে-
لعن الله المصورين : ‘ছবি নির্মাণকারীর ওপর আল্লাহর লা’নত’।
অশ্লীল কথাবার্তা মুমিনের শান নয়:
ওই হাদিসে তৃতীয় বাক্যটি ছিল- (ولا الفاحش): ‘মুমিন অশ্লীল বলতে পারে না’। অর্থাৎ মুমিন ব্যক্তি এমন কোনো কথা বলতে পারে না যা অশ্লীল কথার অন্তর্ভুক্ত। যেখানে ঝগড়া, ফ্যাসাদ কিংবা রাগান্বিত হওয়ার কোনো কারণ দেখা যায় সেখানে খেয়াল রাখতে হবে যে, মুখ থেকে কোনো ধরনের বেহায়াপনা কিংবা অশ্লীল কোনো শব্দ যাতে বের না হয়। এটা মুমিনের আদর্শ বহির্ভুত কাজ।
কটুকথা বলা মুমিনের পরিচয় নয়:
হাদিসের চতুর্থ শব্দ-(ولا البذي) মুমিন কটুভাষী ও মন্দভাষী হতে পারে না। একজন মুমিন যখন কারো সঙ্গে কথা বলবে তখন সে কটুভাষণ ও নিন্দনীয় শব্দ প্রয়োগকারী হতে পারে না। সে যেনো বাজে কথা মুখে উঠতে দেবে না।
ইহুদীদের প্রতারণা:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জমানায় ইহুদী জাতি বড় দুষ্টু প্রকৃতির ছিল। তারা জাতিগতভাবে ও চারিত্রিক দিক থেকে বড়ই দুষ্ট প্রভৃতির হতো। তারা যখন দেখতে পেল মুসলমানগণ পরস্পর সাক্ষাতের সময় মহব্বত প্রকাশ করেন। সাক্ষাত সময় পরস্পরকে দেখে- السلام عليكم বলেন। তখন ইহুদীরা ভিন্ন পদ্ধতি বের করল। তারা السلام عليكم এর স্থলে السام عليكم তথা السلام শব্দ থেকে لام কে বাদ দিয়ে বলত। السلام عليكم এর অর্থ ‘তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক’। আর السام عليكم এর অর্থ দাঁড়ায় ‘তোমাদের ওপর মৃত্যু এসে যাক’। একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে ইহুদীদের এক জামাত এসে উপস্থিত হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে السام عليكم বলল। মজলিসে হজরত আয়েশা (রাদি.) উপস্থিত ছিলেন। তিনি বুঝতে পারলেন যে, السام عليكم বলে লা’নত করা হয়েছে। তৎক্ষণাৎ জবাবে হজরত আয়েশা (রাদি.) বললেন- وعليكم السام واللعنة তোমাদের ওপর লা’নত, তোমাদের মৃত্যু এসে যাক। যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা শুনলেন তখন বললেন- مهلا يا عاءشة : ‘হে আয়েশা নরম ব্যবহার কর’।
জবাবে হজরত আয়েশা (রাদি.) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি শুনতে পাননি তারা কি ধরনের বেয়াদবি করেছে। السام عليكم : বলে আপনাকে বদদোয়া করেছে। এজন্য ওই পদ্ধতিতে আমি তাদের জবাব দিয়েছি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি দেখেছো আমি কি জবাব দিয়েছি? আমি তো এ জবাব দিলাম, وعليكم : তোমরা যা বলেছো তা তোমাদের ওপরও হোক।
নরম ব্যবহারে সৌন্দর্য প্রকাশ পায়:
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, يا عاءشة! ماكان الرفق في شيء الا زانه ولا نزع عن شيء الا شانه-
‘হে আয়েশা! নম্রতা যে জিনিসেই হোকনা কেন তা তার মাঝে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। পক্ষান্তরে কোনো জিনিস থেকে এ গুণ ঝরে গেলে সেটি ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়ে। কাজেই ওই পদ্ধতিতে জবাব দিয়ে কেন তোমরা জবানকে ত্রুটিযুক্ত করে দিলে। শুধু وعليكم : বলার দ্বারা তাত্থেকে বাঁচা সম্ভব হতো। কাজেই যখুনি মানুষ কথা বলুক ওই সমস্ত নোংরা বা নিকৃষ্ট শব্দ মুখ দ্বারা উচ্চারণ করা উচিত নয়।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যেই মহৎ চরিত্রের বৈশিষ্ট্যের বিবরণ তওরাত ও ইঞ্জিলে ছিল, সেখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শামায়েল সম্পর্কে এ আলামত বলা হয়েছে যে- ولا فاحش ولا متفحشا ولا سحابا بالاسواق ولا يجزي بالسية السية : ‘তিনি গালমন্দকারী নন। কিংবা বাজারে শোরগোলকারী নন। তিনি মন্দ কাজের বদলা মন্দ কাজ দ্বারা নেন না’। বর্তমান বাইবেলেও এ কথা রয়েছে যে, হাটে-বাজারে তার কণ্ঠ শোনা যাবে না।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ করো:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ শুধুমাত্র প্রকাশ্য আমলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যেমন মসজিদে প্রবেশের সময় ডান পা দিয়ে প্রবেশ করা এবং বাম পা দিয়ে বের হওয়া নিঃসন্দেহে অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। এর ওপর আমল করা জরুরি। এতদসত্বেও কেবল মাত্র প্রকাশ্য আমলের মধ্যেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ সীমাবদ্ধ নয়। বরং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে মানুষের সঙ্গে আচার ব্যবহারকালে মিথ্যা ও অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকতে হবে। কাউকে তিরস্কার বা অভিশাপ থেকে আত্মরক্ষা করা অপরিহার্য্য। মাফ করে দেয়ার জন্যে রয়েছে উত্তম প্রতিদান ও সাওয়াব:
আজকাল আমাদের ঘরে, পরিবারে, প্রতিবেশীদরে মাঝে দিন-রাত নানা সমস্যা নিয়ে সবাই মুখর থাকে যে, অমুক আমার সঙ্গে এ আচরণ করেছে, অমুক আমার এ ক্ষতি করে ফেলেছে। এখন আমি কীভাবে প্রায়শ্চিত্ত নেওয়া যায়, প্রতিশোধ নেওয়া যায়, তার উপায় নিয়ে ভাবছি। এভাবে একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বেড়াচ্ছে, ঠাট্টা-বিদ্রুপ আর তিরস্কারকরে চলছে, একজন আরেকজনের গিবত-শেকায়েত করে বেড়াচ্ছে। অথচ এগুলোর সবকটিই গুনাহের কাজ। যদি তা না করে কেউ অপরাধী ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিতো তা হলে তার জন্যে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে উত্তম প্রতিদান ও সাওয়াব রয়েছে।
পবিত্র কোরআনুল কারীমে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-
وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الأُمُورِ
‘যে ব্যক্তি সবর করল এবং অন্যকে মাফ করে দিল- নিঃসন্দেহে এটা অনেক বড় কাজ’।
অন্য স্থানে ইরশাদ হচ্ছে-
ادْفَعْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ فَإِذَا الَّذِي بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ عَدَاوَةٌ كَأَنَّهُ وَلِيٌّ حَمِيمٌ
‘কারো মন্দ কাজের বদলা ভালো কাজের মাধ্যমে দাও। যার প্রতিদানে যাদের সঙ্গে শত্রুতা রয়েছে- তারা তোমার হিতাকাঙ্খী হয়ে যাবে।’
মহান আল্লাহ তায়ালা সঙ্গে সঙ্গে এটাও বলেছেন-
وَمَا يُلَقَّاهَا إِلاَّ الَّذِينَ صَبَرُوا وَمَا يُلَقَّاهَا إِلاَّ ذُو حَظٍّ عَظِيمٍ
‘এই আমল একমাত্র ধৈর্য্যধারণকারীদেরকে আল্লাহ পাক দান করেছেন। এই মহান আদর্শ আল্লাহ ভাগ্যবানদেরকে দিয়েছেন।’
অভিশাপের অপকারিতা:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ প্রদানকারীদের সম্পর্কে হুশিয়ার করে বলেন- যখন একজন মানুষ অপর একজনকে লা’নত বা অভিশাপ দেয় তখন ওই অভিশাপ সরাসরি আসমানে উঠে যায়। এরপর যাকে অভিশাপ দেয়া হয় সেই ব্যক্তি ওই অভিশাপের উপযুক্ত হলে তা কার্যকর হয়। অন্যথায় যে অভিশাপ দিলো সেই অভিশাপ তার নিজের ওপরই বর্তায়।
মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে সমস্ত গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।
- তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুননাহার নিম্নির এভারেস্ট জয়
- ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলা সাহিত্য উৎসব ২০২৬
- পছন্দ না হওয়ায় স্ত্রীকে ৫০ হাজারে বিক্রি করে দিল স্বামী
- ট্রাম্পের আহ্বান প্রকাশ্যে নাকচ করল সৌদি-পাকিস্তান
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিস্ফোরণ
- আপস্টেট নিউইয়র্কে প্রচারসভায় প্রতিবাদ, ব্যাপক উত্তেজনা
- মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩৫ কিলোমিটার যানজট
- লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩১
- নিউইয়র্কে খোলা মাঠে ঈদুল আজহার নামাজের প্রস্তুতি
- নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে অভিনয়ে জায়েদ খান
- ট্রাম্পের সর্বোচ্চ চাপেও কিউবার পরিণতি ভেনেজুয়েলার মতো হবে না
- সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা অভিনেত্রীর
- এআই তৈরি নগ্ন ছবি ভাইরাল, পুলিশে অভিযোগ দিলেন অভিনেত্রী
- গাজীপুরে ২০ কিলোমিটার যানজট
- চীনের নতুন নীতিতে হুমকির মুখে ভারতের ১২০ বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন
- বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি
- স্বর্ণের সন্ধানে অবৈধ অনুপ্রবেশ, খনিধসে ২৮ জনের মৃত্যু
- ইরানের সঙ্গে হয় অর্থবহ চুক্তি, নয়তো কোনো চুক্তিই নয়: ট্রাম্প
- হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু
- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
- ইরানি প্রশিক্ষণ নিয়ে ট্রাম্পকন্যাকে হত্যার নীলনকশা
- বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩
- মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি নিহত
- হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা
- লোয়ার অর্ডারে নিজের ব্যাটিং রহস্য ফাঁস করলেন তাইজুল
- কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববাসী সুখবর পাবে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জুবায়দুর রহমানের পদত্যাগ
- দেশে হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু
- আরাকান আর্মির জেলে ‘অপহরণ রহস্য’
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- আজকাল ৮৯৭
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৯০১
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- আজকাল ৮৯৬
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯২১
- স্বামী-স্ত্রী সর্বোচ্চ কতদিন কথা না বলে থাকা জায়েয?
- শিয়া সুন্নী দ্বন্দ্বের আদ্যোপান্ত
- পাঁচ অবস্থার আগে পাঁচ অবস্থার মূল্যায়ন করুন
- দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী
- মৃতের আত্মা কখনও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসে না
- কবরে কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্নোত্তর করা হবে?
- কেমন হবে হাশরের ময়দান
- হিজামার স্বাস্থ্য উপকারিতা
- পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য সম্পর্কে নবীজির ১০ বাণী
- জীবনে সুখী হওয়ার পাঁচ পরামর্শ
- কোরআন-হাদিসের আলোকে কবর জিয়ারতের দোয়া
- পথ চলার আদব!
- মুসলিম হিসেবে মৃত্যু লাভের দোয়া
- নামাজে মনোযোগী হওয়ার উপায়
- তাকদিরে বিশ্বাস না করলে ঈমান থাকেনা
