কেন আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে যুদ্ধপ্রেমী দেশ?
প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৫
আজকের বিশ্বে যখনই কোনো যুদ্ধ এবং সামরিক হস্তক্ষেপের কথা আসে, তখনই একটি দেশের নাম সর্বদা শীর্ষে উঠে আসে। তা হলো- আমেরিকা। যে দেশটি তার ২৪৮ বছরের ইতিহাসে ২৩২ বছরই যুদ্ধে কাটিয়েছে। অর্থাৎ আমেরিকানরা তাদের ইতিহাসের শতকরা মাত্র ৬ ভাগ সময় যুদ্ধ ছাড়া কাটিয়েছেন।
কিন্তু কেন? কেন এই দেশটি ক্রমাগত সরাসরি যুদ্ধ, গোপন অভ্যুত্থান এবং আন্তর্জাতিক সংকটে জড়িয়ে পড়ছে? এটা কি শুধুই একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, নাকি আমেরিকার বেঁচে থাকার অনিবার্য কাঠামো এবং স্বরূপের অংশ?
এর জবাব পাওয়া যায় জিমি কার্টারের এক উক্তিতেই। সম্প্রতি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক ফোনালাপে বলেছেন, ‘আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে যুদ্ধপ্রেমী দেশ’।
আমেরিকা, একটি যুদ্ধ আসক্ত দেশ
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র একবার যুক্তরাষ্ট্রকে ‘যুদ্ধে আসক্ত’ বলে অভিহিত করে বলেছিলেন, ‘এই দেশটি বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’।
আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই, তাহলে সম্ভবত এই দাবিটি সত্যের অপলাপ হবে না।
১৭৭৫ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র সর্বদা দখলদারিত্ব, অভ্যুত্থান অথবা যুদ্ধাবস্থায় ছিল-
আধিপত্যবাদী যুদ্ধ: মেক্সিকোর জমি দখল (১৮৪৬-১৮৪৮) এবং আমেরিকান আদিবাসীদের ওপর গণহত্যা (১৮১১-১৮৯০)।
বিশ্বযুদ্ধ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশ (১৯১৭) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৪৫) হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা।
শীতল যুদ্ধের যুগ: কোরিয়া, ভিয়েতনামে হস্তক্ষেপ এবং ১৯৫৩ সালে ইরানে অভ্যুত্থান।
একবিংশ শতাব্দী এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর যুদ্ধ: আফগানিস্তান ও ইরাক দখল, লিবিয়ায় যুদ্ধ, ইয়েমেন ও সোমালিয়ায় ড্রোন হামলা এবং সাম্প্রতিক ইউক্রেন যুদ্ধ।
যুদ্ধ এবং মধ্যবর্তী অভ্যুত্থান: উপরে উল্লেখিত যুদ্ধগুলোর সময় যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ চালিয়েছে। যেমন কম্বোডিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা ইত্যাদি …
কিন্তু আমেরিকা কেন এত যুদ্ধ করে?
অর্থনৈতিক গবেষণা অনুযায়ী, আমেরিকা ‘নিরাপত্তা’র জন্য নয়, বরং অর্থনৈতিক স্বার্থ, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং অস্ত্র বিক্রির লক্ষ্যে যুদ্ধ বিস্তারের চেষ্টা করে।
আমেরিকার অস্ত্র নির্মাণশিল্প একটি অর্থনৈতিক বিশাল শক্তি: এটা জেনে রাখা ভালো যে, কেবল ২০২৩ সালেই এই দেশটির অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ ছিল ২৩৮ বিলিয়ন ডলার।
এছাড়া বিশ্বে যত অস্ত্র বিক্রি হয়, তার ৫১ শতাংশই আমেরিকার কোম্পানিগুলো বিক্রি করে থাকে।
সম্পদ, ভূ-রাজনৈতিক এলাকা এবং করিডোরের নিয়ন্ত্রণ যুদ্ধের আরেকটি প্রেরণা:
এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মধ্যপ্রাচ্যের তেল, সামরিক বাজার এবং কৌশলগত এলাকা এবং জলপথগুলোতে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করে রেখেছে আমেরিকা। আর এভাবেই আজ বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
সাংস্কৃতিক পুঁজিবাদের জন্য একটি মূল্যবোধ ব্যবস্থা আরোপ করাও যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশল। আমেরিকার রাজনীতিবিদরাও এই সত্যটি স্বীকার করেছেন।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ট্রাম্পের সঙ্গে এক ফোনালাপে বলেছেন, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে যুদ্ধপ্রেমী দেশ। কারণ তারা সবসময় জোর করে অন্যদের ওপর নিজেদের মূল্যবোধ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
এই ক্ষুধা কি অব্যাহত থাকবে?
হ্যা, এই ধারা অব্যাহত থাকার লক্ষণ রয়েছে। আর তা হলো-
এগুলো আমেরিকার সম্প্রসারণবাদী নীতির কয়েটি উদাহরণ মাত্র। তারা এমনকি প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধেও একই নীতি গ্রহণ করেছে।
অবশ্য এই আগ্রাসনগুলোর সময় এখনো স্পষ্ট নয় এবং মনে হচ্ছে এগুলো বর্তমানে মনস্তাত্ত্বিক পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে।
পরিশেষে বলা যায় যে, যুদ্ধ আমেরিকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ডিএনএর (DNA) একটি অংশ। আমেরিকার শান্তির প্রয়োজন নেই কারণ তারা যুদ্ধ থেকে সম্পদশালী হয়।
কিন্তু এই পথ কি চিরকাল অব্যাহত থাকবে? নাকি বিশ্ব এই যুদ্ধবাজ নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে? আমেরিকা কি কখনো যুদ্ধ ত্যাগ করবে?
এই প্রশ্নগুলোর জবাব কেবল সময়ই দিতে পারবে।
- যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখ লাখ মানুষের সমাগম
- গ্রিস উপকূলে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু: ২১ বাংলাদেশি উদ্ধার
- আওয়ামী পরিবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- ব্র্রংকস কমিউনিটির উদ্যোগে আলবেনিতে বাংলাদেশ ডে
- ব্রংকসে ডিটেকটিভ দিদারের নামে রাস্তা
- ‘ড. ইউনূসকে ২০২৯ পর্যন্ত রাখতে চেয়েছিল’
- ট্রাম্পের আঙ্গিনায় ডেমোক্র্যাটদের বিজয়
- বিমানবন্দরে আইস পুলিশ মোতায়েন
- বাংলাদেশিদের ঈদের জামাতে মেয়র মামদানি
- ইরানকে আলোচনায় বাধ্য করার চেষ্টা
- দৃশ্যমান হচ্ছে আওয়ামী লীগ
- মার্কিন সেনাদের রুখতে ইরানের ১০ লাখ যোদ্ধা প্রস্তুত
- ডা. জুবাইদা রহমান প্রশংসিত
- সেন্ট্রাল পার্কে মুসলিম নারীকে হিজাব খুলে ধর্ষণচেষ্টা
- নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৩০ ডলার!
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বৃহত্তম বিক্ষোভ শনিবার
- ৫ লাখ নিউইর্য়কার মেডিকেইড সুবিধা হারাচ্ছেন
- নিউইয়র্ক স্টেট আইনসভা বাংলাদেশময়
- বট বাহিনীর নৃত্য, আমিনুলের তেল ও বিব্রত জাইমা
- ১/১১ কুশীলবরা গা ঢাকা দিচ্ছে
- নিউইয়র্ক সিটিতে ৮ হাজার কলেজ শিক্ষার্থীই হোমলেস
- আজকাল ৯১৫
- ভিয়েতনামে দলের সঙ্গে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী
- সংসার ভেঙে গেল মৌসুমী হামিদের
- যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল সামিটে জুবাইদা রহমান
- ইসরায়েলের অন্যতম বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- শাসক বদলেছে, শোষণের ধারা বদলায়নি: শফিকুর রহমান
- নবীন ফ্যাশনের শোরুম বন্ধের ঘটনায় হাতিরঝিল থানার ওসি ‘ক্লোজড’
- জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত
- ট্রাম্পের শান্তি আলোচনার প্রস্তাবে দুশ্চিন্তায় ইসরায়েল
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- শেখ হাসিনা একজন ছোটখাটো হিটলার: মাহমুদুর রহমান
- অবৈধদের সন্তানরা নাগরিকত্ব পাবে না
- আমি আমার ৩টি টার্গেট ঠিক করে নিয়েছে : এসপি হারুন
- নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের পাশে নেই বিএনপি
- নতুন ইমিগ্র্যান্ট ঠেকাতে সিনেটে বিল পাস
- রোববার থেকে স্টুডেন্ট লোন মওকুফ কার্যক্রম শুরু
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তালিকায় ১১ বাংলাদেশির নাম
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাতভর ফ্লাইট উড্ডয়ন বন্ধ
- কাল ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিন
- ডিপোর্টেশন আতংকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
- ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত গ্যাস
- ট্রাম্প-বাইডেন দু’জনই বুড়ো, কাউকে পছন্দ না ভোটারদের
- নাগরিকত্ব পেতে ইন্টারভিউ দিতে হবে না
- ইংরেজিতে দুর্বলদের জন্য দুঃসংবাদ
নাগরিকত্ব পরীক্ষায় পরিবর্তন আসছে - অনিশ্চয়তার মুখে ২ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি আমলা-পুলিশের
