এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি ২০২৬
বহিষ্কারের ঘটনা স্বাভাবিক হলেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই দল থেকে বহিষ্কারের আদেশ আসা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন রুমিন ফারহানা। তবে এটাও বলেছেন, এটা আমার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা ও নতুন যাত্রা।
যেহেতু স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, তাই বহিষ্কারের ঘটনা ঘটবে জানতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার ভোরে খালেদা জিয়া মারা যান। পরে সকাল ১১টায় বিএনপির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক বৈঠকে রুমিন ফারহানাসহ নয়জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় রুমিন ফারহানাসহ নয়জনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, 'বহিষ্কার আদেশ এসেছে এটা স্বাভাবিক। এটাতো হবেই। তবে উনি যেদিন চলে গেলেন সেদিনই বহিষ্কার আদেশ আসাটা, এটাকে আমি বলবো যে, এটা আল্লাহর একটা ইশারাও বটে। যিনি আমাকে এনেছিলেন, যার ছায়ায় আমি ছিলাম, তিনি যেদিন চলে গেলেন, বিএনপির সাথে আমার যাত্রাও সেদিনই শেষ হলো।'
বাবা অলি আহাদ মারা যাওয়ার পর ২০১২ সালে রাজনীতিতে হাতেখড়ি পেশায় আইনজীবী রুমিন ফারহানার। বাবা রাজনীতিবিদ হলেও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না।
ওই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের দাবিতে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন করছিল। সে সময় বিএনপির আন্তর্জাতিক কমিটির সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে পথচলা শুরু করেছেন রুমিন ফারহানা। পরবর্তী সময়ে তাকে বিএনপির পক্ষে গণমাধ্যমে বেশ সরব হয়ে উঠতে দেখা গেছে।
২০১৮ সালের নির্বাচনের পর বিএনপির মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রুমিন ফারহানার সংসদে একটি বক্তব্য নিয়ে মূলত ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেন যে, এই সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, তখন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা ব্যাপক শোরগোল শুরু করেন।
ওই সময় নানা ইস্যুতে সংসদ অধিবেশনে মন্তব্যের কারণে রুমিন ফারহানা আলোচনায় ছিলেন। একপর্যায়ে সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউটও করেন তিনিসহ বিএনপির এমপিরা।
রুমিন ফারহানা জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার 'আহ্বানে, অভিভাবকত্বে এবং ছায়ায়' গত ১৭ বছর বিএনপির সাথে ছিলেন।
অনেক সময়ই বয়স এবং অভিজ্ঞতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলেও খালেদা জিয়া তাকে দলে অনেক বড় বড় কাজ দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনেই বিএনপির বৈঠক করে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, 'সাধারণত বাঙালি সংস্কৃতি বলেন বা পশ্চিমা সংস্কৃতিই বলেন, মৃত্যুর একটা ভাবগাম্ভীর্য আছে। এরকম দিন আমরা সাধারণত কোনো রকম সিদ্ধান্তে যাই না'।
তিনি বলেন, 'খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিন, যেখানে রাষ্ট্রীয় শোক... সেদিন দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং হওয়া, বহিষ্কার আদেশ আসা... আমি জানি না, বাংলাদেশের মানুষ এটাকে কীভাবে নেবে।'
এই বহিষ্কার আদেশই বিএনপির সাথে রুমিন ফারহানার 'যাত্রা শেষের ক্লিয়ার ইনডিকেশন' বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির যে রাজনীতি তাতে তার অবস্থান কোথায়? এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি।
দলীয় সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই গত ১০ বছর ধরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচনের জন্য রাজনীতি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগে, ওই আসনে ২০১৮ সালে বিএনপি নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার নির্বাচন করেছিলেন। পরে ২০২৩ সালে সাত্তার দল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। সে সময় ওই আসনে নির্বাচন করতে দলের হাইকমান্ড নির্দেশ দিয়েছিল বলে দাবি করেন রুমিন ফারহানা।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ওই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। পরে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, 'আমি গত ১০ বছর ধরেই কাজ করছিলাম। এখন হঠাৎ করে জুনায়েদ আল হাবিব জোটের প্রার্থী আসাটা আমার জন্য একটু বিস্ময়কর ছিলে।'
বিএনপি মঙ্গলবার যে নয়জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায় তাদের প্রত্যেকেই আগামী সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তবে, বিএনপিতে দলীয় রাজনীতির সমাপ্তি হলেও রুমিন ফারহানা এটিকে তার জীবনে 'নতুন অধ্যায়ের সূচনা ও নতুন যাত্রা' বলে মনে করেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কতটুকু সাড়া পাবেন এমন প্রশ্নে জানান, এলাকার মানুষের চাওয়ার প্রেক্ষিতেই একা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শেষে তিনি বলেন, 'রাজনীতিতে এমপি বা মন্ত্রী হওয়া এগুলো একেকটা ঘটনা। কিন্তু রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা অনেক বড় একটা ব্যাপার। আমি একজন রাজনীতিবিদ হতে চাইছি।'
- গ্রিনকার্ডের কঠোরতা থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
- খলিল বিরিয়ানির শেষ নোঙ্গরও বিদায়!
- বাংলাদেশ বিজয়ের নায়ক ড. খলিলুর রহমান
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ভাঙ্গনের মুখোমুখি
- এসেমব্লিতে বিজয়ের প্রত্যাশায় মোল্লা সানী
- ‘নিউইয়র্ক মাথা নত না’
মেয়র মামদানির হুশিয়ারি - ‘হাদি’ মন্তব্যে মমতার বিরুদ্ধে মামলা
- জ্যাকসন হাইটস ব্যবসায়ীদের মরণ ফাঁদ কমার্শিয়াল পার্কিং
- আইভীকে নিয়ে কৌতূহল ও নজরদারি
- তারেক রহমানের নিরাপত্তায় গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত!
- আজকাল ৯২৫
- খালি হচ্ছে মায়ের কোল
- ‘ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান’ বলার পর নিজেই শৃঙ্খলা ভাঙলেন!
- ধেয়ে আসছে ‘এল নিনো’, মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
- বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে প্রবেশে ফিফার নিষেধাজ্ঞা
- স্যাটেলাইটে উঠে এলো ইসরায়েলের বর্বরতা
- যুদ্ধক্ষমতা কমানোর প্রস্তাব পাস হওয়ায় ট্রাম্পের ক্ষোভ
- যুদ্ধবিরতি মানেই একটু ‘ধীরগতিতে গুলি চালানো’: ট্রাম্প
- আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
- আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেতা আলভীর মা
- ‘ভাই, এত ব্যস্ত হইয়েন না’
- ক্যাশিয়ার ওমর ফারুকের শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়
- কুয়েতে ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি আহত
- ট্রাম্প জামাতা কুশনারের বিলাসবহুল রিসোর্ট ঘিরে উত্তাল আলবেনিয়া
- চুরির অভিযোগে গৃহকর্মীকে বাবার হাতে তুলে দিলেন চাঁদনী
- নেপালকে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে : আরাগচি
- মোজতবা খামেনি জীবিত এবং আরও বেশি সক্রিয়: মার্কো রুবিও
- গণ-অভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি
- নিউজার্সির ন্যুয়ার্ক অভিবাসন কেন্দ্রের বাইরে কারফিউ
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- আজকাল ৮৯৭
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৮৯৯
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- মানুষের ধ্বংসই শয়তানি শক্তির আরাধ্য
- ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নিষেধাজ্ঞা’র রাজনৈতিক অর্থনীতি
- হারিয়ে যাচ্ছে ভ্রাম্যমাণ বই বিক্রেতারা
- ‘নিজের পাশে অন্যকে দাঁড়াবার জায়গাটা দিতে হবে’
- অসম্মান তো সবার জোটে না, আমার না হয় জুটলো
- অগুণিত সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসে
- নিষেধাজ্ঞা নয় হুশিয়ারি
- নাইপলের মৃত্যুতে শোকাহত বিশ্বসাহিত্য অঙ্গন
- নতুন ভিসা নীতির প্রেক্ষাপট-উদ্দেশ্য
- বাংলাদেশকে বাঁচাবেন কারা
- ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার!
- ‘এই ছাত্র রাজনীতির কাছে আমরা অসহায়’
- যুক্তরাষ্ট্র কি আবার স্বেচ্ছায় একঘরে হতে চলেছে
- বাংলাদেশ ও আমার সেই ভালো লাগার অনুভূতি
