ইসলামে দাওয়াত দেয়া ও গ্রহণের নীতিমালা (পর্ব- ১)
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০১৯
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘তোমাদের মধ্য থেকে কাউকে দাওয়াত করা হলে কবুল করা উচিত। রোজাদার হলে নিমন্ত্রণকারীর জন্য দোয়া দোয়া করবে। অর্থাৎ তার ঘরে গিয়ে তার জন্য দোয়া করবে। রোজাদার না হলে একসঙ্গে খানা খাবে।’ (মুসলিম, হাদীস নং-২৫৮৪, আবু দাউদ, হাদীস নং-২১০৪)
একজন মুসলমানের দাওয়াত কবুল করার প্রতি আলোচ্য হাদিসে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। দাওয়াত কবুল করা মুসলমানের হক হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। অপর হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
حق المسلم على المسلم خمس، رد السلام، تشميت العاطس، اجابة ا لدعوة ، اتباع الجنائز، وعيادة المريض
‘এক মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের পাঁচটি হক রয়েছে। এক. সালামের উত্তর দেয়া। দুই. হাঁচি দিয়ে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়লে তার জবাবে يرحمك الله বলা। তিন. কোনো মুসলমান মারা গেলে তার জানাযার পেছনে পেছনে যাওয়া। চার. অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া। পাঁচ. দাওয়াত দিলে কবুল করা। (বুখারী, হাদীস নং-১১৬৪, মুসলিম, হাদীস নং-৪০২২)
এ হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম দাওয়াত কবুল করাকে একজন মুসলমানের হক হিসাবে সাব্যস্ত করেছেন।
দাওয়াত কবুল করার উদ্দেশ্য:
আমার ভাই দাওয়াত দিয়েছে, আমাকে মহব্বত করে বিধায় আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সুতরাং তার মহব্বতের কদর করা চাই। দাওয়াত কবুল করা সুন্নত এবং সওয়াবের কাজ। এ ধরণের নিয়ত করে দাওয়াত কবুল করবে। আয়োজন ভালো হলে কবুল করবে অন্যথায় নয়; এরূপ যেন না হয়। মুসলমানের অন্তর খুশি করার নিমিত্তে দাওয়াত কবুল করা চাই। হাদিস শরীফে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
واو دعيت إلى كراع لقبلت
‘বকরির পায়ার জন্যও যদি আমি নিমন্ত্রিত হই, কবুল করে নেব।’ (বুখারি, হাদিস নং-২৩৮০, তিরমিযী, হাদীস নং- ১২৫৭)
বর্তমানে যদিও পায়া খাওয়ার নিমন্ত্রনকে উন্নত দাওয়াত মনে করা হয়; কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লামের যুগে এটি ছিলো নিতান্ত এক মামুলি বিষয়। অতএব নিমন্ত্রণকারী একজন গরিব মুসলমান হলেও এ নিয়তে কবুল করবে যে, সে আমার ভাই। তার অন্তরকে আনন্দিত করা চাই। ধনী-গরীবে ভেদাভেদ করা কখনো উচিত নয়। বরং গরীব মানুষই অধিক অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য।
ডাল ও সুকনো খাবারে নূরের জ্যোতি:
শফি (রহ.) একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। দেওবন্দে একজন ঘাস বিক্রেতা ছিলেন। ঘাস কেটে বাজারে বিক্রি করতেন, এর মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করতেন। এক সপ্তাহে তিনি ছয় পয়সা কামাতেন। সংসারে তিনি একাই ছিলেন। তাই ওই ছয় পয়সাকে ভাগ করতেন এভাবে- দুই পয়সা দিয়ে নিজের জন্য খাবার কিনতেন। দুই পয়সা দান করে দিতেন। অবশিষ্ট দুই পয়সা নিজের কাছে জমা রাখতেন। এক মাস পর যখন কিছু পয়সা জমা হত, তখন দারুল উলূম দেওবন্দের যেসব বুযুর্গ ছিলেন তাদের দাওয়াত করতেন। দাওয়াতে সাধারণ আতপ চাল রান্না করতেন এবং ডাল পাকাতেন। এ দিয়েই পরিবেশন চলত। দারুল উলূম দেওবন্দ এর সমকালীন মুহতামিম মাওলানা ইয়াকুব নানুতবী (রহ.) বলতেন, পুরো মাস আমরা এই লোকের দাওয়াতের অপেক্ষায় থাকতাম। কারণ এ লোকের সাধারণ আতপ চাল এবং পাতলা ডালের মধ্যে যে নূর অনুভব করতাম, সে নূর পোলাও-বিরানীর শানদার দাওয়াতেও অনুভব হত না।
দাওয়াতের হাকিকত ও ভালোবাসার বহি:প্রকাশ:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম ধনী-গরীব সবার দাওয়াতই কবুল করতেন। এমনকি একজন সাধারণ মানুষের দাওয়াতে কয়েক মাইল পর্যন্ত সফর করেছেন। এজন্য ইখলাসের সঙ্গে দাওয়াত দেবে। ইখলাসের সঙ্গে দাওয়াত কবুল করবে। ইখলাসের আমল নূর ও বরকতপূর্ণ হবে। সুন্নত ও সওয়াবের উসিলা হবে।
দাওয়াত না দুশমনি:
বর্তমানে আমাদের দাওয়াত নিছক প্রথায় পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন রুসমকে উপলক্ষ্য করে আমরা দাওয়াত করে থাকি। ফলে দাওয়াত গ্রহণ করাও মসিবত, না করা আরেক মসিবত। তাই হজরত থানভী (রহ.) বলেছেন, হতে হবে দাওয়াত; দুশমনি নয়। দাওয়াত যেন আপদে পরিণত না হয়। যেমন, আমাদের মধ্যে অনেকে এরূপ করে থাকেন যে, অমুককে দাওয়াত দিতেই হবে। এ প্রবণতায় তিনি চালিত হন। সেই ‘অমুকে’র হাতে সময় আছে কি নেই এটা যেন এক গৌণ বিষয়। দাওয়াত কবুল করার জন্য খুব পীড়াপীড়ি করা হয়। যেন দাওয়াতে আসতেই হবে, মসিবতের ঝড় বয়ে গেলেও কবুল করতেই হবে। মূলত: এটা দাওয়াত নয়; বরং শত্রুতা। যদি দাওয়াতের মাধ্যমে মহব্বত প্রকাশ করতে চাও, তাহলে তার আরামেরও খেয়াল রাখতে হবে। তার সময় ও সুযোগের অপেক্ষা করতে হবে। অন্যথায় ‘দাওয়াত’ মসিবতে পরিণত হবে।
সর্বোত্তম দাওয়াত:
হাকীমুল উম্মত হজরত আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলতেন, দাওয়াত তিন প্রকার। সর্বোত্তম দাওয়াত, মধ্যম দাওয়াত এবং নিম্নস্তরের দাওয়াত। চলমান পরিবেশের জন্য প্রযোজ্য সর্বোত্তম দাওয়াত হলো, যাকে দাওয়াত দেয়া হবে, সোজা তার কাছে চলে যাবে এবং নগদ কিছু হাদিয়া দিয়ে দেবে। নগদ হাদিয়া পেশ করার পর তাকে অধিকার দেবে যে, ইচ্ছা করলে তিনি হাদিয়াটা যেমনিভাবে খানার জন্য ব্যয় করতে পারেন, তেমনিভাবে অন্য প্রয়োজনেও ব্যয় করতে পারেন। এতে তার ফায়দা বেশি হবে। চিন্তা ও বিড়ম্বনা থেকে তিনি নিশ্চিন্ত থাকবেন। আসতে চাইলে প্রশান্ত মনে আসতে পারবেন। বিধায় এ দাওয়াতই হলো সর্বোত্তম দাওয়াত।
মধ্যস্তরের দাওয়াত:
খানা পাকিয়ে ঘরে পাঠিয়ে দেয়া হলো মধ্যম স্তরের দাওয়াত। এটি প্রথম স্তরভুক্ত এজন্য নয় যে, যেহেতু এ দাওয়াতে শুধু খানার বিষয় বর্তমান। এছাড়া অন্য কোনো অধিকার বর্তমান নেই। তবে খানা ঘরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে এবং দাওয়াত গ্রহণকারী ব্যক্তি যাওয়ার কষ্ট থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছে। তাই এটি মধ্যম স্তরের দাওয়াত।
নিম্নমানের দাওয়াত:
ঘরে ডেকে খানা খাওয়ানো হলো নিম্নমানের দাওয়াত। বর্তমানে মানুষ খুবই ব্যস্ত। ব্যস্ত শহর এবং ব্যস্ত জীবন। এ ক্ষেত্রে দূরত্ব যদি অধিক হয়, তাহলে দাওয়াত খাওয়ার জন্য একজন মানুষকে দু’চার ঘণ্টা ব্যয় করতে হয়। তাহলে আমন্ত্রিত ব্যক্তির জন্য এটা এক প্রকার বিড়ম্বনা নয় কি? স্বাচ্ছন্দবোধের পরিবর্তে তিনি কষ্ট ওঠালেন। অথচ দাওয়াতের উদ্দেশ্য তো কষ্ট দেয়া নয়, বিধায় এটি সবচে’ নিম্নমানের দাওয়াত।
দাওয়াতের একটি চমৎকার ঘটনা:
হজরত মাওলানা ইদরীস কান্ধলবী (রহ.) একজন বুযুর্গ ছিলেন। (‘আল্লাহ তায়ালা তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিন। আমীন।’) তিনি লাহোর থাকতেন। একবার করাচিতে প্রোগ্রাম করলেন। সে সুবাদে দারুল উলূম কাওরাঙ্গিতে মুফতি শফি (রহ.) এর সঙ্গে সাক্ষাত করতে এলেন। তিনি খুবই খুশি হলেন। সকাল দশটার দিকেই তিনি দারুল উলূম পৌঁছে গিয়েছিলেন। মুফতি শফি (রহ.) জিজ্ঞেস করলেন, আজকে আপনার বিশ্রাম কোথায়? তিনি উত্তর দিলেন, আগ্রা কলোনিতে এক ভদ্রলোকের বাসায়। আব্বাজান বললেন, সেখান থেকে কখন ফিরবেন? উত্তর দিলেন, আগামীকাল ‘ইনশাআল্লাহ’ লাহোরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যাব।
যা হোক, সাক্ষাত ও আলাপ-আলোচনা পর্ব শেষ হবার পর যখন তিনি ফিরতে চাইলেন, তখন মুফতি শফি (রহ.) বললেন, ভাই মৌলভী ইদরীস সাহেব! আপনি অনেক দিন পর আমার এখানে এসেছেন। মন চাচ্ছে আপনাকে একটু দাওয়াত করি। কিন্তু ভাবলাম, আজকে আপনার বিশ্রাম আগ্রা তাজ কলোনীতে, আর আমি থাকি কাওরঙ্গিতে। এখন যদি বলি, অমুক সময়ে আমার এখানে এসে খানা খাবেন, তাহলে আপনি মহা বিপাকে পড়ে যাবেন। কারণ আগামীকাল আবার আপনাকে চলে যেতে হবে। হয়ত অনেক কাজ আছে। তাই মন চাচ্ছে না, আপনাকে দ্বিতীয়বার এখানে টেনে এনে কষ্ট দেব। সুতরাং দাওয়াতের পরিবর্তে আমার থেকে এই একশ’ রূপি হাদিয়া গ্রহণ করুন। মাওলানা ইদরীস কান্ধলবী (রহ.) ওই একশ’ রূপির নোটটি নিজের মাথার উপর রাখলেন এবং বললেন, আপনি তো আমাকে বিরাট নেয়ামত দান করেছেন। দাওয়াতের ফজিলতও লাভ করলেন; অথচ কোনো কষ্ট ভোগ করতে হলো না। এরপর অনুমতি নিয়ে বিদায় নিলেন।
আরামের প্রতি লক্ষ্য রাখা ভালোবাসার দাবি:
এটাকেই বলে সাদাসিধে জীবন এবং মেহমানের আরামের প্রতি বিশেষভাবে দৃষ্টিদান। হজরত মুফতী শফি সাহেবের স্থলে অন্য কেউ হলে বলত, ‘আরে.... আপনি লাহের থেকে করাচি এসেছেন। আর আমার বাসায় দাওয়াত খাবেন না। এটা হতে পারে না। যত কষ্টই হোক আমার এখানে চারটা ডাল-ভাত হলেও খেয়ে যাবেন।’ আর ইদরীস সাহেব (রহ.) এর স্থলে অন্য কেউ হলে বলত, ‘আমি কি তোমার দাওয়াতের কাঙ্গাল? পয়সা দিচ্ছ কেন, আমি কি ফকির?’ মনে রাখবেন, মহব্বতের দাবি হলো, প্রিয়জনকে কষ্ট না দেয়া এবং তার আরামের প্রতি খেয়াল রাখা। এ বিষয়ে মরহুম যকী কাইফী চমৎকার কবিতা লিখেছেন। তার নিম্নোক্ত কবিতাটি অত্যন্ত চমৎকার :
ميرى محبوب ميرى ايسى وفا سى توبه جو تيرى دل كى كدورت كا سبب بن جائى
‘প্রিয়তম আমার! এমন আপ্যায়ন থেকে তাওবা করছি, যা আপনার কোনো কষ্টের ‘কারণ’ হয়।’
দাওয়াত করাও একটি বিদ্যা:
দাওয়াত যেন মসিবত না হয়, এ দিকে লক্ষ রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, দাওয়াতের উদ্দেশ্য হলো, মহব্বত প্রকাশ করা। অতএব মহব্বতের অনুকূল পথ ও পদ্ধতি মতে চলতে হবে। রুসম ও সামাজিক প্রথার সঙ্গে দাওয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই বিধায় প্রথাগত প্রবণতা বর্জন করতে হবে। দাওয়াত হতে হবে স্বত:স্ফূর্ত ও শর্তমুক্ত। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরিকামুক্ত দাওয়াত কখনই গ্রহণযোগ্য নয়। অনুরূপভাবে যাকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে, তার জন্য সুন্নত হলো দাওয়াত কবুল করা। এর মাধ্যমে একজন মুসলমাননের মহব্বতের মূল্যায়ন হয়।
সুতরাং কাজটি সুন্নত মনে করেই করতে হবে। দাওয়াতে না গেলে নাক কাটা যাবে, মানুষ কী ভাববে এ ধরনের ভাবনা মোটেও উচিত নয়। এরূপ ভাবনার উদয় হওয়ার অর্থ ‘সুন্নত’ থেকে নিজেকে বিরত করা।
- ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর
- চাঁদা না পেয়ে হামলা-ককটেল বিস্ফোরণ
- ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছ
- সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
- ইরান যুদ্ধে ‘আটকে’ গেছেন ট্রাম্প
- ‘পাকিস্তানে এক প্লেট বিরিয়ানির জন্য বিক্রি হয়ে যায় মানুষ’
- কান নষ্ট ভয়ংকর শব্দে
- বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নেই কোনও ট্রাফিক সিগন্যাল
- ফিলিস্তিনের দুটি মসজিদে ইসরায়েলিদের অগ্নিসংযোগ
- এবার কি ভারতে!
‘পোস্ট ডিলিট করো, নয়তো সমস্যা হবে’ - পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
- দাঁত মাজার পেস্টেই বিষ!
- ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’ দিচ্ছে বিনামূল্যে কাপড় শুকানোর ড্রায়া
- জামালপুর সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ইয়েলো সোসাইটির বনভোজন অনুষ্ঠিত
- লং আইল্যান্ডে বৃহত্তম ইসলামিক হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
- এনসিপি ডায়াসপোারার স্মরণসভা ১ আগস্ট
- জ্যামাইকায় ‘জল খাবার’ রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন
- নিউইয়র্ক সিনিয়র ডে কেয়ারের বনভোজন অনুষ্ঠিত
- ৯ আগস্ট সাউথ এশিয়ান প্যারেড জ্যাকসন হাইটসে
- মুনার বনভোজন অনুষ্ঠিত
- জামায়াতে ইসলামীতে নজীরবিহীন কান্ড!
- সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা
- মোদি সরকার বেকায়দায়
- কে হচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তি রাষ্ট্রপতি
- রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বললেন: কোথায় কি, কোথায় পদত্যাগ!
- আজকাল ৯৩২
- ভারতের আন্দোলনে রসদ যোগাচ্ছে ব্যাঙ্গাত্মক মিম ও রিলস
- ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ
- কানাডায় বন্দুক সহিংসতা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯২১
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯০৭
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯০৮
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- বিয়ে করছেন রাফসান-জেফার!
- আজকাল ৯০৯
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯১২
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- স্বামী-স্ত্রী সর্বোচ্চ কতদিন কথা না বলে থাকা জায়েয?
- শিয়া সুন্নী দ্বন্দ্বের আদ্যোপান্ত
- পাঁচ অবস্থার আগে পাঁচ অবস্থার মূল্যায়ন করুন
- দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী
- মৃতের আত্মা কখনও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসে না
- কবরে কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্নোত্তর করা হবে?
- কেমন হবে হাশরের ময়দান
- হিজামার স্বাস্থ্য উপকারিতা
- পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য সম্পর্কে নবীজির ১০ বাণী
- ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসার কুফল
- জীবনে সুখী হওয়ার পাঁচ পরামর্শ
- মুসলিম হিসেবে মৃত্যু লাভের দোয়া
- পথ চলার আদব!
- কোরআন-হাদিসের আলোকে কবর জিয়ারতের দোয়া
- সন্তানের প্রতি লোকমান হাকীমের ১১ উপদেশ (প্রথম পর্ব)
