৬ শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০১৯
প্রতিদিন সকালেই নিজের ছোট অফিস কামরায় এসে বসেন অধ্যাপক ড. আবু তৈয়্যব খান। বিগত দুই দশকে বদলেছে চারপাশের কতো কিছুই। তবু কোনও পরিবর্তন হয়নি ৬৫ বছর বয়সী তৈয়্যব খানের প্রতিদিনের এই রুটিনের।
অধ্যাপক তৈয়্যব খান পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কেইউ) বাংলা বিভাগের একমাত্র শিক্ষক। বর্তমানে তার একার প্রচেষ্টাতেই ছয়জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগটি।
নিজ কার্যালয়ের কামরার সামনে দরজার পাশে কিছু মাটির পাত্রে ছোট ছোট সবুজ গাছ রেখেছেন অধ্যাপক তৈয়্যব, যেন বাইরে থেকে দেখলে এখানটাকে জীবন্ত মনে হয়।
তার কামরার ঠিক পাশেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ। বিভাগ বলতে শুধু একটি ছোট শ্রেণিকক্ষ আর একটা গ্রন্থাগার, যেখানে রয়েছে কয়েকশ’ বই। বইগুলোর বেশিরভাগই বাংলা সাহিত্যের। বইয়ের ওপর পড়ে থাকা ধুলো দেখেই ধারণা করা যায় যে বহুদিন ধরেই এগুলোতে কেউ হাতও দেয়নি।
১৯৫১ সালে স্থাপিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৯৫৩ সালে। তবে বর্তমানে এ বিভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে ছোট বিভাগ। বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলেও এ বিভাগটিকে টিকিয়ে রেখেছেন তৈয়্যব খান। এ বিভাগ থেকে স্নাতক, স্নাতোকত্তরসহ পিএইচডি ডিগ্রি পর্যন্ত নেয়ার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে এ বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছয়জন।
তাদের মধ্যে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী দুইজন। তারা হলেন- হাসান মুহাম্মাদ উমার এবং ইয়াসমিন সিরাজ। এছাড়া বাকি চারজনের মধ্যে সেজাদ সিরাজ, জামিল আহমেদ ও আরিব আহমেদ স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আর এ বছরই স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছেন মুহাম্মাদ ফুরকান। এদের মধ্যে ইয়াসমিন ও সেজাদ ভাই-বোন। তারা বাঙালি এবং বাংলাতেই কথা বলেন। বাকি চারজনের মধ্যে একজন সিন্ধি আর অপর তিনজন উর্দুতেই কথা বলেন।
করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের আওতায় প্রতি বছরই প্রায় ৮০টি আসন বরাদ্দ থাকে। পাশাপাশি পিএইচডি ডিগ্রির আওতায় বরাদ্দ থাকে পাঁচটি আসন। এছাড়া পিএইচডিতে অধ্যয়নরতদের তত্ত্বাবধানে একজন শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অনুমোদন আছে দেশটির উচ্চ শিক্ষা কমিশনের।
এতো সুবিধার পরও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী সংখ্যা আশারও অনেক নিচে।
পাকিস্তান মুসলিম লীগ শের-ই-বেঙ্গলের (পিএমএল-এসবি) প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মাদ আলাউদ্দিন জানান, পাকিস্তান পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, করাচিতে প্রায় ১৬ লাখেরও বেশি বাঙালি বসবাস করে। তবে তার দাবি, করাচি শহরের বিভিন্ন বস্তিতে প্রায় ১৪ লাখের মতো অনিবন্ধিত বাঙালি বসবাস করে।
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের মানুষের মাতৃভাষা বাংলা। আর পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষের ভাষা ছিলো উর্দু। তাই পূর্ব ও পশ্চিম- এ দুই পাকিস্তানের মধ্যকার দূরত্ব দূর করতেই করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ চালু করা হয়। একসময় অনেক শিক্ষাবিদই শিক্ষকতা করেছেন করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। পরে পূর্ব পাকিস্তান ভাগ হয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে তাদের বেশিরভাগই করাচি ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান, অধ্যাপক মুহাম্মাদ ফারুক, অধ্যাপক সৈয়দ আশরাফ আলী, অধ্যাপক আবদুল গফুর ও মহিউদ্দিন চৌধুরী। সর্বশেষ ২০০২ সাল থেকে এ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক তৈয়্যব খান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী উমার জানান, তিনি একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং বর্তমানে একটি স্থানীয় বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করছেন। চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি বাংলায় পড়ছেন না। বিদেশি ভাষা শেখার প্রতি আগ্রহের কারণেই তিনি এখানে বাংলায় পড়ছেন।
ভিন্ন কথা জানালেন বাংলা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জামিল। তিনি বলেন, বাংলা পড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং এর সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। এছাড়া বাংলায় পড়লে চাকরি পাওয়া যায় না, আমি এ কথার সঙ্গে একমত নই।
তিনি আরও বলেন, বাংলায় পড়াশোনা করে আমি বাংলা ভাষার শিক্ষক হতে চাই। করাচিতেই অনেক বাঙালি রয়েছে। অথচ তাদের পড়ানোর মতো কোনো শিক্ষক নেই। এই সংকটটা দূর হোক।
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ ইরানে হামলার প্রতিবাদে
- জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় অর্ধেক গাড়ি চলাচল বন্ধ
- কাতারের সব ধরনের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ানোর ঘোষণা
- ইউরোপে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, প্রতি ঘনফুট ৭৮৫ ডলার
- ইসরায়েলকে চীনের সর্তকবার্তা
- মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকায়
- ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা বাছাইয়ের ভবনে ইসরায়েলের হামলা
- তানজিন তিশা কেন আমাকে মারল? বিচার চাই: সামিয়া
- আলভীর সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন তিথি
- আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
- যুদ্ধজাহাজ থেকে স্টিলথ বোমারু, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘হাই-ট
- দু’দিনে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন
- আমার স্ত্রীর মুখটা আপনারা শেষবারের মতো দেখতে দেননি: জাহের আলভী
- খামেনির স্ত্রীও নিহত হয়েছেন: ইরানের গণমাধ্যম
- নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের
- ‘ভুল করে’ যুক্তরাষ্ট্রের ৩ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল কুয়েত
- ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি: ট্রাম্প
- ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে থাকার ঘোষণা চীনের
- ৩ দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- স্টারমারের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
- দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান: লারিজানি
- জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য
- ইরানে হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ
- হরমুজ প্রণালী বন্ধে তেলের দাম বাড়ল ১০ শতাংশ
- আমিরাতে হামলায় নিহত বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে
- ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহ
- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি
- ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি ট্রাম্প
- মধ্যপ্রাচ্যগামী স্থগিত ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণে নজরদারি করছে সরকার
- এরপর কী?
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৮৩
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
