রত্নগর্ভা মা শেখ হাসিনার গর্ব সজীব ওয়াজেদ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
একটি দেশের জাতির জনকের নাতি, সেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র পুত্র যে এত কষ্ট করে, এত সাধারণ জীবনযাপনের মাধ্যমে পড়াশুনা করে মানুষের মতো মানুষ হতে পারে তা না জানলে বিশ্বাস করা কঠিন ছিলো।
ঘটনাটা কোন গল্প বা সিনেমার কাহিনী নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অতি আদরের দৌহিত্র, বিশ্বমানবতার জননী খেতাবে ভূষিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র, বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয়কে ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্ট ও সংগ্রাম করে অতি সাধারণ মানুষের মত জীবনযাপন করে পড়াশুনা করতে হয়েছে । বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর সজীব ওয়াজেদ জয়কে নানান ধরনের বাধা ডিঙ্গিয়ে বড় হতে হয়েছে । স্কুলে পরিক্ষীর খাতায় সঠিক/ভাল লিখলেও ষড়যন্ত্র করে কম নম্বর দেয়া হতো । বাবা মা আত্মীয় স্বজন ছাড়াই সম্পূর্ণ একা একা হোস্টেলে সপ্তাহে ৬ দিন সবজী ভাত খেয়ে পড়াশুনা করতে হয়েছে । স্কুল কলেজের ফি দিতে পারেনি । তরুণ প্রজন্মের অহংকার সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে তার রত্নগর্ভা মা শেখ হাসিনা বলেন,
ভারতের ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করার পর জয় কিছু দিন চাকরি করে এরপর আরও উচ্চ শিক্ষার জন্য এমআইটিতে (আমেরিকা) চান্স পেল। আমি তার শিক্ষার খরচ দিতে পারিনি। দুটো সেমিস্টার পড়ার পর নিজে কিছু দিল, আমাদের কিছু বন্ধুবান্ধব সহযোগিতা করল, যার জন্য যেতে পারল।
আর আব্বার বন্ধু আমার ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার সব দায়িত্ব নিয়েছিলেন। উনি বলতেন, তুমি পলিটিক্স করো এটা আমার ওপর ছেড়ে দাও। তিনি না থাকলে আমি পড়াতে পারতাম না। এমনকি মিশনারি স্কুলে তারা পড়েছে। সাত দিনই সবজি বা ডালভাত খেতে হতো, একদিন শুধু মাংস খেতে পারত। এভাবে কৃচ্ছ সাধন করে এরা বড় হয়েছে।
যখন এমআইটিতে দিতে পারলাম না। আমি প্রধানমন্ত্রী, আমার দ্বিধা হল, কাকে বলব টাকা দিতে বা কীভাবে আমি টাকা পাঠাবো, বুঝতে পারিনি। কার কাছে দেনা হব? আমার কারণে তার পড়া হল না। দুটো সেমিস্টার করে তাকে বিদায় নিতে হল। তারপর সে চাকরিতে ঢুকল।
২০০৭ সালে বউমা অসুস্থ হলে দেখতে গেলাম। তখন তাকে অনুরোধ করলাম। কারণ আমার ভেতরে এই জিনিসটা খুব কষ্ট লাগত যে, আমি প্রধানমন্ত্রী হলেও তার পড়ার খরচ দিতে পারিনি। তখন আমি বললাম, তুমি হার্ভার্ডে আবেদন কর। আমি অনুরোধ করার পর সত্যি সে আবেদন করল। চান্স পেয়ে গেল।
আমি কথা দিয়েছিলাম, ফার্স্ট সেমিস্টারের টাকা আমি দেবো। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার আগে গ্রেফতার হয়ে গেলাম। তবে আমি চেয়েছিলাম, চান্স যখন পেয়েছে যেভাবে পারুক চালাক। পরে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে তা ভাড়া দিয়ে সেই ভাড়ার টাকা দিয়ে, কলেজ থেকে দূরে বাসা নিল যাতে সস্তায় বাসা পায়, গাড়ি রেখে মটরসাইকেল চালিয়ে সে আসত।’
-দেশরত্ন শেখ হাসিনা
মোটকথা রত্ন থেকে রত্নই সৃষ্টি হবে এটা যেমন সত্য তেমনি মেধা হচ্ছে আলোর মতই তাকে যেখানেই রাখবে জ্বলে উঠবে ।
যত অন্ধকার হোন না কেন, যত অবহেলাই করুক না কেন মেধার বিকাশ ঘটবেই । আর মেধা হচ্ছে আল্লাহর দান, আল্লাহ তাকেই মেধা দান করেন যার দ্বারা তার সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের কল্যাণ হবে । বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য অনেকেই সংগ্রাম করেছেন কিন্তু স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নেতুত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে । অনেক ঘাতক শাসক বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন কিন্তু উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ছাড়া আর কেউ করতে পেরেছে কি ? পারেনি । শেখ হাসিনার মেধা ও স্মৃতি মহান আল্লাহর দান যাকে ১৯ বার হত্যা করতে চেষ্টা করেছে স্বাধীনতা বিরোধী শত্রুরা , ব্যার্থ হয়েছে কেন না আল্লাহই তাকে রক্ষা করছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয় যার মেধা, জ্ঞান, দুরদর্শিতা শুধু রত্নগর্ভা মা শেখ হাসিনাকে বিস্মিত করেছে তা নয় সমগ্র অনুন্নত বা দ্রুত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রনেতারাও সজীব ওয়াজেদকে অনুসরণ করছে, অনুকরণ করছে । সম্প্রতি জাতিসংঘ থেকে আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি কোন সাধারণ ঘটনা নয়, জাদুকরী মেধারই মূল্যায়নের অংশ। আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ, প্রযুক্তির বিস্ফোরণ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, 4G, 5G সবই সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদান ।
সজীব ওয়াজেদ জয় এখন শুধু বাংলাদেশের গর্ব নয় তিনি অনুন্নত বিশ্বের আলোকিত পথের দিশারী ।
- গ্রিস উপকূলে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু: ২১ বাংলাদেশি উদ্ধার
- আওয়ামী পরিবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- ব্র্রংকস কমিউনিটির উদ্যোগে আলবেনিতে বাংলাদেশ ডে
- ব্রংকসে ডিটেকটিভ দিদারের নামে রাস্তা
- ‘ড. ইউনূসকে ২০২৯ পর্যন্ত রাখতে চেয়েছিল’
- ট্রাম্পের আঙ্গিনায় ডেমোক্র্যাটদের বিজয়
- বিমানবন্দরে আইস পুলিশ মোতায়েন
- বাংলাদেশিদের ঈদের জামাতে মেয়র মামদানি
- ইরানকে আলোচনায় বাধ্য করার চেষ্টা
- দৃশ্যমান হচ্ছে আওয়ামী লীগ
- মার্কিন সেনাদের রুখতে ইরানের ১০ লাখ যোদ্ধা প্রস্তুত
- ডা. জুবাইদা রহমান প্রশংসিত
- সেন্ট্রাল পার্কে মুসলিম নারীকে হিজাব খুলে ধর্ষণচেষ্টা
- নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৩০ ডলার!
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বৃহত্তম বিক্ষোভ শনিবার
- ৫ লাখ নিউইর্য়কার মেডিকেইড সুবিধা হারাচ্ছেন
- নিউইয়র্ক স্টেট আইনসভা বাংলাদেশময়
- বট বাহিনীর নৃত্য, আমিনুলের তেল ও বিব্রত জাইমা
- ১/১১ কুশীলবরা গা ঢাকা দিচ্ছে
- নিউইয়র্ক সিটিতে ৮ হাজার কলেজ শিক্ষার্থীই হোমলেস
- আজকাল ৯১৫
- ভিয়েতনামে দলের সঙ্গে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী
- সংসার ভেঙে গেল মৌসুমী হামিদের
- যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল সামিটে জুবাইদা রহমান
- ইসরায়েলের অন্যতম বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- শাসক বদলেছে, শোষণের ধারা বদলায়নি: শফিকুর রহমান
- নবীন ফ্যাশনের শোরুম বন্ধের ঘটনায় হাতিরঝিল থানার ওসি ‘ক্লোজড’
- জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত
- ট্রাম্পের শান্তি আলোচনার প্রস্তাবে দুশ্চিন্তায় ইসরায়েল
- টেনে তোলা হয়েছে বাস, বের হচ্ছে একের পর এক মরদেহ
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- শেখ হাসিনা একজন ছোটখাটো হিটলার: মাহমুদুর রহমান
- শেখ রাসেলের একটি প্রিয় খেলা
- ঢাকার ২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
- বিকাশের কাছে জিম্মি এজেন্টরা
- আবার ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগ: ইআইইউ
- ‘নগদ’কে অনুসরণ করে এগুচ্ছে বিকাশ!
- জাতিসংঘে অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা গৃহীত
- ৫০ হাজার আসনের ‘শেখ হাসিনা’ ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে পূর্বাচলে
- শেষ ঠিকানা আজিমপুর কবরস্থান
- শেখ হাসিনার হাতটি ধরে পথের শিশু যাবে ঘরে
- সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় কোভিডের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে: প্
- ভেনামি চিংড়ি চাষে প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দিকে মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ
- প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি
- আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা স্মারক সই
- জাতীয় চেতনার স্মারক ‘দোয়েল চত্বর’
