যে কারণে ওয়াগনার আর রাশিয়ার সামরিক বাহিনী মুখোমুখি
প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২৩
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর পথে এগোচ্ছে বিদ্রোহী ওয়াগনার বাহিনী। ইতোমধ্যে শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, মস্কোর পরিস্থিতি কঠিন।
রুশ সেনাদের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলা ওয়াগনার গোষ্ঠী ছিল ইউক্রেনে হামলার বড় হাতিয়ার। পরম বন্ধু হয়ে ঘাড়ে ঝুলে থাকা সেই অস্ত্রেই এখন রক্ত ঝরছে পিঠে।
বিশ্বাসঘাতক বন্ধুর মতো পেছন থেকে হামলা করেছে। অথচ রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা ওয়াগনার বাহিনীর প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিনই (৬২) ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিশ্বস্ত লেফটেন্যান্টদের একজন। যাকে পুতিনের বিশ্বস্ত বাবুর্চিও বলা হয়।
কিন্তু হঠাৎ করেই ফাটল ধরল! শুক্রবার গভীর রাতে বিদ্রোহের ঘোষণা দেন পুতিনের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে আনল বলে এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে।
ওয়াগনার ও রুশ সেনাবাহিনীর মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ্ব বিশ্বের সবার সামনে সোপ অপেরা হয়ে হাজির হয়েছে।
সর্বশেষ পর্বে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন পোস্টের এক নিবন্ধে প্রিগোজিন বেশ কয়েকবার ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
ডিসকর্ডে ফাঁস হওয়া তথ্যের বরাতে ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, প্রিগোজিন বাখমুত থেকে ইউক্রেনের সেনাদের সরে যাওয়ার বিনিময়ে কিয়েভকে রুশ সেনাদের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
ক্রেমলিন যদি ওই নিবন্ধের কথা বিশ্বাস করে ফেলে, তাহলে প্রিগোজিন সত্যিই বিরাট বিপদে আছেন।
কিন্তু তথ্য চেপে যাওয়া বা ইচ্ছা করে ভুল তথ্য দেওয়া ইউরেশিয়া অঞ্চলে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। রাশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী অভিজাত বাহিনীগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার ঘটনাও নতুন নয়, যদিও পুতিনকে এতদিন এসব সামলাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।
কিন্তু প্রিগোজিনকে হয় এখন তিনি সামলাতে পারছেন না, বা তার ইচ্ছা নেই। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, ক্রেমলিনের সর্বত্র তার নিয়ন্ত্রণ আর আগের মতো নেই।
তিনি রাশিয়ান রাষ্ট্রের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন, এবং দৃশ্যত তার কোনো উত্তরসূরীও নেই। এখন পুতিন দুর্বল হয়ে পড়লে, তার শাসনামলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন আরও গুরুতরভাবে ওঠা শুরু করবে।
২০১৪ সালে প্রিগোজিন ভাড়াটে যোদ্ধাদের গ্রুপ ওয়াগনার প্রতিষ্ঠা করেন; এতে তার সঙ্গী ছিলেন রাশিয়ার বিশেষ সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক কমান্ডার দিমিত্রি উৎকিনও।
বাইরে থেকে দেখলে ওয়াগনারকে রাশিয়ার মূল সামরিক কাঠামো থেকে আলাদা মনে হবে না। এই বাহিনীর যোদ্ধারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ নেন, গ্রুপটির অনেক যোদ্ধাই একসময় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীতে কাজও করেছেন। এছাড়াও এই বাহিনীর মূল কাজই থাকে সর্বত্র রাশিয়ার স্বার্থকে প্রসারিত করা।
২০২২ সালের মধ্যে ওয়াগনার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় নিজের অবস্থান পোক্ত করে ফেলেছে। কেবল ইউক্রেইনই নয়, এটি এখন সিরিয়া, সুদান, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, লিবিয়া, মোজাম্বিক, মালি, ক্যামেরুন ও মাদাগাস্কারসহ অন্যত্রও বেশ সক্রিয়।
ক্রেমলিনে প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং তাদের নেতাদের কার কেমন দাপট তা খালি চোখে বোঝার উপায় নেই। কিন্তু মনে করা হয়, প্রিগোজিন যেহেতু ক্রেমলিনে ‘আউটসাইডার’ তাই মস্কোতে তার তেমন ক্ষমতা নেই, নিরাপত্তা পরিষদের মন্ত্রণালয় বা সংস্থাগুলোর প্রধানদের মধ্যে তার বন্ধু সংখ্যাও নগণ্য।
এখন তার হাতে থাকা সেনার সংখ্যাও আনুমানিক ৫০ হাজার, যার বেশিরভাগই হয়েছে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর। সে তুলনায় রাশিয়ার নিয়মিত বাহিনীর সেনার সংখ্যা দৈত্যাকার। এমনকি পুতিনের ব্যক্তিগত রক্ষীর সংখ্যাও ৩ লাখের বেশি।
এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে প্রিগোজিনের পক্ষে ক্রেমলিনকে বলির পাঁঠা বানানো প্রায় অসম্ভব, তার চেয়েও বেশি অসম্ভব পুতিনকে চ্যালেঞ্জ জানানো।
তবে ওয়াগনার ও প্রিগোজিন দুটোই পুতিনের কাছে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। রুশ প্রেসিডেন্ট সাধারণত তার ঘনিষ্ঠদের সহজে ত্যাগ করতে চান না।
জেনারেল সের্গেই সুরোভকিনকে নিয়োগ করে পুতিন সেই বার্তা আরও জোরালভাবে দিতেও চেয়েছিলেন। সুরোভকিন ওয়াগনার ও রুশ সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে লিঁয়াজোর দায়িত্বে ছিলেন। সুরোভকিন চাইলেই প্রিগোজিনকে গোলাবারুদ পাঠানো পিছিয়ে দিতে বা বন্ধ রাখতে পারতেন।
সামরিক বাহিনী এখন নতুন যোদ্ধা টানতে ওয়াগনারের আকর্ষণীয় চুক্তিতেও বাধ সেধেছে, যে কারণে প্রিগোজিন সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বের প্রতি আরও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।
সামরিক বাহিনীকে ঘিরে এই নাটক ক্রেমলিনের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। সহজ কথায়, এটা পুতিনকে তার সিদ্ধান্তের ভুলত্রুটি থেকে নিজেকে আলাদা করা কঠিন করে তুলবে।
ইউক্রেনে হামলার সিদ্ধান্ত পুতিন নিয়েছিলেন। পুতিনই ওয়াগনারকে বাখমুতে অভাবনীয় সাফল্য আনতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সবশেষে পুতিনই সমগ্র যুদ্ধ দেখভালের দায়িত্ব সামরিক বাহিনীর কোন কর্মকর্তা পালন করবেন, তা ঠিক করে দিয়েছেন। গেরাসিমভ এই দায়িত্ব সুরোভকিনের কাছ থেকে নিয়েছেন চলতি বছরের জানুয়ারিতে।
রাশিয়া অবশ্য ২০২২ সালে তাদের ‘সামরিক অভিযান’ শুরুর পর দায়িত্বে একের পর এক জেনারেল বদলেছে, অনেক জেনারেলকে যুদ্ধেও হারিয়েছে তারা।
২০১৪ সালে ইউক্রেনে রুশদের আগ্রাসন শুরু হয়। ইউক্রেনে রুশদের সর্বাত্মক আগ্রাসন ঘটে ২৪ ফেব্রুয়ারি। যা প্রিগোজিনের জীবনে বৈচিত্র্য নিয়ে আসে। যুদ্ধ যত খারাপের দিকে গেছে প্রিগোজিনের ভবিষ্যৎ ততই সামনে এগিয়েছে।
ভাড়াটে ব্যবসায় নাম ওঠে তার। হয়ে ওঠেন রুশদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রের একটি গ্রুপের নেতা। ইউক্রেনীয়রা যত বেশি রুশ সেনাদের হত্যা করেছিল, মস্কোর তত বেশি ওয়াগনারের ভাড়াটেদের প্রয়োজন ছিল। সম্পদ ও চাকচিক্যের স্বাদ পেয়ে ক্ষমতার করিডোরে নিজের স্থান তৈরি করে ফেলেন প্রিগোজিন।
- জার্মানিতে তেল সরবরাহে বড় ধাক্কা
- তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
- ইরানের জন্য কোনো যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বেঁধে দেননি ট্রাম্প
- লোডশেডিং চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল
- পাম্পে আসা তরুণের গায়ে হাত তুললেন ইউএনও
- ট্রাম্পের খামখেয়ালি মন্তব্যই শান্তির পথে প্রধান বাধা
- জ্বালানি তেলের জন্য প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ১৪৯৪২ জন
- মনোনয়ন না পেয়ে যা বললেন অভিনেত্রী চমক
- মধ্যরাতে এনসিপির যুবশক্তি ছাড়লেন সদস্যসচিব
- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ
- তেল নিয়ে নৈরাজ্য সবকিছুতে
- ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ‘ওবামা আমলের চেয়ে অনেক ভালো হবে
- যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে চলছে ইসরায়েলের হামলা
- হেফাজত আমিরের দোয়া নিলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ
- শর্ত সাপেক্ষে ইরানের নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
- ঝুঁকিতে গুম কমিশনের স্পর্শকাতর তথ্যপ্রমাণ
- পুরনো পোশাকেই ফিরছে পুলিশ
- এসএসসি পরীক্ষায় বসছে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী
- ৯০ সেকেন্ডে হামলা হয় ১০০ লক্ষ্যবস্তুতে
- মার্কিন নৌ অবরোধ বলবৎ থাকলে সংলাপে বসবে না ইরান
- এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপি গ্যাসের দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা
- লোডশেডিংয়ে ‘টাইম লিমিট’ চান ব্যবসায়ীরা
- যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় ৮ শিশুসহ নিহত ৯
- ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে
- জ্বালানির সংকট যদি না থাকে, তবে লম্বা লাইন কেন?
- বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট, দাম বাড়ায় ভোগান্তিতে ক্রেতারা
- জ্বালানির চাপ জনজীবনে
- হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- আজকাল ৮৯৫
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- বড় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
- ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ডলারের মালিক হলেন ইলন মাস্ক
- আজকাল ৯০২
- নোয়াখালী ও কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে মানববন্ধন
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- যুক্তরাষ্ট্রে এনআইডি কার্ড বিতরণ শুরু
- আজকাল ৯০০
- মালিতে অতর্কিত হামলায় ওয়াগনারের ৫০ সৈন্য নিহত
- তালিকা বানাবে পাঁচ প্রতিষ্ঠান ঢাকা অফিস
- খিজির হায়াৎ হত্যার পরিকল্পনাকারী ২ জঙ্গি রিমান্ডে
- ৫ কোম্পানির বোতলজাত পানি মানহীন
- ইসরায়েলের হামলায় ১৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত
- মসজিদ ভাঙা নিয়ে চীনে বিক্ষোভ চলছে
- দণ্ডপ্রাপ্তকে নির্বাচনের সুযোগ দিলে সংবিধান লঙ্ঘন হবে
- আবার ধেয়ে আসছে কানাডার ধোঁয়া
- স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জে মার্কিন জাহাজ ‘অনুপ্রবেশের’ দাবি চীনের
- হাওলাদার-নাসিরের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ
- শ্রীনগরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু
- রানির শেষকৃত্যে যে তিন দেশকে আমন্ত্রণ জানায়নি ব্রিটেন
- যুক্তরাজ্যের শরণার্থী হোটেলের বাইরে সহিংস বিক্ষোভ, গ্রেফতার ১৫
- নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদার হাজিরা সোমবার
- শীতে জবুথবু পুরো ভারত
