মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিতেই চলছে রাজনৈতিক দলগুলো
প্রকাশিত: ৮ এপ্রিল ২০১৯
দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে। কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ থাকলেও জেলা-উপজেলার সময় পার হয়ে গেছে। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ক্ষেত্রেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। বছরের পর বছর বেশির ভাগ দলের স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয় না। অনেক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় নেই, পূর্ণাঙ্গ কমিটিও নেই, নেই তেমন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড। এক নেতা বিশিষ্ট রাজনৈতিক দলও আছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে একই ব্যক্তি আছেন দলের নেতৃত্বে- এরকম সংগঠনের সংখ্যাও কম নয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যথাসময়ে সম্মেলন এবং নতুন কমিটি গঠন না হওয়ায় দলের ভেতর নতুন নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে না। পুরনোরাই সব কিছু দখলে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন। গণতন্ত্রের চর্চা ব্যাহত হচ্ছে। এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে। কেন্দ্রে গতি না থাকায় তৃণমূল পর্যন্ত দলের কাজে এক ধরনের ঢিলেঢালা ভাব চলে এসেছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের তাগিদ দেন তারা।
জানা গেছে, শাসক দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ আছে আর ৬ মাস। সরকারি দলের বেশির ভাগ জেলা ও উপজেলার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সম্মেলনও হচ্ছে না। তবে কিছু উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়েছে। তবে অনেকগুলোর সম্মেলন হয়েছে ২০১৬ সালের আগে। প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হবে ১৩ মে। বিএনপি চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে। দলটির অধিকাংশ উপজেলার মেয়াদ নেই। বেশকিছু সাংগঠনিক জেলারও মেয়াদ পার হয়ে গেছে। বড় তিনটি দলের বাইরে অধিকাংশ সংগঠনের কমিটির সময় শেষ। আগের নেতারাই দল চালাচ্ছেন। একই অবস্থা জোটভুক্ত শরিক দলগুলোরও। ১৪ দল এবং ২০ দলীয় জোটের শরিকদের কারও কমিটির মেয়াদ নেই। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্টসহ বাম গণতান্ত্রিক জোটের বেশির ভাগ দলই চালাচ্ছেন পুরনোরা।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার রোববার বলেন, ‘আমাদের দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ভেতরে গণতন্ত্র চর্চা নেই। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতাও নির্বাচন হয় না। এর মূল কারণ, রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর ধীরে ধীরে ব্যক্তিতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র, গোষ্ঠীতন্ত্র জেঁকে বসেছে। মূলত এ কারণেই দলগুলো সময়মতো সম্মেলন করতে চায় না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতা নির্বাচন করতে চায় না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মূল চরিত্র হারিয়ে এক ধরনের ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা জনগণের কথা ভাবার পরিবর্তে সিন্ডিকেটের মতো আচরণ করছে। এ সিন্ডিকেট গুটিকয়েক ব্যক্তির স্বার্থ সংরক্ষণ করছে।’
সূত্র জানায়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর। এ সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক পদে আসে পরিবর্তন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে প্রতি ৩ বছর পরপর কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজনের বিধান রয়েছে। এ বিধান মেনে দলটি চলতি বছর অক্টোবরে কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে ৮টি সাংগঠনিক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। মূল দল আওয়ামী লীগ নিয়ম মেনে সম্মেলনের আয়োজন করলেও এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ কমিটির মেয়াদ নেই।
মাঠের বিরোধী দল বিএনপির সর্বশেষ কাউন্সিল (সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে খালেদা জিয়া চেয়ারপারসন পদে পুনর্নির্বাচিত হন। অন্যদিকে মহাসচিব হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইতিমধ্যে এ কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অথচ নতুন কাউন্সিল করা নিয়ে দলটির ভেতরে কোনো তোড়জোড় নেই। কবে কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে- তাও অনিশ্চিত। বিএনপির ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে ৭টি চলছে মেয়াদোত্তীর্ণদের দিয়ে।
দলের গণতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি ৩ বছর পরপর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করার বিধান রয়েছে বিএনপির। বিএনপি সিনিয়র নেতাদের মতে, চেয়ারপারস খালেদা জিয়া কারাগারে থাকায় কেন্দ্রীয় কাউন্সিল আয়োজনের বিষয়টি ঝুলে আছে। তারা বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে কাউন্সিল আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, ‘লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান রোববার যুগান্তরকে বলেন, ‘দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’
দশম এবং একাদশ- দুটি জাতীয় সংসদেরই প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির বাইরে এ দলটির সারা দেশে সাংগঠনিক ভিত আছে। ২০১৬ সালের ১৪ মে জাতীয় পার্টির সর্বশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রেও ৩ বছর পরপর কাউন্সিল করার কথা। সে হিসাবে চলতি বছর ১৩ মে কাউন্সিল করার ৩ বছর পূর্ণ হবে। জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতাদের মতে, পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অসুস্থতার কারণে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে দেরি হচ্ছে। তবে এ বছরই কাউন্সিল আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান বলেন, ‘নিয়মিত সম্মেলন না হলে রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রহীনতা দেখা দেয়। নেতৃত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। নেতাকর্মীদের মধ্যেও এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়। সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডও স্তিমিত হয়ে পড়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণে দলগুলোর নিয়মিত জেলা-উপজেলাসহ কেন্দ্রীয় সম্মেলন জরুরি। এতে করে দল গতিশীল হয়। নেতাকর্মীরাও চাঙ্গা থাকে, সম্মেলনের মধ্য দিয়ে দল মূল্যায়ন করবে- এ আশায় নেতাকর্মীরা সক্রিয় এবং গণমুখী থাকে।’
সরকারবিরোধী রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম প্রধান দল গণফোরাম। বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন এ দলটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১১ সালের ১০ ডিসেম্বর। ওই সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত করা হয়। ৩ বছর পরপর সম্মেলন করার বিধান থাকলেও ৮ বছর ধরে সম্মেলন না হওয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চলছে গণফোরাম।
জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম পথিক বলেন, ‘আমরা এ বছরের ২৩ ও ২৪ মার্চ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় সম্মেলন করতে চেয়েও পারিনি। কারণ অনুমতি পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় ২৬ এপ্রিল সম্মেলনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ভেন্যু অনুমতি পাওয়ার পর জানানো হবে।’
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন। ২০০২ সাল থেকে টানা সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন আবদুল মালেন রতন। ২০০৯ সাল থেকে সভাপতি পদে আছেন আ স ম আবদুুর রব। এর আগে এ দলের সভাপতি ছিলেন নূরে আলম জিকু। জেএসডির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি নিয়ে চলা জেএসডির কেন্দ্রীয় সম্মেলন এ বছরের নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে বলে যুগান্তরকে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সর্বশেষ কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয় ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। ৩ বছর পরপর সম্মেলনের কথা থাকলেও তারা এখন পর্যন্ত করেননি। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি নিয়েই চলছে এ দলটি। জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল সিদ্দিকী যুগান্তরকে বলেন, ‘এ বছর মার্চে আমাদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন করার কথা ছিল। নানা কারণে করতে পারিনি। আশা করছি, এ বছরের মধ্যে সম্মেলন করব।’
গঠনতন্ত্র মেনে প্রতি ৪ বছর পরপর কেন্দ্রীয় কংগ্রেস (জাতীয় সম্মেলন) করে আসছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। সর্বশেষ তারা ২০১৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৪ দিন কংগ্রেস করে। এ হিসাবে আগামী বছর অক্টোবরে কংগ্রেস করার প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে দলটি। এ প্রসঙ্গে সিপিবি সম্পাদক সরদার রুহিন হোসেন প্রিন্স যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা জরুরি অবস্থার মধ্যেও কংগ্রেস করেছি। এবারও সময়মতো করব।’
সিপিবি নিয়ম মেনে পথ চললেও বাম প্রগতিশীল ঘরানার দলগুলোর অবস্থা বেহাল। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির সর্বশেষ কংগ্রেস (কেন্দ্রীয় সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল। ৩ বছর পরপর কংগ্রেস করার কথা থাকলেও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি নিয়েই পথ চলছে এ দলটি। জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কামরুল আহসান যুগান্তরকে বলেন, ‘এ বছর জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে আমরা দলের কংগ্রেস করব।’
জোটের শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ১১ মার্চ। এ সম্মেলনে হাসানুল হক ইনু সভাপতি পুনর্নির্বাচিত হন। শিরীন আখতারকে দলটির সাধারণ সম্পাদক করা নিয়ে বিভক্ত হয় জাসদ। ইতিমধ্যে এ কমিটির মেয়াদ পার হয়ে গেছে। নতুন সম্মেলনের তারিখ ঠিক করতে পারেননি তারা। জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল্লাহিল কাইয়ুম যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা ৩ মাস সময় নিয়েছি। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সম্মেলন করব।’ জোটের শরিক ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) (মোজাফফর), গণতন্ত্রী পার্টি, সাম্যবাদী দল, গণআজাদী লীগ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি- প্রভৃতি দলগুলোর তেমন সাংগঠনিক তৎপরতা নেই। নিয়ম মেনে সম্মেলনও করে না। তরিকত ফেডারেশন বাংলাদেশ নেতৃত্বের বিরোধে সম্প্রতি দুই ভাগ হয়ে গেছে।
সিপিবিসহ দেশের আট বাম দল নিয়ে সম্প্রতি গঠিত হয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। এ জোটের অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। দলটি তিন ভাগে বিভক্ত। এক অংশের নেতৃত্ব দেন খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া। আরেক অংশের নেতৃত্ব দেন মুবিনুল হায়দার চৌধুরী। বাসদের আরেকটি অংশের নেতৃত্বে ছিলেন প্রয়াত আ ফ ম মাহবুবুল হক। তার মৃত্যুর কারণে দলটির কার্যক্রম নেই বললেই চলে। মুবিনুল হায়দার চৌধুরীও বয়সের কারণে তেমনটা সক্রিয় নন। বাসদের তিন পক্ষই কেন্দ্রীয় সম্মেলন বা কংগ্রেস করে না। তারা করেন কনভেনশন। তাও কালেভদ্রে, ইচ্ছামাফিক।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের শরিক দল বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ সর্বশেষ কংগ্রেস করে। তবে এ জোটের বাকি শরিকদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন চলছে ঢিমেতালে। নিয়ম মেনে কেন্দ্রীয় সম্মেলন করা তো দূরে থাক, এ দলগুলোর অনেকেরই কার্যালয় নেই, কমিটি নেই, সাংগঠনিক তৎপরতাও নেই। এসব দলের শীর্ষ নেতাদের বছরের পর বছর ধরে নেতৃত্ব আঁকড়ে রাখার প্রবণতাও প্রবল।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি শনিবার দলের কেন্দ্রীয় সম্মেলন সম্পন্ন করেছে। তবে অন্য শরিকদের মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), খেলাফত মজলিস, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। কেন্দ্রীয় সম্মেলন করা তো দূরে থাক, সাংগঠনিক তৎপরতাও তেমন নেই তাদের।
সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নেতৃত্বাধীন বিকল্পধারা বাংলাদেশেরও কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয় না অনেকদিন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিকল্পধারা বাংলাদেশ, ন্যাপ, লেবার পার্টির একাংশ, জনদল মিলে যুক্তফ্রন্ট নামে একটি জোট গঠন করে। এ জোটের শরিকরাও চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে।
- হত্যার শিকার হলে কীভাবে চলবে ইরান, নির্দেশনা দিলেন খামেনি
- বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারলো ভারত
- কক্সবাজারে এমপির বহরের গাড়ির ধাক্কায় শিশু নিহত
- বিয়েবাড়ি থেকে তরুণীকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
- ট্রাম্পের বাড়িতে অস্ত্রসহ প্রবেশের চেষ্টা
- সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল
- পুলিশে নতুন নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে সবাই
- ভয়ংকর তুষার ঝড়ের হুমকিতে যুক্তরাষ্ট্র
- নির্বাসন ফেরত যেসব নেতা রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেন
- ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মালয়েশিয়া
- যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা
- বিএনপি নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ
- ‘খুব দ্রুত একটা সুখবর পাবেন’, সাকিবের ফেরা প্রসঙ্গে ফারুক
- চাঁদাবাজির প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও
- বাজার-মূল্যস্ফীতি ভোগাচ্ছে মানুষকে
- প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের
- বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংস্কার পরিষদের কী হবে
- মন্ত্রীদের শপথ বর্জন জামায়াতের ভুল সংস্কৃতি
- শিবলী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব
- এসেমব্লিতে লড়ছেন জাকির, সানী ও শামসুল
- হাসিনার ৩ আত্মীয় তারেকের আস্থায়
- মন্তব্য প্রতিবেদন
‘গুড স্টার্টার’ তারেক রহমান! - আজকাল ৯১০
- দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি
- ‘নতুন শুরুর’ বার্তা: প্রটোকল কমালেন প্রধানমন্ত্রী
- ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, বিধিমালা জারি
- ইসলামের পবিত্রতম স্থানের নিদর্শন এপস্টিনকে পাঠানো নিয়ে কী আছে ?
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নতুন নিয়ম করল যুক্তরাজ্য
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮২ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- ট্রাম্পের চাপে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা অ্যাপলের
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- বাচ্চাগুলোর ড্রপ আউট : দায় কার
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৮৩
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
