ব্যক্তি ও সংস্থার কবজায় ব্যাংক
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২২
বিশ্বব্যাংক মনে করে দেশের ব্যাংকিং খাত প্রায়ই বিশেষ ব্যক্তি ও সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। এ জন্য এ খাতে জেঁকে বসেছে অনিয়ম-দুর্নীতি। সম্ভব হচ্ছে না সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। বিশেষ করে ঋণ অনুমোদন, প্রস্তাব যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে প্রভাবশালী এই গোষ্ঠী। এ ছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। উৎপাদনশীলতায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে খেলাপি ঋণ। এর ফলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা। জুন-২০২২ পর্যন্ত ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। একই সঙ্গে এটি দেশের ব্যাংক খাতের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, যার বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে। বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি ইকোনমিক মেমোরেন্ডাম চেঞ্জিং অব ফেব্রিক’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে ও সামষ্টিক অর্থনীতির স্বার্থে খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ওই প্রতিবেদনের একাংশে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনা; পরিচালকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া; পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা বৃদ্ধি। পরিচালকদের দায়িত্ব পালন ও জবাবদিহির জায়গা তৈরিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ব্যয়বহুল ব্যাংকের ব্যর্থতা এড়াতে সম্পদের গুণমান উন্নত করতে হবে। এ জন্য দেশের রাষ্ট্রায়ত্তসহ তফসিলি ব্যাংকগুলোকে আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ইদানীং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনেক ভুল সিদ্ধান্ত আসছে। যে নীতিমালাগুলো দিচ্ছে সেগুলো ঋণখেলাপিদের আরও উৎসাহিত করছে। অন্যদিকে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন ভালো গ্রাহক। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোও খেলাপি ঋণ আদায়ে বিমুখ হয়ে পড়েছে। কারণ এর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হয় না। পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা স্রেফ একটা রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি, যা অবসান হওয়া খুবই জরুরি।
বিশ্বব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আগে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে রাজনৈতিক ও বিশেষ গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ থাকলেও বর্তমানে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে, যা সবচেয়ে বেশি উৎপাদনশীল ব্যবহার থেকে দুষ্প্রাপ্য আর্থিক সংস্থানকে সরিয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো প্রায়ই ব্যক্তি বা সংস্থার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যাদের অ-আর্থিক সংস্থাগুলোতে যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। এ ছাড়া বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মালিকরা বর্তমানে অনেক ব্যাংকের বোর্ডে বসে আছেন। এ জন্য স্বাধীন পরিচালকের কার্যকারিতা বেশ দুর্বল। যদিও সংশ্লিষ্ট পক্ষের লেনদেনের ওপর কিছু বিধিনিষেধ কাগজে-কলমে বিদ্যমান। সেই বিধিবিধান আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে সর্বোত্তম কার্যক্রম এবং বাস্তবে নিজেদের কার্যকলাপে কয়েকটি বাধা রয়েছে। সেগুলো তারা মানেন না। যেমন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি পরিচালকদের ঋণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি ঠেকাতে এক ব্যাংকের পরিচালকরা অন্য ব্যাংকের ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারেন, যাতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ না হয়। ব্যাংক খাতে এ ঘটনাটি উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছেছে। অথচ খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ এটিও। বিশ্বব্যাংকের অনুমানের ভিত্তিতে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোট ঋণের অন্তত ২০ শতাংশ পরিচালকদের দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হলে পরিচালকরা অন্যান্য ব্যাংক থেকে সরাসরি বা পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে বা নিজ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আগের ঋণ নিয়মিতকরণ করে দেখাচ্ছেন, যা নিয়ম ও নীতিবহির্ভূত।
খেলাপি ঋণ এক বছরে বেড়েছে ২৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা : বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যমতে, জুন-২০২২ পর্যন্ত ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ সোয়া লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ২৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, যা রীতিমতো উদ্বেগজনক ও ইতিহাসের রেকর্ড।
সূত্র জানায়, গত বছর ডিসেম্বরে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। জুনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। আলোচ্য ছয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ১০ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা। গত মার্চ প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত বেড়েছে আরও ১১ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা। ওই ছয় মাসে বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা। গত বছর জুনে খেলাপি ঋণ ছিল ৯৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। এক বছরে অর্থাৎ গত বছর জুনের তুলনায় চলতি বছর জুনে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা। এর আগেও একবার খেলাপি ঋণ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ছিল। পরে তা আবার কমে আসে। কিন্তু কখনই সোয়া লাখ কোটি টাকা ছাড়ায়নি। এবারই প্রথম খেলাপি ঋণ সোয়া লাখ কোটি ছাড়াল। এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর তা হলো, ব্যাংক খাতে অপেশাদার আচরণ। যারা পরিচালনা পর্ষদে ঢোকেন তারাই অপেশাদার আচরণ করেন। এতে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম প্রভাবিত হয়, যা ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। এতে খেলাপি ঋণ বেড়ে যায় বলে তিনি মনে করেন।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো নিম্নরূপ : আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে খেলাপি ঋণ কমাতে হবে। প্রাথমিক আইন, যেমন ব্যাংক কোম্পানি আইন (১৯৯১) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইনের (১৯৯৩) ওভারহল সম্পূর্ণ করা উচিত, যাতে এটিকে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করা যায়, যার মধ্যে বাজেটের ন্যূনতম খরচসহ সমস্যা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমাধানের বিধানগুলোয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ আইনের অপারেশনাল স্বাধীনতা বাড়ানো উচিত, যাতে এটি একটি সময়োপযোগী এবং সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে সম্ভাব্য ব্যাংক সংকট মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত ক্ষমতা রাখতে সক্ষম হয়। খেলাপি ঋণ কমাতে ও ঋণখেলাপিদের চেনাতে উৎসাহিত করা উচিত এবং বিভিন্ন এনপিএল ক্লাসের জন্য আদালতে ও আদালতের বাইরে রেজোলিউশনের কার্যকর পূর্ণ পরিসরের প্রস্তাব দেওয়া উচিত। দেউলিয়া পদ্ধতি প্রবর্তন করতে হবে। এনপিএল রেজোলিউশনের জন্য একটি পাবলিকলি ফান্ডেড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ব্যবহার করার সম্ভাব্যতা ও করপোরেট গভর্ন্যান্স এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে এ-জাতীয় সংস্থাগুলোর দ্বারা কীভাবে কাজ করে সেগুলোর আলোকে বাংলাদেশেও পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।- বিডি প্রতিদিন
- যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা
- বিএনপি নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ
- ‘খুব দ্রুত একটা সুখবর পাবেন’, সাকিবের ফেরা প্রসঙ্গে ফারুক
- চাঁদাবাজির প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও
- বাজার-মূল্যস্ফীতি ভোগাচ্ছে মানুষকে
- প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের
- বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংস্কার পরিষদের কী হবে
- মন্ত্রীদের শপথ বর্জন জামায়াতের ভুল সংস্কৃতি
- শিবলী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব
- এসেমব্লিতে লড়ছেন জাকির, সানী ও শামসুল
- হাসিনার ৩ আত্মীয় তারেকের আস্থায়
- মন্তব্য প্রতিবেদন
‘গুড স্টার্টার’ তারেক রহমান! - আজকাল ৯১০
- দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি
- ‘নতুন শুরুর’ বার্তা: প্রটোকল কমালেন প্রধানমন্ত্রী
- ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, বিধিমালা জারি
- ইসলামের পবিত্রতম স্থানের নিদর্শন এপস্টিনকে পাঠানো নিয়ে কী আছে ?
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নতুন নিয়ম করল যুক্তরাজ্য
- সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমান: জামায়াত আমির
- মার্কিন রণতরি ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি খামেনির
- মন্ত্রিসভায় ফুটবলের মাঠ কাঁপানো ২ অধিনায়ক
- শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ ইইউর
- চাঁদা তুলতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখবেন: হাসনাত আবদুল্লাহ
- রোজায় স্কুলের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল মন্ত্রণালয়
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- কোন মন্ত্রণালয় কে পেলেন
- ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার
- মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের, বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮২ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- ট্রাম্পের চাপে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা অ্যাপলের
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- বাচ্চাগুলোর ড্রপ আউট : দায় কার
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইউটিউব ভিডিও নির্মাতাদের জন্য দারুণ খবর!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৮৩
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
