গাজা উপত্যকার গণহত্যা আর কতকাল উপেক্ষা করবে পশ্চিমা বিশ্ব?
প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২৬
গাজা উপত্যকায় ইসরাইল কর্তৃক পদ্ধতিগতভাবে গণহত্যা চালানোর বিষয়টি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একের পর এক স্বাধীন তদন্তে প্রমাণিত হলেও, পশ্চিমা বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো এখনও এই নির্মম সত্যকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।
অতি সম্প্রতি, গত ২৩ জুনে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের একটি নতুন প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনি জনগণের—বিশেষ করে শিশুদের ওপর ইসরাইলি বাহিনীর চালানো ভয়াবহ অপরাধের বিশদ বিবরণ নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগেও ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের পর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো গাজায় গণহত্যার অকাট্য প্রমাণ হাজির করেছিল। কিন্তু বিগত দুই বছর ধরে বিশ্বজুড়ে মানুষের মোবাইল স্ক্রিনে ২৪ ঘণ্টা ধরে লাইভ সম্প্রচারিত হওয়া ধ্বংসযজ্ঞ, জাতিগত নিধন ও চরম অনাহারের চিত্র দেখার পরও পশ্চিমা নীতিনির্ধারকেরা এই বাস্তবতার দিকে চোখ বন্ধ করে রেখেছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে প্রখ্যাত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মূল্যায়ন এবং খোদ ইসরাইলি কর্মকর্তাদের নিজস্ব বক্তব্য যেখানে এই গণহত্যার উদ্দেশ্যকে স্পষ্ট করে, সেখানে ইউরোপ ও পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো একটি কঠোর ও একঘেয়ে অবস্থান বজায় রাখছে। আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশিত এই বিশেষ প্রতিবেদনগুলোর ওপর পশ্চিমা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রায় অনুপস্থিত বললেই চলে, যা অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নেয়। রাজনৈতিক, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ইসরাইলের ক্ষেত্রে গণহত্যা শব্দটি ব্যবহার করা যেন এক অলিখিত নিষেধাজ্ঞা বা ট্যাবুতে পরিণত হয়েছে। এই দ্বিচারিতা বিশ্ববাসীর মনে এই সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে যে, গণহত্যার স্বীকৃতি এখন নির্ভর করছে অপরাধীর পরিচয় এবং ভুক্তভোগীদের মর্যাদার ওপর।
পশ্চিমাদের এই পক্ষপাতমূলক আচরণের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো তাদের বহুল ব্যবহৃত কূটনৈতিক বাক্য—ইসরাইলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। এই শব্দবন্ধটিকে ইসরাইলি নেতৃত্ব মাঠপর্যায়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা ও সামগ্রিক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর আগাম বৈধতা হিসেবে ব্যবহার করছে। অথচ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনিদের আত্মরক্ষা বা তাদের ভূমিতে চেপে বসা সামরিক দখদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার অধিকারের বিষয়টি এখানে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
যারা চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই গণহত্যাকে অস্বীকার বা আড়াল করছেন, তারা প্রকারান্তরে অপরাধীদের আরও বড় যুদ্ধাপরাধ করতে উৎসাহিত করছেন। স্পেন বাদে আর হাতেগোনা কয়েকজন পশ্চিমা নেতা ছাড়া কেউই ইসরাইলের এই কর্মকাণ্ডকে প্রকাশ্যে যুদ্ধাপরাধ বা গণহত্যা বলে আখ্যা দেওয়ার সাহস দেখাননি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো যেখানে ইউক্রেন ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও দ্বিচারিতাপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে, তা বিশ্বমঞ্চে তাদের নৈতিক দেউলিয়াত্বকেই প্রকাশ করে। ফিলিস্তিনিদের জীবন, নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদাকে পশ্চিমাদের এই অবস্থান অন্য সবার চেয়ে নিচু স্তরে নামিয়ে দিয়েছে।
এমনকি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) কর্তৃক ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও পশ্চিমা সমালোচনা কেবল ইসরাইলি সরকারের কট্টরপন্থী দুই মন্ত্রী—ইটামার বেন গাভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচ এবং কতিপয় অবৈধ বসতি স্থাপনকারী উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। মূল হোতা হিসেবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী এবং তাদের মূল রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সব ধরনের জবাবদিহিতা থেকে সুকৌশলে দূরে রাখা হচ্ছে।
পরিকল্পিত এই গণহত্যাকে তারা কেবল একটি মানবিক সংকট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। তাছাড়া, দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) দায়ের করা জেনোসাইড কনভেনশন লঙ্ঘনের মামলাকে সমর্থন করার পরিবর্তে, আন্তর্জাতিক আদালতের প্রসিকিউটর ও জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের ওপর নানাভাবে চাপ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের রাজনীতি চলছে।
পশ্চিমা বিশ্বের এই ক্রমাগত অস্বীকৃতি ও সহযোগিতা কেবল আন্তর্জাতিক আইনকেই ক্ষুণ্ন করছে না, বরং বৈশ্বিক বিচার ব্যবস্থার ভিত্তিকেও এক চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
- টেইলর সুইফটের বিয়ে নিয়ে হোয়াইট হাউসের ট্রোল
- তাপপ্রবাহের কবলে নিউইয়র্ক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা
- কানাডাকে কাঁদিয়ে সবার আগে শেষ আটে মরক্কো
- ফের রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা
- যুক্তরাষ্ট্রে অনেক শহরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বাতিল
- যুক্তরাজ্যে অভিবাসী পৌঁছানো কমেছে ৪১ শতাংশ
- বাংলাদেশ ও আমেরিকা একে অপরের ইতিহাস বিনির্মাণে সহায়তা করেছে
- গাজা উপত্যকার গণহত্যা আর কতকাল উপেক্ষা করবে পশ্চিমা বিশ্ব?
- ‘খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হবে’-লাখো ইরানির প্রতিজ্ঞা
- ট্রাম্পকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর
- ৫ জনের জাল ভিসা শনাক্ত হতেই বিমানবন্দর থেকে উধাও বাকি ৭১ জন
- সোসাইটির ভোটার সংখ্যা নিয়ে বাকবিতন্ডা
- যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগ ও জাসদের প্রতিবাদ সভা
- জুলাই নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন
- আদালত কর্তৃক ট্রাম্পের জরিমানা ৫ মিলিয়ন ডলার
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- জ্যাকসন হাইটসে পবিত্র আশুরা পালিত
- আসেফ বারীর বিদায়ী অনুষ্ঠান
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- নতুন জীবন পেলেন রোনালদো
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর
- বাংলাদেশে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে পাশে থাকবে চীন: রাষ্ট্রদূত
- ১৮ অক্টোবর সোসাইটির নির্বাচন!
- যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহালে অভিবাসীদের স্বস্তি
- শামসুল হক এখন ২ ভোটে পিছিয়ে
- ফুটবল নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন আমেরিকানরা
- আজকাল ৯২৯তম সংখ্যা
- নারীর মরদেহ থেকে স্বর্ণের কানের দুল খুলে নিলেন কর্মচারী
- অনলাইনে পোস্ট নিয়ে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের গ্রেপ্তার করছে সৌদি
- শুধু জুনেই হতাহত ৩৮ হাজারের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯১০
- কোচ জাকির মৃত্যুতে মাশরাফি-তাসকিনদের শোক
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- মালিতে অতর্কিত হামলায় ওয়াগনারের ৫০ সৈন্য নিহত
- তালিকা বানাবে পাঁচ প্রতিষ্ঠান ঢাকা অফিস
- খিজির হায়াৎ হত্যার পরিকল্পনাকারী ২ জঙ্গি রিমান্ডে
- ৫ কোম্পানির বোতলজাত পানি মানহীন
- ইসরায়েলের হামলায় ১৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত
- মসজিদ ভাঙা নিয়ে চীনে বিক্ষোভ চলছে
- দণ্ডপ্রাপ্তকে নির্বাচনের সুযোগ দিলে সংবিধান লঙ্ঘন হবে
- আবার ধেয়ে আসছে কানাডার ধোঁয়া
- স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জে মার্কিন জাহাজ ‘অনুপ্রবেশের’ দাবি চীনের
- হাওলাদার-নাসিরের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ
- শ্রীনগরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু
- রানির শেষকৃত্যে যে তিন দেশকে আমন্ত্রণ জানায়নি ব্রিটেন
- নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদার হাজিরা সোমবার
- যুক্তরাজ্যের শরণার্থী হোটেলের বাইরে সহিংস বিক্ষোভ, গ্রেফতার ১৫
- শীতে জবুথবু পুরো ভারত
