কারচুপি-ক্ষমতা দখলের প্রবক্তা জিয়া: আমু
প্রকাশিত: ১২ মার্চ ২০১৯
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, এদেশে ক্ষমতা দখল ও নির্বাচনে কারচুপির সংস্কৃতি চালু করেন জিয়াউর রহমান। তার সময়েই ব্যালট বাক্স হাইজ্যাকের সংস্কৃতি চালু হয়। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের আরেক সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এবারের নির্বাচনে আমাদের ইশহেতারের স্লোগান ছিল ‘আমার গ্রাম আমার শহর’।
তিনি বলেন, বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে এটাও বাস্তবায়ন হবে। এখনই আমি নিজেই নিজের এলাকায় গ্রামগুলোর দ্রুত পাল্টে যাওয়া দেখে অবাক হই।
সোমবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ প্রস্তাবের ও পর আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এসব কথা বলেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি নানা কূটকৌশল অবলম্বন করছে। ২০১৪ সালে তারা নির্বাচন বানচালেল চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এবার অংশ নিয়েও তারা সঠিকভাবে নির্বচানটা করেনি। নির্বাচনের নামে তারা মনোনয়ন বাণিজ্য করল। বিএনপি বুঝে গেছে জনগণের ভোটে তাদের পক্ষে কোনোদিন ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়। যতদিন না তারা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় যেতে না পারবে, ততদিন পর্যন্ত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বারবার তারা একই পথ অবলম্বন করছে।
তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিটি ক্ষেত্রে এ সরকারের নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে চায়। সরকার যখন পদ্মা সেতু করে তখন বলে এটা আওয়ামী লীগের ব্রিজ। যখন বিনা পয়সায় বই দেয় তখন তারা ২ কোটি বই পুড়িয়ে দেয়। তারা ভেবেছিল এই বই আওয়ামী লীগের লোকজনের সন্তানেরা পড়বে।
আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশে স্বাধীনতার চেতনা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল, সংবিধানকে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর মত শেখ হাসিনার সৎ ও দক্ষ নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আবার বাংলাদেশ পরিচালিত হতে শুরু করেছে। শেখ হাসিনার সময়েই বঙ্গবন্ধু হত্যার ও একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের সময় যারা ত্ত্বাবধায়ক সরকারে ছিলেন তারা সবাই ছিলেন খালেদা জিয়ার ঘরের লোক। ড. ফখরুদ্দীন, মইন উ আহমেদসহ সবাই ছিলেন খালেদা জিয়ার আমলে সুবিধাভোগী। খালেদা জিয়া ভেবেছিলেন তাদের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি আবারো ক্ষমতায় যাবেন। কিন্তু জনগণ তার সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছে।
গ্রামের পাল্টে যাওয়া দেখে নিজেই অবাক হই: তোফায়েল
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাধীনতার চেতনা ধুলিস্যাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, এবার যারা মন্ত্রী হয়েছেন তারা সবাই আদর্শবান, আমি মন থেকে তাদের সফলতা কামনা করি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন একদিকে বাংলার স্বাধীনতা, আরেকদিকে মানুষের মুক্তি প্রয়োজন। সেইদিন বেশি দূরে নয় যেইদিন বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত।
টকশোতে অনেকে বিএনপি জামায়াত ও আওয়ামী লীগকে এক পাল্লায় মাপার চেষ্টা করেন: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা এখনো টকশোসহ বিভিন্ন স্থানে কাউকে কাউকে বিএনপি-জামায়াত ও আওয়ামী লীগকে একই পাল্লায় মাপার চেষ্টা করতে শুনি। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত ধ্বংস করে, আর শেখ হাসিনা গড়েন।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত মানুষকে আগুনে পুড়ে মারে। আর শেখ হাসিনা তাদের চিকিৎসার জন্য বার্ণ হাসপাতাল গড়েন। বিএনপি-জামায়াত হেফাজতকে উস্কে দিয়ে দেশে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করে, শেখ হাসিনা দরিদ্র কওমী মাদরাসার ছাত্রদের মূল ধারায় আনতে তাদের সনদের স্বীকৃতি দেন। বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচাল করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেয়, শেখ হাসিনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। বিএনপি-জামায়াত বিদ্যুতের খুটি উপড়ে ফেলে। শেখ হাসিনা খুটি লাগিয়ে ঘরে-ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেন।
শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, বিএনপি হাওয়া ভবন গড়ে দুর্নীতি প্রতিষ্ঠা করে, শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন। বিএনপি-জামায়াত দেশে জঙ্গিবাদ চাষ করে, আর শেখ হাসিনা তাদের শক্ত হাতে দমন করেন। শেখ হাসিনা মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেন। তরুণদের জন্য উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়েন। বিএনপি-জামায়াত মুক্তিযুদ্ধ চেতনা ধ্বংস করে। আর শেখ হাসিনা সারাবিশ্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। কাজেই বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগকে এক পাল্লায় মাপা ঠিক নয়।
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুফল পাবে: জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) বলেছেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান কার্যক্রমে দেশবাসীর মনে আশার সঞ্চার হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর সুফল ভোগ করবে।
লিটন বলেন, সরকারের বাজেট যেমন বেড়েছে-তেমনি কর্মপরিধিও বেড়েছে। রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে সরকার ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করেছে। এই রূপকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের ফলে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে। এর ফলে বেকারত্ব দূর হবে।
মেননের বক্তব্যে আহত হয়েছি: কওমি মাদরাসা ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফীকে নিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের দেয়া বক্তব্যে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী। তিনি বলেছেন, কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্স সমমান মর্যাদা দিয়ে এই সংসদে আইন পাস হয়েছে। আইন পাস হওয়ার পর এ ধরনের মন্তব্য আমাদের একটু আহত করেছে। কারণ আমিও কওমি সন্তান।
তিনি বলেন, এখানে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেনন সাহেব কওমি মাদরাসা নিয়ে কিছু কথা বলেছেন। এতে আমরা একটু আহত হয়েছি। ওনার (মেনন) সঙ্গে আমার বার বার মিটিং করার সুযোগ হয়েছিল। সে কারণে ওনার সঙ্গে বার বার মিটিং করার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু উনি কয়েকটি কথা বলেছেন যে কথার মাধ্যমে আমরা একটু আহত হয়েছি। যেহেতু আমরাও কওমি সন্তান। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমি ভারতের লখনৌ থেকে পিএইডি করেছি।
নদভী আরো বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ সবাই খুশি হয়েছেন, পুরো মুসলিম বিশ্ব খুশি হয়েছেন, মুসলিম বিশ্বের ওলামারা খুশি হয়েছেন। শুধু একটা দল খুশি হননি সেটা হলো জামায়াতে ইসলামী। কওমি স্বীকৃতি কওমি আকিদাতে তারা খুশি হতে পারেননি।
- গুম নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য
হাসিনার নির্দেশেই ইলিয়াসকে হত্যা! - ফোবানা একাংশের (জাকারিয়া-বাবু) কনভেনশন নিউইয়র্কে
- ব্রুকলিনে সানম্যান গ্লোবাল মানি ট্রান্সফারের অফিস উদ্বোধন
- বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৭ মে
- ফ্রি টিকেট, হোটেল ও ৫ ভাগ কমিশন দেবে গ্লোবাল ট্যুরস
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- নির্বাচনে চ্যালেঞ্জের মুখে ক্যাথি হোকুল
- লায়ন্স ক্লাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার রানো নেওয়াজ
- ফান্দে পড়িয়া জামায়াত কান্দেরে
- নিউইয়র্কে গ্যাস ট্যাক্স স্থগিতের আহ্বান
- মার্কিনীদের কাছে ইরান প্রেসিডেন্টের খোলা চিঠি
- আজকাল ৯১৬
- অফিস ৯টা থেকে ৪টা, ৬টায় মার্কেট বন্ধ: মন্ত্রিসভায় গুচ্ছ সিদ্ধান্ত
- একলাফে ১২ কেজি এলপিজি’র দাম বাড়লো ৩৮৭ টাকা
- ১১৬ টাকার তেল বিক্রি হচ্ছিল ১৬০ টাকায়, ব্যবসায়ীকে শাস্তি
- তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
- আরব দেশগুলোর ওপর ইরান যুদ্ধের খরচ চাপাতে চান ট্রাম্প
- অস্ত্র পরিবহনে ইসরায়েলকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি ফ্রান্স
- গ্ল্যামার জগতকে বিদায় জানিয়ে বিয়ে, প্রশংসায় ভাসছেন লুবাবা
- মিত্রদের ‘সাহস করে’ হরমুজে গিয়ে তেল ‘ছিনিয়ে নিতে’ বললেন ট্রাম্প
- হরমুজ প্রণালি কার্যত স্থবির, আজ পারি দিয়েছে মাত্র ৩টি জাহাজ
- ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস ইসরায়েলি পার্লামেন্টে
- মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি ইরানের
- হামসহ ছয় টিকার সংকট
- চাঁদা তোলা নিয়ে যুবদলের দুগ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০
- স্কুল-কলেজে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস, ৩ দিন অফলাইনে
- একা হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প, পোস্টে অধৈর্য ও অসহিষ্ণুতা
- এবার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করল স্পেন
- লিবিয়ার দালাল কে এই আজিজ
- সত্যি বলতে ইরানের তেল নেওয়াই আমার প্রধান কাজ : ট্রাম্প
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- শেখ হাসিনা একজন ছোটখাটো হিটলার: মাহমুদুর রহমান
- বড় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
- ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ডলারের মালিক হলেন ইলন মাস্ক
- নোয়াখালী ও কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে মানববন্ধন
- আজকাল ৯০২
- শেখ রাসেলের একটি প্রিয় খেলা
- ঢাকার ২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
- বিকাশের কাছে জিম্মি এজেন্টরা
- আবার ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগ: ইআইইউ
- ‘নগদ’কে অনুসরণ করে এগুচ্ছে বিকাশ!
- জাতিসংঘে অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা গৃহীত
- ৫০ হাজার আসনের ‘শেখ হাসিনা’ ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে পূর্বাচলে
- শেষ ঠিকানা আজিমপুর কবরস্থান
- শেখ হাসিনার হাতটি ধরে পথের শিশু যাবে ঘরে
- ভেনামি চিংড়ি চাষে প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
- সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় কোভিডের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে: প্
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দিকে মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ
- প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি
- আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা স্মারক সই
- জাতীয় চেতনার স্মারক ‘দোয়েল চত্বর’
