যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত কোন পথে
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৩
প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সংকট আরো বেড়েছে
আজকাল রিপোর্ট -
প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অবস্থা এখন কেমন? কোন পথে ভবিষ্য নেতৃত্ব? এসব প্রশ্ন এখন দলের সাধারণ নেতা-কর্মীদের মুখে মুখে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসার আগে থেকেই তাঁর সংবর্ধনার আয়োজন নিয়ে দলে যে বিভেদের সৃষ্টি হয়েছিল তার কোন সুরাহা হয়নি। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা সমস্যা সমাধানে কোনো উদ্যোগ নেননি। বরং এই বিভেদকে আরো উস্কে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন দলের নেতাকর্মীরা।
যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী লীগে এবারের সমস্যা সৃষ্টির কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ। অন্তত দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগের আঙুল তাঁর দিকেই। তারা বলছেন, আবদুস সোবহান গোলাপ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কোন্দল উস্কে দিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর এই কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দিয়েছেন বলেও তারা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতিকে সংবর্ধনা সভার সভাপতিত্ব করতে না দিয়ে সহ-সভাপতিকে দায়িত্ব দেওয়ার মতো অসাংগঠনিক কাজ কিভাবে শেখ হাসিনা করলেন সেই প্রশ্ন তাদের।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সফরে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের পরিবর্তে তারা বিভক্ত আওয়ামী লীগ উপহার পেয়েছে। সংগঠনের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। শেখ হাসিনার হাতে গঠিত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কমিটি নিজ ঘরেই এখন উপেক্ষিত। মূল দলকে মানছে না সহযোগী বা অঙ্গ সংগঠনগুলো। সংগঠনের এমন অবস্থা শেখ হাসিনার অজানা নয়। তাঁর চোখের সামনেই সবকিছু ঘটছে।
জাতিসংঘের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিউইয়র্কে ছিলেন। তাঁর নিউইয়র্কে আগমনের আগ থেকেই মহানগর আওয়ামী লীগ প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের ঘোষণা দেয়। মহানগর কমিটির নেতারা প্রচার করতে থাকেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান চৌধুরী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের দায়িত্ব তাকে দেয়ার অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ইমদাদ নিউইয়র্কে এসে প্রস্তুতি শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ ইমদাদের এই উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
উল্লেখ্য, জনাব গোলাপ নিউইয়র্কে বসবাস করতেন। গভীর সম্পর্ক ছিল ইমদাদের সাথে। তাছাড়া সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সাথে গোলাপের সম্পর্ক অনেক আগ থেকেই অবনতি ঘটেছিল। গোলাপ নগর কমিটিকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনার আয়োজন করতে এগিয়ে আসেন। অবশ্য তিনি নিউইয়র্কে এসে বারবারই বলেছেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠান কিভাবে হবে তা নেত্রীই ঠিক করবেন। কিন্তু বার্তাটি আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ জানতে পেরেছিলেন। এক কর্মী সভায় ড. সিদ্দিক বিষয়টি বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি দুঃখ করে বলেন, আমি কি অপরাধ করেছি?
প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে এলে প্রতিবারই তাঁর নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু দলীয় কোন্দলের কারণে ২০১৮ সাল থেকে সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সংবর্ধনা চলে যায় আমলাদের হাতে। একবার মঞ্চে ছিলেন শুধুই শেখ হাসিনা। সব নেতাকে দর্শক সারিতে বসিয়ে তিনি বক্তৃতা করেন। বিশ্বব্যাংকের সম্মেলনে ওয়াশিংটনে এসে আওয়ামী লীগের সভায় সিদ্দিকুর রহমানকে মঞ্চে শুধু বসিয়ে রাখা হয়। সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদকে মঞ্চে ডাকাই হয়নি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান।
এ বছরের সংবর্ধনায় ঘটে আরও নাটকীয় ঘটনা। সংবর্ধনার জন্য ম্যারিয়ট মারকুইস হোটেলটি বুকিং দিয়েছিলেন সিদ্দিকুর রহমান। কিন্তু সংবর্ধনার আয়োজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান চৌধুরী। উল্লেখ্য, গত ১২টি বছর ইমদাদ প্রেসিডেন্ট সিদ্দিকুর রহমানের অনুসারি ছিলেন। জনাব সিদ্দিকও তাকে নি:শর্তভাবে সর্মথন দিতেন। কিন্তু রাজনীতির বাঁকা পথে তারা প্রতিপক্ষ হয়ে উঠলেন এই সেপ্টেম্বরে। প্রতিদিন জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন ও প্রিমিয়াম রেস্টুরেন্টের সামনে ইমদাদ সর্মথকদের সমাবেশ চলতে থাকে। সিনিয়র নেতাদের মধ্যে ডা. মাসুদুল হাসান তাদের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে থাকেন। আর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নবান্ন রেস্টুরেন্টের ভেতরে সর্মথকদের নিয়ে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন। সিদ্দিকের দীর্ঘদিনের সমালোচক ড. প্রদীপ রঞ্জন কর এবার ছিলেন পর্দার পেছনে। ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী, আব্দুর রহিম বাদশারা রাজনীতির এই নতুন খেলায় দাবার গুটি হতে চাননি। ইমদাদ নবাগত আওয়ামী লীগারদের নিয়ে পোস্টারিং ও সভা সমাবেশ করতে থাকেন। ২২ সেপ্টেম্বরের সংবর্ধনায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ফ্লোরিডার বাসিন্দা ফজলুর রহমান। তবে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ-সহ নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান। তারা নিশ্চুপ বসে সব কিছু মেনে নেন। এমনকি মহানগর আওয়ামী লীগ সংবর্ধনার আয়োজন করলেও এই কমিটির সভাপতিকে অনুষ্ঠান সভাপত্বি করতে দেওয়া হয়নি। তবে সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান চৌধুরী।
সংবর্ধনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বলছেন, আব্দুস সোবহান গোলাপের পরিকল্পনাতেই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আরও সংকটের মধ্যে পতিত হলো। ভেঙে পড়লো দলীয় শৃঙ্খলা। আর দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা অভিজ্ঞ একজন রাজনীতিক হয়েও অসাংগঠনিক কাজকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। এটা কিভাবে সম্ভব হলো তা মেনে নিতে পারছেন না দলীয় নেতাকর্মীরা।
প্রধানমন্ত্রী এখন বাংলাদেশে। সেপ্টেম্বরের কোলাহল আর জ্যাকসন হাইটসে নেই। নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভীড় আর নেই। কিন্তু আলোচিত নাগরিক সংবর্ধনা নিয়ে চায়ের টেবিলে মাঝেমধ্যেই ঝড় উঠছে। অনেকে বলছেন, ফজলুর রহমান ও ইমদাদই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসছেন। ভিন্ন মতাবলম্বীরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ও গোলাপের ভবিষ্যতের ওপরই নির্ভর করছে ইমদাদের ভবিষ্যৎ। আওয়ামী রাজনীতির সর্মথকরা সোশাল মিডিয়ায় নানা প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করছেন। অনেকেই প্রকাশ্যে বলছেন, সিদ্দিকুর রহমানকে পছন্দ না হলে সরিয়ে দিতে সমস্যা কোথায়। সভাপতি পদে বহাল রেখে তাঁর বারবার অমর্যাদা মেনে নিতে পারছেন না নেতাকর্মীরা।
- সৌদি আরবে জমি কেনার সুযোগ
- ঝুঁকি নিয়ে চালু হচ্ছে রূপপুর, কয়েকটি চুক্তি নিষ্পন্ন হয়নি
- গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
- একযোগে ৩৮ বিচারককে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি
- পুলিশের ৩৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাল সরকার
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- টেইলর সুইফটের বিয়ে নিয়ে হোয়াইট হাউসের ট্রোল
- তাপপ্রবাহের কবলে নিউইয়র্ক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা
- কানাডাকে কাঁদিয়ে সবার আগে শেষ আটে মরক্কো
- ফের রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা
- যুক্তরাষ্ট্রে অনেক শহরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বাতিল
- যুক্তরাজ্যে অভিবাসী পৌঁছানো কমেছে ৪১ শতাংশ
- বাংলাদেশ ও আমেরিকা একে অপরের ইতিহাস বিনির্মাণে সহায়তা করেছে
- গাজা উপত্যকার গণহত্যা আর কতকাল উপেক্ষা করবে পশ্চিমা বিশ্ব?
- ‘খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া হবে’-লাখো ইরানির প্রতিজ্ঞা
- ট্রাম্পকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর
- ৫ জনের জাল ভিসা শনাক্ত হতেই বিমানবন্দর থেকে উধাও বাকি ৭১ জন
- সোসাইটির ভোটার সংখ্যা নিয়ে বাকবিতন্ডা
- যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগ ও জাসদের প্রতিবাদ সভা
- জুলাই নিয়ে রাজনৈতিক বিভাজন
- আদালত কর্তৃক ট্রাম্পের জরিমানা ৫ মিলিয়ন ডলার
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- জ্যাকসন হাইটসে পবিত্র আশুরা পালিত
- আসেফ বারীর বিদায়ী অনুষ্ঠান
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- নতুন জীবন পেলেন রোনালদো
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর
- বাংলাদেশে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে পাশে থাকবে চীন: রাষ্ট্রদূত
- ১৮ অক্টোবর সোসাইটির নির্বাচন!
- যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহালে অভিবাসীদের স্বস্তি
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯১০
- কোচ জাকির মৃত্যুতে মাশরাফি-তাসকিনদের শোক
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
