বৈষম্যের শিকার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা
প্রকাশিত: ৩ মে ২০২৩
দেশে সাধারণ শিক্ষায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার সুযোগ আছে ৬৫ হাজার ৫৬৫টি প্রতিষ্ঠানে। যেগুলো সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কোনো বেতন-ভাতা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা এখানে পাঠ গ্রহণের সুযোগ পায়। আর শিক্ষকরা সরকারি ১১ ও ১৩ গ্রেড অনুযায়ী প্রতি মাসে বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতাসহ সব ধরনের সুবিধা পান।
অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষায় একই শ্রেণিতে পড়ার সুযোগ আছে এমন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার সংখ্যা ৮ হাজার ৯৭২টি। প্রতিটি মাদ্রাসায় পাঁচ জন হিসাবে শিক্ষক আছেন ৪৪ হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে মাত্র ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসার সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষক নামকাওয়াস্তে অনুদান পান। আর বাকি ৪০ হাজার শিক্ষক বছরের পর বছর বিনা বেতনে পাঠদানে নিয়োজিত আছেন।
৩৯ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষার এই বৈষম্য চলছে। সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে শিক্ষা প্রশাসনের উদাসীনতায় এভাবে অমানবিকভাবে রয়েছেন এই স্তরের শিক্ষকরা। তারা দাবি আদায়ে বিভিন্ন সময়ে মাঠে নামলেও কোনো লাভ হয়নি। শিক্ষকরা বলছেন, মূলত মাদ্রাসা শিক্ষার প্রাথমিক স্তর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় না নেওয়ার কারণেই বিপাকে পড়ছে। সাধারণ শিক্ষার প্রাথমিক স্তর যখন রেজিস্ট্রেশন হয়, তখন ইবতেদায়ি মাদ্রাসাও রেজিস্ট্রেশন হয়। ২০০৩ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় স্বতন্ত্র হিসাবে যাত্রা করলেও তারা মাদ্রাসার এই স্তরটিকে নিতে আগ্রহ দেখায়নি। এ কারণে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থেকে যায়। আর পদে পদে বঞ্চিত হতে থাকে।
বর্তমানে সাধারণ শিক্ষায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা চাকরির শুরুতেই ১১তম গ্রেডে ১৯ হাজার টাকারও বেশি বেতন-ভাতা, বাড়িভাড়া পান। রয়েছে উৎসব ভাতাসহ সব সুবিধা। এছাড়া ৫ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধি হচ্ছে তাদের। আর সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে শুরুতেই ১৭ হাজার ৫০০ টাকা বেতন, বাড়িভাড়া পান। উৎসব ভাতা ও বার্ষিক ৫ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধিত আছেই।
অন্যদিকে ৭ হাজার ৪৫৩টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা কোনো বেতন-ভাতা বা আর্থিক কোনো অনুদান পান না। ধর্মের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তারা এই পাঠদান করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক মাদ্রাসার শিক্ষকরা। ১৯৯৪ সালে মাত্র ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসার শিক্ষকদের সরকারি অনুদান দেওয়া শুরু হয়। এদের মধ্যে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পান সর্বসাকুল্যে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা। আর সহকারী শিক্ষকরা পান ২ হাজার ৩০০ টাকা। বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির কোনো সুযোগও নেই। অনুদান বৃদ্ধির ফলে ২০১৭ সাল থেকে এই সুবিধা পান তারা। আগে দেওয়া হতো মাত্র ৫০০ টাকা করে। পরে ২০১২ সালে এই অনুদান বৃদ্ধি করে দেওয়া হয় ১২০০ টাকা। এখন দ্বিগুণ বৃদ্ধির পরও ২ হাজার ৩০০ টাকা।
স্বাধীনতা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি এস এম জয়নাল আবেদীন বলেন, এভাবে আর কতদিন না খেয়ে পাঠদান করে যাব? অনেকে বেতন-ভাতা বা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা না পেয়েই ইতিমধ্যে মারা গেছেন। সাধারণ শিক্ষা সরকারি হলেও আমরা কেন বেসরকারি থাকব। ক্ষোভ ও বঞ্চনার মধ্য দিয়ে সবার প্রতিটি দিন যাচ্ছে। আমাদের প্রধান দাবি জাতীয়করণ। দ্রুত সময়ে জাতীয়করণ না হলেও অন্তত এমপিওভুক্ত করে আমাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে বর্তমান সরকার দেশের প্রায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করে। এর মধ্যে বেসরকারি, রেজিস্ট্রেশনকৃত ও কমিউনিটি বিদ্যালয়ও ছিল। তখন স্বাভাবিকভাবে ইবতেদায়ি জাতীয়করণ হওয়ার কথা। কিন্তু হয়নি। প্রধান কারণ, এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল। যেগুলো হয়েছে, তা ছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
ঐ সময় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব ছিলেন নজরুল ইসলাম খান। গতকাল তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, অবশ্যই একই সঙ্গে সাধারণ ও মাদ্রাসা উভয়ের জাতীয়করণ হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তখন ইবতেদায়ি স্তরের কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি, যারা বিষয়টি নিয়ে সামনে আসবেন। সরকারের সামনে তাদের দাবির বিষয়টি তুলে ধরবেন। এছাড়া সাধারণ শিক্ষার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের জন্য যে সময় যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারা হয়তো চাননি মাদ্রাসার প্রাথমিক স্তর জাতীয়করণ হোক।
তবে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার বেশির ভাগ শিক্ষকই মনে করেন, এই স্তর যদি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকত তাহলে জাতীয়করণ সহজ হতো। এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, এটি মাদ্রাসা বিভাগ দেখবে। সরকার যদি চায় মাদ্রাসা ইবতেদায়ি স্তরটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেখবে। তাহলে সেটাই হবে। এক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্তই সরকারের।
তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রাথমিক স্তর ফোরকানিয়া ইবতেদায়ি মাদ্রাসা নামে পরিচালিত হয়ে আসত। এসব মাদ্রাসাসহ আরো নতুন নতুন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা সৃষ্টি করে ১৯৮৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মঞ্জুরি প্রদান শুরু হয়। ১৯৮৭ সালে তৎকালীন সরকার বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রতিটি মাদ্রাসায় এককালীন ৪ হাজার ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৭ হাজার টাকা প্রদান করে। তবে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি।
প্রসঙ্গত, দেশে আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের ৮ হাজার ২২৯টি মাদ্রাসা রয়েছে। এই মাদ্রাসার সঙ্গে যেসব ইবতেদায়ি শিক্ষকরা সংযুক্ত আছেন তারাও অন্যান্য স্তরের মতো এমপিওভুক্ত। তারা মূল বেতন, ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। কিন্তু স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের ভাগ্যে এসব সুযোগ-সুবিধা জোটেনি।
- দৈনিক তরুণ কণ্ঠ’র যুক্তরাষ্ট্র প্রধান প্রতিনিধি আবুল কাশেম
- যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ কমার দাবী হোয়াইট হাউসের
- ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়
- ঢাকার খোলা বাজারে হঠাৎ ডলার ১২৮ টাকা ছাড়িয়েছে
- নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় কুনু-ফিরোজ প্যানেলের সভায় প্রতিবাদ
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে : জাতিসং
- কানাডায় বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে বড় জালিয়াতির অভিযোগ
- ‘অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে’
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- বাংলাদেশীদের ভোট চাইলেন অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস
- পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি
- প্রবাহ’র ২২তম সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশের নাগরিকদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাচার
- অবৈধ ভোটদানের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মাম
- তাসিনের দাফন সম্পন্ন
- মার্কিন নির্বাচন কেন নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়?
- ন্যাশনাল ইমিগ্রান্টস ডে উপলক্ষ্যে ৭ জনকে সম্মাননা
- মুনা’র ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন
- জেএমসি’র ফান্ড রেইজিংয়ে মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ
- নির্বাচন বানচালের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে সেলিম-আলী প্যানেলের প্রতিবাদ
- বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পেছাল তিন বছর
- যৌন নির্যাতনের অভিযোগে চিকিৎসক গ্রেফতার
- মামলা পরিচালনায় সব ধরনের আশ্বাস শাহ নেওয়াজের
- জাতিসংঘে বিশৃংখলাঃ কিউবান কূটনীতিককে বহিষ্কার যুক্তরাষ্ট্রের
- রুহুল ও সেলিম ভাই উভয়েই অর্থ দিতে চেয়েছিলেন ঃ ওসমান
- বাংলাদেশ সোসাইটির কোর্ট হেয়ারিং ১৭ ডিসেম্বর
- মিশিগানে মুসলিম ভোটাররা ইসলামবিদ্বেষী হামলার আশঙ্কায়
- ট্রাম্প ও ওবামার নির্বাচনী যুদ্ধ
- আজকাল ৯৪৬
- মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- আজকাল ৯৩২
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- আজকাল ৯৩৮
- উৎসব মুখর পরিবেশে নিউইয়র্কে ঈদ জামাত
- হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা
- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
- আজ পবিত্র ঈদুল আজহা
- মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- দীপ্তির জন্মের ৬ বছর আগেই এসএসসি পাশ করেছেন তার স্বামী
- আজকাল ৯২৫
- হোয়াটসঅ্যাপে সাইবার হামলা
- আজকাল ৯২৩
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
