বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন সংঘাত নাকি সমঝোতা
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৩
মাসুদ করিম, ঢাকা থেকে
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমশঃ বাড়ছে। বিএনপিসহ রাজপথের বিরোধী দলগুলো দূর্গাপূজার বিরতির পর আগামী ২৮ অক্টোবর রাজধানী ঢাকায় বড় সমাবেশ ডেকেছে। তারপর থেকে তারা লাগাতার কর্মসূচি দিয়ে যাবে। এমন কি ঢাকামুখী পদযাত্রা কর্মসূচির কথাও বলছেন বিএনপি নেতারা। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বিরোধী দলের কর্মসূচি মোকাবেলায় রাজপথে থাকার অঙ্গীকার করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগীরা। যদিও গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ এমন কি কোনও কোনও রাজনৈতিক নেতাও গণতন্ত্রের স্বার্থে প্রধান দুই দলের মধ্যে অর্থবহ সংলাপ করে সমঝোতায় পৌঁছানোর চাপ দিচ্ছেন। এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচনের আগে সামনের দিনগুলো সংঘাতময় হয়ে উঠবে নাকি রাজনৈতিক সমঝোতা করা হবে এটি নিয়েই বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। এসব আলোচনায় আন্তর্জাতিক মহলের ভূমিকাও বিবেচিত হচ্ছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে, দূর্গাপূজার দিনগুলো বাদ দিলে সরকার পতনের জন্য পর্যাপ্ত সময় নেই। ফলে শেষ পর্যন্ত সরকার পতন না হলে পরিস্থিতি কোনও দিকে মোড় নেবে এ নিয়ে কৌতূহলী জিজ্ঞাসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারা শান্তিপূর্ণ পথে সরকার বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। কিন্তু রাজপথে আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করলে তা সহিংস হয়ে ওঠার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। অন্যদিকে, সহিংসতা সৃষ্টি হলে বিরোধী দলের ওপর বলপ্রয়োগ করতে পারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সংঘাতময় পরিস্থিতি যদিও কারও কাম্য নয়। তবে সংঘাতের রাজনীতি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে বিএনপি’র জন্যে সেটা হিতে বিপরীত হতে পারে।
বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বারবার আহ্বান জানাচ্ছে। সর্বশেষ মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আখতার বাংলাদেশ সফরকালে একই আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ভোটের দিনের পরিবেশ শুধু নয়; এই মাস থেকেই মিডিয়া ও সুশীল সমাজের জন্যে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে তারা মতপ্রকাশ করতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবারই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরেও নির্বাচনের গুণগত মান নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে এবার কিছুটা ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাইডেন প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্যে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সঙ্গে বাইডেনের আলোচনায় নির্বাচনের বিষয়ে গুরুত্ব লাভ করেছে। বাইডেনের নির্দেশে তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলেভান ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব দেখে অনুমিত হয়, যুক্তরাষ্ট্র কিছু একটা চাইছে যা স্পষ্ট নয়। এটা কি শুধুই অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন? এটা কোনও বিশ্লেষকই বিশ^াস করতে চান না। তাদের অনুমান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে এমন একটি সরকার চায় যা তাদের প্রতি রাজনৈতিকভাবে অনুগত। সেটা একান্তই সম্ভব না হলে তাদেরকে বাণিজ্যিক সুবিধা দেবে এমন কেউ বাংলাদেশে ক্ষমতায় যাক।
বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ মহলের ধারণা, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিংবা বিএনপি আমলের শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুকের ভাই ওসমান সিদ্দিকী বাইডেন প্রশাসনকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছেন। ইউনূস ও ওসমান সিদ্দিকী উভয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক দলের ঘনিষ্ঠজন।
বাইডেন প্রশাসনের উদ্বেগের আরেকটি জায়গা হলো, শেখ হাসিনার সরকার ক্রমেই চীনপন্থী হয়ে উঠেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা যে কোনও সরকারকেই দেশের উন্নতি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হয়। শেখ হাসিনাকে চীনপন্থী মনে করে দূরে সরিয়ে অন্য যাকে বসানো হবে সেও যে চীনপন্থী হবে না তার কোনও গ্যারান্টি নেই। আরেকটি বিষয় হলো, বাংলাদেশে রিজিম চেঞ্জ করার মতো পয়েন্ট অব নো রিটার্নে যাওয়ার কোনও কর্মকান্ড বাইডেন প্রশাসনকে করতে দেখা যাচ্ছে না। কারণ রিজিম চেঞ্জ করার যে কোনও চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। এক্ষেত্রে, বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে প্রেস্টিজ ইস্যু হতে পারে।
এদিকে, শেখ হাসিনার ওপর চাপ সৃষ্টির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার মানবাধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেও শোনা যাচ্ছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টে সম্প্রতি বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে প্রস্তাব পাশ হয়েছে। ইউরোপীয় প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক মিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ইইউ বড় আকারের পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে পাঠাবে না। এমন পরিস্থিতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৪ অক্টোবর চার দিনের সফরে ব্রাসেলস যাচ্ছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডেন লিয়েনের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী এই সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশ নেবেন। আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম ইইউ সদর দফতর ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানীর বিষয়ে বাংলাদেশকে আরও সম্পৃক্ত করার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়াও, সম্মেলনে আগাম ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনাও আসন্ন ব্রাসেলস সফরে হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনও ঘাটতি থাকলে তা পূরণের চেষ্টা হতে পারে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তাপ-উত্তেজনার আশঙ্কার মধ্যে শেখ হাসিনার সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধি করছেন। গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে যোগদান হলো সেই প্রচেষ্টার অংশ। গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামকে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির মতো ইউরোপীয় কৌশল বলে মনে করা হয়। গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন কিংবা কানেকটিভিটি জোরদার নয়; বরং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ।
- প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের
- বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংস্কার পরিষদের কী হবে
- মন্ত্রীদের শপথ বর্জন জামায়াতের ভুল সংস্কৃতি
- শিবলী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব
- এসেমব্লিতে লড়ছেন জাকির, সানী ও শামসুল
- হাসিনার ৩ আত্মীয় তারেকের আস্থায়
- মন্তব্য প্রতিবেদন
‘গুড স্টার্টার’ তারেক রহমান! - আজকাল ৯১০
- দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি
- ‘নতুন শুরুর’ বার্তা: প্রটোকল কমালেন প্রধানমন্ত্রী
- ডোপ টেস্ট পজিটিভ হলে সরকারি চাকরিতে অযোগ্য, বিধিমালা জারি
- ইসলামের পবিত্রতম স্থানের নিদর্শন এপস্টিনকে পাঠানো নিয়ে কী আছে ?
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নতুন নিয়ম করল যুক্তরাজ্য
- সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমান: জামায়াত আমির
- মার্কিন রণতরি ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি খামেনির
- মন্ত্রিসভায় ফুটবলের মাঠ কাঁপানো ২ অধিনায়ক
- শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ ইইউর
- চাঁদা তুলতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখবেন: হাসনাত আবদুল্লাহ
- রোজায় স্কুলের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল মন্ত্রণালয়
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- কোন মন্ত্রণালয় কে পেলেন
- ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার
- মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের, বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ
- অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন জুলাই সনদ: প্রধান উপদেষ্টা
- পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল
- ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের
- পাকিস্তানকে উড়িয়ে সুপার এইটে ভারত
- ইরানে সপ্তাহজুড়ে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮২ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- ট্রাম্পের চাপে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা অ্যাপলের
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- বাচ্চাগুলোর ড্রপ আউট : দায় কার
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইউটিউব ভিডিও নির্মাতাদের জন্য দারুণ খবর!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৮৩
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
