‘এবার দক্ষ অর্থমন্ত্রী পেয়েছে দেশ’
প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০১৯
বলা হয়ে থাকে, অর্থমন্ত্রীর সফলতার ওপরই সরকারের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর। এমন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় টানা ১০ বছর সামলেছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়ে এসেছেন সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
নতুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, তার কাছে চাওয়া ছাড়াও অর্থনীতির নানা বাঁক নিয়ে পরিবর্তন ডটকমের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ফরিদ আহমেদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও দেশবরণ্যে অর্থনীতিবদ আবু আহমেদ—
অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এসেছেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। তার অধীনে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় কি কোনো পরিবর্তন আসবে?
অতীতের তুলনায় এবার ভাল অর্থমন্ত্রী দিয়েছে সরকার। আমি মনে করি, নতুন অর্থমন্ত্রী ভাল করবেন। অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা আগের চাইতে ভাল হবে। কারণ, তিনি অর্থনীতি বুঝেন, অর্থনীতির মূল জায়গাগুলো সম্পর্কে তার ভাল জ্ঞান আছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পুঁজিবাজার, অভ্যন্তরীণ সম্পদ (রাজস্ব) সম্পর্কে উনার ভাল ধারণা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। এজন্য মনে হয়, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার আর্থিক ব্যবস্থাপনা ভাল হবে। দেখুন, পুরোপুরি ভালও কিন্তু কেউ করতে পারবে না। কারণ, আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এক্ষেত্রে অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা পূর্বের চাইতে ভাল হলে এটাও আমাদের জন্য বিরাট পাওয়া হবে।
নতুন অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যে, এতদিন দেশের সবচেয়ে বেশি অবহেলিত খাত অর্থনীতি। তার কাজের অগ্রাধিকার কী হবে এবং তাতে কতটুকু কতটুকু সফল হতে পারবেন বলে আপনি মনে করেন?
অর্থমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন। উনি জানেন বিষযগুলো। ব্যাংকিংও জানেন। ট্যাক্স ইস্যুগুলোও জানেন। এছাড়া ক্যাপিটাল মার্কেট সম্পর্কেও উনার অনেক ভাল ধারণা রয়েছে। আমার মনে হয়, বহুদিন পরে হলেও একটা ভাল হাত অর্থ মন্ত্রণালয়ে এসেছে। দেখেন এটার প্রতিফলন শেয়ার মাকের্টে কিন্তু ইতোমধ্যে পড়েছে। শেয়ার মার্কেট এই কারণেই বৃদ্ধির দিকে।
পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর পেছনে কারণ কি?
পুঁজিবাজারের মানুষজন মনে করছে, অর্থমন্ত্রী যেহেতু কোথায় কোথায় সমস্যা, তা জানেন। সুতরাং যা যা করার দরকার, তিনি তা করবেন। এই আশা থেকে পুঁজিবাজারে একটা আশাবাদের সৃষ্টি হয়েছে। দেখুন, এক্সপেকটেশান হলে তখন সবকিছু বাড়তেই থাকে। এছাড়া বিনিযোগকারীরা কিছুটা আস্থা পাচ্ছেন, এই ভেবে একজন দক্ষ অর্থমন্ত্রী দায়িত্বে এসেছেন।
আমাদের পুঁজিবাজারের মূল সমস্যা কি বলে আপনি মনে করেন? এখানে অর্থমন্ত্রী কি ভূমিকা রাখতে পারবেন?
পুঁজিবারের মূল সমস্যা ভাল শেয়ারের অভাব। পুঁজিবাজারের গভীরতার অভাব। অর্থমন্ত্রী যদি ভাল কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে অন্তর্ভূক্তির জন্য উদ্যোগ নেন, তাহলে এটা হবে সবচেয়ে কার্যকরি সিদ্ধান্ত। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, দেশীয় ভাল কোম্পানি পুঁজিবাজারে অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন অর্থমন্ত্রী। অন্ততঃপক্ষে বছরে যদি একটা ভাল কোম্পানিও পুঁজিবাজারে আনতে পারেন, সেটাও অনেক বড় অর্জন হবে তার জন্য। এতে পুঁজিবাজারের গভীরতাও বাড়বে।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, খেলাপি ঋণ আর বাড়বে না। এটা কী আদৌ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?
খেলাপি ঋণতো গত কয়েক বছরে শুধু বেড়েছেই। আগের অর্থমন্ত্রী এটা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে নতুন অর্থমন্ত্রী বলেছেন, খেলাপি ঋণ আর বাড়তে দিবেন না। আসলে আমাদের দেশের যে অবস্থা, তাতে খেলাপি ঋণ যদি এখন যেখানে আছে, সেখানেও রাখা সম্ভব হয়, তবে অনেক বড় অর্জন হবে। আমি আশা করি, তিনি (অর্থমন্ত্রী) চাইলে খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন। এমনকি অর্থমন্ত্রী চাইলে খেলাপি ঋণের হার কমাতেও পারবেন।
খেলাপি ঋণ আদায়ে আইনের পরিবর্তনের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী। ব্যাংক-কোম্পানি আইন পরিবর্তনে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হবে নাতো?
অর্থমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন। আইনের ফাঁক-ফোকরের কারণেও কিন্তু খেলাপি ঋণ আদায় হচ্ছে না। ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া যায় না। এজন্য খেলাপি ঋণ আদায়ে আইনের পরিবর্তন করা দরকার। কারণ, ব্যাংক-কোম্পানি আইনের বিভিন্ন ধারায় কিছু সাংঘর্ষিক বিষয় আছে। অর্থমন্ত্রী চাইলে মন্ত্রিসভায় তুলে আইন পরিবর্তন করতে পারবেন। অনেক আইনইতো দেশে পরিবর্তন হচ্ছে। এটাও হবে। ব্যাংক-কোম্পানি আইন পরিবর্তন করে খেলাপি ঋণ আদায় করা সম্ভব।
ঋণ খেলাপিরা প্রভাবশালী। এক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা আসবে কি না?
ঋণ খেলাপিরা যত প্রভাবশালীই হোক, তারা কিন্তু সরকারের চেয়ে বেশি প্রভাবশালী নন। অতীতে কাউকে শক্ত করে ধরে নাই বলে তারা প্রভাবশালী হয়ে গেছেন। কাগুজে বাঁশ হয়ে গেছেন অনেক ঋণ খেলাপি। সুতরাং শক্ত করে ধরে একটা ম্যাসেজ দিতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় আর বাংলাদেশ ব্যাংক মিলে এই ম্যাসেজ দিবে যে, এই ধরনের অরাজকতা আর চলতে দেব না। দেখবেন দু’একজনকে ধরলে অন্যরা এসে টাকা দিয়ে যাবে।
পাহাড়সম খেলাপি ঋণের পেছনে কী বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় নেই?
খেলাপি ঋণ না আদায় হওয়ার পেছনে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায় এবং দোষ— দুটিই রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে চলে আসছে গত কয়েক বছর ধরে। এজন্য খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা আরও শক্ত হবে এই আশা করেছিলাম আমরা। কিন্তু, সেটা হয়নি। এর থেকে বের হতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিও কড়া বার্তা দিতে হবে নতুন অর্থমন্ত্রীকে।
রাজস্ব আদায়ে ব্যাপক সংস্কারের কথা বলেছেন নতুন অর্থমন্ত্রী। এই সংস্কার হলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব আসবে কি না?
দেখুন, আমাদের দেশে কখনোই রাজস্ব সঠিক হারে আদায় হয়নি বা রাজস্ব কর্মকর্তারা সঠিক হারে আদায় করেন না। বিশেষ করে ভ্যাট এখন সবাই দিচ্ছেন না। কারণ, ভ্যাটের অতিরিক্ত হার। এটা নুতন অর্থমন্ত্রী ভাল করে জানেন। ভ্যাট সঠিক হারে আদায় করার ব্যবস্থা সবার আগে করা উচিত। এখানে আরেক অরাজকতা আছে। সেটা হলো ভ্যাট কেউ এখন আদায় করে কিন্তু সরকারি কোষাগারে জমা দেন না। আবার কেউ আদায়ই করেন না। ঘুষ নিয়ে ভ্যাট ফাঁকি দিতে সহযোগিতা করেন। সুতরাং সঠিক ও স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজস্ব আদায় করতে অর্থমন্ত্রী প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে পারেন। এ ছাড়া বর্তমানে কর হার ও ভ্যাট হার অনেক বেশি। অর্থমন্ত্রীর কথাই ঠিক। কর হার ও ভ্যাট হার কমালে রাজস্ব আদায় কমবে না বরং বাড়বে।
- নারীর মরদেহ থেকে স্বর্ণের কানের দুল খুলে নিলেন কর্মচারী
- অনলাইনে পোস্ট নিয়ে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের গ্রেপ্তার করছে সৌদি
- শুধু জুনেই হতাহত ৩৮ হাজারের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা
- যুবদল নেতার কার্যালয়ে আটকে ৪ যুবককে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
- খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান
- গাজা-পশ্চিম তীরে দখল বাড়াচ্ছে ইসরাইল
- সার্কাসের দড়িতে হাঁটছে বিশ্বশান্তি
- ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
- লেনদেনে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা
- জুলাই নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করলেন মেহের আফরোজ শাওন
- ‘শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে’
- সুইডেনকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স, শেষ ষোলোয় প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে
- ৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে চম্পট দেন এনসিপি নেতারা
- মস্কোর স্যাটেলাইট সেন্টারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা
- ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বিজয়ী চীন
- রক্তাক্ত জুলাই
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে গণ-অভ্যুত্থান - হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল
- মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা
- আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল, কে আগে স্বীকৃতি দিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে
- গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট
- নতুন পে-স্কেলের খসড়ায় মূল বেতন বাড়ছে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত
- দুর্নীতির সংবাদ করায় এনায়েত শাওনকে বিটিআরসি কর্মকর্তার হুমকি
- ট্রাম্পের বরখাস্ত ক্ষমতা বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট,
- তেলের দাম কমার কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি ট্রাম্পের
- শেষ মুহুর্তের গোলে শেষ ষোলোর টিকিট কাটল ব্রাজিল
- জিপিএস, নজরদারি ও স্যাটেলাইট বিধ্বংসী প্রযুক্তিতে এগিয়ে চীন
- ৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা ফেরত নিয়ে বড় ঘোষণা
- নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর
- মার্কিন ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সুমাইয়া
- ইউরোপে তাপপ্রবাহজনিত কারণে ১৩০০ মৃত্যু: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০০
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯১০
- শেখ রাসেলের একটি প্রিয় খেলা
- ঢাকার ২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
- বিকাশের কাছে জিম্মি এজেন্টরা
- আবার ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগ: ইআইইউ
- ‘নগদ’কে অনুসরণ করে এগুচ্ছে বিকাশ!
- জাতিসংঘে অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা গৃহীত
- ৫০ হাজার আসনের ‘শেখ হাসিনা’ ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে পূর্বাচলে
- শেষ ঠিকানা আজিমপুর কবরস্থান
- শেখ হাসিনার হাতটি ধরে পথের শিশু যাবে ঘরে
- ভেনামি চিংড়ি চাষে প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
- জাতীয় চেতনার স্মারক ‘দোয়েল চত্বর’
- সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় কোভিডের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে: প্
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দিকে মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ
- প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি
- আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা স্মারক সই
