‘শিক্ষকদের প্রমোশনের ব্যবস্থা করতে হবে’
প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০১৯
বাবা মায়ের দায়িত্ব সন্তানকে স্কুলে পাঠানো। আর সেই শিশুকে আলোকিত মানুষ গড়ার নেপথ্যে শিক্ষকের ভূমিকায় মুখ্য। আর সেটি যদি হয় গ্রামের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাহলে তো দায়িত্বটা আরও একধাপ বেড়ে যায়। অন্যের সন্তানকে পরম মমতায় আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সার্থকতা একমাত্র শিক্ষকতার পেশায় আছে। যা আর দশটা পেশায় এই সুযোগ নেই। এজন্য শিক্ষকদের বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর।
অসংখ্য সন্তানের স্বপ্ন বুননের এই কাজে ভালবাসাও কম নয়। হাজারো সন্তানের ভালবাসা, অর্থের বিনিময়ে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই ভালবাসার টানেই শিক্ষকতার পেশাকে আপন করে নিয়েছি। সংকট আছে, হতাশা আছে, তারপরও শিশুদের ভালবাসার কাছে হার মেনেছে সবকিছু। কথাগুলো বলছিলেন যশোর সদর উপজেলার হালসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিক্তা রাণী দাস। ২০ বছরের শিক্ষকতার পেশায় অভিজ্ঞতাও কম হয়নি। আলাপচারিতায় উঠে এসেছে শিক্ষকতা জীবনের নানা সংগ্রাম আর সফলতার কথা।
রিক্তা রাণী দাস বলেন, এখনো কিছু সমস্যা আছে গ্রামে গঞ্জে। এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ বছর বয়স থেকে ভর্তি করায়। শিশু শ্রেণিতে। পরে দেখা যায় ওই শিশুকে মাদরাসায় নিয়ে ভর্তি করায়। দুটোর শিক্ষা পদ্ধতি পুরোপুরি ভিন্ন। আমরা যা শেখায় তা পুরোপুরি ভুলে যায়। ওই বাচ্চা আমাদের কাছে এসে আবার যখন ভর্তি হয় তখন আবার নতুন করে শেখাতে হয়। আমাদের নির্দেশনা আছে কেউ চলে গিয়ে আসলে তাকে আবার ভর্তি করে নেওয়ার। এক ক্লাসে দুই বছর রেখে দিতে হয়। আবার এই স্কুল থেকে চলে গেলে আমাদের খোঁজ নিতে হয় সে কি করছে। কোথায় পড়ে। পড়লে ঝরে পড়া হয় না। এই তথ্যগুলো প্রতি বছর আমাদের শিক্ষা অফিসে দেয়া লাগে।
তিনি বলেন, অভিভাবকরা এখন আগের থেকে সচেতন হয়েছে। আমি ১৯৯৮ সালে যখন শুরু করেছি তখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র খুঁজে ভর্তি করাতাম। আগে তো ছেলে মেয়েরা ভর্তি হতো না। তবে এখন সবাই পড়াতে চায়।

শিক্ষকতা জীবনে খুব বেশি সমস্যায় পড়তে হয় নি বলে জানান তিনি। বলেন, আমি যে সব এলাকায় শিক্ষকতা করেছি তা খুব রিমোট না। অনেক যায়গায় মেয়েরা সমস্যায় পড়ে তবে আমি পড়িনি। খুব বেশি সমস্যা না পড়লেও তবে চাকরির জীবনে পরিবারের সানিধ্য খুব বেশি পাননি। রিক্তা রানী বলেন, আমি পরিবারে সময় কম দিতে পেরেছি। চাকরি করতে হয়েছে দূরে। সময়মতো স্কুলে পৌঁছাতে আমার সকাল ছয়টার আগে বাসা থেকে বের হতে হতো। স্টুডেন্ট জীবনে বিয়ে হয়েছে। আমি যখন অনার্স প্রথম বর্ষে তখন আমার বড় ছেলে হয়। ছোট ছেলের জন্ম মাস্টার্স পরীক্ষার পর।
শিক্ষকতা পেশায় আসা সম্পর্কে তিনি বলেন, শিক্ষকতা ভালো একটা পেশা। আমার পরিবারের কেউ শিক্ষকতা পেশায় নেই। প্রথম দিকে একটা চাকরি করতে হবে এই মানসিকতায় শিক্ষকতায় আসা। তবে ধীরে ধীরে বাচ্চাদের প্রতি ভালোলাগায় থেকে যাওয়া। বাচ্চারা খুব মনে রাখে। ভালোবাসে। ভালোবাসার টানে শিক্ষকতা পেশায় আছি।
বাচ্চাদের শেখানো অবশ্যই কঠিন। রুট লেভেলের গার্ডিয়ানরা অত সচেতন না। উপরের লেভেলে পড়ানোর চেয়ে প্রাইমারিতে পড়ানো দশগুন কঠিন। যেহেতু তারা কিছুই জানে না। কথা বলতেও জানে না। শুধু লেখা পড়া শেখানো নয়, ওদের বাথরুম করা, নখ কাটা, হাত ধোয়াও শেখাতে হয়। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা এসব কিছু আমাদের শেখাতে হয়।
এই বাইরেও আমাদের অনেক কাজ করতে হয়। যেমন, আদমশুমারি ছাড়াও প্রতিবছর জনসংখ্যার যে হিসাব হয় তাও আমাদের করতে হয়। ছয় মাস পর পর ছাত্রদের ওজন নেয়া। হাইট নেয়া। সে গুলো লিখে রাখা।
রিক্তা দাস আরো বলেন, সময় মেনে না চললে শিক্ষকতা জীবনে কারো অনুকরণীয় হতে পারবে না। আবার ছাত্র-ছাত্রীদের কাছেও ভাল হতে পারবে না। আন্তরিক হতে হবে। আমাদের ফিফটি পার্সেন্ট অভিভাবক সচেতন না। তার ভেতর থেকে তাদের সাথে লিয়াজোঁ করতে হয়।
শিক্ষকতাকে আরো পেশাদার জায়গায় নেয়ার দাবি জানিয়ে রিক্ত রাণী বলেন, শিক্ষকদের প্রমোশনের ব্যবস্থা করতে হবে। দীর্ঘদিন পর ২০১৪ সাথে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সহকারি শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক এরপর ধীরে ধীরে শিক্ষা অফিসার হিসেবে পদোন্নতির ব্যবস্থা করলে মেধাবিরা এই পেশায় নিশ্চয়ই আসবে। ১৯৯৬ সালে আমি মাস্টার্স করেছি। যদি আমি ব্যাংকে চাকরি করতাম। তাহলে একই পদে থাকতাম না। আমি চলে যাব তাও মনে হয় প্রমোশন হবে না। শিক্ষা অফিসে যে ড্রাইভার আছে আমার সহকারি শিক্ষকরা তাদেরও নিচের ক্লাসে চাকরি করেন। কোন উপায় না পেয়ে এই চাকরি করেন।
- ইরান যুদ্ধের খরচ মেটাতে ৮৮ বিলিয়ন ডলার চাইলেন ট্রাম্প
- মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠিত
- বিএনপির জিল্লু ৬ মাস পর ফিরলেন
- শত্রুর বিরুদ্ধে মিন্টুর হুংকার
- ৩০ জুনই নির্বাচনী মহড়ার প্রাথমিক দৃশ্য
- যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আইস’র গ্রেপ্তার সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ
- নতুন তারকার জন্ম হয়নি এবারের বিশ্বকাপে
- বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের পুরস্কার বিতরণ
- নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
- অভিবাসী বিতারণে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ট্রাম্পের বিজয়
- প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ভারত চাপে
- সেই রাজকুমার হারলেন
- বিশেষ একাউন্ট: প্রবাসীরা বিনিয়োগ ফেরত আনতে পারবে
- ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি
বাংলাদেশি প্রার্থীরা কে কোথায় - রাজনীতিতে কিংমেকার মামদানি!
- সিটিজেনশীপ আবেদন ফি ১৩৩০ ডলার হচ্ছে
- আমাদের ছিলেন একজন শামসুল হক
- আজকাল ৯২৮
- ‘বিশ্বকাপ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে’
- নিউইয়র্কে মেয়র মামদানি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয়জয়কার
- এবার শ্যামলীতে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনায় শিশুর মৃত্যু
- ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড মহারণ, নেইমারের অপেক্ষায় কোটি ভক্ত
- একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রই পারে বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে: রাশিয়া
- সাংবাদিকদের বাথরুম পরিষ্কারের দায়িত্ব দেওয়া উচিত
- খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান
- জন্মদিনে মেসিকে চমকে দিলেন সতীর্থরা
- ভ্যাটের আওতায় আসছে মুদি দোকান ও বিউটি পার্লার
- দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা নিয়ে ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’
- অলস ২৩ হাজার কোটির বিনিয়োগ
- ট্রাম্পের ব্যবহারের জন্য নতুন বিলাসবহুল এয়ার ফোর্স ওয়ান
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- আজকাল ৯০৪
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- পঞ্চম-অষ্টমের সমাপনীর ফল ২৪ ডিসেম্বর
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- ঢাবিতে আরবি ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তি
- আন্তর্জাতিক ফোরামে সিকৃবির শিক্ষার্থী
- এক যুগে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
- আজকের সংখ্যা ৮৪৪
- তারুণ্যের বিজয় ভাবনা
- কাতারে অগ্নিকাণ্ডে ৪ বাংলাদেশি নিহত
- নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
- বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে মলদোভা
- জ্যাকসন হাইটসের বাঙালি আড্ডা
- ফরিদপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মূল হোতা আটক
- কুবির বাংলা বিভাগে পিঠা পার্বণের আয়োজন
- এক ছাতার নিচে আসছে মাধ্যমিকের উপবৃত্তি
- দেশে আয় পাঠাতে প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুযোগ
