কাশ্মীর ইস্যুতে শক্তিধর দেশগুলো কী চায়?
প্রকাশিত: ২ মার্চ ২০১৯
একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থায় গিয়ে ঠেকেছে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মোহাম্মদের হামলায় ভারতের আধা-সামরিক বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ৪০ সদস্যের প্রাণহানির ঘটনায় উত্তাল পুরো দক্ষিণ এশিয়া।
পুলওয়ামা হামলার জবাবে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোরে পাকিস্তানের বালাকোটে ১২ দিন পর ১২টি মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমান নিয়ে অভিযান চালায় ভারতীয় বিমানবাহিনী। দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিজয় গোখলে বলেছেন, অভিযানে অন্তত ৩০০ জঙ্গি নিহত হয়েছে। ভারতের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে পাকিস্তান বলছে, কাশ্মীরে নয়াদিল্লির অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মাত্র ১ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম। তবে ভারতীয় বিমান আকাশসীমা লঙ্ঘন করে হামলা চালানোয় বেশ চটেছেন পাকিস্তানিরা।
ইতিহাস ঘেটে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের সীমানায় ঢুকে বিমান হামলা চালালো ভারত। শেষবার চালিয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। পাকিস্তানও যে বসে থাকবে না সেটা অনুমেয়ই ছিল। ভারতের হামলার একদিন পর ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানের হামলায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম। এর মধ্যে ৬ জনই দেশটির বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা।
দুই দেশের এই সংঘাত যুদ্ধের পর্যায়ে যাওয়ার আগেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের কাছে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও সেই আহ্বানে ভারত কতটা সাড়া দিবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে ইমরান খান বারবার বলেছেন, ‘যুদ্ধ শুরু হলে সেটা আর কারো নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।’ কিন্তু যুদ্ধ হওয়ার মত সব ধরনের পরিবেশই বিরাজ করছে কাশ্মীরে। বলা যায়, ভারতের প্রতিটা পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে পাকিস্তানের পাল্টা পদক্ষেপ। অন্যদিকে, কূটনৈতিক এবং বাণিজ্যিকভাবে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে সব রকম বন্দোবস্তই গ্রহণ করেছে ভারত। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র হয়েও ভারত এখনো সহানুভূতিশীল মনোভাবই দেখিয়ে আসছে।
তবে দুই দেশের এমন যুদ্ধংদেহী মনোভাব আরো খারাপের দিকে কিংবা স্পষ্ট করে বললে যুদ্ধের দিকেই গড়ালে সেটাতে কার বেশি লাভ-ক্ষতি এবং যুদ্ধ না হলে কার বেশি লাভ-ক্ষতি সেই হিসাব ইতোমধ্যে কষতে শুরু করেছে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো। এশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভালো নেই; আর চীন-ভারত সম্পর্কের এই ফাঁটল বহু পুরনো। ডোকলাম ইস্যুতে চীনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত বিরোধ চরমে পৌঁছেছিল। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কল্যাণে সেই উত্তেজনা সাময়িক বন্ধ রয়েছে।
এশিয়াতে চীনের সবচেয়ে ভাল বন্ধু হিসেবে দশকের পর দশক পরিচিতি পেয়ে আসছে পাকিস্তান। দেশটির সঙ্গে সীমান্তও রয়েছে চীনের। ওয়ান বেল্ড ওয়ান রোডের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের গাদওয়ার শহর থেকে চীনের শিনচিয়াং প্রদেশের কাশগর পর্যন্ত অর্থনৈতিক করিডর নির্মাণ করছে চীন। আগামী বছর দুই দেশের বাণিজ্যের আকার দাঁড়াবে ২০ মিলিয়ন ডলার; যা ২০০৩ সালে ছিল মাত্র ১ বিলিয়ন ডলার।
চীনা পণ্যে পুরো পাকিস্তান সয়লাব হয়ে যাওয়ার উপক্রম। পাকিস্তানের তরুণ-তরুণীদের ভেতর চীনা ভাষা শেখারও প্রবণতা আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। সামরিক ঘাঁটি হোক বা না হোক, চীনের বৈশ্বিক উচ্চাভিলাষের একদম মধ্যমণি পাকিস্তান। পাকিস্তানের কাছে চীনের ঋণের পাল্লাটাও বেশ ভারী। ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণের বোঝা পাকিস্তান কীভাবে শোধ করবে সেটি সময়েই বলবে। তবে কাশ্মীর ইস্যুতে যদি দুই দেশ যুদ্ধে জড়ায় তাহলে পরোক্ষভাবে চীনও কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে অর্থনৈতিকভাবে আর সেটাই কামনা করছে আরেক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র।
মস্কোর অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক আলেকসে কুপ্রিয়ানোভ মনে করেন, যেকোনো ধরনের সংঘাতে চীনের জড়িয়ে যাওয়া মানেই অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়া। তার কথাটা অবশ্য মিথ্যা নয়। বিশ্ব অর্থনীতিতে, আমেরিকার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী এখন চীন। তারা যদি কিছুটা দুর্বল হয়ে যায় তাহলে আমেরিকা আবারও নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য দেখাতে পারবে।
কুপ্রিয়ানোভ মনে করেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত যুদ্ধে রূপ নিলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনা সামরিক বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়বে; যা আমেরিকাকে এই অঞ্চলে আবারো কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে। যুদ্ধ না হলেও যদি সংঘাতের চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়, সেক্ষেত্রে চীনারাও বসে থাকবে না। কারণ কাশ্মীরের আকসাই অঞ্চলটি রয়েছে চীনের দখলে। নিজেদের অধিকৃত অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য যেকোনো উপায়ে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে চীন সরকার।
আবার, পাকিস্তানকেও তারা সামরিকভাবে এবং অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা দিয়ে যাবে; যার দরুণ চীনের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনায়, চীনের আপাতত কাশ্মীর ইস্যুতে যুদ্ধের প্রতি সমর্থন যে থাকবে না সেটা কিছুটা হলেও আঁচ করা যায়। ইতোমধ্যে, দুই দেশকে সংযত আচরণ করার জন্য চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতি দেয়া হয়েছে।
তবে যেকোনো যুদ্ধই আমেরিকার জন্য বয়ে নিয়ে আসে সফলতার বার্তা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরই বোঝা যায় আমেরিকা সবাইকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বিশ্বে সর্বাধিক অস্ত্র বিক্রি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। গেল পাঁচ বছরের তুলনায় এখন যা বেড়েছে ২৫ শতাংশ।
সিপ্রির মতে, বিশ্বে অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ দেশ হচ্ছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেও তাদের অস্ত্র আমদানি বেড়েছে ৬ গুণ। যদিও ভারত সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করে রাশিয়া থেকে। একটি যুদ্ধ শুরু হলে এশিয়ায় আরো বেশি অস্ত্র বিক্রি করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র। এতে তাদের অর্থনীতি আরো বেগবান হবে। পাকিস্তানের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প নাখোশ হলেও চীনকে ঘায়েল করার জন্য নিজের নীতিতেও যেকোনো সময় পরিবর্তন আনতে পারেন তিনি। কেননা, এর ফলে আমেরিকার অর্থনীতি চীনের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আপাতদৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রও চাচ্ছে না এশিয়ায় আরেকটি যুদ্ধ হোক। ইয়েমেন এবং সিরিয়ায় ছায়াযুদ্ধ করতে গিয়ে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে আমেরিকার। আফগানিস্তান এবং ইরাকে তো এখনো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করছে তারা। ইয়েমেনে ৫৬ হাজার বেসামরিক মানুষকে মেরে ফেলেছে সৌদি-মার্কিন জোট। এতে সারা বিশ্বের রোষানলে পড়তে হয়েছে এই জোটকে। সিরিয়াতে ২০১১ সাল থেকে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও সম্প্রতি সেখান থেকে মার্কিন সৈন্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে করে নিজ দেশের বিশ্লেষকদের তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। তাই নিজেদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আরেকটা সংঘাত চাইতে পারে, যেখানে ট্রাম্পের নীতিই হচ্ছে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’। তবে যুদ্ধ না হলেও ভারত-পাকিস্তানের উপর আঞ্চলিক চাপ অব্যাহত রাখবে আমেরিকা।
বিশ্বের আরেক পারমাণবিক শক্তিধর দেশ রাশিয়া এক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয় পর্যায়ে রয়েছে। বলা যায়, তারা সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিশ্বের সব পরাক্রমশালী দেশগুলো নিজেদের সামরিক শক্তি ও পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে। নিজের ভূখণ্ডে শত্রুপক্ষ আঘাত হানলে যেন সমুচিত জবাব দেয়া যায়, সেটাই লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। আর তাই ভারতের শত্রু পাকিস্তানের থেকে নিজেদের এগিয়ে রাখতে এবং ভুখণ্ডকে সুদৃঢ় রাখতে রাশিয়াকেই বেছে নেয় ভারত।
পুতিনের দেশের সঙ্গে গেল বছরের অক্টোবরে ৫২০ কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চুক্তি করে ভারত। এই চুক্তি করার আগে ভারতকে হুমকিও দিয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু পুতিনের ভারত সফরে সেই হুমকির কোনো রকম তোয়াক্কা করেননি মোদি। এছাড়া ভারতীয় নভোচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি ২০২২ সালে প্রথমবারের মহাকাশে ভারতীয় নভোচারী পাঠানোতেও সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাশিয়া।
অন্যদিকে, পাকিস্তানকে সর্বাধুনিক যুদ্ধবিমান সুখোই-৩৫ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাশিয়া। ২০১৮ সালের আগস্টের এই সিদ্ধান্তে ভারতও কিছুটা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। কেননা ২০০৭ সালে ভারত-রাশিয়ার ভেতর যৌথভাবে এয়ারক্রাফট তৈরি চুক্তি হয়। কিন্তু ২০১৮ সালের জুলাইয়ে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাশিয়াকে একাই প্রজেক্ট চালাতে বলে এবং ভারত শেষের দিকে যোগ দিবে বলেও আশাপ্রকাশ করে।
কিন্তু রাশিয়া ভারতের জন্য বসে না থেকে পাকিস্তানের কাছে এই যুদ্ধবিমান বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। তাই এক্ষেত্রে দুই দেশের সঙ্গে মোটামুটি সহাবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। তাই তারা চাইবে না, আপাতত নতুন কোনো সংঘাত হোক। সংঘাত হলেও সেটা বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং শান্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। রাশিয়াতে বর্তমানে ভালো অবস্থায় নেই পুতিনের সরকার। সম্প্রতি এক জনমত জরিপে দেখা যায়, পুতিনের সরকারকে ৫০ শতাংশ মানুষই আর চাচ্ছে না। তাই নিজের দেশের কথা চিন্তা করে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের সঙ্গেই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সংকট এড়ানোতেই বেশি আগ্রহী রাশিয়া।
রাশিয়া, চীন কিংবা আমেরিকা থেকে নীতিতে সবসময়ই সমঝোতার প্রস্তাব করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপের ২৮টি দেশ নিয়ে গঠিত এই সংগঠনের দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক বন্ধু হচ্ছে ভারত। ২০১৮ সালের হিসেবে, বছরে ৪৪ হাজার ২১৫ মিলিয়ন ইউরো পণ্য ভারত থেকে আমদানি করেছে তারা। তবে, একই সময়ে পাকিস্তান থেকেও প্রায় ৭ হাজার মিলিয়ন ইউরোর পণ্য আমদানি করে ইইউ। তাই এই অঞ্চলে কোনো রকম সংঘাতময় পরিস্থিতি আসুক সেটা কোনভাবেই চায় না তারা।
পরমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক দিক দিয়েও ভারত অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। শ্রীলঙ্কায় ভারত ঘেষা প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রমাসিংহেকে অপসারিত করে মাহিন্দ্রা রাজাপাক্ষেকে প্রধানমন্ত্রী করায় বেশ কিছুদিন উত্তপ্ত ছিল দেশটির রাজনীতি। যদিও প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা শেষ পর্যন্ত বিক্রমাসিংহেকেই প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল রাখেন।
এতে পরোক্ষভাবে ভারতের শক্তিই কিছুটা বৃদ্ধি হয়েছে। ঠিক এমনটাই ঘটেছে মালদ্বীপের ক্ষেত্রেও। চরম চীনা ঘেষা প্রধানমন্ত্রী মামুন আবদুল গাইয়ুমকে পরাজিত করে প্রধানমন্ত্রী হন ইব্রাহিম মোহাম্মদ সালিহ। সালিহর শপথ অনুষ্ঠানে একমাত্র এশিয়ান রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। এতেই প্রমাণ করে মালদ্বীপের সঙ্গে কতটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হতে যাছে ভারতের। নেপাল-ভূটান তেমনভাবে কোনো আঞ্চলিক ক্ষমতা প্রদর্শন করতে না পারলেও তারা কোনো পক্ষেই যেতে চাইবে না হয়তো। এক্ষেত্রে পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমার হয়তো দোটানায় পড়তে পারে। সেই দোটানার বলি হতে পারে বাংলাদেশও।
রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে ভারত ও চীন দুই দেশই মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যেখানে ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়েও তাদেরকে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে মিয়ানমারের ওপর তেমন চাপ প্রয়োগে বাধ্য করতে পারেনি। আবার রাখাইনে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করছে চীন সরকার। যার ৭০ শতাংশ মালিকানাই পাচ্ছে চীন। কায়ুকফায়ু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার দিকেও এগোচ্ছে চীন।
চীনের এমন মনোভাবে বাংলাদেশও কিছুটা শঙ্কায় পড়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে। ভারত-পাকিস্তান কোনো রকম সংঘাতে জড়ালে সেখানে মিয়ানমারও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়বে। আর এতে আরো দীর্ঘ হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। তাই সব রকম যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে চাইবে বাংলাদেশও।
দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে এমন সংঘাত পুরো বিশ্বকে আবার নতুন করে দলাদলির ভেতর নিয়ে যেতে পারে। শেষ পর্যন্ত প্রাণ যাচ্ছে কাশ্মীরের নিরীহ জনগণেরই। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান বিভক্ত হওয়ার সময় থেকেই শুরু হয় কাশ্মীর সঙ্কট। যা চলছে এখনো। ভূ-স্বর্গ খ্যাত কাশ্মীর ভারত-পাকিস্তানের লোলুপ দৃষ্টি থেকে রেহাই পাক। যদি সেটা আরো প্রাণদানের মাধ্যমে স্বাধীনতার মধ্য দিয়েও হয় তবে সেটাই হোক।
- মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে, কারবারিরা সংসদে যায়
- অস্ত্রের মজুত কমছে যুক্তরাষ্ট্রের
- হরমুজ দখলে নিয়ে ২০ শতাংশ শুল্ক চালুর ঘোষণা ট্রাম্পের
- বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা
- ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি, মাসে দিবি ১০ লাখ’
- এবার জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন সাদিক কায়েম
- ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে আরও হামলা, পাল্টা আঘাত তেহরানের
- প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় থাকবে ৪০ কিমি জুড়ে মানবপ্রাচীর
- ইরানে পানির পাম্পে মার্কিন হামলা, হতাহত ৫
- প্রতারণা মামলায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি
- ওয়াশিংটন পোস্টের বিশ্লেষণ
- মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রেল সেতু পুনরায় চালু করল ইরান
- ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭
- ‘হরমুজ প্রণালি কয়েক ডজন পারমাণবিক বোমার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ’
- আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ঢুকছে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পালটাপালটি হামলায় ফের ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
- রাষ্ট্রায়ত্ত ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা
- থামছে না বৃষ্টি, আজও ভারি বর্ষণের আভাস
- নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সমন
- নিউইয়র্কে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী ৮ আগষ্ট
- নিউইয়র্কে এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
- সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি মির্জা ফাহিম নিহত
- সাধ্যের মধ্যে বাড়ি কেনা বড় চ্যালেঞ্জ
- টিকটকার সুলতানা ও রুবেল দোষী সাব্যস্ত
- নর্থবেঙ্গল ফাউন্ডেশনের অভিষেক অনুষ্ঠিত
- নকল পিস্তল নিয়ে ফ্লাশিং মসজিদে প্রবেশ
- ট্রাম্পের সম্পদের পরিমাণ ৭.৬ বিলিয়ন ডলার
- ফিলাডেলফিয়ায় র্দুবৃত্তের গুলিতে নিহত এক বাংলাদেশি
- বাংলাদেশকে ঘিরে আধিপত্যের লড়াই
- এমবাপ্পের নান্দনিক খেলায় জিতলো ফান্স
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯১০
- কোচ জাকির মৃত্যুতে মাশরাফি-তাসকিনদের শোক
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
