এই গরমে ডায়রিয়া থেকে সাবধান
লাইফস্টাইল ডেস্ক:
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০১৯
পানির বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা গেলে ডায়রিয়ার মতো রোগ প্রতিরোধ করা যায়। মডেল: শশী, ছবি: অধুনাগরমের সময় পানির ব্যবহার অনেক বেড়ে যায়। সবাই পানি বেশি ব্যবহার করেন। সেটা পানি পান করার ক্ষেত্রেও। কারণ, গরমে মানুষের পানির তৃষ্ণা বাড়ে। ঢাকা শহরের পরিধি বাড়ছে না, কিন্তু জনসংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ঢাকা শহরে আসে নতুন কাজের সন্ধানে। এসেই কিন্তু বস্তিতে থাকার জায়গা পায় না। সেখানে থাকারও অনেক সমস্যা। ফলে রাস্তার পাশে এবং এখানে–ওখানে থাকে। অনেকে শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করে টিকে থাকার জন্য। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, তারা যে পানি পান করছে, সেই পানি দূষিত। সে কারণে গরমের এই সময় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়ে যায়।
পানি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা হয়, সেগুলো সব সময় বিশুদ্ধ নয়। গরমে খাবারও দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। রাস্তায় পাশে যে খাবার বিক্রি হচ্ছে বা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় যে খাবার আমরা খাই, গরমের কারণে সেগুলোও বেশিক্ষণ খাবারের উপযোগী থাকে না। ঢাকা শহরে অনেকেই রেস্তোরাঁয় খাবার খান। কিন্তু সেই খাবার বাসি কি না, সেটা আমাদের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। অনেক সময় অনেক রেস্তোরাঁয় সুন্দরভাবে খাবার পরিবেশন করে। কিন্তু সুন্দরভাবে পরিবেশন করা খাবারটি বাসিও হতে পারে। অনেকে অভিযোগ করে, রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়ে তার পেট খারাপ ও ডায়রিয়া হয়েছে।
এরপর হলো আমাদের পানিপ্রবাহের বিষয়। ভূগর্ভস্থ থেকে পানি রিজার্ভারে তোলা হয়। রিজার্ভার থেকে আবার ওপরে তোলা হয়। এরপরে বাসায় বাসায় দেওয়া হয়। এখানে একটি কথা বলতে হয়। পানি জমিয়ে রাখার এই উপকরণগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কম পরিষ্কার করা হয়। পরিষ্কার না করার ফলে তাতে শেওলা জমে। ভেতরে জীবাণু আশ্রয় নেয়। বিশেষ করে কলেরার জীবাণু। যখন প্রচণ্ড গরম পড়ে, তখন এই শেওলাগুলো অনেক ফুলতে ও ফাঁপতে থাকে। তখন নিজেদেরই খাদ্যের প্রয়োজন হয়। এরপর খাদ্যের অভাবে এগুলো ভেঙেচুরে মরে যায়। তখন জীবাণুগুলো উন্মুক্ত হয়ে পড়ে ওই পানিতে। জীবাণুগুলোর বাঁচার জন্য তাদের খাদ্য হচ্ছে মৃত শেওলা।
যেসব জায়গায় পানির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ, সেই সব জায়গায় ছড়িয়ে যায়। এভাবে ডায়রিয়ার সংখ্যা বেড়ে যায়।
মূল কথা হচ্ছে, এই প্রচণ্ড গরমে পানির ব্যবহার করার হার বেড়ে যায়। বেশির ভাগ জায়গায় পানি দূষিত। আর খাবারদাবারও দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, সেটাও দূষিত। এ কারণে ডায়রিয়া হয়।
হওয়ার আগে সাবধানতা
যেহেতু এটা পানিবাহিত রোগ, তাই সব সময় বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। ফুটিয়ে পানি পান করা হলো সবচেয়ে ভালো। কিন্তু সবাই তো আর ফুটিয়ে নিতে পারবে না। রাস্তার পাশে বা বস্তিতে যারা থাকে, তারা সব সময় পানি ফুটিয়ে পান করতে পারে না। সেটা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে উন্নত দেশের মতো আমরা কল খুলে পানি পান করতে পারি না। ফলে দেখতে হবে যারা পারে তাদের প্রথমত ফুটিয়ে পানি পান করতে হবে। এ ছাড়া ফিল্টার ব্যবহার করা বা বোতলের পানি পান করতে পারে।
আমাদের বাসায় আমরা ফিল্টার ব্যবহার করে পানি পান করি। আমাদের বাসায় আমরা এটা লক্ষ করি, নিচের রিজার্ভার এবং ওপরের ট্যাংক নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার করা হচ্ছে কি না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সারা বছর হাত ধোয়ার অভ্যাসটা সব সময় রাখা। সাবান ব্যবহার উচিত টয়লেট করার পরে। যাদের কাছে সাবান নেই, তাদের উচিত প্রচুর পরিমাণ পানি দিয়ে হাত ধোয়া। আর খাবারদাবারের বিষয়ে সবার সতর্ক থাকতে হবে। ছোট বাচ্চা ছয় মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ পান করবে। এগুলো যদি থাকে, তাহলে ডায়রিয়া কম হবে। তবে ডায়রিয়া যে একেবারে হবে না, তা নয়। এর মধ্যেও কোনো না কোনো ডায়রিয়া হতে পারে। কিন্তু ডায়রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, খাবার আগে–পরে এবং টয়লেট করার পরে ভালোভাবে হাত ধোয়া উচিত। আশপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার।
হয়ে গেলে কী করবেন
ডায়রিয়ায় যেটা হয় তা হলো লবণ আর পানি শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এটা সময়মতো ফেরত দেওয়া গেলে ভালো। লবণ–পানি শরীরে ফেরত দেওয়ার ফলে যে জায়গা থেকে
এগুলো বের হয়, সেটা আবার পূরণ হয়ে যায়। বর্তমানে যেকোনো দোকানে খাওয়ার স্যালাইন পাওয়া যায়। ডায়রিয়া হলে সবার আগে স্যালাইন খাওয়ানো উচিত। ওরস্যালাইন খাওয়ার পরে যদি অবস্থার অবনতি হয়, তাহলে অতি দ্রুত কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। শুধু আইসিডিডিআরবির কথা চিন্তা করলে হবে না।

ডায়রিয়া প্রতিরোধে ফিল্টারের পানি পান করতে পারেন। ছবি: অধুনাডায়রিয়া হয়ে গেলে দেরি করা যাবে না। এই গরমে তীব্র ডায়রিয়া হলে ওরস্যালাইনেই ভালো হয়ে যাবে, সেটা ভাবা উচিত নয়। অর্থাৎ ডায়রিয়া হয়ে গেলেই ওরস্যালাইন খাওয়ানো শুরু করতে হবে। খাওয়াতে খাওয়াতে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। আর প্রথমে কাছের হাসপাতালেই নিয়ে যেতে হবে।
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ছয় মাস পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ পান করানো উচিত। ডায়রিয়া হলে বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করানোর পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।
ডায়রিয়া হওয়ার আগে কলেরার ভ্যাকসিন খেতে পারেন। কিছুদিন আগে মিরপুরে কলেরার ভ্যাকসিন খাওয়ানো হয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হার কিছুটা কম।
পরিকল্পনাও প্রয়োজন
আরেকটা বড় বিষয় আছে, সেটা হলো ওয়াসা যেখান থেকে পানিটা ছাড়ছে, সেই পানি যদি আপনি পরীক্ষা করেন, তাহলে দেখবেন ক্লোরিনও ভালো আছে, জীবাণুও নেই। এখন সেই পানিটা একটা পাইপ দিয়ে এল কোনো এলাকায়। সেই এলাকায় ওই পানি নিয়ম অনুযায়ী ১০০ জনের ব্যবহার করা উচিত। দেখা গেল সেই পানি আরও ৯০০ জন মানুষ অবৈধভাবে ব্যবহার করছে। আবার যে পাইপ দিয়ে পানিটা আসছে, সেটা পুরোনো। ওই পাইপ আরও ৯০০ জনে সংযোগ নেওয়ার ফলে পাইপটি ফুটো হয়ে যায়। ফুটো হলে ওই পাইপের ওপর একটা নেতিবাচক চাপ পড়ে। এ কারণে আশপাশে যে সুয়ারেজ লাইন আছে, সেখান থেকে ময়লা ঢুকে যায় পানি সরবরাহের পাইপে। এই পানিটা যখন গরমের মধ্যে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে, তখন দেখা যায় ডায়রিয়া আরও বেড়ে যায়। ওয়াসার পানির এই পাইপের বিষয়টা তো আগামীকাল বা আজই ঠিক করা যাবে না।
এ বিষয়ের জন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। বাংলাদেশ সব দিক থেকে অনেক উন্নতি করেছে কিন্তু এই খাতে কেন পিছিয়ে আছে। এটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। পরিকল্পনা করতে হবে এবং সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। ডায়রিয়া দূর করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। আর ডায়রিয়ার জন্য স্বল্পমেয়াদি হলো ওরস্যালাইন খাওয়ানো শুরু করা এবং মাঝারি মেয়াদি পরিকল্পনা হলো ওরস্যালাইন খাওয়ানোর পাশাপাশি দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো অবকাঠামোর উন্নয়ন।
- ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে ধ্বংস শত শত ভবন ও ড্রোন
- রেলের জমিতে দখলের রাজত্ব
- এয়ারলাইন্সের বিল ডলারে নেওয়ার সিদ্ধান্ত
- হুতিদের ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সৌদি-ইসরায়েল যোগাযোগ
- গুজব ছড়ানো পেজ ও অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ
- গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ৫৫% নিটওয়্যার রপ্তানি আদেশ বাতিল বা কমেছে
- পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন
নিচের গ্রেডে ৫% ইনক্রিমেন্ট - রাজধানীতে বাড়ছে অজ্ঞাত লাশ
- ভাঙনের পথে যুক্তরাজ্য
- এআই নিয়ে সমালোচকদের কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
- এআই নিয়ে সমালোচকদের কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
- ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা পুতিনের পরিকল্পিত উসকানি
- সিন্ডিকেটে বন্দি খাদ্যগুদাম
- ৮৯৩ বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের নথি গায়েব!
- নেতার মোটরসাইকেল আটক,পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও
- বিদেশে ১ পয়সা বিনিয়োগের প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দিবো
- তিন মাসে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৫ হাজার
- মমেকে আগুনের পর ৬ মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
- ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেলের দখল চান ট্রাম্প
- দেশ জুড়ে ঘরে ঘরে জ্বর, হাম-ডেঙ্গুর সঙ্গে টাইফয়েড
- রাশিয়ার হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন
- ভাড়াটিয়ার তথ্য যাচাই ছাড়া ফ্ল্যাট ভাড়া নয়, হাউজিং মালিকদের র্যাব
- ডিজিটাল নিরাপত্তার মতোই হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন
- ইউক্রেনে রুশ ড্রোন হামলা: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন
- গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট
চাপে জনগণ, সরকারে অস্বস্তি - দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের জাল
- মিরপুরে নিকাহ রেজিস্ট্রার আজিজের ভয়ংকর জালিয়াতি
- শিক্ষার্থীদের রেটিংয়ে ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি পেলেন ১.৫৯
- কাঠগড়ায় ঢাবি শিক্ষকরা!
- দেশ এখন ভালো নেই, সরকারও তা স্বীকার করতে বাধ্য: ডা. শফিকুর রহমান
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- আজকাল ৯১২
- আজকাল ৯১৩
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- আজকাল ৯১৬
- এবার স্টেডফাস্টের ১০ লাখ গ্রাহকের তথ্য ফাঁস
- আজকাল ৯১৪
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- বট বাহিনীর নৃত্য, আমিনুলের তেল ও বিব্রত জাইমা
- বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ১০টি দেশ
- বাসর রাতে ‘সেক্স’, বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়!
- সৌন্দর্যময় স্তন গড়ে তুলতে যেসব বিষয় জেনে রাখা উচিত
- চুমু কত রকম, জানেন?
- ছেলেদের কিছু হেয়ারস্টাইল
- সহধর্মিনীতে সুখ চান; ঘরে তুলুন মোটা মেয়ে!
- আজ ভালোবাসা দিবস
- যতনে বাঁধিও চুল, খোপায় বাঁধিও ফাল্গুনী ফুল
- ছেলেদের সাইড ব্যাগ কেন এত উপকারী
- নকশা করা কাঠের আসবাব পরিষ্কারের উপায়
- রোজায় ডায়াবেটিস রোগীরা যেসব নিয়ম মানবেন
- কেন পছন্দ করবেন খাটো মেয়ে?
- কোন খাবারে কত ক্যালরি
- যে ৫ উক্তি আপনার জীবন বদলে দেবে
- হতাশা রোধ করবেন যেভাবে...
