ইসলামে শূকরের গোশত হারাম কেন?
প্রকাশিত: ১ মার্চ ২০১৯
মহান আল্লাহ তায়ালার একমাত্র মনোনীত ধর্মের নাম ইসলাম। সৃজনশীল এই ধর্মে রয়েছে সুশৃংখল নিয়ম-কানুন, রয়েছে নানা ধরণের বিধি নিষেধ।
বিধি নিষেধগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো শুকরের গোশত। ইসলামের বিধি মোতাবেক কোনো মুসলমান শুকরের গোশত খেতে পারবে না। কারণ ইসলাম মোতাবেক শূকরের গোশত হারাম। মুসলমানদের জন্য যা কিছু খারাপ, ক্ষতিকর, বিপদজনক তাই হারাম ঘোষণা করা হয়েছে আর যা কিছু ভালো, উপকারী তার সব কিছু হালাল।
আমাদের প্রতি মহান আল্লাহর রহমত হচ্ছে এবং তাঁর পক্ষ থেকে সহজায়ন হচ্ছে- তিনি আমাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ খাওয়া বৈধ করেছেন এবং শুধুমাত্র অপবিত্র বস্তুসমূহ হারাম করেছেন। তিনি বলেন,
‘তিনি তাদের জন্য পবিত্রবস্তু হালাল করেন এবং অপবিত্র বস্তু হারাম করেন।’ (সূরা: আরাফ, আয়াত: ১৫৭)
মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনের ৪টি স্থানে শুকরের গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। কারণ তা মানুষের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর সব দিক ও রোগবালা বয়ে আনে। কোরআনের যে চার জায়গায় নিষেধ করা হয়েছে:
‘তিনি তোমাদের ওপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শূকরের গোশত এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পরে এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোনো পাপ নেই। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহান ক্ষমাশীল, অত্যন্ত - দয়ালু।’ (সূরা: বাক্বারাহ, আয়াত: ১৭৩)
‘তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে মৃত জীব, রক্ত, শূকরের গোশত, যেসব জন্তু আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়, যা কণ্ঠরোধে মারা যায়, যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যায়, যা শিং-এর আঘাতে মারা যায় এবং যাকে হিংস্র জন্তু ভক্ষণ করেছে, কিন্তু যাকে তোমরা যবেহ করেছ। যে জন্তু যজ্ঞবেদীতে যবেহ করা হয় এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়। এসব গোনাহর কাজ। আজ কাফেররা তোমাদের দ্বীন থেকে নিরাশ হয়ে গেছে। অতএব তাদেরকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় কর। আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। অতএব যে ব্যক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে, কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল। (সূরা: মায়েদাহ, আয়াত: ৩)
‘আপনি বলে দিন: যা কিছু বিধান ওহীর মাধ্যমে আমার কাছে পৌছেছে, তন্মধ্যে আমি কোনো হারাম খাদ্য পাই না কোনো ভক্ষণকারীর জন্যে, যা সে ভক্ষণ করে; কিন্তু মৃত অথবা প্রবাহিত রক্ত অথবা শূকরের গোশত এটা অপবিত্র অথবা অবৈধ; যবেহ করা জন্তু যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গ করা হয়। অতঃপর যে ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে এমতাবস্থায় যে অবাধ্যতা করে না এবং সীমালঙ্ঘন করে না, নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক ক্ষমাশীল, দয়ালু। (সূরা: আনআম, আয়াত: ১৪৫)
‘অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন রক্ত, শূকরের গোশত এবং যা জবাইকালে আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে। অতঃপর কেউ সীমালঙ্ঘনকারী না হয়ে নিরুপায় হয়ে পড়লে তবে, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা: নাহল, আয়াত: ১১৫)
শুকুরের গোশত কেন নিষেধ করা হয়েছে তার সন্তোষজনক উত্তরের জন্য কোরআনের উল্লেখিত আয়াত সমূহেই যথেষ্ট।
পবিত্র কোরআন ছাড়া বাইবেলেও শুকরের গোশত নিষেধ করা হয়েছে। বাইবেল লেভীটিকাস্থ গ্রন্থে শুকরের গোশত খেতে নিষেধ করেছে। বলা হয়েছে, ‘এবং শুকর যদিও তার খুর দ্বিখন্ডিত এবং খুরযুক্ত পদ বিশিষ্ট। এমন কী সে চিবিয়ে খায়, যাবর কাটে না। (তবু) ওটা অপরিচ্ছন্ন (অপবিত্র) তোমার জন্য।’
একই গ্রন্থের ১১ অধ্যায় ৭ ও ৮ স্তবকে বলা হয়েছে, ‘ওগুলোর গোশত তুমি খাবে না এবং ওগুলোর মৃতদেহ তুমি স্পর্শও করবে না, ওগুলো ‘অপবিত্র’ তোমার জন্য।’
বাইবেলের পঞ্চম গ্রন্থ ‘ডিউট্যারনমী’ তেও শুকরের গোশত ‘অপবিত্র’ বলা হয়েছে, ‘আর শুকর- কারণ তার খুর দ্বিখন্ডিত, এমনকি চিবিয়ে খায়, যাবর কাটেনা, ওটা অপবিত্র তোমার জন্য তুমি ওগুলোর গোশত খাবে না, না ওগুলোর মৃতদেহ তুমি স্পর্শ করবে। (ডিউট্যারনমীঃ ১৪:৮)
বিভিন্ন ধর্মীয়গ্রন্থ ব্যতীতও বিজ্ঞানের মাধ্যমেও আজ প্রমাণিত যে শূকরের মাংস মানুষের জন্য কতটা ক্ষতিকর। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান মানব দেহের উপর শূকর খাওয়ার বিভিন্ন অপকারিতা সাব্যস্ত করেছে; যেমন-
> বিভিন্ন প্রাণীর গোশতের মধ্যে শূকরের গোশতে সবচেয়ে বেশি চর্বিযুক্ত কোলেস্টেরল রয়েছে। মানুষের রক্তে কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্তনালী ব্লক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এছাড়া শূকরের গোশতে থাকা ‘ফ্যাটি এসিড’ অন্য সকল খাদ্যে থাকা ফ্যাটি এসিড থেকে ভিন্নরকম ও ভিন্ন গঠনের। তাই অন্য যেকোনো খাদ্যের তুলনায় মানুষের শরীর খুব সহজে একে চুষে নেয়। যার ফলে, রক্তে কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বেড়ে যায়।
> শূকরের গোশত ও চর্বি মেদ বাড়ায় এবং মেদ সংক্রান্ত রোগ বাড়ায়; যেগুলোর চিকিৎসা করা অনেক দুরূহ।
> শূকরের গোশত ও চর্বি কোলন ক্যান্সার (বৃহদন্ত্রের ক্যান্সার), রেক্টাল ক্যান্সার (মলদ্বারের ক্যান্সার), অণ্ডকোষের ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার ও ব্লাডক্যান্সার এর বিস্তার ঘটায়।
> শূকরের গোশত খাওয়া চর্মরোগ ও পাকস্থলির ছিদ্র ইত্যাদি রোগের কারণ। শূকরের গোশত খাওয়ার সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো, শূকরের গোশতে ফিতা কৃমির শূককীট থাকে; যাকে বলা হয় টিনিয়া সলিয়াম (Taenia solium)। এ কৃমি ২-৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এ কৃমির ডিম্বগুলো যদি মস্তিষ্কে বৃদ্ধি পায় তাহলে পরবর্তীতে মানুষ পাগলামি ও হিস্টিরিয়া রোগে আক্রান্ত হতে পারে। আর যদি হার্টে বৃদ্ধি পায় তাহলে মানুষ উচ্চ রক্তচাপ ও হার্টএটার্কে আক্রান্ত হতে পারে। শূকরের গোশতের মধ্যে আরো যেসব কৃমি থাকতে পারে সেগুলো হচ্ছে- ট্রিচিনিয়াসিস কৃমির শূককীট; রান্না করলেও এগুলো মরে না। মানুষের শরীরে এ কৃমি বাড়ার ফলে মানুষ প্যারালাইসিস ও চামড়ায় ফুসকুড়িতে আক্রান্ত হতে পারে।
> শূকরের গোশত খাওয়ার ফলে সৃষ্ট ফিতা কৃমি ও ফুসফুসের কৃমির কারণে ফুসফুস আলসার ও ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়।
চিকিৎসকগণ জোরালোভাবে বলেন যে, ফিতাকৃমি অত্যন্ত মারাত্মক রোগ; শূকরের গোশত খাওয়ার ফলে যে রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মানুষের ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্যেও এ কৃমিগুলো বাড়তে পারে এবং কয়েক মাসের মধ্যে পরিপূর্ণ কৃমিতে পরিণত হতে পারে। যে কৃমির দেহ এক হাজারটি অংশ দিয়ে গঠিত। এর দৈর্ঘ্য ৪-১০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে এটা এককভাবে বাস করতে পারে। এর ডিম্ব মানুষের মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। শূকর যখন এসব ডিম গিলে ফেলে ও হজম করে তখন এটা শুককীটের থলি আকারে টিস্যু ও পেশীতে প্রবেশ করে। এ থলিতে এক জাতীয় তরল ও ফিতাকৃমির মাথা থাকে। যখনি কোনো লোক এ ধরণের শূকরের গোশত খায় তখনি এ শূককীট মানুষের পাকস্থলীতে পরিপূর্ণ কৃমিতে পরিণত হয়। এ কৃমিগুলো মানুষকে দুর্বল করে দেয়। ভিটামিন বি-১২ এর ঘাটতি ঘটায়। যার ফলে মানুষের রক্ত শূন্যতা দেখা দেয়। এ ছাড়াও অন্য কিছু স্নায়ুবিক সমস্যা ঘটায়, যেমন-স্নায়ু প্রদাহ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ শূককীট মস্তিষ্কে পৌঁছে খিঁচুনি বা ব্রেইনের উচ্চ রক্তচাপ ঘটতে পারে। যার কারণে মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, এমনকি প্যারালাইসিসও হতে পারে।
ভালভাবে সিদ্ধ না করা-শূকরের গোশত খেয়ে মানুষ ট্রিচিনিয়াসিস কৃমিতে আক্রান্ত হতে পারে। এ প্যারাসাইটগুলো যখন মানুষের ক্ষুদ্রান্ত্রে পৌঁছে তখন ৪-৫ দিনের মধ্যে এগুলো অসংখ্য কৃমি হয়ে পরিপাকতন্ত্রের দেয়ালে প্রবেশ করে। সেখান থেকে রক্তে এবং রক্তের মাধ্যমে শরীরের অধিকাংশ পেশীতে ঢুকে পড়ে। কৃমিগুলো শরীরের পেশীতে ঢুকে সেখানে থলি তৈরী করে। যার ফলে রোগী পেশীতে তীব্র ব্যথা অনুভব করে। এ রোগ বেড়ে গিয়ে এক পর্যায়ে মস্তিষ্কের আবরণী ও মস্তিষ্কের প্রদাহ রোগে পরিণত হয়, হার্ট, ফুসফুস, কিডনি ও স্নায়ুর প্রদাহে পরিণত হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ রোগ মৃত্যুও ঘটাতে পারে।
এ ছাড়া মানুষের এমন কিছু রোগ আছে যে রোগগুলো প্রাণীদের মধ্যে শুধুমাত্র শূকরের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়; যেমন- Rheumatology (বাতরোগ) ও জয়েন্টের ব্যথা।
এছাড়াও ভূ-পৃষ্ঠের ওপরে শুকর অশ্লীলতায় নির্লজ্জতম প্রাণী। এটাই একমাত্র পশু যেটা তার স্ত্রী-সঙ্গীর সঙ্গে সংগম করার জন্য অন্যান্য পুরুষ-সঙ্গীদের ডেকে নেয়। আমেরিকার ও ইউরোপের অধিকাংশ মানুষের প্রিয় খাদ্য শুকরের গোশত। খাদ্যভ্যাস আচরণে প্রকাশ পায়, বিজ্ঞানের এ সূত্রের জীবন্ত নমুনা ওরাই। ওদের প্রিয় সংস্কৃতি ডান্স পার্টিগুলোতে নেচে নেচে উত্তেজনায় উন্মত্ত হয় তখন একে অপরের সঙ্গে বউ বদল করে। অনেকেই আবার জীবন্ত নীল ছবির স্বাদ দেয়ার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হতে বন্ধু-বান্ধব ডেকে নেয়। এসব প্রমাণ করে শুকরের গোশত মানুষকে নির্লজ্জতার দিকে ধাবিত করে।
পরিশেষে বলা যায় যে,
কোরআনে শূকর হারাম হওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে এটি ‘রিজ্স’। মানুষের সুস্থ বিবেক ও শরিয়ত কর্তৃক নিন্দনীয় যেকোনো জিনিসকে আরবিতে ‘রিজস’ বলা হয়। শূকরের গোশত হারাম হওয়ার কারণ হিসেবে এটিই যথেষ্ট। এছাড়াও খাদ্য-পানীয়জাতীয় বস্তু হালাল বা হারাম হওয়ার জন্য যে সাধারণ মূলনীতি ঘোষণা করা হয়েছে তার আলোকেও শূকরের গোশত হারামের আওতায় পড়ে।
সূরা আরাফের ১৫৭ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে: ‘তিনি (আল্লাহ) তাদের জন্য উত্তম জিনিস হালাল করেছেন আর খাবাইস (নিকৃষ্ট জিনিস) হারাম করেছেন।’ এখানে ‘খাবাইস’ দ্বারা ওই সমস্ত জিনিস উদ্দেশ্য করা হয়েছে যা মানুষের শারিরিক, মানসিক, চারিত্রিক বা আর্থিক ক্ষতিসাধন করে। সুতরাং যে জিনিসই মানুষের জন্য কোনো ক্ষতিকর ফল বয়ে আনে তাই ‘খাবাইস’র অন্তর্ভুক্ত হবে।
শুকরের গোশত ভক্ষণের ফলে মানুষ যেমন ভোগ করবে ইহকালীন রোগবালার কষ্ট তেমনি ভোগ করবে জাহান্নামে চিরকালীন আযাব। তাই আমাদের কোনোভাবেই আল্লাহর নিষেধ অমান্য করে কোনো কাজ করা উচিত নয়। তাহলেই আমাদের ইহকাল ও পরকাল উভয় শান্তির হবে।
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ ইরানে হামলার প্রতিবাদে
- জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় অর্ধেক গাড়ি চলাচল বন্ধ
- কাতারের সব ধরনের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ানোর ঘোষণা
- ইউরোপে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, প্রতি ঘনফুট ৭৮৫ ডলার
- ইসরায়েলকে চীনের সর্তকবার্তা
- মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকায়
- ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা বাছাইয়ের ভবনে ইসরায়েলের হামলা
- তানজিন তিশা কেন আমাকে মারল? বিচার চাই: সামিয়া
- আলভীর সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন তিথি
- আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
- যুদ্ধজাহাজ থেকে স্টিলথ বোমারু, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘হাই-ট
- দু’দিনে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, পালিয়েছে রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন
- আমার স্ত্রীর মুখটা আপনারা শেষবারের মতো দেখতে দেননি: জাহের আলভী
- খামেনির স্ত্রীও নিহত হয়েছেন: ইরানের গণমাধ্যম
- নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের
- ‘ভুল করে’ যুক্তরাষ্ট্রের ৩ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল কুয়েত
- ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি: ট্রাম্প
- ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে থাকার ঘোষণা চীনের
- ৩ দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- স্টারমারের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
- দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান: লারিজানি
- জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য
- ইরানে হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ
- হরমুজ প্রণালী বন্ধে তেলের দাম বাড়ল ১০ শতাংশ
- আমিরাতে হামলায় নিহত বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে
- ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহ
- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি
- ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি ট্রাম্প
- মধ্যপ্রাচ্যগামী স্থগিত ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণে নজরদারি করছে সরকার
- এরপর কী?
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৮৩
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- স্বামী-স্ত্রী সর্বোচ্চ কতদিন কথা না বলে থাকা জায়েয?
- পাঁচ অবস্থার আগে পাঁচ অবস্থার মূল্যায়ন করুন
- শিয়া সুন্নী দ্বন্দ্বের আদ্যোপান্ত
- দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী
- কবরে কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্নোত্তর করা হবে?
- মৃতের আত্মা কখনও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসে না
- কেমন হবে হাশরের ময়দান
- হিজামার স্বাস্থ্য উপকারিতা
- পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য সম্পর্কে নবীজির ১০ বাণী
- জীবনে সুখী হওয়ার পাঁচ পরামর্শ
- কোরআন-হাদিসের আলোকে কবর জিয়ারতের দোয়া
- পথ চলার আদব!
- মুসলিম হিসেবে মৃত্যু লাভের দোয়া
- নামাজে মনোযোগী হওয়ার উপায়
- তাকদিরে বিশ্বাস না করলে ঈমান থাকেনা
