বিশ্ব শরণার্থী দিবস আজ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯
আজ ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস। এবারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- ‘স্টেপ উইথ রিফিউজি’। আর এমন সময় দিবসটি পালিত হচ্ছে, যখন বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। সঙ্গে বাড়ছে শরণার্থীর সংখ্যাও। বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা চাপ নিয়ে দিবসটি পালন হবে।
বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ছয় কোটি মানুষ শরণার্থী। এটি এযাবৎ কালের শরণার্থী সংখ্যার সর্বোচ্চ রেকর্ড। মূলত যুদ্ধ, জাতিগত সন্ত্রাসই সাম্প্রতিক সময়ে শরণার্থী সংখ্যা বৃদ্ধির মূল কারণ। বাংলাদেশেও জাতিগত সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে আশ্রয় নিয়েছে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী। এই আশ্রয় নেওয়া মানুষগুলো জানায়, তারা দ্রুত নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়। একটি স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে ফিরে গিয়ে মাতৃভূতিতে নিশ্বাস ফেলতে চায় রোহিঙ্গারা। তারা এই দেশের বোঝা হয়ে থাকতে চায় না।
বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে আমাদের দেশ রাখাইনে ফিরে যেতে চাই। এজন্য আমাদেরকে সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। আমাদের প্রত্যাশা, মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করার পদক্ষেপ নিয়ে শিগগিরই আমাদের ফিরে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে বাংলাদেশ সরকার।’
১৯৭৮ সালে শুরু হওয়া রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থামেনি এখনও। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে এদেশে দলে দলে অনুপ্রবেশ করে রোহিঙ্গারা। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর ও ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে তাদের ব্যাপক আগমন ঘটে। রাখাইনে সহিংস ঘটনায় প্রাণভয়ে পালিয়ে আসে সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা। বর্তমানে নতুন-পুরনো মিলিয়ে ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৭ জন রোহিঙ্গা কক্সবাজারে অবস্থান করছে। উখিয়া ও টেকনাফে ৩২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসব রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছে সরকার।
উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা মুহিব উল্লাহ বলেন, ‘যতই সাহায্য সহযোগিতা পাই না কেন, ভিন দেশে কি কারও ভালো লাগে? এই রোহিঙ্গা বস্তিতে কোনও রকম থাকলেও মনটা রাখাইনে চলে গেছে। কবে আমরা আমাদের দেশে ফিরতে পারবো সে আশায় আছি। জানি না আল্লাহ আমাদের ওপর কতটুক সহায় হন। আমরা এখনও স্বপ্ন দেখি রাখাইনে ফিরে যেতে।’
এমন শরণার্থী ক্যাম্পের জীবন চান না রোহিঙ্গারা। কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের লালু মাঝি, ফয়েজ মাঝি, উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুর মোহাম্মদ, সুফিয়া বেগম টেকনাফ লেদা ক্যাম্পের দুদুমিয়া ও নয়াপাড়া ক্যাম্পের শফিউল্লাহসহ সচেতন অনেক রোহিঙ্গা বলেন, ‘শুধু, শরণার্থী দিবস পালন করলেই হবে না। রোহিঙ্গারা একটি স্থায়ী সমাধান চায়। তারা চায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হোক, যাতে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া সম্ভব হয়। তারা আর বাংলাদেশে বোঝা হয়ে থাকতে চায় না। কক্সবাজারের বসবাসরত অধিকাংশ রোহিঙ্গাই স্বদেশে ফিরে যেতে আগ্রহী। তারা মনে করে, আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করে বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে।’
কক্সবাজার রোহিঙ্গা প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়াতেই আটকে আছে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন। দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার বিষয়টি ঝুলে আছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে একাধিক বৈঠকের পরও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আলোর মুখ দেখেনি। এক্ষেত্রে মিয়ানমারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। আমি মনে করি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো দরকার। বাংলাদেশ সরকারের উচিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। তা না হলে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান কোনও দিন হবে না।’
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘের সব সংস্থা কেন্দ্রীয় ও ক্যাম্প পর্যায়ে নানা কর্মসূচি পালন করবে। তবে আইওএম যতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে থাকবে, ততদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে এবং তাদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যাবে।’
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে রোহিঙ্গাদের বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। আমাদের যে ঐতিহাসিক ভিত্তি, ঐতিহাসিক সম্পর্ক সেসব বিষয়গুলো নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’
কক্সবাজার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বলেন, ‘বিশ্ব শরণার্থী দিবস আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। কারণ, আমাদের দেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এটি আমাদের দেশের জন্য একটি বিশাল বোঝা। আমরা বিভিন্ন কারণে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারছি না। আমরা চাই, বিশ্ববাপী শরণার্থী সমস্যার সমাধান হোক।’
- হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি ১১০০ ছাড়ালো
- এসিসির পরবর্তী সভাপতি হওয়ার পথে তামিম
- উপহার নিয়ে আমি বিপদে পড়লাম : তিশা
- অবৈধ অস্ত্রে বাড়ছে অপরাধ
- বোয়িংয়ের পর এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার
- মাগুরায় এক বাড়ির এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা
- ইরানের বিমান জব্দ করল তুরস্ক
- ৪ জেলায় নতুন ডিসি
- এলপিজির বাজার ১০ কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে
- ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের খবর অস্বীকার ট্রাম্পের
- ডিমের বাজারে বড় সিন্ডিকেট
- চাঁদাবাজদের পুনর্বাসনে ‘ভিক্ষার’ ‘দানবাক্স’ বসানোর আহ্বান হাসনাত,
- ফিডের দাম বাড়ায় বন্ধের পথে খামার
- যেভাবে দুই দফায় মার্কিন হামলা থেকে বেঁচে যান মোজতাবা খামেনি
- গোপনে আরব আমিরাতে সফর করেছেন নেতানিয়াহু
- তালিকায় শতাধিক হোতার নাম থেকে যাচ্ছে আড়ালেই
- ‘অপারেশন ক্লিন হার্টের’ আদলে অভিযানের চিন্তা
- শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা!
- ঢাকার ব্যাটারিচালিত রিকশা আসছে নিবন্ধনের আওতায়
- ২ হাজার টাকা ছাড়াল ১২ কেজির সিলিন্ডার
- চাঁদাবাজদের তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের আধিপত্য
- রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
- ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ২১৫৮ জন, মৃত্যু ৬
- মার্কিন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ ইরান: আরাগচি
- হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট স্নিগ্ধকে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তা
- জুলাই-আগস্টে ৮৬২৬ কোটি টাকার বিদেশি ঋণ পরিশোধ
- ঢাকায় কবরের সংকট
- মনে হয় দেশে কোনো সরকার নেই বা সরকার আছে দখলবাজদের পক্ষে: হাসনাত
- সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, মামলার মূল আসামি গেপ্তার
- কোনো ‘প্ল্যান’ ছাড়াই যা করেন জয়া আহসান
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- আজকাল ৯১৫
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- আজকাল ৯১৩
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- আজকাল ৯১৬
- এবার স্টেডফাস্টের ১০ লাখ গ্রাহকের তথ্য ফাঁস
- আজকাল ৯১৪
- বট বাহিনীর নৃত্য, আমিনুলের তেল ও বিব্রত জাইমা
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- আজকাল ৯৩২
- হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা
- শেখ রাসেলের একটি প্রিয় খেলা
- ঢাকার ২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
- বিকাশের কাছে জিম্মি এজেন্টরা
- আবার ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগ: ইআইইউ
- ‘নগদ’কে অনুসরণ করে এগুচ্ছে বিকাশ!
- জাতিসংঘে অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা গৃহীত
- ৫০ হাজার আসনের ‘শেখ হাসিনা’ ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে পূর্বাচলে
- শেষ ঠিকানা আজিমপুর কবরস্থান
- শেখ হাসিনার হাতটি ধরে পথের শিশু যাবে ঘরে
- জাতীয় চেতনার স্মারক ‘দোয়েল চত্বর’
- ভেনামি চিংড়ি চাষে প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
- সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় কোভিডের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে: প্
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দিকে মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ
- প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি
- আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা স্মারক সই
