বাঁশ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯
প্রজাতিবৈচিত্র্য ও উৎপাদনগত দিক বিবেচনায় ৩৩ প্রজাতির বাঁশ নিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে সারাবিশ্বে অষ্টম স্থানে রয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) গ্লোবাল ব্যাম্বু রিসোর্সেস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
দুর্যোগ প্রতিরোধী, জলবায়ুসহিষ্ণু এবং পরিবেশের বন্ধু হিসেবে পরিচিত বাঁশ হারিয়ে যাচ্ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্পের উৎপাদনও কমে আসছে। বাঁশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে নিয়মিত গবেষণা করছে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)।
প্রতিষ্ঠানটি ৩৩ জাতের বাঁশও সংরক্ষণ করেছে চট্টগ্রামের ষোলশহরে ইনস্টিটিউটের বাঁশ উদ্যানে। এসব বাঁশ সারাদেশে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। এদিকে বিএফআরআই জলবায়ুসহিষ্ণু আরও ৬টি নতুন প্রজাতির বাঁশের জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে দুটি জাতের বাঁশের কাণ্ড সবজি হিসেবেও খাওয়া যাবে।
৫০০ প্রজাতির বাঁশ নিয়ে বিশ্বে প্রথম অবস্থানে রয়েছে চীন। ব্রাজিল ২৩২ প্রজাতি নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। বাঁশের তৈরি নিত্যব্যবহার্য বিভিন্ন হস্তশিল্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। উত্তরা ইপিজেডে তৈরি হচ্ছে বাঁশের কফিন, যা রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপে। রপ্তানি হচ্ছে বাঁশের বাঁশি। কাগজ তৈরি হচ্ছে বাঁশ দিয়ে। বাঁশের তৈরি পণ্য পরিবেশবান্ধব হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পেয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ মোকাবেলা ও ভূমিক্ষয় রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বাঁশঝাড়।
গ্রামাঞ্চলে বাঁশের গুরুত্ব অপরিসীম। স্কুল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পতাকার স্ট্যান্ড বানানো হয় বাঁশ দিয়ে। গৃহনির্মাণ থেকে শুরু করে হস্তশিল্পসহ নিত্যদিনের ব্যবহার্য বিবিধ জিনিসপত্র তৈরির কাজে বাঁশ বহুল ব্যবহৃত। ঘর, ক্ষেতের বেড়া ও খুঁটি, সবজির মাচায় ব্যবহৃত হয় বাঁশ। ছোট খাল পেরুতে লাগে বাঁশের সাঁকো। তোরণ ও প্যান্ডেল তৈরি, শহরের ভবন নির্মাণেও লাগে বাঁশ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে করপোরেট অফিস- সবখানেই নানাভাবে ব্যবহূত হয় বাঁশ।
বাঁশের মণ্ড থেকে বস্ত্রশিল্পের তুলা ও সুতা তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকার ভেষজ ওষুধ হচ্ছে। বেদে সম্প্রদায়ের ব্যাম্বু ম্যাসেজ একটি অতি পরিচিত থেরাপি। এমনকি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দূরতম অনেক শহরেও প্রাকৃতিক উপায়ে চিকিৎসা দিতে গড়ে উঠেছে ব্যাম্বু থেরাপি সেন্টার। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কাজে লাগে এই বাঁশ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. শায়লা সারমীন বলেন, বাঁশ পুষ্টিও জোগায়। কচি বাঁশের নরম কাণ্ড এশিয়াজুড়ে খাওয়া হচ্ছে। খাদ্যগুণ ও স্বাদের কারণে চীন, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারে বাঁশ ভেজিটেবল হিসেবে বেশ সমাদৃত। কচি বাঁশের ডগা বা বাঁশ কড়াল মুখরোচক সবজি হিসেবে খাওয়ার উপযোগী। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বর্ষা মৌসুমে বাঁশের কাণ্ড খেয়ে থাকে। বাঁশের শাখা ও পাতা উত্তম পশুখাদ্য। বিরল প্রজাতির পান্ডা কচি বাঁশ ও পাতা খেয়েই বেঁচে থাকে। পৃথিবীর বৃহৎ স্তন্যপ্রায়ী প্রাণি হাতির কাছেও বাঁশ পাতা একটি প্রিয় খাবার।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মোবারক হোসেন বলেন, বাঁশ অন্যান্য গাছপালার চেয়ে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন উৎপন্ন করে, অথচ বেশি মাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সসাইড নেয়। নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে বাঁশের রয়েছে বিশাল ক্ষমতা।
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিলভিকালচার (বন সংরক্ষণবিদ্যা) জেনেটিক্স বিভাগের প্রধান গবেষক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, খুব শিগিগিরই বাঁশের নতুন ছয়টি জাত উন্মুক্ত করা হবে। তিনি জানান, জলবায়ুসহিষ্ণু ও দেশের আবহাওয়া উপযোগী এসব বাঁশ পাহাড়ধস, ভূমিক্ষয় ও নদীভাঙন রোধে কাজ করবে। ইতিমধ্যে তিনটি বাঁশের বৈজ্ঞানিক নামকরণ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ম্যাসু বাঁশ, এস্পার বাঁশ ও ল্যাটি ফ্লোরাস বাঁশ। চীন বিশ্বে বাঁশ ও বাঁশজাত পণ্য রপ্তানি করে বিপুল অর্থ আয় করছে। বাঁশের ফার্নিচার ও আসবাবপত্র পরিবেশবান্ধব। জাপানে নদীভাঙন রোধ ও বাঁধ রক্ষায় বাঁশ ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) পরিচালক ড. খুরশীদ আকতার বলেন, ১৯৭৩ সালে পাঁচ একর জায়গার ওপর গড়ে তোলা হয় বাঁশ উদ্যান। এটি দ্রুত বর্ধনশীল একটি উদ্ভিদ। কম বিনিয়োগে বাঁশ চাষে বেশি লাভ হয়। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে এই গাছ। বাঁশ উদ্যান বাঁশের প্রজাতি সংরক্ষণের পাশাপাশি বাঁশঝাড় ব্যবস্থাপনা, চারা উৎপাদন, বীজ সংরক্ষণ এবং প্রশিক্ষণকেন্দ্র হিসেবেও কাজ করছে। এ দেশে হারিয়ে যাওয়া অনেক বাঁশের বীজের একটি জার্মপ্লাজম সংরক্ষণাগার তৈরি করা হয়েছে।
বিএফআরআই বাঁশ উদ্যানে ২৬টি দেশি ও ১৩টি টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা উদ্ভাবন করা হয়েছে। বাঁশের প্রজাতিগুলোতে ২৫ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ফল ধরে ও বীজ আসে। বাঁশের বংশবৃদ্ধিতে এখন টিস্যু কালচার পদ্ধতি বিশেষ জনপ্রিয়। ভবিষ্যতে এর চাষাবাদ আরও বাড়বে।
- হাসনাতকে ঠেকাতে বিএনপি কর্মীরা চড়ছেন ট্রাকে
- স্যাংকচুয়ারি সিটির ফেডারেল অর্থ বন্ধ
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের অফিস উদ্বোধন
- বিশেষ নির্বাচনে ডিয়ানার বিজয়
- হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘে
- ডেলিভারি ড্রাইভাররা পাবেন ১৫০০ ডলার করে ক্ষতিপূরণ
- মন্তব্য প্রতিবেদন
রহস্যময়তায় বাংলাদেশি ভোটাররা! - অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষার্থী ভিসায় কড়াকড়ি
- নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি
- যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য চুক্তিতে উপদেষ্টার অনুপস্থিতি
- নতুন এমপিদের শপথ পড়াবেন কে ?
- চার কোটি নতুন ভোটারের ঢেউ
- নির্বাচনি আমেজে ৯৬ ঘন্টায় সাড়ে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
- টানটান নির্বাচনি উত্তেজনায় ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট
- নিউইয়র্কে শবে বরাত উপলক্ষে গোল্ডেন এজের মিলাদ অনুষ্ঠিত
- আজকাল ৯০৮
- এপস্টেইন ঝড় ট্রাম্প নয়, এক বিশ্ব নেতার পতন ঘটাতে পারে
- যমুনার সামনে হাদির স্ত্রীসহ ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান
- জামায়াত জোট সরকার গঠন করলেও ধর্মরাষ্ট্র হবে না
- ওয়েবসাইট থেকে হাজারো এপস্টেইন নথি সরাল মার্কিন বিচার বিভাগ
- বিমানে ঘুমের ভান করে নারীকে নির্যাতন করলেন ভারতীয় যুবক!
- ফেসবুক বুস্টিং ও ডিজিটাল প্রচারের হিসাব দিতে হবে ইসিতে
- যৌন হয়রানি নিয়ে জাহানারার দুটি অভিযোগের সত্যতা মিলেছে: বিসিবি
- চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ, ভিড়ছে না জাহাজ
- হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন জাহাজকে ইরানের বার্তা
- দেশে রহস্যজনক প্রাণঘাতী ভাইরাস শনাক্ত, সতর্কবার্তা
- জামায়াতের ইশতেহারে ২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার
- জনগণ কি ভোট দিতে যাবে?
- ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে ইসরাইল
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হবে কি না, জানালেন পেজেশকিয়ান
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮২ তম সংখ্যা
- এক কোটি আইডি ডিলিট করল ফেসবুক, শুদ্ধি অভিযানের ঘোষণা
- কবির জন্য একটি সন্ধ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- ট্রাম্পের চাপে আরও ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা অ্যাপলের
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- আজকাল ৮৮১ তম সংখ্যা
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- বাচ্চাগুলোর ড্রপ আউট : দায় কার
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইউটিউব ভিডিও নির্মাতাদের জন্য দারুণ খবর!
- রোমাঞ্চকর জয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
- আজকাল ৮৮০ তম সংখ্যা
- শেখ রাসেলের একটি প্রিয় খেলা
- ঢাকার ২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
- বিকাশের কাছে জিম্মি এজেন্টরা
- আবার ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগ: ইআইইউ
- ‘নগদ’কে অনুসরণ করে এগুচ্ছে বিকাশ!
- জাতিসংঘে অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা গৃহীত
- ৫০ হাজার আসনের ‘শেখ হাসিনা’ ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে পূর্বাচলে
- শেষ ঠিকানা আজিমপুর কবরস্থান
- শেখ হাসিনার হাতটি ধরে পথের শিশু যাবে ঘরে
- ভেনামি চিংড়ি চাষে প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
- সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় কোভিডের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে: প্
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দিকে মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ
- আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা স্মারক সই
- প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা অনাকাঙ্ক্ষিত: সিইসি
- চা-চক্রে দেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাইলেন সেতুমন্ত্রী
