দস্যু হলেন মক্কার সেরা দরবেশ
প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০১৯
বৈরুতের ধুধু প্রান্তর। গায়ে ঠোস ফেলে গরম বালি। বাণিকরা দলবেঁধে চলে। রাতে পাড়ি দেয় মরুপথ। বড় বড় কাফেলা। বাণিজ্যে যায় উটের বহরে। ব্যবসা সামগ্রী বেচতে যায় কেউ, কেউ যায় কিনতে।
মরুর এখানটা পার হতে মাবুদের নাম জপে। এখানে দস্যু হানা দেয় যখন-তখন। ছিনিয়ে নেয় টাকা। মূল্যবান কিছুই নিতে ভোলে না।
সেদিন হল কী! ওখানে থামল সওদাগরি এক কাফেলা। দল নেতার ছিল থলি ভরা মুদ্রা। যদি ডাকাত পড়ে। ভেবে তিনি হাঁটতে লাগলেন। থলিটা নিরাপদে কোথাও লুকোবেন। হঠাৎ এক আস্তানা পেলেন। একজন তসবিহ হাতে জায়নামাজে বসা। কী চাই বলে তসবিহ পড়তে পড়তেই তাকালেন। মুদ্রার থলিটা আমানত রাখব। ফটকের ওপাশে রাখার ইশারা করে জপে মগ্ন হলেন তিনি।
থলিটা লুকালেন ফটকের কোণে। বুকভরা নিঃশ্বাস নিলেন সওদাগর। কপালের ঘাম মুছলেন পাগড়ি দিয়ে। ক্লান্ত পায়ে কাফেলায় ফিরে কাঁদলেন। সাথীদের মূল্যবান সবকিছু লুটে নিয়েছে দস্যুরা। কান্না আর আহাজারি করল রাতভর। মগজ গলানো সূর্য উঁকি দিল ভোরে। সওদাগর আমানত আনতে ছুটলেন। আস্তানায় পা রাখতেই কাঁপল বুক। সেই তিনি। দস্যুদের লুটের মাল ভাগ করে দিচ্ছেন। হায় কপাল! যেখানে বাঘের ভয়, সন্ধ্যা হল সেখানে। কী চাও। প্রশ্ন শুনে ভয়ে ভয়ে সওদাগর বললেন, আমানত নিতে এসেছি। তাচ্ছিল্য করে তিনি বললেন, নিয়ে যাও। থলি ভরা মুদ্রা ছোঁ মেরে হাতে নিল সওদাগর। সাগরেদ দস্যুরা চেঁচাল, ওস্তাদজি। মুদ্রা দিচ্ছেন কেন? লুটে আজ নগদ কিছু পাইনি। এগুলো আমাদের কাজে লাগত।
তিনি বললেন, ‘সে আমাকে মাবুদের ইচ্ছায় সাধুজন ভেবেছে। আমি তার সাধুজন ভাবনার সম্মান জানিয়েছি। দয়াল দয়া করবেন।’ বেশকিছু দিন পার হল। গুপ্তচর অনেক বড় কাফেলার খবর আনল। দলনেতা ফজল আয়াজ লুটের ছক আঁকলেন। দস্যুদের নিয়ে তুর্কি ঘোড়ায় ছুটলেন। হৈ হৈ, মার মার ত্রাস চালিয়ে আক্রমণ করলেন বণিক তাঁবুতে। এক সওদাগর কোরআনের একটি আয়াত পড়ছিলেন। যার অর্থ এমন। ‘জেগে ওঠার এখনও কি হয়নি সময়?’ তীরবিদ্ধ মরু হরিণ ঢলে পড়তে দেখেছে ফজল আয়াজ।
আজ একটি আয়াত গেঁথে ফেলল আয়াজের হৃদয়। মন বলল সময় বয়ে যাচ্ছে। সব ছেড়ে-ছুড়ে ভালো হয়ে যা। এসব কেউ যেন বলে গেল কানে কানে। তওবা করল তক্ষুনি। দল ফেলে পালাতে লাগল নির্জনে। এক দল বণিক যাচ্ছিল বাণিজ্যে। যেতে যেতে বলছে- এ পথে দস্যু আয়াজ আছে। অন্য পথে যাব।
শুনতে পেয়ে চিৎকার করল আয়াজ। হে বণিক দল, তোমাদের জন্য সুসংবাদ। ফজল আয়াজের দিলে রহমত বর্ষিত হয়েছে। বলেই দৌড়ে দৌড়ে কাঁদলেন। আয়াজ আজ পালাচ্ছে অশুভ ছেড়ে। মাবুদের দোহাই। আমাকে বাদশার কাছে নিয়ে ধরিয়ে দাও। অনেক শাস্তি জমে আছে আমার। তার অনুরোধে বাদশার কাছে নিতে রাজি হল অচেনা পথিক। আয়াজের চোখে-মুখে ঐশী আলো দেখলেন বাদশা। ক্ষমা করলেন তাকে।
মাবুদ পথ দেখালেন। মক্কা পাড়ি দিলেন দস্যু আয়াজ। দিনভর জপতপ শুরু হল সুফিদের আসরে। মক্কায় ভোর হয়। ফের নামে রাত। রাত ফুরিয়ে দিন ফুরিয়ে সপ্তাহ পেরোয়। সপ্তাহ শেষে মাস ফুরোয়। মোরাকাবা ফুরায় না আয়াজের। ধ্যান-সাধনায় খুশি হন মাবুদ। দান করেন অফুরন্ত আনন্দ নেয়ামত। এতে তার সেজদা মোরাকাবা বেড়ে যায়। মরু আস্তানায় নীরবে কাটে সময়।
মক্কার বাদশা হারুন রশিদ। অদৃশ্য ব্যথা বুকজুড়ে। বদ্যি কবিরাজ ধরতে পারেনি কিছু। এক রাতে বন্ধুকে ডাকলেন। আমি কোনো দরবেশের কাছে যেতে চাই। আজ রাতেই নিয়ে চল। আমি যেন আত্মায় শান্তি পাই। রাজ্য শাসন আমাকে হাঁপিয়ে তুলেছে। কথা বলে অসহায় চোখে চেয়ে থাকলেন বন্ধুর দিকে।
মক্কার মস্ত বড় দরবেশ সুফিয়ান। তার আস্তানায় বাদশাকে নিয়ে গেলেন বন্ধু। দরবেশের নির্জন ঘরের নড়বড়ে ফটকে টোকা দিলেন। সুফিয়ান, কে বলে চুপ হলেন।
মক্কার বাদশা হারুন রশিদ এসেছেন। শুনে সুফিয়ান বললেন, আগে জানলে আমিই বাদশার দরবারে যেতাম। এত কষ্টের তার কী দরকার ছিল। কথা শুনে বাদশা বললেন, যাকে আমি খুঁজছি ইনি নন তিনি। এবার সুফিয়ান বললেন, হয়তো ফজল আয়াজকে খুঁজছেন আপনারা।
আয়াজের খোঁজ জেনে তার আস্তানায় ঘোড়া ছোটালেন তারা। [চলবে]
বিখ্যাত সুফি গ্রন্থ
তাজকিরাতুল আউলিয়ার ভাব নিয়ে।
লেখক : সাংবাদিক, শিশু সাহিত্যিক
- আওয়ামী পরিবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- ব্র্রংকস কমিউনিটির উদ্যোগে আলবেনিতে বাংলাদেশ ডে
- ব্রংকসে ডিটেকটিভ দিদারের নামে রাস্তা
- ‘ড. ইউনূসকে ২০২৯ পর্যন্ত রাখতে চেয়েছিল’
- ট্রাম্পের আঙ্গিনায় ডেমোক্র্যাটদের বিজয়
- বিমানবন্দরে আইস পুলিশ মোতায়েন
- বাংলাদেশিদের ঈদের জামাতে মেয়র মামদানি
- ইরানকে আলোচনায় বাধ্য করার চেষ্টা
- দৃশ্যমান হচ্ছে আওয়ামী লীগ
- মার্কিন সেনাদের রুখতে ইরানের ১০ লাখ যোদ্ধা প্রস্তুত
- ডা. জুবাইদা রহমান প্রশংসিত
- সেন্ট্রাল পার্কে মুসলিম নারীকে হিজাব খুলে ধর্ষণচেষ্টা
- নিউ ইয়র্ক সিটিতে ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৩০ ডলার!
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বৃহত্তম বিক্ষোভ শনিবার
- ৫ লাখ নিউইর্য়কার মেডিকেইড সুবিধা হারাচ্ছেন
- নিউইয়র্ক স্টেট আইনসভা বাংলাদেশময়
- বট বাহিনীর নৃত্য, আমিনুলের তেল ও বিব্রত জাইমা
- ১/১১ কুশীলবরা গা ঢাকা দিচ্ছে
- নিউইয়র্ক সিটিতে ৮ হাজার কলেজ শিক্ষার্থীই হোমলেস
- আজকাল ৯১৫
- ভিয়েতনামে দলের সঙ্গে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী
- সংসার ভেঙে গেল মৌসুমী হামিদের
- যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল সামিটে জুবাইদা রহমান
- ইসরায়েলের অন্যতম বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- শাসক বদলেছে, শোষণের ধারা বদলায়নি: শফিকুর রহমান
- নবীন ফ্যাশনের শোরুম বন্ধের ঘটনায় হাতিরঝিল থানার ওসি ‘ক্লোজড’
- জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত
- ট্রাম্পের শান্তি আলোচনার প্রস্তাবে দুশ্চিন্তায় ইসরায়েল
- টেনে তোলা হয়েছে বাস, বের হচ্ছে একের পর এক মরদেহ
- বাংলাদেশি অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৯৪
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- সব ভিসাতেই পালন করা যাবে ওমরাহ
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- শেখ হাসিনা একজন ছোটখাটো হিটলার: মাহমুদুর রহমান
- ‘গুগল প্লাস’ বন্ধ হচ্ছে
- টেসলা সিইওর ৫ হাজার কোটি ডলার বেতন যৌক্তিক!
- ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্মাননা পেলেন অর্থমন্ত্রী
- টয়োটার মানব রোবট ৬ মাইল দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য
- গুগল ম্যাপসে বন্ধুকে লোকেশন জানাবেন যেভাবে
- সাবধান! হেডফোনে গান শুনতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু
- ছবি এডিটিং ফ্রিল্যান্সিংয়ে আয়
- ভাঁজ করা যাবে এই ফোন
- তরুণরাই এগিয়ে নিচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশকে : অর্থমন্ত্রী
- এআই ব্যবহারের অনুমতি পেল শিক্ষার্থীরা
- ফেসবুক অফিসে বোমাতঙ্ক
- ফ্রিল্যান্সারদের ১০ শতাংশ উৎসে কর প্রযোজ্য নয়: এনবিআর
- হয়রানি বন্ধে ফেসবুকে নতুন ফিচার
- কেমন হবে নকিয়ার নতুন ফোন ৮.১? জেনে নিন বিস্তারিত…
- ফেসবুক ব্যবহারেও এখন করতে হবে টাকা খরচ
