গণতন্ত্রের দেবী থেকে রক্তচোষা ডাইনি
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮
ক্যালেন্ডারের পাতায় তখন ১৯৮৮ সাল। মৃত্যুশয্যায় থাকা মাকে দেখতে মিয়ানমারে ফেরেন অক্সফোর্ডপড়ুয়া অং সান সু চি। দেশে তখন জান্তার স্বৈরশাসন। দেশে ফিরে তিনি জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে।
ইয়াঙ্গুনের এক প্যাগোডার সামনে জমায়েত হওয়া সমাবেশে তিনি বলেন, ‘চোখের সামনে যা হচ্ছে, আমি আমার বাবার মেয়ে হয়ে তা দেখার পরও চুপ করে থাকতে পারি না।’
বাবা মিয়ানমারের স্বাধীনতার জনক জেনারেল অং সান। বাবার প্রতি দেশবাসীর যে শ্রদ্ধা, তার ওপর ভর করেই শুরু হয় সু চি’র রাজনৈতিক জীবন। রুখে দাঁড়ান স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে। সোচ্চার হন জনগণের মৌলিক অধিকার, জনগণের শাসন আর গণমাধ্যম ও মানুষের বাকস্বাধীনতার পক্ষে। জনগণের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে শিকার হয়েছেন অপার লাঞ্ছণা-বঞ্চনার।
একটানা এক যুগের বেশি সময় বরণ করেছেন গৃহবন্দিত্ব। ফলে ‘গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। শুধু নিজ দেশবাসীর কাছেই নয়, সারা বিশ্বেই। স্বীকৃতিস্বরূপ শান্তিতে নোবেলসহ পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা-পুরস্কার। পূজিত হয়েছেন ‘গণতন্ত্রের দেবী’ হিসেবে। আজ তিনি আর গৃহবন্দি নন।
মিয়ানমার সরকারের স্টেট কাউন্সেলর তিনি। কিন্তু এখন সু চি আর সেই সু চি নেই। হয়ে উঠেছেন এক রক্তচোষা ডাইনি। গণতন্ত্রের সেই ‘চ্যাম্পিয়নই’ আজ হয়ে উঠেছেন বড় স্বৈরশাসক। কয়েক দশকের সামরিক শাসনের পর ২০১৫ সালে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসেন সু চি।
প্রতিশ্র“তি দিয়েছিলেন গণতান্ত্রিক শাসন অব্যাহত রাখবেন। কিন্তু গত তিন বছরেও নিজেদের সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করেনি তার সরকার। বরং আরও স্বৈরাচারী শাসন চাপিয়ে দিয়েছে জনগণের ওপর।
এ মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে ধিকৃত ও তিরস্কৃত ব্যক্তি হচ্ছেন সু চি। একসময় যারা প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন, এখন তারাই তার সবচেয়ে বড় সমালোচক। তার একটি কথাতেই যারা জীবনও দিতে প্রস্তুত ছিলেন, এখন তার কথা শুনলেই ক্ষেপে যান। কারণ তার ক্ষমতালোভী মুখোশ সবার সামনে উন্মোচন হয়ে পড়েছে।
একসময় যে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, ক্ষমতার লোভে সেই বাহিনীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছেন সু চি। তার সময়েই রাখাইন রাজ্যে যেভাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা চালানো হয়েছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যার রক্তের বন্যা বইয়ে দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি কাচিন জাতির ওপর চলছে সমান নির্যাতন। কিন্তু মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন তিনি।
কেউ কেউ বলছেন, সু চি এখন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতের পুতুল। যেন তার শান্তিতে নোবেল পুরস্কারটি কেড়ে নেয়া হয়। ছবি ও কার্টুনে তাকে ব্যঙ্গ রাক্ষসী হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। কিন্তু মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর যে গণহত্যা, তা প্রমাণ করে তিনি এক রক্তচোষা ডাইনি। ২০১৬-১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের পূর্বে ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা প্রধানত মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে বসবাস করত।
২০১৩ সালে জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের বিশ্বের সবচেয়ে নিগৃহীত-নিপীড়িত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করে। ১৯৮২ সালের বার্মিজ নাগরিকত্ব আইন অনুসারে তাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়।
অস্বীকার করা হয় শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অধিকারসহ তাদের সব মৌলিক অধিকার। মিয়ানমার সরকার তাদেরকে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী দাবি করছে। রোহিঙ্গারা ১৯৭৮, ১৯৯১-১৯৯২, ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে সামরিক অভিযান ও অবর্ণনীয় অত্যাচারের শিকার হয়।
গত বছরের আগস্টে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী শুরু করে পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ অভিযান। তাদের যোগ দেয় সংঘবদ্ধ বৌদ্ধ অধিবাসীরা। নারীদের হত্যা ও ধর্ষণ, বাচ্চাদের আগুনে নিক্ষেপ ও জবাই করে হত্যা।
এভাবে ১০ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা হত্যা করে, অভিযান থেকে বাঁচতে ৭ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে পালিয়ে যায়।
- শাপলা ট্র্যাজেডি: ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ
- মার্কিন সামরিক বিমানে ঠাসা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ রণপ্রস্তুতির আভাস
- ৮ মাস পর ঘুরে দাঁড়াল রপ্তানি, এপ্রিলে আয় ৩৩% বৃদ্ধি
- নতুন প্রস্তাব তেহরানের, ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ চায় ইরান
- শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি
- হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু
- ভেঙে পড়ার শঙ্কায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
- কি লেখা ছিল এপস্টেইনের চিরকুটে, কেন লুকিয়ে রাখা হয়েছিল?
- ইরানে হামলাকে ভুল মনে করেন ৬১ শতাংশ আমেরিকান
- যুক্তরাজ্যে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
- ৬ উইকেটে হেরে সিরিজ হাতছাড়া করলো বাংলাদেশ
- মানব পাচারের রানি নূরজাহান
- পর্যায়ক্রমে ভিসা পুরোদমে চালু করবে ভারত
- মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রুখতে পাল্টা যে পদক্ষেপ নিল চীন
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
- ইরান কি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অস্ত্রের ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’
- প্রথমে পোশাকে মিল, পরে ডিএনএ পরীক্ষায় বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত
- ব্যাংকে চাকরির টাকায় সংসার চালানো কি হালাল, যা বললেন আহমাদুল্লাহ
- ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ১৯ দিনে শোধিত হয়নি লাখ টন জ্বালানি
- ‘আমরা জলদস্যুদের মতো কাজ করি’
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বর্নাঢ্য অভিষেক
- নবান্ন রেস্টুরেন্ট আবারও বিক্রি হচ্ছে!
- ১৪ বোয়িং বিমান কিনছে বাংলাদেশ
- মতলব সমিতির নতুন কমিটির শপথ
- বগুড়া সোসাইটির জাঁকজমকপূর্ণ অভিষেক
- বিপার জমজমাট বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত
- সম্মিলিত বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বর্ষবরণ রোববার
- নিউ ইয়র্ক বইমেলার উদ্বোধক ইমদাদুল হক মিলন
- গোলাপগঞ্জ সোসাইটির সভাপতি আতিক ও সম্পাদক ফয়ছল
- পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ট্রাম্পের ছবি
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯৪
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- বড় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
- আজকাল ৯০২
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- আজকাল ৯০০
- আজকাল ৮৯৭
- এআই বিভাগ থেকে ৬০০ কর্মী ছাঁটাই করবে মেটা
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৮৯৮
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
