ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে
প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধটি সমসাময়িক আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক পাঠ্যপুস্তকে স্থান পাওয়ার যোগ্য। এর কারণ এই নয় যে, এটি ক্ষমতা সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে ওলটপালট করে দিয়েছে, বরং কারণ এটি যে, ক্ষমতার ব্যবহার কীভাবে বদলে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী সামরিক শক্তির মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।
বুধবার রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির বিশ্লেষণে এসব কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের চিরায়ত দৃষ্টিভঙ্গিগুলো এখনো গুরুত্বপূর্ণ এবং ক্ষমতার ভারসাম্যও বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের গুরুত্ব এখনো আছে। কিন্তু শক্তি প্রয়োগের পরিণতি আগের চেয়ে কম অনুমানযোগ্য হয়ে উঠেছে।
কারণ, বলপ্রয়োগ এখন আর সরলরৈখিক ফলাফল দেয় না। এটি ঘটেছে ইরানের ক্ষেত্রে। সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়াও বিষয়টি নিষেধাজ্ঞাসহ ও অন্য চাপের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
রাশিয়া ইন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের প্রধান সম্পাদক ফাইদর লুকিয়ানভের লেখা ওই প্রতিবেদনে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হারের কারণ তুলে ধরে বলা হয়েছে, যদি বাগাড়ম্বর সরিয়ে ফেলা হয়, তাহলে চিত্রটি বেশ সরল।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর শক্তিশালী জোট স্পষ্টতই দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। এ দুর্বল প্রতিপক্ষটিই ইরান। দেশটির পাশে ছিল মিত্র সশস্ত্র সংগঠনগুলো এবং রাশিয়া ও চীনের সীমিত সমর্থন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের লক্ষ্য ছিল এমন এক শাসনব্যবস্থাকে দ্রুত ও চূড়ান্ত আঘাত হানা, যাকে বাহ্যিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কারণে আপাত দুর্বল বলে মনে হতো। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’র দাবি যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার মনোভাবকে পুরোপুরিভাবে স্পষ্ট করেছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, তেহরান চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে।
কিন্তু ঘটল ঠিক উলটো। আক্রমণকারী পক্ষের উন্নততর শক্তি অপ্রত্যাশিতভাবে সর্বোচ্চ প্রতিরোধের সম্মুখীন হলো। প্রাথমিক আঘাত হানার পর ইরান ভেঙে পড়েনি; বরং পুনর্গঠিত ও সংগঠিত হলো। পাশাপাশি অনেক প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে জোরালো প্রতিক্রিয়া জানাল। আর এতেই নতুন যুগের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসাবে অপ্রতিসম পালটা-আক্রমণ দৃশ্যমান হয়।
ইরান প্রচলিত শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সমকক্ষ ছিল না। এর প্রয়োজনও ছিল না তার। তবে তার হাতে যা কিছু ছিল, তা তারা সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করেছে। তারা শত্র“পক্ষের সুবিধাকেই অকার্যকর করে দিয়েছে।
প্রথমত, ইরান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার পদক্ষেপ নেয়, যা করার হুমকি দীর্ঘদিন ধরে তারা দিলেও আগে কখনো সাহস দেখায়নি। দ্বিতীয়ত, এটি শুধু উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতেই আঘাত হানেনি, বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সহযোগীদের সম্পদেও আঘাত হেনেছিল।
তৃতীয়ত, ইরানের অস্ত্রভান্ডার অপেক্ষাকৃত কম হলেও তা আঘাত সহ্য করতে সক্ষম নয়-এমন দেশের ক্ষতিসাধনের জন্য যথেষ্ট ছিল। চতুর্থত, ইরান তার শত্রুদের তুলনায় যথেষ্ট বেশি ক্ষতি সহ্য করার ক্ষমতা দেখিয়েছে।
বর্তমান ফলাফলই সব বলে দিচ্ছে। কারণ, যে বিষয়গুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধে জড়িয়েছিল, তার কোনোটিই তারা পায়নি। সবকিছু আবারও ভবিষ্যতের আলোচনার জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সবাই বোঝে যে পারস্য কূটনীতির ঐতিহ্য অনুযায়ী আলোচনার অর্থ হলো দৃঢ়তা ও ধৈর্য।
মোদ্দাকথা, পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দেওয়া একটি তীব্র সশস্ত্র সংঘাতের পর এখন স্থিতাবস্থা ফিরতে শুরু করেছে। হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হবে, যদিও এর শর্তগুলোও এখনো অস্পষ্ট। কারণ, উভয়পক্ষই ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সামরিক শক্তির মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। দুর্বল পক্ষের প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ছে। অন্যদিকে শক্তিশালী পক্ষের গুরুতর ঝুঁকি, বিশেষ করে নিজেদের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ঝুঁকি মেনে নেওয়ার ইচ্ছা কমে আসছে। এটি অনেক সংঘাতের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে এটি বিশেষভাবে দৃশ্যমান।
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রভাবশালী শক্তির দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। ট্রাম্প এখন আরেকটি পূর্ণাঙ্গ সামরিক সংঘাতে জড়াতে গভীরভাবে অনিচ্ছুক। কারণ, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, তার উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হয়েছেন।
- শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড
- পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না ইরান, পাবে বিপুল বিনিয়োগ
- বিমানভর্তি অর্থ দিয়ে ইরানকে চুক্তিতে রাজি করিয়েছিলেন ওবামা
- ভারত জোর করে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে, অভিযোগ এইচআরডব্লিউর
- মোদি শান্ত ধীরস্থির এবং একজন জাঁদরেল খেলোয়াড়, আমি তেমন নই:ট্রাম্প
- জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের
- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে
- দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
- বিশ্বকাপে কালিমার সম্মান
- অস্ট্রেলিয়ায় সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে চীন
- হরমুজে মার্কিন বাহিনীকে রুখে দেয় ইরানের ‘মশা নৌবহর’
- আমি আজীবনের আর্জেন্টিনা: পরীমনি
- ইসরায়েল ট্রাম্পের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় : বেন-গভির
- দুই ছেলের নামের সঙ্গে ইউনিয়নের নামে মিল
- আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
- যদি মন্ত্রী বলে থাকেন টাকা নিয়ে ঘুরেছি, তাকেই প্রমাণ দিতে হবে
- প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর
- দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
- রাজধানীর ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- যুদ্ধ বন্ধ হলে ট্রাম্পের ইরান চুক্তির আসল পরীক্ষা হবে
- বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে কী বললেন পরীমণি
- তৈরি হচ্ছে বেনজীরকে দেশে আনার প্রস্তাব
- লেবাননে ইসরাইলি হামলা কোনোভাবেই উচিত হয়নি: ট্রাম্প
- ফুটবলকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় কেন ‘সকার’ বলা হয়?
- এখন থেকে ব্যক্তিগত সোনা বিক্রিতে দিতে হবে কর
- নয়াদিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফেরত এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
- ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক
- কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দক্ষিণ এশিয়ার ‘জেন জি’ অভ্যুত্থান
- আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ৫ সেনা নিহত
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০০
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- আজকাল ৯০৪
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৮৯৮
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- ফেসবুক অ্যাপে ফের বড় পরিবর্তন
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৮৯৯
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- অবৈধদের সন্তানরা নাগরিকত্ব পাবে না
- আমি আমার ৩টি টার্গেট ঠিক করে নিয়েছে : এসপি হারুন
- নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের পাশে নেই বিএনপি
- নতুন ইমিগ্র্যান্ট ঠেকাতে সিনেটে বিল পাস
- রোববার থেকে স্টুডেন্ট লোন মওকুফ কার্যক্রম শুরু
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তালিকায় ১১ বাংলাদেশির নাম
- কাল ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিন
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাতভর ফ্লাইট উড্ডয়ন বন্ধ
- ডিপোর্টেশন আতংকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
- ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত গ্যাস
- ট্রাম্প-বাইডেন দু’জনই বুড়ো, কাউকে পছন্দ না ভোটারদের
- নাগরিকত্ব পেতে ইন্টারভিউ দিতে হবে না
- অনিশ্চয়তার মুখে ২ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- ইংরেজিতে দুর্বলদের জন্য দুঃসংবাদ
নাগরিকত্ব পরীক্ষায় পরিবর্তন আসছে - যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি আমলা-পুলিশের
