বিবিসি
সরকারি সফর হলে স্টারমার কেন সাক্ষাৎ দিলেন না?
প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০২৫
যুক্তরাজ্যে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের চার দিনের সফরকে ‘সরকারি সফর’ বলা হলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কেন তাকে সাক্ষাৎ দিলেন না, সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হল বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে।
ইউনূস গত ১২ জুন যখন ‘কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড নিতে গেলেন তার আগে বিবিসির সাংবাদিক রাজিনি বৈদ্যনাথন তাকে ওই প্রশ্ন করেন। প্রধানমন্ত্রী দেখা না দেওয়ায় ইউনূস কতটা হতাশ–তাও জানতে চান বিবিসির এই সাংবাদিক।
সংক্ষিপ্ত ওই সাক্ষাৎকারে স্বাভাবিকভাবেই ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের প্রসঙ্গ আসে। টিউলিপের সঙ্গে ইউনূস দেখা করবেন কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। দুদকের তদন্ত নিয়ে টিউলিপ যেসব অভিযোগ করছেন, সেসব বিষয়েও প্রধান উপদেষ্টার ব্যাখ্যা চাওয়া হয় নানাভাবে।
এর পাশাপাশি জানতে চাওয়া হয়, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের সাহায্য কমিয়ে দিলে তার কতটা প্রভাব পড়বে।
রাজিনি বৈদ্যনাথনের প্রশ্ন এবং মুহাম্মদ ইউনূসের উত্তরের অডিও শোনানো হয় বিবিসির ‘দ্য ওয়ার্ল্ড টুনাইট’ অনুষ্ঠানে।
সেই সাক্ষাৎকারের একটি বাংলা অনুবাদ পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হল।
বিবিসি উপস্থাপক: এই সফরকে ‘সরকারি’ বলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর (কিয়ার স্টারমার) সঙ্গে কোনো বৈঠক নেই আপনার। মুহাম্মদ ইউনূস বাকিংহাম প্যালেসে যাওয়ার ঠিক আগে ‘দ্য ওয়ার্ল্ড টুনাইট’-এর রাজিনি বৈদ্যনাথন তার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানতে চান, কেন কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে কোনো বৈঠক হল না?
মুহাম্মদ ইউনূস: আমরা উনার (কিয়ার স্টারমারের) সঙ্গে দেখা করতে খুবই আগ্রহী ছিলাম। হয়ত তিনি ব্যস্ত ছিলেন বা অন্য কোনো কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে এতে করে আমার জন্য একটা বড় সুযোগও তৈরি হয়েছে। এখন যেহেতু তিনি ব্যস্ত, আমি তাকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে সময় কাটাতে পারব, যা ঘটছে তা দেখাতে পারব, এবং তিনি পুরো পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারবেন। এটা ইতিহাসের একটি বিশেষ মুহূর্ত, যার মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। একভাবে বললে, আমরা অতীতকে পেছনে ফেলে এক নতুন ভবিষ্যতের সূচনা করছি।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: আপনি বলছেন তিনি ব্যস্ত। কিন্তু আপনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, আপনি তার রাজনৈতিক সমমর্যাদার ব্যক্তি। যুক্তরাজ্যে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি এখানে, যুক্তরাজ্যে আছেন। ব্রিটিশ জীবনে বাংলাদেশি সংস্কৃতি গভীরভাবে মিশে আছে। তাহলে আপনি কতটা হতাশ যে, যুক্তরাজ্যে আপনার কয়েক দিনের সফরে তিনি সময় বের করতে পারলেন না?
মুহাম্মদ ইউনূস: আমি জানি না আমি হতাশ হব, না তিনি। কোনো কারণে একটা সুযোগ হারাল, আমি জানি না। এজন্যই বলেছি, তার বাংলাদেশে আসা উচিত। একটু নির্ভার থাকবেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি উপলব্ধি করবেন, এই মুহূর্তের মর্ম বুঝতে পারবেন।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: কিন্তু বৈঠকের ব্যবস্থা না করার পেছনে কী কারণ দেখিয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট?
মুহাম্মদ ইউনূস: আমার জানা মতে, তারা তেমন কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। হয়তো তিনি অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: এবার কিয়ার স্টারমারের এক এমপি, লেবার পার্টির টিউলিপ সিদ্দিককে নিয়ে বলি। তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি। আর বাংলাদেশের এক আদালত তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জমি নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। যদিও তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি আপনাকে চিঠি লিখেছেন, আমরা সেই চিঠি দেখেছি। তিনি আপনার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন। আপনি কি তার সঙ্গে দেখা করবেন?
মুহাম্মদ ইউনূস: না, আমি দেখা করব না। কারণ এটা একটি আইনি প্রক্রিয়া। আমি সেই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে চাই না। প্রক্রিয়াটা যেন চলতে পারে।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: ব্রিটিশ সরকারের ইনডিপেনডেন্ট এথিকস অ্যাডভাইজর টিউলিপ সিদ্দিকের বিষয়ে একটি তদন্ত করেছেন এবং তাকে নির্দোষ ঘোষণা করেছেন। টিউলিপ বলছেন, বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। তাহলে কেন এখনও দুদক তার বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে?
মুহাম্মদ ইউনূস: যেহেতু এটি আদালতের বিষয়, তাই আদালতই সিদ্ধান্ত নেবে যে মামলা চালানোর মতো যথেষ্ট উপকরণ আছে কিনা, কিংবা মামলাটি বাতিল করা উচিত কিনা।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: কিন্তু আপনি তো দুর্নীতি দূর করার অঙ্গীকার নিয়ে এসেছেন। আমি প্রশ্নটা আবার করব—দুদক বলছে, এটি কোনো ভিত্তিহীন তদন্ত নয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। কিন্তু টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা বলছেন, তারা কোনো প্রমাণই দেখেননি। এমনকি দুদক তাদের সঙ্গে যোগাযোগই করেনি।
মুহাম্মদ ইউনূস: আইনি প্রক্রিয়ায় আইনজীবীদের মধ্যে তথ্য বিনিময় হয়…
রাজিনি বৈদ্যনাথন: কিন্তু তিনি তো বলছেন, তেমন কিছু হয়নি।
মুহাম্মদ ইউনূস: সেজন্য সময় তো শেষ হয়ে যায়নি। আইনি প্রক্রিয়াগুলো সময় নেয়। বাংলাদেশ কখনও বলেনি, কোনো তথ্য দেওয়া হবে না।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: কিন্তু ইতোমধ্যে সুনির্দিষ্ট একটি অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে গেছে। অন্যদিকে তিনি (টিউলিপ) ও তার আইনজীবীরা স্পষ্ট করেই বলছেন, এটা সম্পূর্ণ অবিচার এবং নিয়মতান্ত্রিকতার পরিপন্থি। তারা বলছেন, কোনো যোগাযোগ করা হয়নি তাদের সঙ্গে।
মুহাম্মদ ইউনূস: এটা আইনজীবী বনাম আইনজীবীর বিষয়। দুদকের আইনজীবীরা নিশ্চয় এ বিষয়ে একটি যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: কিন্তু সহজভাবে বললে, টিউলিপ বলছেন, তার আইনজীবীরা দুদকের কাছ থেকে কোনো বার্তা পাননি। তাই তিনি বলছেন, এটা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নয়।
মুহাম্মদ ইউনূস: দুদকের পক্ষ থেকে তাদের আইনজীবী বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে পারবেন, কীভাবে এটি একটি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: ঠিক আছে। কিন্তু আপনি তো প্রধান উপদেষ্টা। তাহলে আপনি কি এখনদুদককে আরও স্বচ্ছ হতে বলবেন? আপনি কি এখন এটি অন রেকর্ডে বলতে চান যে, তারা যেন দ্রুত প্রমাণ উপস্থাপন করে, যাতে অভিযোগ নিয়ে কোনো সন্দেহ না থাকে? কারণ টিউলিপ সিদ্দিক তো অভিযোগ অস্বীকার করছেন।
মুহাম্মদ ইউনূস: প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আমি আমাদের দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি যে, তারা সঠিক কাজটাই করছে।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। যদি তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে কি তাকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে?
মুহাম্মদ ইউনূস: এটা আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। এক ধাপের পর আরেক ধাপ আসে।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: কিন্তু দেশে ফেরানোর বিষয়টা কি এই প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে?
মুহাম্মদ ইউনূস: যদি আইনের আওতায় পড়ে, তাহলে হতে পারে।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: অর্থাৎ যথেষ্ট প্রমাণ থাকলে, দুদক তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানাতে পারে?
মুহাম্মদ ইউনূস: যদি আইন সেটা চায়।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: যুক্তরাজ্যের সাহায্যপ্রাপ্ত শীর্ষ দশ দেশের একটি বাংলাদেশ। সম্প্রতি আমরা শুনেছি, এমনকি গতকালও বাজেট পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, বিদেশি সাহায্যের বাজেটে বড় কাটছাঁট করা হবে। বাংলাদেশিদের ওপর এর কতটা প্রভাব পড়বে?
মুহাম্মদ ইউনূস: এই কঠিন সময়ে যদি কিছু সহায়তা পাওয়া যায়, আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। তবে না পেলেও, আমরা নিজেদের প্রচেষ্টায় এগিয়ে যেতে থাকব এবং আয় বৃদ্ধির চেষ্টা করব।
রাজিনি বৈদ্যনাথন: কিন্তু এটা কত বড় ধাক্কা, অধ্যাপক?
মুহাম্মদ ইউনূস: ব্রিটিশ সাহায্যে কাটছাঁট, এটা একটা বড় ধাক্কা। তবে জীবনে ওঠানামা থাকেই। আজ কমে গেল, কাল বাড়বে—এখানকার পরিস্থিতির ওপরই সব নির্ভর করে। তবে আমাদের সেই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। যেমন হঠাৎ করে ইউএসএইড সব অর্থ একেবারে বন্ধ করে দিল—১০০%। শেষ। বন্ধ। তখন আমরা দেখলাম, কত বড় ঘটনা ঘটল বাংলাদেশে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে—সব তহবিল বন্ধ হয়ে গেল। শূন্য। রোহিঙ্গা সংকট হঠাৎ করেই আমাদের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াল। বিস্ময়কর এক পরিস্থিতি। কিন্তু আমাদের সেটা মোকাবিলা করতেই হবে। টাকাপয়সা চলে গেছে বলে তো রোহিঙ্গারা হঠাৎ উধাও হয়ে যাবে না।
বিবিসি উপস্থাপক: মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা বলছিলেন আমার সহকর্মী রজিনি বৈদ্যনাথন। আমরা টিউলিপ সিদ্দিক এমপির সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলাম অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য। তিনি তাতে রাজি হননি, তবে একটি বিবৃতি পাঠিয়েছেন।
বিবৃতিটা এরকম– “অধ্যাপক ইউনূস আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজি না হয়ে আমি হতাশ। তিনি এক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কেন্দ্রে আছেন, যার ভিত্তি কল্পনাপ্রসূত অভিযোগ, যার কোনো প্রমাণ নেই—যা একের পর এক মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে। আমি আশা করি, তিনি এখন এই অপপ্রচার বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেবেন, যাতে আদালতেই এটা প্রমাণ হতে পারে যে এই অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।”
- নেতানিয়াহু থাকছেন নাকি বিদায় নিচ্ছেন, রায় আজ
- ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন
- জনমত জরিপকে ‘ভুয়া’ বললেন ট্রাম্প, নিজের সমর্থন ৬০ শতাংশ দাবি
- ট্রাম্পের নির্দেশ পেলে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে হামলার প্রস্তুতি যুক
- সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল রোম
- বিদেশে পাচার হচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রত্নসম্পদ
- দেশ ছাড়ার খবর জানিয়ে রুমি বললেন— ‘আপনারা ভালো থাকেন’
- ভারতের গুয়াহাটিতে হোটেলে গুলি, নিহত ৫
- মাদকের অর্থে হোটেল রিসোর্ট
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল থেকে ইউরোপকে দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান ইরান
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিলেন ট্রাম্প
- প্রশ্নবিদ্ধ বাংলাদেশিদের গ্রহণযোগ্যতা
- ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
- মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলছে বাংলাদেশ
- ১২৪৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ
- রাজধানীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
- বারাক ওবামা ‘চরম অযোগ্য’: ট্রাম্প
- চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে টোকিও`র পথে প্রধানমন্ত্রী
- সাজেক সড়কে অবরোধ অব্যাহত, মাটিরাঙ্গায় অস্ত্র নিয়ে মহড়া
- বিসিবি থেকে চাকরি হারালেন আশরাফুল
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জন্য ‘বড় চমক’ অপেক্ষা করছে: নেতানিয়াহু
- সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী
- ৮ যুদ্ধ থামিয়েছি, তবুও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
- রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
- আতঙ্ক ছড়াচ্ছে কারা
- পারস্য উপসাগরে মার্কিন জাহাজ ঢুকতে দেবে না ইরান
- ‘তদন্তের স্বার্থে’ রুমির বিষয়ে পুলিশের সিদ্ধান্ত বদল
- সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশিদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করল বিএসএফ
- কেলার উইলিয়ামস ল্যান্ডমার্ক ২-এর স্বাগত অনুষ্ঠান সম্পন্ন
- জ্যামাইকায় সেলিম-আলী পরিষদের প্যানেল পরিচিতি ও নির্বাচনী সভা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- ফেসবুক থেকে উধাও শাওনের আইডি!
- ১২০ ডলারের খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে নিউইয়র্কের শিশুরা
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- আজকাল ৯৩২
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- আজকাল ৯৩৮
- হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু সোমবার, রাতেই মিনায় যাবেন হাজিরা
- উৎসব মুখর পরিবেশে নিউইয়র্কে ঈদ জামাত
- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
- আজ পবিত্র ঈদুল আজহা
- মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- দীপ্তির জন্মের ৬ বছর আগেই এসএসসি পাশ করেছেন তার স্বামী
- আজকাল ৯২৫
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
