ইয়েমেনে মাটির নিচে পৈশাচিক নির্যাতন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ জানুয়ারি ২০১৯
ইয়েমেনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ২০১৫ সাল থেকে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব-আমিরাতি জোট। গুম, হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন- কোনো কিছুই বাদ রাখেনি মধ্যপ্রাচ্যের এই নয়া আগ্রাসী গোষ্ঠী। হুথিদের আটক করে তাদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালাতে মাটির নিচে গড়ে তুলেছে গোপন কারাগার।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে খোঁজ মিলেছে ১৮টি ভয়ংকর বন্দিশিবিরের।
ভূগর্ভস্থ এসব কারাগারে পেটানো, মারধর ও যৌন নিপীড়নের জন্য রয়েছে নির্ধারিত নির্যাতন সূচি। জেলে বন্দিদের ওপর একেকদিন এক এক ধরনের মার চলে। আহত হুথিদের চিকিৎসাসেবা দিতে গেলেও গ্রেফতার ও নির্যাতনের শিকার হন ডাক্তাররা। নিপীড়নের যন্ত্রণায় দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া বিদ্রোহীরাও পাল্টা খুলেছে গোপন কারাগার।
দেশটির ভয়াল এ পরিস্থিতিকে বিশ্বের সবচেয়ে বাজে ‘মানবসৃষ্ট মানবিক সংকট’ বলে অভিহিত করেছে জাতিসংঘ।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিত্যক্ত সরকারি বাসভবন, সেনাক্যাম্প, বিমানবন্দর, পুলিশ সদর দফতরগুলোকে কারাগার হিসেবে গড়ে তুলেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী, সৌদি ও আরব আমিরাত জোট। তাদের নিয়ন্ত্রণ ও অর্থায়নে পরিচালিত হয় গোপন কারাগারগুলো।
হুথি বিদ্রোহীদের ওপর রুটিনমাফিক চলে নির্যাতন। শনিবার পিটুনি, রোববার যৌন নির্যাতন এবং সোমবার ছুটি। এভাবে পরবর্তী তিন দিন চলে একই নিয়মে। শুক্রবার নির্জন কারাগারে নিক্ষেপ, যেটি হাঁটু গেড়ে বসে থাকার মতো ছোট্ট জায়গা। সানাভিত্তিক অ্যাবডাক্টিস মাদার ইউনিয়নের (এএমইউ) তথ্যানুসারে, কারাগারে নির্যাতনের অতিশয্যায় মারা গেছেন অন্তত ১২৬ বন্দি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কাছে এসব নথি রয়েছে।
কারাবন্দিদের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা কয়েকটি ছবি ও চিঠি কারাগার থেকে পাচার হয়েছে। এগুলো এপির হাতে এসেছে। প্লাস্টিকের প্লেটে আঁকানো চিত্রে দেখা গেছে, উলঙ্গ অবস্থায় ঝুলানো এক বন্দিকে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হচ্ছে। আরেক বন্দিকে কুকুরের ভঙ্গিমায় মাটিতে বসিয়ে কয়েকজন সেনা লাথি মারছে।
পায়ুপথে ধর্ষণের চিত্র প্রতীকী হিসেবে তুলে ধরেছেন বন্দি ওই চিত্রশিল্পী। এক চিঠিতে তিনি জানান, ‘আমি প্রতিদিনই মৃত্যুর প্রত্যাশা করি। কারণ এ পাশবিকতার চেয়ে মৃত্যুই কম যন্ত্রণার।’ ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বেইর আহমেদ কারাগারে শত শত বন্দির ওপর চলে যৌন নিপীড়ন। বন্দিদের একই লাইনে দাঁড় করিয়ে একে একে সবাইকে উলঙ্গ করে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।
নির্যাতন থেকে জীবিত ফিরেছেন এমন ২৩ জনের সঙ্গে কথা বলেছে এপি। ইয়েমেনে জোটের চালানো হামলায় আহত হুথিদের চিকিৎসাসেবা দিলে ডাক্তাররাও নির্যাতনের শিকার হন। ২০১৮ সালের জুন মাসে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এমন এক ডাক্তার ফারুক বাকার (২৬)।
রাজধানী সানার একটি হাসপাতালের এ চিকিৎসককে ২০১৬ সালের নভেম্বরে গ্রেফতার করা হয়। ১৮ মাসের কারাভোগের বীভৎস অভিজ্ঞতা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন তিনি। ফারুক বলেন, ‘প্রায় অক্সিজেনশূন্য ভূগর্ভস্থ কারাগারে ৫০ দিন কোমরে দড়ি বেঁধে আমাকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
এভাবেই মলমূত্র ত্যাগ করেছি। একবারও পরিষ্কার হতে পারিনি। আমার নখগুলো তুলে নেয়া হয়েছে। তার দিয়ে বেঁধে নিুাঙ্গ টান দেয়া হতো।’ তিনি আরও বলেন, বন্দিশিবিরে মরদেহ, লাশের টুকরো ছড়ানো-ছিটানো থাকতে দেখেছি। আরেক বন্দির বর্ণনা দিতে গিয়ে ফারুক বলেন, ‘এক ব্যক্তিকে পুরুষাঙ্গে দড়ি বেঁধে ঝুলানো হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ তিনি প্রস্রাব করতে পারেননি। তাদের এ নির্যাতন দেখে ডাক্তার হিসেবে আমার মনে হতো, আমি মারা গেছি।’
হুথি বাহিনীও গোপন কারাগার গড়ে তুলেছে। বেসামরিকদের নির্যাতন চালিয়ে বড় অর্থের বিনিময়ে তাদের মুক্তি দেয়া হয়। এএমইউর হিসাবে, গত চার বছরে ১৮ হাজার ব্যক্তিকে কারাগারে ঢুকিয়েছে বিদ্রোহীরা। এর মধ্যে গোপন কারাগারে ১ হাজার ব্যক্তির ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। হুথিদের নির্যাতনে মারা গেছে অন্তত ১১৭ জন।
- শাপলা ট্র্যাজেডি: ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ
- মার্কিন সামরিক বিমানে ঠাসা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ রণপ্রস্তুতির আভাস
- ৮ মাস পর ঘুরে দাঁড়াল রপ্তানি, এপ্রিলে আয় ৩৩% বৃদ্ধি
- নতুন প্রস্তাব তেহরানের, ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ চায় ইরান
- শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি
- হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু
- ভেঙে পড়ার শঙ্কায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
- কি লেখা ছিল এপস্টেইনের চিরকুটে, কেন লুকিয়ে রাখা হয়েছিল?
- ইরানে হামলাকে ভুল মনে করেন ৬১ শতাংশ আমেরিকান
- যুক্তরাজ্যে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
- ৬ উইকেটে হেরে সিরিজ হাতছাড়া করলো বাংলাদেশ
- মানব পাচারের রানি নূরজাহান
- পর্যায়ক্রমে ভিসা পুরোদমে চালু করবে ভারত
- মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রুখতে পাল্টা যে পদক্ষেপ নিল চীন
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
- ইরান কি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অস্ত্রের ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’
- প্রথমে পোশাকে মিল, পরে ডিএনএ পরীক্ষায় বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত
- ব্যাংকে চাকরির টাকায় সংসার চালানো কি হালাল, যা বললেন আহমাদুল্লাহ
- ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ১৯ দিনে শোধিত হয়নি লাখ টন জ্বালানি
- ‘আমরা জলদস্যুদের মতো কাজ করি’
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বর্নাঢ্য অভিষেক
- নবান্ন রেস্টুরেন্ট আবারও বিক্রি হচ্ছে!
- ১৪ বোয়িং বিমান কিনছে বাংলাদেশ
- মতলব সমিতির নতুন কমিটির শপথ
- বগুড়া সোসাইটির জাঁকজমকপূর্ণ অভিষেক
- বিপার জমজমাট বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত
- সম্মিলিত বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বর্ষবরণ রোববার
- নিউ ইয়র্ক বইমেলার উদ্বোধক ইমদাদুল হক মিলন
- গোলাপগঞ্জ সোসাইটির সভাপতি আতিক ও সম্পাদক ফয়ছল
- পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ট্রাম্পের ছবি
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯৪
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- আজকাল ৮৯৫
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- বড় জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
- আজকাল ৯০২
- তারেকের দেশপ্রেম, মাতৃভক্তি ও বিদেশি নাগরিকত্ব!
- যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে বিপর্যয়
- আজকাল ৯০০
- আজকাল ৮৯৭
- এআই বিভাগ থেকে ৬০০ কর্মী ছাঁটাই করবে মেটা
- বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফুটবলার ঋতুপর্ণা
- আজকাল ৯০৪
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- আজকাল ৮৯৮
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- সাত বছরের শিশুর আয় ১৭৬ কোটি টাকা
