অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় ইন্ধনদাতারা
প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২৪

সেনাবাহিনীর সংবাদ সম্মেলন
চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী না থাকলে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইন্ধনদাতারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। হয়তো একেকজনের মতলব একেক রকম। তাদের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক স্বার্থ থাকতে পারে। সাধারণ মানুষের দায়িত্ব হলো ইন্ধনে প্রভাবিত না হওয়া। ইন্ধনদাতারা একটা কিছু পোস্ট করার পর অনেকে তা না বুঝেই ছড়িয়ে দেন। ফলে অনেক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানীর সেনা অফিসার্স মেসে সংবাদ সম্মেলনে সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশন্স ডিরেক্টরেটের কর্নেল ইন্তেখাব হায়দার খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২০ জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর ১২৩ সদস্য হতাহত হয়েছেন। একজন কর্মকর্তা শাহাদাৎ বরণ করেছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত অরাজকতা প্রতিরোধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, বিদেশি কূটনৈতিক ব্যক্তি-দূতাবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রের কেপিআই ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা, কলকারখানা সচল রাখাসহ দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী সার্বিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, চিহ্নিত অপরাধী ও নাশকতামূলক কাজের ইন্ধনদাতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কর্নেল ইন্তেখাব। চট্টগ্রামে সনাতনী জাগরণ মঞ্চের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁর অনুসারীরা বিক্ষোভ করেছে। চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এর পর কেন হত্যাকাণ্ড এড়ানো যায়নি?– এমন প্রশ্নের জবাবে ইন্তেখাব বলেন, মৃত্যুর ঘটনা অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমাদের সার্বিক প্রচেষ্টা থাকবে যে কোনো ধরনের মৃত্যু প্রতিরোধ করা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত না থাকলে সেখানে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারত। সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার কারণেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। আপনারা জানেন, সেখানে বিক্ষোভকারীরা কী সংখ্যায় ছিল।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিন ধরনের গোষ্ঠী রয়েছে। তাদের একটি হলো চিহ্নিত অপরাধী গোষ্ঠী; যাদের কাজই হচ্ছে অপরাধ করা। আরেকটা হচ্ছে ইন্ধনদাতা। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজ করছে। আরেকটা বড় গ্রুপ দেশের সাধারণ মানুষ। যেমন ছাত্ররা বা এর আগে গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিকরা যা করেছে। আইনশৃঙ্খলাকারী বাহিনীর মূল ভূমিকা কিন্তু চিহ্নিত অপরাধী ও ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে। ছাত্ররা যখন কারও ইন্ধনে পরিস্থিতি না বুঝে পথভ্রষ্ট হচ্ছে, তখন তাদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের একটু চিন্তা করতে হয়। ছাত্ররাই কিন্তু আন্দোলন করে দেশের এমন একটা পরিবর্তন এনেছে। আশা করি, দেশটা ভালো অবস্থায় যাবে।
তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু দেখলে তা যাচাই করতে হবে। ঘটনা সত্য হলেও সহিংস প্রতিবাদ করার প্রয়োজন নেই। অনেক শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা যায়।
এক প্রশ্নের জবাবে কর্নেল ইন্তেখাব বলেন, গোয়েন্দা ঘাটতি আছে বলব না। গোয়েন্দা, পুলিশসহ সবার সঙ্গে সমন্বিতভাবে আমরা কাজ করছি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমাদের চিন্তা করে কাজ করতে হচ্ছে। এতে অনেকের মনে হতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অনেক ঘটনা আগেভাগে প্রতিরোধ করা গেছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিতরা অপরাধে জড়িয়ে গেছেন, এমন অভিযোগ সঠিক নয়। কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেখানে হয়তো সেনাসদস্য বা অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিটি অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে। কিছু তদন্ত এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। সর্বোচ্চ চার থেকে এক বছর পর্যন্ত জেল হয়েছে। চাকরি থেকে বরখাস্তের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
কর্নেল ইন্তেখাব বলেন, গত দুই সপ্তাহে শিল্পাঞ্চলে ৪০টি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও ১৮টি সড়ক অবরোধের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রেখেছে সেনাবাহিনী। শিল্পাঞ্চল ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ৬৩টি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৩২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আহতদের সুচিকিৎসার জন্য বর্তমানে ৩ হাজার ৪৩০ জনকে দেশের বিভিন্ন সিএমএইচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে সেনাবাহিনী। সিএমএইচে এ পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি আহত মানুষের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

- কমলা হ্যারিসের রাষ্ট্রীয় সুবিধায় ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ
- ট্রাম্পের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে, কী ঘটেছে?
- নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
- ভারত সফর বাতিল করলেন ট্রাম্প
- লিটনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সহজ জয় বাংলাদেশের
- পাঁচ ব্যাংকে জমা টাকাই এখন দুঃস্বপ্ন, গ্রাহকরা ফিরছেন খালি হাতে
- আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
- নুরের ওপর নৃশংস হামলা: সারা দেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভ অবরোধ
- বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাদের মিলনমেলা
- ম্যানহাটনে বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ-আমেরিকান কার ও লিমোজিন এসো: বর্ণাঢ্য বনভোজন
- ইডিপির বার্ষিক বনভোজন ও সাংস্কৃতিক উৎসব কাল
- জ্যামাইকা ফ্রেন্ডস সোসাইটি’র ব্যাক টু স্কুল কর্মসূচি
- যশোর সোসাইটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত
- নারায়ণগঞ্জ সমিতির পিকনিকে হাজারো মানুষের ভিড়ে
- অ্যাবারনি’র জমকালো অ্যাওয়ার্ড নাইটে রিয়েলটদের মিলনমেলা
- নিউইয়র্কে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো’র ‘ব্যাক টু স্কুল’ উদ্যো
- প্রবাসী সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন কমিটির মতবিনিময়
- সকল বিভেদ ভুলে এক হয়ে চলার আহবান শাহ নেওয়াজের
- নিউইয়র্কে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান
- ‘কথিত সাংবাদিক’ ছাবেদ সাথী গ্রেপ্তার
- ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন ফেড গভর্নর
- ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে হামলায় আশঙ্কায় সতর্ক ঢাকা
- আজ ফোবানার পর্দা উঠছে নায়াগ্রা ফলসে
- কনস্যুলেটে হামলায় সিদ্দিক ও ইকবালের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- প্রার্থীদের নাম থাকছে না ব্যালটে প্রবাসীরা ভোট দেবেন মার্কায়
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রে গির্জায় বন্দুকধারীর হামলায় দুই শিশু নিহত,
- বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
- যুক্তরাষ্ট্রে সিডিসি প্রধানকে বরখাস্ত
- ব্রংকসের খলিল চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট বিক্রি হয়ে গেল
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- এ বি সিদ্দিক এবং জাস্টিসকে নিয়ে জামালপুর জেলা সমিতির নতুন কমিটি
- ৩০ দিন পর থাকবে না ফেসবুক লাইভ ভিডিও, বিকল্প কী?
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৫৮
- ‘আজকাল’- ৮৫৯
- আজ ভালোবাসা দিবস
- ‘আজকাল’- এখন বাজারে।
- আজকালের আজকের সংখ্যা ৮৬০
- নাট্যজনদের মিলনমেলা কৃষ্টির নাট্যেৎসব প্রশংসিত
- ঈদের কেনাকাটায় কোন ধরনের পোশাক ক্রেতাদের মন কাড়ছে ?
- টক দই খেলে কী উপকার
- আজকের আজকাল ৮৬১ সংখ্যা
- এবার ইন্সটাগ্রামে আসছে ডিসলাইক বাটন
- ‘আজকাল’- ৮৭১ সংখ্যা
- আজকের সংখ্যা ৮৫৭
- সাপ্তাহিক আজকাল আজকের সংখ্যা ৮৬৬
- আজকাল ৮৬২তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামে ছড়ায় ছবির বিভ্রান্তি
- গরমে স্বস্তি দেবে অ্যালোভেরার জুস, আরো যে উপকার

- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উস্কানি মন্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা