শুক্রবার   ১৩ মার্চ ২০২৬   ফাল্গুন ২৯ ১৪৩২   ২৪ রমজান ১৪৪৭

সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতীয় শিক্ষার্থীর হাত-পা বাঁধার ভিডিও অস্ট্রিয়ায় স্কুলে সন্ত্রাসী হামলায় ৭ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৯ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতীয় শিক্ষার্থীর হাত-পা বাঁধার ভিডিও রুশ-যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় দফা আলোচনা শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ড কী, কখন মোতায়েন করা হয়? যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটির সবাইকে বরখাস্ত করলেন কেনেডি ফ্রান্সগামী উড়োজাহাজে চড়ে ইসরাইল ছাড়লেন গ্রেটা থুনবার্গ না ফেরার দেশে চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ সিঙ্গাপুরের ঘাম ঝরিয়েও হার বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ মার্কিন যুদ্ধবিমানের ওপর উপসাগরীয় দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উত্থাপন ইরান-ইয়েমেনের কাছাকাছি পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়েন কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা! নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধে বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে ভূমিকম্পে ১৭০ প্রিয়জন হারালেন এক ইমাম ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪২ ফিলিস্তিনি নিহত ট্রাম্প কি আসলেই তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন লিবিয়ায় অপহৃত ২৩ বাংলাদেশি উদ্ধার দুদিনে নিহত ১৩, চট্টগ্রামের জাঙ্গালিয়া যেভাবে মরণফাঁদ হয়ে উঠলো বাংলাদেশের অর্থপাচার তদন্তে ব্রিটিশ এমপিদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ভেনিজুয়েলার তেল-গ্যাস কিনলেই শুল্কারোপের হুমকি ট্রাম্পের সাভারে চলন্ত বাসে আবার ডাকাতি, চালক ও সহকারী আটক ছুটিতে এটিএম সেবা সবসময় চালু রাখার নির্দেশ উসকানিতে প্রভাবিত না হতে বললেন সেনাপ্রধান রেড ফ্ল্যাগ সতর্কতার আওতায় ২৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ এনসিপি নেতা হান্নানের পথসভায় হামলা, আহত ‘অর্ধশতাধিক’ নির্বাচনী ট্রেনে বাংলাদেশ বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্র্রঙ্কসের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাবওয়ে ট্রেনে সন্তান প্রসব নিউইয়র্কে আইস পুলিশের বিশাল অফিস উদ্বোধন মেয়রের মামলা প্রত্যাহারে প্রসিকিউটরের পদত্যাগ হাসিনা নিজেই হত্যার নির্দেশদাতা জন্ম নাগরিকত্ব বাতিল আদেশ আটকে দিল আদালতে নিউইয়র্কে ডিমের ডজন ১২ ডলার নিউইয়র্কে ভালোবাসা দিবস উৎযাপন আমেরিকান বাংলাদেশী টেক কোয়ালিশন’র আত্মপ্রকাশ জামালপুর সমিতির সভাপতি সিদ্দিক ও সম্পাদক জাস্টিস শেখ হাসিনার আমলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে বাংলাদেশিদের অস্ত্রোপচার বাতিলে কলকাতাজুড়ে হাসপাতালে হাহাকার দি‌ল্লি যাওয়া ছাড়াই পাওয়া যাবে মে‌ক্সি‌কান ভিসা বাজার থেকে উধাও বোতলজাত সয়াবিন কেউ আপনার স্ত্রীকে ‘হট’ বললে সেটা কি ভালো লাগে, প্রশ্ন সানার পাচারের ১৭ লাখ কোটি ফেরাবে কে এবাদুলের মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হংকং-দুবাইয়ে পাচারকারীরা বেপরোয়া ছিল শেখ পরিবারের প্রশ্রয়ে সোনার দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা আবু সাঈদের মৃত্যু নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য কতটুকু সত্য? দিনে মাত্র একবেলা খাচ্ছে গাজার অনেক মানুষ পছন্দের লোক নিয়োগ দিতে বদলে দেয়া হয় মেট্রোরেলের নিয়োগবিধি যানজটের কারণে নষ্ট হচ্ছে দৈনিক ১৩৯ কোটি টাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নজর চার খাতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন হাথুরুসিংহের অপকর্ম ধামাচাপা দেন পাপন ‘ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ আমেরিকার জন্য বিশাল হুমকি হবে’ নীরবে সরবে চাঁদাবাজি পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ ইন্টারনেট ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহারের উপায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বাইডেনের ভাড়া ফাঁকিবাজদের ধরতে চলছে সাঁড়াশি অভিযান সীমান্তে বাংলাদেশি কিশোরীকে গুলি করে মরদেহ নিয়ে গেল বিএসএফ ভিসা ফি ছাড়াই এবার পাকিস্তান যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা ঢাকার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাফি আটক সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ব্যয়বহুল সফরে ২৬ ব্যাংক এমডি যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ সাবেক সেনাপ্রধান ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা দিনের বেলায় মরুভূমির চেয়েও উত্তপ্ত চাঁদ ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৩২৭ ৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠির সত্যতা চ্যালেঞ্জ করে ২৬৭ প্রবাসী বাংলাদেশি অক্টোবরের মধ্যেই ‘আন্দোলনের ফসল’ ঘরে তুলতে চায় বিএনপি শর্তসাপেক্ষে নিউইয়র্কে মসজিদে আজানের অনুমতি বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে মালয়েশিয়া গেলেন ৩১ কর্মী খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর নির্দেশ জার্মানে পাঁচ বছর বাস করলেই পাওয়া যাবে নাগরিকত্ব বিএনপি-জাপা বৈঠক সিঙ্গাপুরে বাইডেন প্রশাসনকে হাসিনার কড়া বার্তা এবার হাসিনার পাশে রাশিয়া বঙ্গ সম্মেলনের ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক ঘটনা স্টুডেন্ট লোন মওকুফ প্রস্তাব বাতিল বাংলাদেশিদের ওপর উপর্যুপরি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের উচিত আগে নিজ দেশে মানবাধিকার রক্ষা করা: শেখ হাসিনা তামিমের অবসর অভিযোগের তীর পাপনের দিকে নিউইয়র্কে এখন চোরের উপদ্রুব যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে হাতিরঝিলের ক্ষতি হবেই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি, পাঁচ দিনে নিহত ৩৫ যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটছে বাখমুত থেকে পিছু হটেছে সেনারা, স্বীকার করল রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণ ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ সুপার সাইক্লোন হবে না, দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের সুদানে যুদ্ধে সাড়ে ৪ লাখ শিশু বাস্তুচ্যুত : জাতিসংঘ পারস্য উপসাগরে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় খেলাপি ঋণে দ্বিতীয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে সারা দেশে ভোগান্তি রুশ হামলা সামলে ফের বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে যাচ্ছে ইউক্রেন রিজার্ভ সংকট, খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের দুর্বল নীতিও দায়ী পূজার ‘জিন’ একা দেখতে পারলেই মিলবে লাখ টাকা! সিরিয়ায় আর্টিলারি হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল বাইডেন না দাঁড়ালে প্রার্থী হবেন কে নাইজেরিয়ায় ৭৪ জনকে গুলি করে হত্যা ভারতে বাড়ছে করোনা, বিধিনিষেধ জারি তিন রাজ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুলা যে কোনো দিন খুলবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চল দেশে করোনার নতুন ধরন, সতর্কতা বিএনপির সব পদ থেকে বহিষ্কার আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া নৌকার প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করবো: মাহিয়া মাহি মর্মান্তিক, মেয়েটিকে ১২ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গেল ঘাতক গাড়ি! স্ট্যামফোর্ড-আশাসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বর্ষবরণে বায়ু-শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যে ধাক্কা কোনো ভুল মানুষকে পাশে রাখতে চাই না বাসস্থানের চরম সংকটে নিউইয়র্কবাসী ট্রাকসেল লাইনে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত একাকার! ছুটি ৬ মাসের বেশি হলে কুয়েতের ভিসা বাতিল ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত চুক্তিতে বিয়ে করে ইউরোপে পাড়ি আইফোন ১৪ প্রোর ক্যামেরায় নতুন দুই সমস্যা পায়ের কিছু অংশ কাটা হলো গায়ক আকবরের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ডলার নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম
৫৪১

সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার কি শান্তি ফিরিয়ে আনবে?

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০১৯  

ডিসেম্বর মাসের শেষ কয়টা দিন সিরিয়ায় অনেক নাটকীয়তার জন্ম দিল। ১৪ ডিসেম্বর ফোনালাপ হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প আর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের মধ্যে।

এরদোগান ট্রাম্পকে সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য তাগাদা দিচ্ছিলেন। জবাবে ট্রাম্প এরদোগানকে জিজ্ঞেস করেন, আমরা যদি সৈন্য প্রত্যাহার করি আপনি কি আইএসআইএসকে নির্মূল করতে পারবেন?

উত্তরে এরদোগান বলেন যে তুরস্কের সামরিক শক্তিই আইএসআইএসকে নির্মূলে যথেষ্ট। তারপর ট্রাম্প হুট করেই ঘোষণা দিলেন তিনি সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।

সংবাদটি যুদ্ধবিদ্ধস্ত মধ্যপ্রাচ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

একদিকে যেমন কিছু দেশ সিদ্ধান্তটিকে স্বাগত জানিয়েছে অন্যদিকে এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়েছে অনেক দেশ ।

এই সিদ্ধান্তে রাশিয়া, ইরান এবং তুরস্ক খুব বেশি খুশি হয়েছে। অন্যদিকে ইসরাইল, ফ্রান্স আর উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কুর্দি বাহিনী ও ওয়াইপিজি এ সিদ্ধান্তে হতভম্ব হয়েছে।

রাশিয়া এবং ইরান সিরীয়া যুদ্ধের শুরু থেকেই প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। আর তুরস্ক ঘোর আসাদ বিরোধী।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছে ওয়াইপিজি বা কুর্দি গেরিলা গ্রুপ যাদেরকে তুরস্ক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। আমেরিকান সেনাবাহিনী ওয়াইপিজিকে আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করতো। আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন ওয়াইপিজিকে সামরিক প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে ট্যাঙ্ক ধ্বংসের যন্ত্র পর্যন্ত প্রচুর ভারি অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করে।

২২ হাজার ট্রাক অস্ত্র সরবরাহ

তুরস্কের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত ২২ হাজার ট্রাক অস্ত্র আর ৫ হাজার মালবাহী বিমান ভর্তি সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে এ গ্রুপটিকে।

তুরস্ক এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই ওয়াইপিজি কে পিকেকে সিরিয়ার শাখা হিসেবে দেখে। তুরস্ক উভয় বাহিনীকেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মনে করলেও আমেরিকা শুধু পিকেকে সন্ত্রাসী সংগঠনের আওতায় ধরে ওয়াইপিজিকে এর বাইরে রাখছে এবং এই বাহিনীর সঙ্গে দহরম মহরম সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে।

পেন্টাগনের গোয়ার্তুমির কারণে আমেরিকা -ওয়াইপিজি সম্পর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে একসময় মনে হয়েছিল আমেরিকান সৈন্যরা ওয়াইপিজি রক্ষা করার জন্য হয়তো ন্যাটো NATO জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তি তুর্কি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে।

কিন্তু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের কারণে ওয়াইপিজি আমেরিকার উপর এতোটাই ক্ষুব্ধ যে তাদের কাছে বন্দি আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের আমেরিকায় হামলা করার জন্য লেলিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে।

এর পরে আছে ইসরাইল। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের পেছনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানকে দায়ী করছেন।

তিনি এতটাই ক্ষিপ্ত যে এরদোগানকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেও ক্ষান্ত হননি।

তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে এরদোগান যে মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছেন তা এখন অনেকটাই স্পষ্ট।

ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি এই সিদ্ধান্ত তুর্কি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই নিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তির অধিকারী দেশ তুরস্কের সিরিয়াতে আইএসআইএসের বাকি যেটুকুটু অবশিষ্ট আছে তা শেষ করতে সক্ষম।

ট্রাম্প সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ইচ্ছা প্রায় এক বছর আগেই জানিয়েছিলেন। কিন্তু পেন্টাগনে তার সামরিক কর্মকর্তাদের বিরোধিতার কারণে বার বার পিছিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

যদিও এটা এখনো স্পষ্ট নয় ট্রাম্প কেন হুট করে এতবড় একটা সিদ্ধান্ত নিলেন। এর পিছনে তুরস্কের কাছ থেকে কি ধরণের সুযোগ সুবিধা নিবেন।

যদি সত্যি সত্যিই সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য উঠিয়ে নেওয়া হয় তবে সেটা তুর্কি নেতা এরদোগানের মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত বিজয় হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। এর প্রভাব আগামী মার্চের তুরস্কের স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পড়বে।

সিরিয়াতে এখন সবাই নতুন করে ছক সাজানোর চেষ্টায় ব্যাস্ত। রাশিয়া সিরিয়ায় একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। রাশিয়া এখন মূল খেলোয়াড়ের ভূমিকায়।

ওয়াইপিজি রাশিয়া এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার-আল-আসাদ এর সঙ্গে ঘনিষ্ট হওয়ার চেষ্টা করছে। তুরস্কের সম্ভব্য সামরিক হামলা থেকে নিজেদের পিঠ বাঁচানোর জন্য কুর্দি গেরিলা বাহিনীর অন্য কোনো বিকল্প নেই।

ট্রাম্প মাঠ খালি করার কারণে একই সঙ্গে তুরস্ক, রাশিয়া, ইরান এবং আসাদ সরকার সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিজেদের ভিত মজবুত করতে উঠে পরে লেগেছে। তুর্কি তো ওই এলাকায় সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েই দিছে।

তুরস্ক এর আগেও সিরিয়াতে দুইবার সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। একবার আইএসআইএস এর বিরুদ্ধে আরেকবার ওয়াইপিজি এর বিরুদ্ধে। দুটি অভিযানেই নিজের সামরিক শক্তিমত্তার প্রকাশ ঘটিয়েছে।

এই দুই অভিযানে রাশিয়া বা আমেরিকা যুক্ত না থাকলেও উভয় পরাশক্তির নীরব সমর্থন ছিল।

তবে আঙ্কারা এবার যে সামরিক অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করছে, তাতে আমেরিকা, রাশিয়া ছাড়াও আসাদ সরকার আর ইরানের নীরব সমর্থনের দরকার হবে।

ওয়াইপিজি এক্ষেত্রে কার আঁচলের তলে আশ্রয় নেয় সেটাই দেখার বিষয়। রাশিয়া এবং আসাদ সরকার কুর্দি বাহিনীকে অনেক আগে থেকেই তলে তলে সমর্থন দিয়ে আসছে। মস্কো দীর্ঘদিন ধরে ওয়াইপিজি -আমেরিকার সুখের ঘরে ভাঙ্গন ধরিয়ে কুর্দি বাহিনীকে নিজের কোলে বসানোর চেষ্টায় ছিল। এখন সেই মোক্ষম সময়। রাশিয়া কি এই সুযোগ হাতছাড়া করবে?

ওয়াইপিজি বড় কোনো দেশের সহায়তা ছাড়া তুর্কির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবেনা এটা যেমন সত্য, তুর্কিও উপরল্লেখিত দেশগুলোর সরাসরি বা নীরব সমর্থন ছাড়া সিরিয়াতে নতুন কোনো অভিযান চালাবেনা।

আঙ্কারা এখন মস্কো ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় ব্যস্ত। তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী গত সপ্তাহে মস্কো সফর করেছেন। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তারা কয়েক দিনের মধ্যে তুরস্কে আসছেন।

তুরস্কের সেনাবাহিনী প্রতিদিনই সিরিয় সীমান্তে সামরিক যানবাহন, গোলাবারুদ এবং সেনাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে।

মস্কো এবং ওয়াশিংটন থেকে সবুজ সংকেত পেলেই শুরু হবে তুরস্কের আরেকটি সামরিক অভিযান।

তবে রাশিয়া যদি তুরস্কের পরিবর্তে কুর্দি বাহিনী ওয়াইপিজিকে সমর্থন দেয় তবে সিরিয়াতে শুরু হবে নতুন মেরুকরণ। মার্কিন যুক্তরাষ্টের মদ্ধপ্রাচ্য নীতি আরো বেশি হুমকির মুখে পড়বে।

সাপ্তাহিক আজকাল
সাপ্তাহিক আজকাল
এই বিভাগের আরো খবর