যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানিরা, কট্টরপন্থিরা চায়
প্রকাশিত: ২৩ জুন ২০২৫
ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলার পর দেশ ও প্রবাসের ইরানিরা দ্রুত পাল্টে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন ও প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
রবিবার (২২ জুন) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ কৌশলগত বোমারু বিমান থেকে ফেলা বাঙ্কার-বাষ্টার বোমা এবং নৌপ্ল্যাটফর্ম থেকে উৎক্ষেপণকৃত টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানে আঘাত করে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, এসব পারমাণবিক স্থাপনা ‘সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে’, যদিও এই দাবির পক্ষে এখনো কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
ইরানের কর্তৃপক্ষ কয়েক ঘণ্টা পর হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে তেহরান জানায়, কোনো তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েনি। আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থাও (আইএইএ) নিশ্চিত করেছে, স্থাপনাগুলোর বাইরে কোনো তেজস্ক্রিয় দূষণ হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ হামলার প্রভাবকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করছে। ইরান সরকার-চালিত বার্তা সংস্থা আইআরএনএ ফোরদোর কাছাকাছি এলাকা থেকে এক প্রতিবেদনে জানায়, সেখানে শুধু সামান্য ধোঁয়া দেখা গেছে; যেটি সম্ভবত বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনার জায়গা এবং জরুরি সেবাদানকারী বাহিনীর কোনো বড় ধরনের তৎপরতা চোখে পড়েনি। ফোরদোকে ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দুর্গম পারমাণবিক স্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
রবিবার (২২ জুন) সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্যাটেলাইট চিত্রগুলোতে ফোরদোতে সম্ভাব্য হামলার চিহ্ন দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল জিবিইউ-৫৭ বোমাগুলো মাটির গভীরে ঢুকে বিস্ফোরিত হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল পাহাড়ের নিচে অবস্থিত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পীর হোসেইন কলিভান্দ জানিয়েছেন, এই হামলায় কোনো প্রাণহানির তথ্য নেই।
ছবিতে আরো দেখা যায়, হামলার কয়েক দিন আগে থেকেই ফোরদোর আশপাশে ট্রাক ও বুলডোজারের ব্যাপক চলাচল ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা প্রত্যাশা করে ইরান সেখানকার সরঞ্জাম ও পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল।
পারমাণবিক স্থাপনাকে রক্ষা করতে ফোরদোর প্রবেশ টানেলগুলোর মুখে মাটি দিয়ে ভরাট করার জন্য ভারী যন্ত্রপাতিও মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে আগত বোমাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখা যায়।
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যাযের সম্মেলনে যোগ দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, তেহরানের সামরিক প্রতিক্রিয়া অবধারিত।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমার দেশ আক্রান্ত হয়েছে এবং আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাতেই হবে। আমাদের ধৈর্য ধরে চলতে হবে এবং এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি তুলনামূলক জবাব দিতে হবে। কেবল এই পদক্ষেপগুলো বন্ধ হলে তবেই আমরা কূটনৈতিক পথ এবং আলোচনার পুনরায় শুরু নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব।”
এর আগে গত সপ্তাহে একটি অজ্ঞাত স্থান থেকে টেলিভিশনে প্রচারিত বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই যুদ্ধে জড়ায়, তবে তার জন্য তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হবে।”
তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যে ক্ষতির মুখে পড়বে, তা ইরানের মুখোমুখি হওয়া ক্ষতির চেয়ে অনেক বেশি হবে। এবং এই ক্ষতি হবে চিরস্থায়ী।”
ইরানের কট্টরপন্থিদের প্রতিক্রিয়া: ‘কার্যকর পদক্ষেপ নাও’
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও বহু কঠোরপন্থি রাজনীতিবিদ প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের চ্যানেল-৩ একটি মানচিত্র দেখায়, যেখানে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো চিহ্নিত করা হয়; যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতাভুক্ত।
চ্যানেলটির উপস্থাপক মেহদি খানালিজাদে বলেন, “এখন শুধু ইরানি জাতি নয়, বরং পুরো অঞ্চলের মানুষ বুঝে গেছে যে সকল মার্কিন নাগরিক ও সামরিক সদস্য এখন বৈধ লক্ষ্যবস্তু। আমরা আলোচনা চালাচ্ছিলাম, কূটনৈতিক পথে অগ্রসর হচ্ছিলাম কিন্তু তোমরা রক্তপাত বেছে নিয়েছো। ওভাল অফিসে বসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এখন ৫০ হাজার মার্কিন সেনার কফিন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”
অন্য এক উপস্থাপক আমির হোসেইন তাহমাসেবি, যিনি গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলার পর তেহরানের উত্তরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন থেকে একটি চ্যালেঞ্জিং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন, তিনি বলেন, “আমি ট্রাম্পের ওপর থু থু দিই এবং তার ওপরও, যে তাকে শান্তির প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করে।”
খামেনি-নিযুক্ত কট্টরপন্থি দৈনিক কেহান-এর প্রধান সম্পাদক হোসেইন শরিয়তমাদারি লিখেছেন, “এখন পালা আমাদের; প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর অবিলম্বে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করতে হবে।”
তিনি আবার তার পুরোনো দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ইরানের উচিত কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির জাহাজগুলোর জন্য প্রবেশাধিকার অস্বীকার করা।
ইরানি পার্লামেন্টের অন্যতম কঠোরপন্থি সদস্য জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হামিদ রেসায়ি আরো একধাপ এগিয়ে বলেছেন, “ইরানের উচিত সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানো।”
যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে সম্পর্ক অনেকটাই উষ্ণ হয়েছে।
ইরানে অধিকাংশ নাগরিক এখনো রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট বিধিনিষেধের কারণে অনলাইনে যেতে পারছেন না। তবে যারা প্রক্সি সংযোগের মাধ্যমে অনলাইনে যেতে সক্ষম হয়েছেন, তারা যুদ্ধ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।
এক্সে এক ইরানি লিখেছেন, “ত্রিশ বছরের তেলের অর্থ আর ত্রিশ বছরের অর্থনৈতিক সুযোগ, যা কোটি কোটি মানুষকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো উন্নত নাগরিক করে তুলতে পারত, তা এখন তিনটি গভীর গর্তে পরিণত হয়েছে (ইঙ্গিত ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায়)।
আরেকজন ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, “ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুধু পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বোমা ফেলে দিই, এরপর সব শান্তির হয়ে যাবে।’”
দুইবারের অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা আসগর ফারহাদি ইনস্টাগ্রামে ইরানের জাতীয় গর্ব দামাভান্দ পর্বতের ছবি দিয়ে লিখেছেন, “দামাভান্দের মতো অটল, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ইরানের জন্য।”
বিদেশিদের প্রতি সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি
যদিও কিছু বিদেশে বসবাসকারী এবং দেশীয় সরকার-বিরোধী ইরানি নাগরিক মনে করছেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা হয়তো শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে সহায়ক হতে পারে; এ নিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও কর্তৃপক্ষ তীব্র নিন্দা ও হুমকি দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের যোগাযোগ পরিষদের প্রধান এলিয়াস হাজরাতি শনিবার রাতে টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেন, “যারা ইসরায়েল ও আমেরিকার পক্ষে অবস্থান নেন, তারা সম্মানহীন বিরোধী; যারা নিজেদের দেশ বিক্রি করে দিচ্ছেন।”
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, “যারা ইচ্ছাকৃতভাবে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন, তারা রবিবারের মধ্যে আত্মসমর্পণ করুন নতুবা ‘যুদ্ধকালীন শত্রুপক্ষের সহযোগী ও ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি হবেন।”
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে, যাদের মধ্যে রবিবার সকালে একজনকে ‘ইসরায়েলের জন্য গুপ্তচরবৃত্তির’ অভিযোগে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।
[লেখক পরিচিত: মাজিয়ার তোমামেদি তেহরানভিত্তিক আলজাজিরার সাংবাদিক। ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে তেহরান থেকে অনেক প্রতিবেদন করেছেন তিনি। তার এই লেখাটি ২২ জুন আলজাজিরায় প্রকাশিত হয়েছে।]
- ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- বিয়ানীবাজার সমিতির সম্পাদক অপুর পিতার ইন্তেকাল
- কবিরহাট সমিতির নাসির উদ্দিনের স্ত্রীর ইন্তেকাল
- ক্যালিফোর্নিয়ায় ইরানের ড্রোন হামলার আশংকা!
- অধিকার আদায়ে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহবান
- একধাপ এগিয়ে গ্লোবাল ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস
- গ্রি মেকানিক্যাল এর জমজমাট ইফতার
- মঈন চৌধুরীর উদ্যোগে হবিগঞ্জের ৯ সংগঠনের মিলনমেলা
- নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন জাকির চৌধুরী
- জালালাবাদ এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্টদের ইফতার পার্টি
- অলকাউন্টি হোম কেয়ারের ইফতার
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের জমজমাট ইফতার
- আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে: রাষ্ট্রপতি
- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
- ট্রাম্পের কাছে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলার ফেরত চাইলেন হোকুল
- গণতন্ত্রের শৃঙ্গ জয়ের অভিযাত্রা
- কমিউনিটির ভালবাসায় অভিসিক্ত শাহ নেওয়াজ গ্রুপ
- আজকাল ৯১৩
- এভারকেয়ারে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে মির্জা আব্বাস
- ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় দ্য হানড্রেডে দল পেলেন মোস্তাফিজ
- মার্কিন রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডে আগুন, আহত দুই সেনা
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সঙ্গে ‘প্রতারণা’ করেছেন ট্রাম্প
- তেলের দাম বাড়লে লাভবান হয় যুক্তরাষ্ট্র: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আজকের সংসদ জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়ানো
- বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী— ইরানি গণমাধ্যম
- বাগেরহাটে নিহত বেড়ে ১৪, নববধূকে নিয়ে ফেরা হলো না বরের
- প্রাণবন্ত সূচনা
- সৌদি আরব থেকে আসা খেজুর কোন জেলায় কত বরাদ্দ, দেখে নিন
- ‘তেলের দাম ২৪ হাজার টাকা হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন’
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও বাড়লো
- মালিতে অতর্কিত হামলায় ওয়াগনারের ৫০ সৈন্য নিহত
- তালিকা বানাবে পাঁচ প্রতিষ্ঠান ঢাকা অফিস
- খিজির হায়াৎ হত্যার পরিকল্পনাকারী ২ জঙ্গি রিমান্ডে
- ৫ কোম্পানির বোতলজাত পানি মানহীন
- ইসরায়েলের হামলায় ১৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত
- মসজিদ ভাঙা নিয়ে চীনে বিক্ষোভ চলছে
- দণ্ডপ্রাপ্তকে নির্বাচনের সুযোগ দিলে সংবিধান লঙ্ঘন হবে
- আবার ধেয়ে আসছে কানাডার ধোঁয়া
- স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জে মার্কিন জাহাজ ‘অনুপ্রবেশের’ দাবি চীনের
- হাওলাদার-নাসিরের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ
- শ্রীনগরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু
- রানির শেষকৃত্যে যে তিন দেশকে আমন্ত্রণ জানায়নি ব্রিটেন
- যুক্তরাজ্যের শরণার্থী হোটেলের বাইরে সহিংস বিক্ষোভ, গ্রেফতার ১৫
- নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদার হাজিরা সোমবার
- শীতে জবুথবু পুরো ভারত
