মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষকসংকট, পর্যাপ্ত গবেষণার অভাব, স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকা, প্রশাসনিক দুর্বলতা, সনদ বাণিজ্যসহ নানা ধরনের অনিয়মের কারণে দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন দীর্ঘদিনের। তারপরও একে একে বেড়ে ১১৭টিতে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা। এর মধ্যে হাতেগোনা ১৫টির মতো ভালো করছে। বাকিগুলো চলছে খুঁড়িয়ে, খণ্ডকালীন শিক্ষকদের কাঁধে ভর দিয়ে। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকের সংখ্যা সার্বক্ষণিক শিক্ষকদের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি। এসব বিশ্ববিদ্যালয় যেসব গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছে তাদের বেশির ভাগের মধ্যে শিখন ঘাটতি থেকে যাচ্ছে এবং কর্মবাজারে সাফল্যের দেখা পাচ্ছে না। দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে এ শিখন ঘাটতি অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
gnews দৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, যেগুলোর অবস্থা বেশি নাজুক। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট ‘ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইইউএসটি) ঠাকুরগাঁও নামক একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আরও ১১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে দেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাতে প্রশাসনিক নেতৃত্বের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩১ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই। অবশ্য ভিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে ১ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ চলে আসছে একযুগের বেশি সময় ধরে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে একটি বড় অনিয়ম হিসেবে আলোচিত। বর্তমানে ৮৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রোভিসি এবং ৪০টিতে ট্রেজারার পদ শূন্য। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানেই ভারপ্রাপ্তদের দিয়ে চলছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম।
এছাড়া আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এখনো স্থায়ী ক্যাম্পাস যেতে পারেনি ৫৪ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তারা ভাড়া করা ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মাত্র ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী সনদ পেয়েছে। অর্থাৎ ৯৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো স্থায়ী সনদ ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথমে সাময়িক অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে স্থায়ী সনদ নেওয়ার কথা। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠান সেই শর্ত পূরণ করতে পারেনি।
নানামুখী সংকটের সুযোগে বাড়ছে অনিয়ম: এদিকে নানামুখী সংকটের সুযোগে একশ্রেণির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সনদ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, ভর্তি, শ্রেণিকক্ষে পাঠ ও পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। টাকা দিলেই মিলছে স্নাতক, সম্মান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সনদ। কখনো শিক্ষার্থীরা কাগজে-কলমে ভর্তি হয়ে টাকা দিলে রাতারাতিই উচ্চশিক্ষার ডিগ্রি পাচ্ছেন। বলতে গেলে ‘এক হাতে টাকা তো অন্য হাতে সনদ’ ধরিয়ে দেওয়ার মতো প্রতিষ্ঠানের ছড়াছড়ি। এভাবে একশ্রেণির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। আর না জেনে প্রতারিত হচ্ছেন অনেক সাধারণ শিক্ষার্থী। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ড বন্ধের সুপারিশ হয়, পরিকল্পনাও হয়, কিন্তু শেষমেশ কাজের কাজ কিছুই হয় না। বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাসহ দেশ জুড়ে রয়েছে অসংখ্য দালাল। এরা নানাভাবে সনদ ক্রেতা নিয়ে আসেন। বিনিময়ে বিশেষ কমিশন পান। এছাড়া একশ্রেণির শিক্ষকও সনদ বিক্রির দালালি করেন বলে অভিযোগ আছে।
২০১৪ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ‘টাকা দিলে মেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা পাশের সনদ। শুধু তা-ই নয়, এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন থেকে শুরু করে প্রায় সব কাজেই পদে পদে অর্থের অবৈধ লেনদেন হয়। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন অনুমোদনের জন্যই এক কোটি থেকে তিন কোটি টাকা লেনদেন হয়।’
লাল-তারকা সতর্কতায় আট বিশ্ববিদ্যালয়: দেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাত দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, প্রশাসনিক জটিলতা ও মানদণ্ড ঘাটতির মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে লাল তারকা চিহ্নিত তালিকা ও পর্যবেক্ষণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছে। বিশেষ করে ভর্তি মৌসুমে এসব তালিকা হালনাগাদ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। ইউজিসির পর্যবেক্ষণ তালিকায় এক তারকা পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং দি পিপল’স ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কমিশনের অনুমোদন ছাড়া ভবন বা ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, দি পিপল’স ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রপতি ও আচার্য কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) নেই। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রো-ভিসি) পদও শূন্য রয়েছে। দুই তারকা পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং কুইন্স ইউনিভার্সিটি।
ইউজিসি জানায়, কুইন্স ইউনিভার্সিটি ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেলেও নির্ধারিত এক বছরের মধ্যে সব শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে ভর্তিতে সতর্কতা জারি করে ইউজিসি। সাময়িক অনুমতিপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে আচার্য কর্তৃক নিয়োগ করা উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ না থাকা, নিয়োগ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় মনোনীত অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট না হওয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠনে জটিলতা ও মামলাও চলমান থাকায় এই সতর্কতা দেয় কমিশন। তবে গত ২ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. আমানউল্ল্যাহ ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে মেজর জেনারেল সাহেদুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ইউজিসির সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পর্যবেক্ষণে থাকা তিন তারকা পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইবাইস ইউনিভার্সিটি, দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা এবং আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক, আইনি ও একাডেমিক বিভিন্ন ধরনের গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
নতুন ভর্তি বন্ধ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে: ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ইউনিভার্সিটি অব স্কিল এনরিচমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সব প্রোগ্রামে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পূর্ণভাবে স্থগিত রয়েছে। কমিশনের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ইউজিসি জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় দুটির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট-সংক্রান্ত অভিযোগ, ওয়েবসাইট ডোমেইন পরিবর্তন, অবকাঠামো এবং সার্বিক প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন ভর্তি বন্ধ থাকবে। তবে আগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হবে।
অনুমোদন পেয়েও শুরু হয়নি শিক্ষা কার্যক্রম: সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পরও কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী, অনুমোদনের সাত বছরের মধ্যে একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে হয়। তবে সেই সময়সীমা অতিক্রম করেও ২০১৬ সালে অনুমোদন পাওয়া রূপায়ণ এ. কে. এম. শামসুজ্জোহা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২০১৮ সালে অনুমোদন পাওয়া শাহ মখদুম ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি এখনো একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। এছাড়া ২০২০ সালের ১৬ জুন অনুমোদন পাওয়া মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি-এর ক্ষেত্রেও কার্যক্রম শুরুর নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে। ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে একাধিকবার তাগিদ দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে অনুমোদন পাওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেবল কাগজে-কলমেই রয়েছে; শিক্ষার্থী ভর্তি বা একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।
শিক্ষক সংকটের চিত্র: ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, ১০৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন ১৭ হাজার ৪৭৯ জন। এর মধ্যে পূর্ণকালীন শিক্ষক ১৩ হাজার ১৬৯ এবং খণ্ডকালীন শিক্ষক ৪ হাজার ৩১০ জন। পূর্ণকালীন শিক্ষকদের মধ্যে অধ্যাপক ৯৫২ জন, সহযোগী অধ্যাপক ১ হাজার ১১৯, সহকারী অধ্যাপক ৩ হাজার ৪১০ এবং প্রভাষক ৭ হাজার ৪৭৮ জন। অন্যদিকে, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিধারী শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৬০৩ জন। শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পর্যাপ্ত সংখ্যক অভিজ্ঞ ও গবেষণামুখী শিক্ষক ছাড়া উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করা কঠিন। ভিসি, প্রোভিসি ও ট্রেজারার-এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য ১৬ বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন ভিসি না থাকায় সমাবর্তন আয়োজন আটকে থাকার অভিযোগ রয়েছে। আবার কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও সমাবর্তন আয়োজন করতে পারেনি।
অনুমোদন অপেক্ষায় আরও ১১ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার পরিধি বাড়াতে আরও ১১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংস্থা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৭ জানুয়ারি একটি চিঠিতে প্রস্তাবিত ছয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হয়। অনুমোদন অপেক্ষায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- নৌবাহিনী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা; আশ্রয় ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী; ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, রাজশাহী; এক্সিলেন্স, খুলনা; ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঠাকুরগাঁও; ইউনিভার্সিটি অব ইন্টিগ্রেটেড থট, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। এছাড়া আরও কয়েকটি চিঠিতে বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর; যমুনা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা; গেন্ডারিয়াস ইউনিভার্সিটি, সাভার; ব্রিটিশ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা এবং সৃজনী বিশ্ববিদ্যালয়, ঝিনাইদহের বিষয়েও মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।
প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান আশাব্যঞ্জক ছিল: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একজন অধ্যাপক ইত্তেফাককে বলেন, নব্বইয়ের দশকে দেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ ছিল অতি সীমিত। হাতেগোনা কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে দেশের উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে এ শ্রেণীর উচ্চ শিক্ষাপ্রত্যাশীদের একটি বড় অংশ তখন প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতসহ ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে নিজ অর্থায়নে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে যেত। এর মাধ্যমে একদিকে মেধা পাচার হচ্ছিল, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছিল। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে দেশের উচ্চ শিক্ষাপ্রত্যাশীদের নিজ অর্থায়নে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিতে ১৯৯২ সালে একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেওয়া হয়। সময়ের পরিক্রমায় বর্তমানে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১১৭। উচ্চ শিক্ষা খাতে এসব বিশ্ববিদ্যালয় একদিকে যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, তেমনি এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু সংকটও রয়েছে। প্রথম দিকে যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তাদের শিক্ষার মান আশাব্যঞ্জক ছিল। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের প্রচেষ্টা, গবেষণায় গুরুত্বারোপসহ বেশকিছু ইতিবাচক দিক দেখতে পেয়েছিলাম। তবে সময়ের সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন বেড়েছে। মাত্র তিন দশকে ১১৭টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই শিক্ষক সংকটসহ সুযোগ-সুবিধার সংকট রয়েছে।
- নিউ ইয়র্কে তোপের মুখে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত
- নেপালে বন্যা বিপর্যয়: সর্বশেষ প্রাণহানি ও নিখোঁজ কতজন?
- নিউ ইয়র্কে পুতুলনাচের আসরে ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভ
- মান নিয়ে প্রশ্ন, তবু বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
- ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
- মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা শুরু
- প্রতিদিন ৭ বিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ
- নবম পে-স্কেলের দুয়ারে সরকারি চাকরিজীবীরা
- সব পাপ ধুয়েমুছে আল্লাহ-খোদার নাম নিয়ে মরতে চাই: পপি
- বিমানবন্দর ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদকসহ গ্রেফতার ৩
- ঢাকার ভোর ভয়ংকর
- বছরে কোটি টাকার বেশি বৃত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে ফেলোশিপের সুযোগ
- মধ্যরাতে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে তিশা
- ইরান যুদ্ধ ও বাণিজ্য উত্তেজনা, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে চাপে ট্রা
- ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল ভাণ্ডারের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- পাকিস্তানে ঘন ঘন ভিড়ছে তুর্কি সামরিক বিমান, দুশ্চিন্তায় ভারত
- প্রেম-বিয়ে যেকোনো বিচ্ছেদেই মিলবে ৭ দিনের বেতনসহ ছুটি
- ট্রাম্পের মুখের আদলে তৈরি মাদক বড়ি নিয়ে নেদারল্যান্ডসে ‘রেড অ্যাল
- নেপালে বন্যায় ৬৬৯ লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ হাজার ৩৬২
- ‘আমি এখন কাকে মা বলে ডাকব’
- প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার
- রাশিয়ার সঙ্গে গোপন বৈঠকের তথ্য ইউক্রেনের কাছে ফাঁস করল যুক্তরাষ্
- সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে লোডশেডিং, নাকাল জনজীবন
- জ্যামাইকায় কুনু-ফিরোজ পরিষদের মতবিনিময়
- বৃহত্তর নোয়াখালী জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট যুক্তরাষ্ট্রে’র কমিটি
- ‘দ্য পোর্ট অব পেরি পেরি’ রেস্টুরেন্টের গ্র্যান্ড ওপেনিং
- বিশ্বজুড়ে ইমিগ্র্যান্ট ভিসাপ্রার্থীদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত
- আইসের সঙ্গে নিউইয়র্ক পুলিশের সহযোগিতা নিষিদ্ধের আইন কার্যকর
- গ্রেটার সিরাজগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট সোসাইটির বনভোজন অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্রে দুই লাখ অ্যাসাইলাম প্রার্থীর ভিসা বাতিল করার উদ্যোগ
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকাল ৯২১
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯১০
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- নতুন নামে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট
- শীর্ষ গোয়েন্দাদের যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় সফর
- আজকাল ৯০৯
- আজকাল ৯১২
- আজকাল ৯১৩
- ব্রংকসে বাকার মেলায় মানুষের ঢল
- নিউইয়র্কে আলোচনায় শামীম ওসমান
- আজকাল ৯২৪
- এনটিভি ও গোল্ডেন এজের হোম কেয়ার গালা ডিনার আজ
- আজকাল ৯১৬
- এবার স্টেডফাস্টের ১০ লাখ গ্রাহকের তথ্য ফাঁস
- আজকাল ৯১৪
- আসামে মাটির নিচে মিললো মাছের সন্ধান, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- ছাত্রলীগ নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
