দেশনেত্রীর জানাজায় জনসমুদ্র
আজকাল রিপোর্ট -
প্রকাশিত: ৩ জানুয়ারি ২০২৬
ক্স লাখো মানুষের দোয়ায় স্বামীর পাশে সমাহিত
# জানাজার নগরীতে পরিণত ঢাকা
# কয়েক কিলোমিটারজুড়ে শোকার্ত মানুষ
# ‘মৃত্যুর দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা মুক্তি পাবে না’
লাখ লাখ মানুষের ভালোবাসা আর দোয়া নিয়ে চিরবিদায় নিলেন খালেদা জিয়া। গত বুধবার তাঁর জানাজায় নজিরবিহীন লোকসমাগম হয়। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে। অনেকেই দাবি করেছেন, কোটি মানুষের সমাগম ঘটেছিল এ জানাজায়। ইতিহাসের বৃহত্তম জানাজা বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে। ম্যাডাম খালেদা জিয়া। আপসহীননেত্রী। দেশনেত্রী। বাংলার মানুষ যে নামেই তাকে ডাকুন না কেন। আর সাড়া দেবেন না। তবে ১৮ কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে বিদায় নিয়েছেন। কোটি কোটি মানুষের ভালাবাসায় অভিসিক্ত হয়েছেন।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জনসভায় দৃঢ়কণ্ঠের বক্তৃতায় আপসহীন নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন, সেখান থেকেই জনতার ভালোবাসায় শেষ বিদায় নিলেন খালেদা জিয়া। কয়েক বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত তাঁর জানাজায় লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ শরিক হয়ে শ্রদ্ধা জানান। গত বুধবার সব দল-মতের মানুষের পথ মিলিত হয়েছিল খালেদা জিয়ার জানাজায়।
এ জানাজাকে পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রাজধানীর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ছাপিয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে দক্ষিণে ধানমন্ডির সোবহানবাগ পর্যন্ত পৌঁছায় জানাজার কাতার। দক্ষিণ-পূর্বে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার হয়ে বাংলামটর পর্যন্ত সড়কে ছিল মুসল্লিদের কাতার। উত্তরে মণিপুরিপাড়া হয়ে শেওড়াপাড়া এবং বিজয় সরণি হয়ে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত সড়কজুড়ে ছিল জানাজার কাতার। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফার্মগেটমুখী নামার অংশেও জানাজায় দাঁড়ান মানুষ। অন্যদিকে শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, শ্যামলী পর্যন্তও জানাজায় অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ।
সড়কে জায়গা না পেয়ে হাজারো মানুষ আগারগাঁও, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশনে জানাজার নামাজ আদায় করেন। মূল সড়কের বাইরে আশপাশের সড়ক ও অলিগলিতে দাঁড়িয়েও শত শত মানুষ জানাজায় অংশ নেন। এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন ভবনের ছাদ, ওভারব্রিজসহ যে যেখানে সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই দাঁড়িয়ে অংশ নেন খালেদা জিয়ার জানাজায়।
পাশাপাশি ফেনী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশালসহ সারাদেশে অনেক স্থানে গায়েবানা জানাজা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশেও হয়েছে গায়েবানা জানাজা। এ ছাড়া কোটি মানুষ টেলিভিশন এবং সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রচারিত জানাজা দেখেন।
জোহরের নামাজের পর দুপুর ২টায় জানাজা শুরুর কথা থাকলেও বেলা ১১টার আগেই পূর্ণ হয়ে যায় দক্ষিণ প্লাজার মাঠ এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। সারাদেশ থেকে আসা লাখ লাখ মানুষের জমায়েতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজা শুরু হয় বিকেল ৩টা ৭ মিনিটে। প্রথম সারিতে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর দুই পাশে ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান এবং প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
তাঁদের পাশে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। জানাজায় অংশ নেন উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতা, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিকরা। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণায় তারা কালোব্যাজ ধারণ করেন।
জানাজার আগে সংসদ ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা শোকবার্তা হস্তান্তর করেন। উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পার্থিব দেহ জাতীয় পতাকায় মুড়িয়ে শেষবারের মতো সংসদ ভবনে আনা হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বিএনপির চেয়ারপারসনের জীবনী পাঠ করেন।
তিনি বলেন, তাঁর মৃত্যুর দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা কখনও মুক্তি পাবে না। এই বক্তব্যে উপস্থিত লাখো জনতা সমস্বরে সমর্থন জানান। এরপর তারেক রহমান মুসল্লিদের উদ্দেশে ধর্মীয় রীতিতে কথা বলেন। মরহুমা মায়ের ভুলত্রুটি থাকলে ক্ষমা করার অনুরোধ জানান।
জানাজা শেষে সামরিক তত্ত্বাবধায়নে খালেদা জিয়াকে নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি প্রাঙ্গণে। সেখানে তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় স্বামীর কবরের পাশে।
অগণিত মানুষের ঢল
১০ বছর সরকার প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের দায়িত্ব পালন করা খালেদা জিয়া গত মঙ্গলবার ভোরে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সারাদেশ শোক জানায়। স্বৈরাচার এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুরুদ্ধারের দীর্ঘ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সমর্থকদের কাছে হয়ে ওঠেন আপসহীন দেশনেত্রী। বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে গণতন্ত্রের মা হিসেবে আখ্যা দেন।
৪১ বছরের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া বারবার নির্বাচনে জয়ী হয়ে নিজের জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিয়েছেন। সংসদ ছিল তাঁর কর্মক্ষেত্র। তার নেত্রীত্বেই বাংলাদেশে সংসদীয় রাজনীতির প্রত্যাবর্তণ ঘটেছে। তাঁকে অন্তিম বিদায় জানাতে সেই সংসদ প্রাঙ্গণকেই বেছে নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগের দিনই জানানো হয়েছিল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় নেবেন সাবেক ফার্স্ট লেডি এবং সাবেক সেনাপ্রধানের পত্নী খালেদা জিয়া।
দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা জানাজায় অংশ নেওয়ায় সংসদ ভবন এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ঘিরে ছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। কারামুক্ত খালেদা জিয়া জীবনের শেষ বছরগুলোর বেশির ভাগ সময় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। মৃত্যুর পর সেখানকার হিমঘরে রাখা হয়েছিল তাঁকে। গতকাল সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর কফিন নিয়ে শোক র্যালি হয়। সেনাসদস্যরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়ার কফিনবাহী গাড়িটিকে প্রথমে গুলশানে তারেক রহমানের বাসায় এবং পরে সেখান থেকে সংসদ ভবন এলাকায় নিয়ে আসেন। রাস্তায় দুই পাশে হাজারো মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে শেষ বিদায় জানান।
খালেদা জিয়ার কফিন সংসদ ভবনে পৌঁছানোর আগেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে পা ফেলার জায়গা ছিল না। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর পশ্চিম প্রান্তে ভিড়ে অসুস্থ হয়ে নিরব হোসেন নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়।
বেলা ৩টার দিকে জানাজা রূপ নেয় জনসমুদ্রে। নামাজের পর লাখ লাখ মুসল্লি দোয়া করেন খালেদা জিয়ার জন্য। এ সময় তাদের আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয় আশপাশের এলাকা।
সব মতের মানুষ এক কাতারে
খালেদা জিয়ার জানাজায় শুধু বিএনপির নেতাকর্মী নয়, ঢল ছিল সাধারণ মানুষের। আসেন জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতো বিএনপির নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর নেতাকর্মীরাও। বিএনপির নির্বাচনী জোটের শরিক দলের নেতাকর্মীরাও ছিলেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, আব্দুস সালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, নজরুল ইসলাম আজাদসহ বিএনপির সর্বস্তরের নেতারকর্মীরা জানাজায় শরিক হন।
নারীদের জন্য নির্ধারিত জায়গা ছিল জানাজায়। তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তাদের মেয়ে জাহিয়া রহমান, জাফিয়া রহমানসহ পরিবারের সদস্য এবং উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, নুরজাহান বেগম ও ফরিদা খাতুন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
জানাজায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুহাম্মদ সৈয়দ ফয়জুল করীম, বাংলাদেশ খেলাফতের আমির মামুনুল হক, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ জ্যেষ্ঠ নেতারাও ছিলেন। জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানাজায় আসেন। তবে তারা দক্ষিণ প্লাজায় নয়, নামাজ আদায় করেন রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে।
খালেদা জিয়ার কফিন বহন করেন মিজানুর রহমান আজহারী, শায়খ আহমদুল্লাহসহ দেশের শীর্ষ আলেমরা। ছিলেন চিন্তক ফরহাদ মজহারসহ বিভিন্ন পেশার বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, শিল্পীরা।
- ইরানে `সবচেয়ে তীব্রতম` দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি কিমের বোনের
- বিবিসি বাংলার কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইলেন ‘সমন্বয়ক’ মাহদী
- হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান তবে
- হাইপারসনিক ছাড়াও ৩ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান
- দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ
- আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান: ট্রাম্প
- যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক চাপে ফেলে পিছু হটতে বাধ্য করব: ইরান
- ধ্বংসস্তুপের চিত্র প্রকাশ করলেই ধরে নিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা
- টাইমস স্কোয়ারে ‘সম্প্রীতির নববর্ষ’ উদযাপন ১১ এপ্রিল
- ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
- মামদানির বাসার সামনে বোমা হামলা, গ্রেফতার ২
- যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
- ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় ফয়সাল-আলমগীর রিমান্ডে
- মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
- পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব
- ইকরার নেশা ও গোপন বাসর ফাঁস, আলভীর বিস্ফোরক অভিযোগ
- সংঘাতের আগেই হরমুজ পার হয়ে ১৫ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কমিউনিটির সেবায় বাংলা ট্রাভেলস
- ইরানে আজ ‘কঠোর আঘাত হানার’ হুমকি দিলেন ট্রাম্প
- স্ক্যামার বাংলাদেশি নিয়াত গ্রেফতার:কমিউনিটিতে আতংক
- তবে কি ইরানের কাছে হেরে যাবে যুক্তরাষ্ট্র
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের ইফতার অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে ট্যাক্সি চালিয়ে ৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়লেন
- সোসাইটি পেল স্টেটের ২০ হাজার ডলার অনুদান
- ইরানের হামলায় আমিরাতে বাংলাদেশি নিহত
- প্রভাবশালি ক্রিস্টি নোয়েমকে ট্রাম্পের বরখাস্ত
- সংসদ ভবন পরিদর্শনে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল
- নিউইয়র্কে এসএসসি ২০০৩ ব্যাচের ইফতার
- পাম্পে ঝুলছে ‘তেল নেই’ ঢাকায় ঝাপিয়ে পড়েছে ক্রেতারা
- আজকাল এর ৮৯৩ তম সংখ্যা
- কোন দল জিতবে সংসদ নির্বাচনে
- টুটুলের কাছে পাওনাঃ রোকসানা মির্জা ও আজাদের কান্না
- ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- আজকাল ৮৮৪ তম সংখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৬ সেপ্টেম্বর
- আজকাল ৮৮৭
- আজকাল ৮৮৬ তম সংখ্যা
- আজকাল ৮৮৯
- জামাত কেন এবারই ক্ষমতায় যেতে চায়!
- আজকাল ৮৮৫ তম সংখ্যা
- ইনস্টাগ্রামের ফিচার এখন হোয়াটসঅ্যাপে
- আজকাল ৮৯২
- আজকাল ৮৯১ তম সংখ্যা
- শুভ জন্মদিন সাদমান
- আজকাল ৮৯৪
- আজকাল ৮৯০
- ডাকসু ইলেকশন মেটিকুলাসলি ডিজাইন্ড!
- শাহ নেওয়াজ গ্রুপে নতুন মুখ
- টেলিগ্রামে ১০৮ পর্নোগ্রাফি চ্যানেল শনাক্ত, বন্ধে চিঠি
- মার্কিন ভিসা বাতিল ৫১ বাংলাদেশির!
- প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করবে যুক্তরাষ্ট্র
শলা-পরামর্শ করতে আসছেন হাস - তারেকের অপচেষ্টা প্রতিহত করবে ভোটাররা
- অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ৩৫ লাখ মামলা প্রত্যাহার
- নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ প্রার্থীদের মতবিনিময় সভা
- গণসংযোগকালে যুবলীগ নেতা হত্যা
- ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধোকা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায়:সালমা ওসমান
- মুখোমুখি বাইডেন-হাসিনা
জিতবে কে? - আমেরিকার ‘ধমকে’ প্রথম কুপোকাত আজম
- বাংলাদেশে বাজেট পেশ
যেসব পন্যের দাম বাড়বে-কমবে - বাংলাদেশের নির্বাচন
বাইডেন-মোদী বৈঠকেই হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ? - সুন্দর আগামীর জন্য আবারও নৌকায় ভোট দিন: সোহেল তাজ
- এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলবে রোববারও
- রাষ্ট্রদূত হাস আসছেন ফাইলে কি থাকছে?
- দেশকে বাঁচাতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই : এইচটি ইমাম
