ডিপ্রেশন ঘিরে যত কথা
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮
সারা বিশ্বে জনসংখ্যা এখন প্রায় ৭৫০ বিলিয়নের কাছাকাছি। এরমাঝে ৩৫০ বিলিয়ন মানুষ যা মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক আক্রান্ত “ডিপ্রেশন” নামের এক জটিল এবং ভয়াবহ মানসিক অবস্থায়। মানসিক রোগের চেয়ে একে মানসিক কন্ডিশন বা অবস্থা বলাই কিছুটা যুক্তিযুক্ত। ডিপ্রেশন এমনই এক জটিল অবস্থা সাধারণ নিয়মে চিকিৎসা করেও যার ফলাফল প্রায় অপরিবর্তিত থেকে যায়। কিছু এন্টি ডিপ্রেসিভ ওষুধে সাময়িক মুক্তি মিললেও ওষুধের প্রভাব শেষে রোগীর মাঝে আবারও ডিপ্রেশনের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
ডিপ্রেশন কি?
আগেই বলা হয়েছে ডিপ্রেশন একটি মানসিক অবস্থা। অতিরিক্ত দুঃখবোধ, একাকীত্ব এসবের মাঝে ডিপ্রেশনের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেলেও এর সঠিক এবং নির্ধারিত সংজ্ঞা দেওয়া খানিক কষ্টসাধ্য। ডিপ্রেশন থাকা অবস্থায় একজন ব্যক্তির চিন্তা চেতনা, আচরণ এবং অনুভূতির সম্পূর্ণটাই থাকে ব্যক্তির নিজস্ব চাওয়া পাওয়া এবং প্রয়োজনীয়তার বিপরীতে, আবেগের কাছে।
একটা ব্যাপার লক্ষণীয়, ডিপ্রেশন এবং বিষন্নতা কখনোই এক নয়। প্রিয়জনের মৃত্যুতে কারও মাঝে বিষন্নতা, একাকীত্ব এবং অপরাধবোধ জাগ্রত হতে পারে। যা কোনোভাবেই ডিপ্রেশনের সংজ্ঞায় পরে না।
২০১৫ সালের এক জরিপে দেখা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্ক এবং যুবকদের মাঝে প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ জীবনে অন্তত একবার ডিপ্রেশনের শিকার হয়েছেন। যা সে দেশের মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।
সম্প্রতি সারা বিশ্বে পরিচালিত আরেক জরিপে দেখা যায় যুবতি এবং বয়স্ক মহিলাদের (বয়স ৪০ থেকে ৫৯ বছর) মাঝে ডিপ্রেশনের হার সবচে বেশি। পৃথিবীর মোট ডিপ্রেশনের রোগীর প্রায় ১২ দশমিক ৩ শতাংশ এই দুই শ্রেণির।
সুতরাং আপনি যদি ডিপ্রেশনে ভুগে থাকেন তবে প্রথমে আপনার উচিত পাশের আরেকজন ডিপ্রেশনে থাকা মানুষকে খুঁজে নেওয়া। এরপর বন্ধু হয়ে দুজনের মনের কথা ব্যক্ত করুন নিজেদের মতো করে।
ডিপ্রেশনের লক্ষণ
বিষন্নতা বা একাকীত্বই যে ডিপ্রেশনের লক্ষণ তা নয়। ডিপ্রেশনের পরিধি অনেক বিস্তৃত। নিজেকে যাচাই করুন সবার আগে। যদি নিচের একাধিক লক্ষণ নিজের মাঝে খুঁজে না পান, তবে আপনি ডিপ্রেশনের রোগী নন। চেষ্টা করুন নিজেকে একবার ঝেড়ে ফেলে উঠে দাঁড়াতে।
আমেরিকান সাইক্রিয়াটিক সেন্টারের মতে, ডিপ্রেশনের কিছু লক্ষণ এমন-
১। সবসময় বিরক্ত, অশান্তি বা অস্বস্তি কিংবা ক্লান্তিবোধ করা
২। চিন্তা চেন্তনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দূর্বল হয়ে পড়া
৩। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা অথবা অতিরিক্ত ঘুম
৪। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন। খুব বেশি খাওয়া কিংবা খাওয়া একেবারে কমিয়ে দেওয়া
৫। নিজের ভেতর দূর্বলতা অনুভব করা
৬। কারণ ছাড়াই প্রচন্ড কান্না পাওয়া
৭। কারণ ছাড়াই প্রচন্ড মাথাব্যাথা বা শারীরিক অসুস্থতা
৮। প্রচন্ড নিরাশায় থাকা
৯। নিজেকে সামাজিক এবং নিজস্ব ব্যক্তিগত জীবন থেকে গুটিয়ে নেওয়া
১০। সবশেষে মৃত্যু কিংবা আত্মহত্যা নিয়ে চিন্তা শুরু করা
ডিপ্রেশনের কারণ
ডিপ্রেশনের কারণ সম্পর্কে এখনও সঠিকভাবে কোনো কিছু জানা বিজ্ঞানীদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। বলা হয়ে থাকে, মস্তিষ্কে কেমিক্যাল সংক্রান্ত জটিলতা থেকে ডিপ্রেশনের সূচনা। যদিও তারচেয়ে বড় এবং প্রচলিত কারণ হিসেবে বলা যায়,
ক্লান্তিকর এবং একঘেয়ে জীবন, প্রিয়জনের কাছে পাওয়া আঘাত কিংবা মৃত্যু, শৈশবের দুঃসহ স্মৃতি, বেকার জীবন কিংবা জীবনে প্রত্যাশা অনুযায়ী কিছু অর্জন করতে না পারার ব্যর্থতা। সবমিলিয়ে ডিপ্রেশনের কারণ একেবারেই চেনা।
ডিপ্রেশনে করণীয়
প্রথমেই পদ্ধতিগত চিকিৎসার কথা বলতে হলে বলা যায়, বিভিন্ন এন্টি ডিপ্রেসিভ ওষুধ আপনি খেতে পারেন, যোগাযোগ করতে পারেন একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে।
সেরাটোনিন সমৃদ্ধ বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে আপনার মস্তিষ্কে স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে আপনার ডিপ্রেশন কাটিয়ে তোলা সম্ভব। তবে তার আগে নিশ্চিত হতে হবে আপনি কি শুধু মস্তিষ্ক তাড়িত কারণে ডিপ্রেশনে ভুগছেন কি না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আগে একজন চিকিৎসকের সাথে কথা বলে নিন।
আমাদের মস্তিষ্কে সেরাটোনিনের পর্যাপ্ত সাড়া পাওয়া না গেলে যে ধরনের ডিপ্রেশনের উদ্ভব হয় সেসব ক্ষেত্রে এটি আপনার জন্য উপযোগী হতে পারে। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে ওষুধ গ্রহণ না করাই বাঞ্ছনীয়।
তবে ওষুধের ক্ষেত্রেও আপনার অপেক্ষা করতে হবে খানিকটা সময়। এন্টিডিপ্রেসিভ ওষুধের কার্যকরীতা শুরু হতে প্রায় দুই থেকে চার সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এছাড়া আমেরিকার মায়ো ক্লিনিকের গবেষকদের মতে, ম্যাগনেটিক স্টিমুলেশন বা শরীরে কৃত্রিমভাবে চুম্বকীয় স্পন্দন প্রয়োগের মাধ্যমে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদিও এসবের বাইরে ডিপ্রেশন নিয়ে সবচেয়ে বড় লড়াই করতে হয় নিজের সাথেই।
নিজেকে সময় দিন। একা থাকা ডিপ্রেশন মুক্তির সমাধান না। আপনার কাছের অনেকেই আপনার মতোই ডিপ্রেশনে থাকেন। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি অনুযায়ী আপনার অন্য একজন ডিপ্রেশনের রোগী থেকে দূরে থাকতে ইচ্ছে হবে। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, এ সময় আপনার সবচেয়ে বড় সাহায্য করবে আরেকজন ডিপ্রেশনের রোগী। নিজেদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করুন। চেষ্টা করুন একে অন্যের পাশে থেকে নিজেদের জটিলতা দূর করার।
সেই অনাদিকাল থেকে বায়ু পরিবর্তন খুবই কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি। চেষ্টা করুন দূরে কোথাও ঘুরে আসতে। ছোট ছোট আনন্দদায়ক কাজের তালিকা করে সঙ্গীসহ সেসব পূরণের চেষ্টা করুন। এছাড়া মনোবিদদের আরেক পরামর্শ, কোনো চ্যারিটি কাজে যুক্ত হতে চেষ্টা করুন। প্রতিদিন অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা নিজের চারপাশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন।
সবচেয়ে বড় কথা, নিজেকে বোঝাবার চেষ্টা করুন বিশাল পৃথিবীটা আপনার জন্যই সৃষ্টি হয়েছে। পৃথিবীর অনেক কিছুই আপনার অজানা। অজানাকে জানার জন্য হলেও ডিপ্রেশন ছেড়ে মুক্ত বাতাসে বেঁচে থাকার চেষ্টা করুন।
- আলোচনায় না এলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা: ট্রাম্প
- ১৯৬৬ সালে স্পেনে যেভাবে চারটি পারমাণবিক বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র
- নিউইয়র্কে বেকারত্ব ভাতা জালিয়াতি তদন্তে ফেডারেল "স্ট্রাইক টিম"
- জনমতের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিছিয়ে পড়ছে ইসরাইল: ভ্যান্স
- বিশ্বে ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে ৫৩তম বাংলাদেশ, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র
- আমিরাতে চালু হলো ৫ বছর মেয়াদি মাল্টিপল ভিসা
- যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প
- ঝুঁকিপূর্ণ মেট্রোরেলের ৪ পিলারের বিয়ারিং প্যাড
- প্রতারণা মামলায় আদালতে অভিনেত্রী ববি, পেলেন জামিন
- ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত
- ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বিল আটকে দিলেন ডেমোক্র্যাটরা
- মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে, কারবারিরা সংসদে যায়
- অস্ত্রের মজুত কমছে যুক্তরাষ্ট্রের
- হরমুজ দখলে নিয়ে ২০ শতাংশ শুল্ক চালুর ঘোষণা ট্রাম্পের
- বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা
- ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি, মাসে দিবি ১০ লাখ’
- এবার জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন সাদিক কায়েম
- ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে আরও হামলা, পাল্টা আঘাত তেহরানের
- প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় থাকবে ৪০ কিমি জুড়ে মানবপ্রাচীর
- ইরানে পানির পাম্পে মার্কিন হামলা, হতাহত ৫
- প্রতারণা মামলায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি
- ওয়াশিংটন পোস্টের বিশ্লেষণ
- মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রেল সেতু পুনরায় চালু করল ইরান
- ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭
- ‘হরমুজ প্রণালি কয়েক ডজন পারমাণবিক বোমার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ’
- আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ঢুকছে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পালটাপালটি হামলায় ফের ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
- রাষ্ট্রায়ত্ত ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা
- থামছে না বৃষ্টি, আজও ভারি বর্ষণের আভাস
- নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সমন
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- মেটার ঘোষণা: ব্রাউজার ও ডেস্কটপে বন্ধ হচ্ছে মেসেঞ্জার
- আজকাল ৯১০
- কোচ জাকির মৃত্যুতে মাশরাফি-তাসকিনদের শোক
- আজকাল ৯১১
- আজকাল ৯১৫
- হোটেল রুমে একাধিক গোপন ক্যামেরা, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
- অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষ ১০ দেশ
- নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন...
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ খাশোগি
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
ট্রাম্পের মুখোমুখি পেন্স - কমিউনিটির স্বার্থে দুই তরুণের উদ্ভাবিত প্লাটফর্ম ‘লিস্টুলেট ডট কম
- সাপ্তাহিক আজকাল সংখ্যা ৭৮১
- বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত
- নেশার অপর নাম ফোর্টনাইট গেম!
- কে কত বিলিয়নের মালিক?
- এই সংখা ৮১৪
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠছে : রাশিয়া
- যে কোনো সময় মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের, যা ঘটতে চলেছে…
- শেখ হাসিনাকে চায় না যুক্তরাষ্ট্র!
- ‘জেনা করা পাপ তবে পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় পেশার অংশ’
