গার্মেন্টস শিল্পে অসন্তোষের পেছনে বিএনপি ও বামরা
নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকদের মধ্যে বেতন-ভাতার দাবিতে অসন্তোষ ছড়িয়ে অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য, নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে নির্বাচন বিরোধী অশুভ মহল। গার্মেন্টস শিল্পের নারী শ্রমিকদের ধর্ষণ, খুন, আগুন, ভাঙচুর করার মতো সহিংস সন্ত্রাসের তান্ডবলীলা চালিয়ে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে ছক কষেছে নির্বাচন বিরোধী অশুভ মহল।
গত দু’দিনে নারায়ণগঞ্জে ও গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে রাস্তায় নামিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টির মাধ্যমে সহিংসতার সৃষ্টি করা হয়েছে। সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা শক্ত হাতে মোকাবেলা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি। নারায়ণগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, চট্টগ্রামের পাঁচ শতাধিক গার্মেন্টস শিল্পে শুরু করা হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ সদর দফতর সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্টস শিল্পাঞ্চলখ্যাত ফতুল্লা এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির নামে গার্মেন্টস শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এসে রাস্তা ব্যারিকেড, ভাংচুর, কাজ বন্ধ করে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ফতুল্লার ফকির এ্যাপারেল, ক্রমী গ্রুপ, অবন্তি কালার, এনা ট্যাক্স, নেভি হোসিয়ারি, মিন টেক্সসহ বেশ কয়েকটি গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিক কাজ বন্ধ করে রাস্তায় এসে ভাংচুর, পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে। এতে কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছে। ওসি মঞ্জুর কাদের নিজেও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। পুলিশ ১৩ জন শ্রমিককে আটকের পর মালিকপক্ষ তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে। এই বিষয়ে মামলা, জিডি হয়েছে।
গাজীপুর পুলিশ জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জের পর গাজীপুরেও গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকরা রাস্তা ব্যারিকেড করে ভাংচুরসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে গাজীপুর পুলিশের দাবি।
গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে এক বা একাধিক মহল পোশাক খাতে অসন্তোষ সৃষ্টির পাঁয়তারা চালানোর বিষয়ে বিএনপির এক নেতার সঙ্গে বামপন্থী এক নেতার গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ওই নেতারা বিএনপির ও বামপন্থী নেতা-উভয়েই গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ ছাড়াও গার্মেন্টস শিল্পে শ্রমিকের কাজ করেন না, অথচ শ্রমিক নেতা এমন বেশ কয়েকজন শ্রমিক নেতা একাধিক গোপন বৈঠকে মিলিত হয়ে গার্মেন্টস শিল্পে অসন্তোষ ছড়িয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার ছক কষেছে।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনটি ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকদের বেতন-ভাতার দাবি তুলে তাদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে দিয়ে সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়ার মধ্যে নারী শ্রমিকদের দু’একজনকে ধর্ষণ, ধর্ষণের পর খুন করার পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এই ধরনের ঘটনা ঘটানোর পর তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গুজব ছড়িয়ে দিয়ে গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে তোলার জন্য তৎপরতা চালানো হয়।
নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের কয়েকটি গার্মেন্টস শিল্পে বেতন-ভাতার দাবি বাড়ানোর ধুয়া তুলে গত দুই তিন দিনে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকদের রাস্তায় নামিয়ে এনে মহড়া দেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ও বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পটভূমিতে কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। নির্বাচন শেষে বিজয়ী দলের নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথ ও দায়িত্বভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত এ নজরদারি চলবে। এরই মধ্যে তৈরি পোশাক কারাখানা অধ্যুষিত নারায়ণগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, চট্টগ্রাম ও টঙ্গী এলাকা নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ বা বানচাল করার জন্য চক্রান্তকারী ও একই সঙ্গে কথিত শ্রমিক নেতা পরিচিতদের গতিবিধিও নজরে রাখছেন দেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।যেহেতু দেশের তৈরি পোশাক খাত একটি স্পর্শকাতর খাত।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের উন্নত দেশ ও সংস্থার বায়ারদের নজর রয়েছে এদিকে। অসাধু চক্রটি সহজে গোয়েন্দা নজরে আনা কারখানাগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগর এলাকায় রয়েছে প্রায় দুইশ’। দেড়শ কারখানা রয়েছে চট্টগ্রামে। এ ছাড়া বাকি কারখানা রয়েছে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়াসহ অন্যান্য এলাকায়। অসন্তোষ প্রবণ এসব এলাকায় শিল্পাঞ্চল পুলিশ ছাড়াও সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নজরদারি করছেন।
তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, গত ১ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর করা হয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো। আগামী ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে শ্রমিকরা বেতন পাবেন নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী।
এ বেতন কাঠামো নিয়ে শুরু থেকেই শ্রমিকদের মধ্যে একধরনের অসন্তোষ চালানোর পাঁয়তার চালানো হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জে কিছু গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে অসন্তোষ সৃষ্টি করে শ্রমিকদের গার্মেন্টেসের বাইরে নিয়ে আসা হয়েছে। গাজীপুরের কিছু ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা কাজ করেননি, তাদের অভিযোগ বেতন কম বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, এবার ইলেকশন আছে, আমরা কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবো না। এই আন্দোলন শ্রমিক পক্ষের হোক আর মালিক পক্ষের হোক। শ্রমিকদের উস্কে দিয়ে সেটিকে একটি অসাধু মহল কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে। একাদশ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়টাকে বেছে নিতে চাচ্ছে ওই অসাধু মহলটি।
পুলিশ সদর দফতরের একজন কর্মকর্তা বলেন, গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি করে অঘটন ঘটানোর বিষয়টি নজরে এনেছে গোয়েন্দা সংস্থা। তিনি বলেন, শুধু নজরদারি নয়, প্রয়োজন হলে এ্যাকশনে যাবে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার প্রয়োজনে যে কোন কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পিছপা হবে না। যে কোন মূল্যে নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বা নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হতে দেবে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
- নারীর মরদেহ থেকে স্বর্ণের কানের দুল খুলে নিলেন কর্মচারী
- অনলাইনে পোস্ট নিয়ে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের গ্রেপ্তার করছে সৌদি
- শুধু জুনেই হতাহত ৩৮ হাজারের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা
- যুবদল নেতার কার্যালয়ে আটকে ৪ যুবককে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
- খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান
- গাজা-পশ্চিম তীরে দখল বাড়াচ্ছে ইসরাইল
- সার্কাসের দড়িতে হাঁটছে বিশ্বশান্তি
- ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
- লেনদেনে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারে নতুন নির্দেশনা
- জুলাই নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করলেন মেহের আফরোজ শাওন
- ‘শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে’
- সুইডেনকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স, শেষ ষোলোয় প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে
- ৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে চম্পট দেন এনসিপি নেতারা
- মস্কোর স্যাটেলাইট সেন্টারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা
- ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বিজয়ী চীন
- রক্তাক্ত জুলাই
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে গণ-অভ্যুত্থান - হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল
- মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা
- আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল, কে আগে স্বীকৃতি দিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে
- গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট
- নতুন পে-স্কেলের খসড়ায় মূল বেতন বাড়ছে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত
- দুর্নীতির সংবাদ করায় এনায়েত শাওনকে বিটিআরসি কর্মকর্তার হুমকি
- ট্রাম্পের বরখাস্ত ক্ষমতা বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট,
- তেলের দাম কমার কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি ট্রাম্পের
- শেষ মুহুর্তের গোলে শেষ ষোলোর টিকিট কাটল ব্রাজিল
- জিপিএস, নজরদারি ও স্যাটেলাইট বিধ্বংসী প্রযুক্তিতে এগিয়ে চীন
- ৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা ফেরত নিয়ে বড় ঘোষণা
- নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর
- মার্কিন ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সুমাইয়া
- ইউরোপে তাপপ্রবাহজনিত কারণে ১৩০০ মৃত্যু: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
- প্রতিমন্ত্রী নূরসহ বিগ বাজেটের মিডিয়া বিনিয়োগ নিয়ে চাঞ্চল্য
- আজকের সংখ্যা ৯০৩
- আজকাল ৯০০
- আজকাল ৯০২
- আজকাল ৯০৪
- আজকাল ৯০১
- উস্কানির অভিযোগে ইলিয়াসের আরেক পেজ সরাল মেটা
- গ্রেফতারের আগে খালেদাকে নিয়ে শওকত মাহমুদ
- কাবা শরিফ ও মদিনায় ৩০ দিনে ৭ কোটি ৮৮ লাখ মুসল্লি
- আজকাল ৯২১
- আজকাল ৯০৫ তম সংখ্যা
- অর্ধশতাব্দী পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
- সিনেটে ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী ‘স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ’ বিল উত্থাপ
- নির্বাচনের আগে হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা
- আজকাল ৯০৬ তম সংখ্যা
- এটা আমার নতুন অধ্যায়ের সূচনা, বহিষ্কার হওয়ার পর রুমিন ফারহানা
- আজকাল ৯০৭
- আজকাল ৯০৮
- আজকের সংখ্যা ৯১৭
- আজকাল ৯১০
- অবৈধদের সন্তানরা নাগরিকত্ব পাবে না
- আমি আমার ৩টি টার্গেট ঠিক করে নিয়েছে : এসপি হারুন
- নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের পাশে নেই বিএনপি
- নতুন ইমিগ্র্যান্ট ঠেকাতে সিনেটে বিল পাস
- রোববার থেকে স্টুডেন্ট লোন মওকুফ কার্যক্রম শুরু
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তালিকায় ১১ বাংলাদেশির নাম
- কাল ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দিন
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাতভর ফ্লাইট উড্ডয়ন বন্ধ
- ডিপোর্টেশন আতংকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
- ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত গ্যাস
- ট্রাম্প-বাইডেন দু’জনই বুড়ো, কাউকে পছন্দ না ভোটারদের
- নাগরিকত্ব পেতে ইন্টারভিউ দিতে হবে না
- অনিশ্চয়তার মুখে ২ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- ইংরেজিতে দুর্বলদের জন্য দুঃসংবাদ
নাগরিকত্ব পরীক্ষায় পরিবর্তন আসছে - যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি আমলা-পুলিশের
